খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

গায়ে পা লাগলে ‘সালাম’ করা: প্রথা নাকি বিধান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গায়ে পা লাগলে ‘সালাম’ করা: প্রথা নাকি বিধান

গায়ে পা লাগলে ‘সালাম’ করা: প্রথা নাকি বিধান

ধর্ম ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনে চলাফেরার সময় মানুষের ভিড়ে কিংবা অসাবধানতাবশত অনেক সময় একজনের পা অন্যজনের গায়ে লেগে যায়। আমাদের সমাজে এই ধরনের পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে পা ছুঁয়ে সালাম করার বা বিশেষ শারীরিক ভঙ্গি প্রদর্শনের একটি প্রচলিত সংস্কৃতি রয়েছে। বহু মানুষ এটিকে নিছক সামাজিক শিষ্টাচার বা ভদ্রতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইসলাম ধর্মে এই ধরনের আচরণের বাস্তবিক কোনো ধর্মীয় ভিত্তি বা সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে কি না।

ইসলাম ধর্মে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, মার্জিত আচরণ এবং একে অপরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ওপর সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভুলবশত বা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কারো গায়ে আঘাত লাগলে কিংবা সামান্য ভুল হলে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করা বা দুঃখ প্রকাশ করা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত প্রশংসনীয় গুণ। তবে পা লাগার মতো সাধারণ ঘটনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো শারীরিক ভঙ্গি বা সালাম দেওয়ার প্রথা সরাসরি শরিয়তের কোনো বিধান বা বাধ্যতামূলক নির্দেশ হিসেবে কোথাও নির্ধারিত নেই।

ইসলামি গবেষক ও বিশিষ্ট আলেমদের মতে, এই প্রথাটি মূলত বাঙালি সংস্কৃতির দীর্ঘদিনের সামাজিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক ভক্তি-শ্রদ্ধার একটি বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এর সঙ্গে খাঁটি ধর্মীয় অনুশাসনের সরাসরি কোনো সম্পর্ক বা বাধ্যবাধকতা নেই। মানুষ নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্য বজায় রাখতে এবং ভুলত্রুটি সংশোধনের উদ্দেশ্যে এই ধরনের সামাজিক আচরণকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেছে। তবে এটিকে ধর্মীয় বিধান মনে করা বা এর ব্যত্যয় ঘটলে পাপ হবে বলে বিশ্বাস করার কোনো অবকাশ নেই।

পরিশেষে বলা যায়, সংস্কৃতির অংশ হিসেবে এই ধরনের আচার-ব্যবহার মানুষের সামাজিক জীবনকে আরও সুন্দর ও মাধুর্যমণ্ডিত করে তুলতে পারে। ইসলাম কখনো মানুষের সুস্থ সামাজিক রীতিনীতিকে বাধা দেয় না, যদি না তা শরিয়তের মৌলিক নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়। তাই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কারো গায়ে পা লেগে গেলে পারস্পরিক ক্ষমা ও শালীনতাই ইসলামি জীবনবোধের মূল কথা, কোনো নির্দিষ্ট ভঙ্গির বাধ্যবাধকতা সেখানে নেই।

advertisement
advertisement

নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে

নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও তাঁর ডানপন্থী জোট প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসা এই নেতার রাজনৈতিক অস্তিত্ব এখন এক গভীর সঙ্কটের মুখে পড়েছে। তবে বিরোধী দলগুলোও এখনো সরকার গঠনের মতো একক বা সম্মিলিত ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি, যা ইসরায়েলি রাজনীতিতে এক দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা ও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নির্বাচনে নেতানিয়াহু তাৎক্ষণিকভাবে জয়ী হতে পারেননি বটে, তবে তাঁকেও পুরোপুরি পরাজিত হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।

নির্বাচনের সিংহভাগ ভোট গণনার পর দেখা গেছে, ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি প্রায় ২৬টি আসন পেতে চলেছে এবং তাঁর পুরো ডানপন্থী জোটের আসনসংখ্যা ৫৩টিতে গিয়ে ঠেকতে পারে। অথচ সরকার গঠন করতে হলে কমপক্ষে ৬১টি আসনের ম্যাজিক ফিগার প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের দল ২১টি আসন অর্জন করতে পারে বলে প্রাথমিক তথ্যে আভাস মিলেছে। এছাড়া বিরোধী জোটের দলগুলোর সম্মিলিত আসনসংখ্যা প্রায় ৪৮টিতে পৌঁছালেও সরকার গঠনের জন্য তাদের শেষ পর্যন্ত আরব দলগুলোর সমর্থন ও সহযোগিতার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

ইসরায়েলের রাজনীতিতে এবার আরব ও ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ভোটার উপস্থিতি নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির নির্বাচনী সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। গাজায় চলমান যুদ্ধের প্রভাব, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ এবং সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতি ও বর্ণবাদী আচরণের কারণে আরব ভোটাররা এবার অধিক মাত্রায় কেন্দ্রে এসেছিলেন। এর ফলে রা’আম ও জয়েন্ট লিস্ট নামক দুটি আরব দল সম্মিলিতভাবে প্রায় রেকর্ড ১৯টি আসন পেতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। তবে আরব দলগুলোর এই সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্থান ও তাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করা নিয়ে বিরোধী শিবিরের মধ্যেও অভ্যন্তরীণ তীব্র মতপার্থক্য ও বিভেদ রয়েছে।

