খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন: সভাপতি ফাহিম, সম্পাদক সুজয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন: সভাপতি ফাহিম, সম্পাদক সুজয়

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন: সভাপতি ফাহিম, সম্পাদক সুজয়

জাতীয় ডেস্ক: শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও পুঁজির প্রভাবমুক্তির প্রত্যয় নিয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে ছাত্র রাজনীতির নতুন ধারা গড়ে তোলার ডাক দেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এই আয়োজনটি একটি প্রাণবন্ত সমাবেশে রূপ নেয়। সম্মেলনের মূল স্লোগান ছিল শিক্ষার পণ্যায়ন নয়, পুঁজির দাসত্ব নয়, চাই আপসহীন শ্রেণিসংগ্রাম।

সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পাটকল আন্দোলনের বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা আলমগীর হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। উদ্বোধনী পর্ব শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল। পরে দুপুরের দিকে শুরু হয় মূল ছাত্রসমাবেশ ও নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচিতি পর্ব, যেখানে সভাপতিত্ব করেন বিদায়ী সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান।

সমাবেশে আমন্ত্রিত অতিথিরা বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। পশ্চিমবঙ্গের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অর্ক ভাদুড়ী বলেন, বর্তমান বিশ্বের তরুণরা একটি নতুন সমাজ গঠনের শপথ নিচ্ছে এবং ছাত্রসমাজকে শ্রমিক শ্রেণির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে। অন্যদিকে আইনজীবী ও সাংবাদিক মানজুর আল মতিন বামপন্থী রাজনীতি সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা ভাঙার ওপর জোর দিয়ে বলেন যে এই রাজনীতির শক্তি দিয়েই সমাজে বিভাজন দূর করতে হবে।

সম্মেলন শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। এতে ফাহিম আহমদ চৌধুরীকে সভাপতি এবং সুজয় বিশ্বাস শুভকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। নতুন এই কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন সহসভাপতি তানজিনা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক স্কাইয়া ইসলাম, অর্থ সম্পাদক রাকিব মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ধ্রুব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক তাহমিদ হোসাইন, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আয়েশা আক্তার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ভূমিকা সরকার।

advertisement
advertisement

ঝুঁকিতে বনের পরিবেশ: প্লাস্টিকের চাপে সুন্দরবন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঝুঁকিতে বনের পরিবেশ: প্লাস্টিকের চাপে সুন্দরবন

ঝুঁকিতে বনের পরিবেশ: প্লাস্টিকের চাপে সুন্দরবন

জাতীয় ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন বর্তমানে মারাত্মক প্লাস্টিক দূষণের কবলে পড়েছে। বনের ভেতরে কটকা, কচিখালী, জামতলা ও ডিমের চরসহ বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে পলিথিন, নাইলন জাল, প্লাস্টিকের বোতল এবং কর্কশিটের মতো ক্ষতিকর বর্জ্য। জোয়ারের পানির সঙ্গে ভেসে আসা এসব বর্জ্য উদ্ভিদের বীজের সঙ্গে আটকে গিয়ে বনের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করছে। স্থানীয় বনজীবীরা জানিয়েছেন যে বনের যেসব স্থানে প্লাস্টিকের আধিক্য বেশি, সেখানে কাঁকড়া ও শামুকের মতো তলদেশবাসী প্রাণীর উপস্থিতি আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিত্যক্ত জাল এবং প্লাস্টিকের দড়ি নতুন চারার সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়ায় গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক স্থানে গাছের শ্বাসমূল পলিথিনে ঢাকা পড়ে যাওয়ার কারণে প্রাকৃতিকভাবে নতুন চারা জন্মানোর হারও হ্রাস পাচ্ছে। দৃশ্যমান এই দূষণের পাশাপাশি সুন্দরবনের পরিবেশের জন্য আরও বড় বিপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। বড় প্লাস্টিক বর্জ্য ভেঙে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়ে মাটি ও পানির সঙ্গে মিশে যাওয়ায় বনের জলজ বাস্তুতন্ত্র এক গভীর সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

বিভিন্ন গবেষণায় সুন্দরবনের জলজ খাদ্যশৃঙ্খলের বিভিন্ন স্তরের প্রাণীর দেহে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ভয়াবহ উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ২০২২ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে সুন্দরবনের খাদ্যজালের বিভিন্ন স্তরের প্রাণীর পেটে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা প্রবেশ করেছে। এছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় সুন্দরবনের নদী ও খালের পানি, মাটি এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পরিপাকতন্ত্রে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। গবেষকদের আশঙ্কা, এর ফলে জলজ প্রাণীর স্বাভাবিক কার্যক্রম ও প্রজননক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

পরিবেশবিদ ও গবেষকরা এই পরিস্থিতি উত্তরণে দৃশ্যমান প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি বৈজ্ঞানিক গবেষণার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতি অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে। তবে পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন যে জনবলসংকটের মধ্যেও তাঁরা নিয়মিত বর্জ্য পরিষ্কার ও পর্যটকদের সচেতন করার চেষ্টা করছেন। মূলত সাগর ও নদীপথ দিয়ে বাইরে থেকে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্যই বনের সুরক্ষার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রামেক হাসপাতাল: পোড়া এক্স-রে মেশিন পকেট কাটছে সিন্ডিকেট

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রামেক হাসপাতাল: পোড়া এক্স-রে মেশিন পকেট কাটছে সিন্ডিকেট

রামেক হাসপাতাল: পোড়া এক্স-রে মেশিন পকেট কাটছে সিন্ডিকেট

অপরাধ ডেস্ক: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন পুড়ে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে সেটি মেরামত বা নতুন মেশিন স্থাপন করা হয়নি। এর ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়া রোগীদের জিম্মি করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট অতিরিক্ত অর্থে বাইরে থেকে মেশিন এনে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত জানুয়ারির শেষ দিকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সামনে রাখা সচল পোর্টেবল এক্স-রে মেশিনটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে মুহূর্তেই মূল্যবান মেশিনটি সম্পূর্ণ পুড়ে অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাজপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

ঘটনার পরপরই হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের একজন অধ্যাপককে প্রধান করে ৯ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং তারা নির্দিষ্ট সময়েই প্রতিবেদন জমা দেন। তবে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে মুখে মাস্ক পরা এক ব্যক্তিকে আগুন দিয়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেলেও পুলিশ এখনো পর্যন্ত তাকে শনাক্ত করতে পারেনি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, কাউকে চিহ্নিত করতে না পারায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এদিকে মেশিন পুড়িয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের হাত রয়েছে কি না, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মনে।

জরুরি প্রয়োজনে ওয়ার্ডের ভেতরে এক্স-রে করার সুবিধা বন্ধ থাকায় রোগীদের এখন অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে বাইরের সিন্ডিকেটের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। হাসপাতালের নিজস্ব রেডিওলজি বিভাগে নামমাত্র খরচে এই পরীক্ষা করা গেলেও বাইরে থেকে আনা মেশিনে রোগীদের গুনতে হচ্ছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের দেয়ালে গোপনে এই সেবার প্রচারপত্রও সাঁটানো হয়েছে এবং ছুটির দিনেও চড়া মূল্যে এক্স-রে করার অফার দেওয়া হচ্ছে। এতে দরিদ্র রোগীরা আর্থিক দিক থেকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, পুড়ে যাওয়া মেশিনটি মেরামতের জন্য জাতীয় ইলেকট্রো-মেডিকেল ইকুইপমেন্ট রক্ষণাবেক্ষণ কর্মশালায় একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নতুন মেশিন ক্রয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং তারা দ্রুত সংকট সমাধানের আশা প্রকাশ করছেন। ইতিমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে হাসপাতালের পরিচালকের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ফিরিয়ে নেওয়া হলেও প্রশাসনিক পালাবদলের এই সময়ে সাধারণ রোগীদের ভোগান্তি এখনো কমাতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ক্ষমতা হারানোর ভয়েই কি আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছেন নেতানিয়াহু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ক্ষমতা হারানোর ভয়েই কি আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছেন নেতানিয়াহু

ক্ষমতা হারানোর ভয়েই কি আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছেন নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে নানা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশের মতে, নিজ দেশের বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে দুর্বল করা এবং নিজের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করাই তার মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে দেশটির রাজনীতিতে আরব দলগুলোর প্রভাব এবং তাদের সম্ভাব্য জোট গঠনের প্রচেষ্টায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন তিনি। নিজের শাসনকাল টিকিয়ে রাখতে তিনি যেকোনো কৌশল গ্রহণ করতে দ্বিধাবোধ করছেন না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্লেষকদের এই ধারণার পেছনে মূল যুক্তি হলো গাদি আইজেনকটকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করা। নেতানিয়াহু এমন এক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছেন যেখানে আইজেনকট চাইলেও আরব দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কোনো বিকল্প সরকার গঠনের কথা চিন্তা করতে পারবেন না। এই কৌশলের অংশ হিসেবেই আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে আক্রমণ ও রাজনৈতিক চাপ ক্রমাগত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তিনি নিজের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মাঠ থেকে হটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

ইসরায়েলি রাজনীতিতে আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মতো বড় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ইতিহাস রয়েছে। অতীতে এই দলগুলোর সহযোগিতায় বিরোধীরা সরকারের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও যদি আরব দলগুলো কোনো প্রভাবশালী বিরোধী নেতার সঙ্গে হাত মেলায়, তবে নেতানিয়াহুর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতা হুমকির মুখে পড়তে পারে। সেই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলা করতেই তিনি আক্রমণাত্মক কৌশল বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে নেতানিয়াহুর এই রাজনৈতিক কৌশল শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশারদ। আরব দলগুলোর ওপর ধারাবাহিক আক্রমণ ও চাপ প্রয়োগের ফলে সমাজে বিভাজন আরও তীব্র হতে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। তাছাড়া এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলেও সমালোচনার মুখে পড়ছে। ফলে সব মিলিয়ে ইসরায়েলি রাজনীতিতে আগামী দিনগুলোতে বড় ধরনের রাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।