সেনাসদস্য, কূটনীতিক, বন্দী ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের প্রায় সাড়ে চার লাখ দ্বৈত খামের ব্যালট গণনা বাকি থাকায় চূড়ান্ত নির্বাচনী ফলাফলে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এই বিপুলসংখ্যক ভোট দশটির বেশি আসনের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে সক্ষম। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে এমন একজনকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন যাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকার গঠন করা সম্ভব না হলে ইসরায়েলকে শেষ পর্যন্ত আরেকটি নতুন নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হতে পারে।

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন: সভাপতি ফাহিম, সম্পাদক সুজয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন: সভাপতি ফাহিম, সম্পাদক সুজয়

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন: সভাপতি ফাহিম, সম্পাদক সুজয়

জাতীয় ডেস্ক: শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও পুঁজির প্রভাবমুক্তির প্রত্যয় নিয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে ছাত্র রাজনীতির নতুন ধারা গড়ে তোলার ডাক দেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এই আয়োজনটি একটি প্রাণবন্ত সমাবেশে রূপ নেয়। সম্মেলনের মূল স্লোগান ছিল শিক্ষার পণ্যায়ন নয়, পুঁজির দাসত্ব নয়, চাই আপসহীন শ্রেণিসংগ্রাম।

সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পাটকল আন্দোলনের বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা আলমগীর হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। উদ্বোধনী পর্ব শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল। পরে দুপুরের দিকে শুরু হয় মূল ছাত্রসমাবেশ ও নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচিতি পর্ব, যেখানে সভাপতিত্ব করেন বিদায়ী সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান।

সমাবেশে আমন্ত্রিত অতিথিরা বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। পশ্চিমবঙ্গের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অর্ক ভাদুড়ী বলেন, বর্তমান বিশ্বের তরুণরা একটি নতুন সমাজ গঠনের শপথ নিচ্ছে এবং ছাত্রসমাজকে শ্রমিক শ্রেণির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে। অন্যদিকে আইনজীবী ও সাংবাদিক মানজুর আল মতিন বামপন্থী রাজনীতি সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা ভাঙার ওপর জোর দিয়ে বলেন যে এই রাজনীতির শক্তি দিয়েই সমাজে বিভাজন দূর করতে হবে।

সম্মেলন শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। এতে ফাহিম আহমদ চৌধুরীকে সভাপতি এবং সুজয় বিশ্বাস শুভকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। নতুন এই কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন সহসভাপতি তানজিনা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক স্কাইয়া ইসলাম, অর্থ সম্পাদক রাকিব মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ধ্রুব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক তাহমিদ হোসাইন, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আয়েশা আক্তার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ভূমিকা সরকার।

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়ল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়ল

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়ল

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সব মোটরসাইকেলের সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা আরও দেড় মাস বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি এক ফেসবুক বার্তার মাধ্যমে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে দেশের সড়ক পরিবহণ খাতের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সরকারি এই নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকরা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের দুই চাকার যানে এই নম্বরপ্লেট যুক্ত করার সুযোগ পাবেন। এর ফলে মালিকরা কিছুটা বাড়তি সময় পেলেন এবং নিজ দায়িত্বে এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন।

এর আগে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে মোটরসাইকেলগুলোর পেছনের নম্বরপ্লেটের পাশাপাশি সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই উদ্দেশ্যে দেশের সব মোটরসাইকেল মালিককে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত সঠিক মাপ ও নকশা মেনে সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট বসানোর কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রথম দফায় এই কাজ সম্পন্ন করার জন্য ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল।

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধান অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনের অংশে সরকারের অনুমোদিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা আরএফআইডিসহ উন্নত মানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব নম্বরপ্লেট ব্যবহার করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু পেছনেই নয়, বরং সামনের অংশেও একইভাবে স্পষ্ট করে নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন করতে হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা শৃঙ্খলাপূর্ণ করা এবং অপরাধ রোধে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নতুন এই নির্দেশনায় সামনের ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেটের সুনির্দিষ্ট আকার বা মাপও নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ। স্কুটার জাতীয় যানের ক্ষেত্রে নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে দুইশ মিলিমিটার এবং প্রস্থ একশ মিলিমিটার, যেখানে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে বিশ মিলিমিটার রাখতে হবে। অন্যদিকে সাধারণ মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য দুইশ পঁচাশি মিলিমিটার এবং প্রস্থ পঞ্চাশ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এগুলোতেও অক্ষরের উচ্চতা বিশ মিলিমিটার থাকতে হবে। বিআরটিএর এই নিয়ম মেনে একটি নির্দিষ্ট আনুভূমিক রেখায় নিবন্ধন নম্বরটি পরিষ্কারভাবে লিখতে হবে বলে জানানো হয়েছে।