খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

নোয়াখালীতে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ, তদন্ত চায় জামায়াত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ, তদন্ত চায় জামায়াত

নোয়াখালীতে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ, তদন্ত চায় জামায়াত

জাতীয় ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরে দলটির পক্ষ থেকে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের জোর দাবি জানানো হয়েছে। জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার সংবাদ সম্মেলনে সশরীরে উপস্থিত থেকে এই গুরুতর অভিযোগগুলো গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং সারের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় যে, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা নিয়মকানুন সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। যাদের সার ব্যবসার কোনো পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই, নিজস্ব দোকান কিংবা নির্ধারিত গুদাম নেই—এমন অযোগ্য ব্যক্তিদেরও রাজনৈতিক বিবেচনায় ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কোথাও কোথাও কৃষি কর্মকর্তার নিকটাত্মীয়কে ডিলারশিপ দেওয়ার মতো অনৈতিক ঘটনার তথ্যও পাওয়া গেছে। পক্ষান্তরে, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন এবং যাদের নিজস্ব অবকাঠামোগত সক্ষমতা রয়েছে, এমন বহু প্রকৃত ব্যবসায়ী ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

অভিজ্ঞতাহীন ও অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের হাতে সারের মতো কৃষিপণ্যের ডিলারশিপ তুলে দেওয়ায় সার সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াত নেতারা। তাঁদের আশঙ্কা, এই অব্যবস্থাপনার সুযোগ নিয়ে অতীতে ভারতের পাশাপাশি এবার মিয়ানমারেও সার পাচার হওয়ার গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার এভাবে দেশের বাইরে পাচার হয়ে গেলে স্থানীয় বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয়, পাচারের এই চোরাৈপথ ব্যবহার করে দেশে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য প্রবেশের আশঙ্কাও রয়েছে, যা দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।

ডিলার নিয়োগের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে বারবার লিখিত অভিযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন ইসহাক খন্দকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ একে অপরের ওপর দোষ চাপিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সমস্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে প্রকৃত ও অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের হাতে ডিলারশিপ পুনর্বহাল এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এই জামায়াত নেতা।

advertisement
advertisement

তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের ১০৩তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রমিস সেন সম্প্রতি গুলশানের হোটেল গ্র্যান্ড বলরুমে এই কূটনৈতিক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই জমকালো আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয় এবং দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিনিধি দলে জামায়াতের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন যারা তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতের শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের উদ্দেশে একটি বিশেষ শুভেচ্ছাবাণী রাষ্ট্রদূত রমিস সেনের হাতে তুলে দেন। ওই শুভেচ্ছাবাণীতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তুরস্কের সরকার ও ভ্রাতৃত্বপ্রতীম জনগণকে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। রাষ্ট্রদূত আন্তরিকতার সঙ্গে এই শুভেচ্ছা বার্তা গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে জামায়াত নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের কূটনৈতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও বেশি সম্প্রসারিত হবে বলে তারা গভীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই উপস্থিতি দুই দেশের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে।

নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে

নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও তাঁর ডানপন্থী জোট প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসা এই নেতার রাজনৈতিক অস্তিত্ব এখন এক গভীর সঙ্কটের মুখে পড়েছে। তবে বিরোধী দলগুলোও এখনো সরকার গঠনের মতো একক বা সম্মিলিত ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি, যা ইসরায়েলি রাজনীতিতে এক দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা ও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নির্বাচনে নেতানিয়াহু তাৎক্ষণিকভাবে জয়ী হতে পারেননি বটে, তবে তাঁকেও পুরোপুরি পরাজিত হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।

নির্বাচনের সিংহভাগ ভোট গণনার পর দেখা গেছে, ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি প্রায় ২৬টি আসন পেতে চলেছে এবং তাঁর পুরো ডানপন্থী জোটের আসনসংখ্যা ৫৩টিতে গিয়ে ঠেকতে পারে। অথচ সরকার গঠন করতে হলে কমপক্ষে ৬১টি আসনের ম্যাজিক ফিগার প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের দল ২১টি আসন অর্জন করতে পারে বলে প্রাথমিক তথ্যে আভাস মিলেছে। এছাড়া বিরোধী জোটের দলগুলোর সম্মিলিত আসনসংখ্যা প্রায় ৪৮টিতে পৌঁছালেও সরকার গঠনের জন্য তাদের শেষ পর্যন্ত আরব দলগুলোর সমর্থন ও সহযোগিতার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

ইসরায়েলের রাজনীতিতে এবার আরব ও ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ভোটার উপস্থিতি নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির নির্বাচনী সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। গাজায় চলমান যুদ্ধের প্রভাব, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ এবং সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতি ও বর্ণবাদী আচরণের কারণে আরব ভোটাররা এবার অধিক মাত্রায় কেন্দ্রে এসেছিলেন। এর ফলে রা’আম ও জয়েন্ট লিস্ট নামক দুটি আরব দল সম্মিলিতভাবে প্রায় রেকর্ড ১৯টি আসন পেতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। তবে আরব দলগুলোর এই সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্থান ও তাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করা নিয়ে বিরোধী শিবিরের মধ্যেও অভ্যন্তরীণ তীব্র মতপার্থক্য ও বিভেদ রয়েছে।

সেনাসদস্য, কূটনীতিক, বন্দী ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের প্রায় সাড়ে চার লাখ দ্বৈত খামের ব্যালট গণনা বাকি থাকায় চূড়ান্ত নির্বাচনী ফলাফলে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এই বিপুলসংখ্যক ভোট দশটির বেশি আসনের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে সক্ষম। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে এমন একজনকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন যাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকার গঠন করা সম্ভব না হলে ইসরায়েলকে শেষ পর্যন্ত আরেকটি নতুন নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হতে পারে।

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন: সভাপতি ফাহিম, সম্পাদক সুজয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন: সভাপতি ফাহিম, সম্পাদক সুজয়

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন: সভাপতি ফাহিম, সম্পাদক সুজয়

জাতীয় ডেস্ক: শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও পুঁজির প্রভাবমুক্তির প্রত্যয় নিয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের প্রথম জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে ছাত্র রাজনীতির নতুন ধারা গড়ে তোলার ডাক দেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এই আয়োজনটি একটি প্রাণবন্ত সমাবেশে রূপ নেয়। সম্মেলনের মূল স্লোগান ছিল শিক্ষার পণ্যায়ন নয়, পুঁজির দাসত্ব নয়, চাই আপসহীন শ্রেণিসংগ্রাম।

সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পাটকল আন্দোলনের বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা আলমগীর হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। উদ্বোধনী পর্ব শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল। পরে দুপুরের দিকে শুরু হয় মূল ছাত্রসমাবেশ ও নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচিতি পর্ব, যেখানে সভাপতিত্ব করেন বিদায়ী সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান।

সমাবেশে আমন্ত্রিত অতিথিরা বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। পশ্চিমবঙ্গের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অর্ক ভাদুড়ী বলেন, বর্তমান বিশ্বের তরুণরা একটি নতুন সমাজ গঠনের শপথ নিচ্ছে এবং ছাত্রসমাজকে শ্রমিক শ্রেণির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে। অন্যদিকে আইনজীবী ও সাংবাদিক মানজুর আল মতিন বামপন্থী রাজনীতি সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা ভাঙার ওপর জোর দিয়ে বলেন যে এই রাজনীতির শক্তি দিয়েই সমাজে বিভাজন দূর করতে হবে।

সম্মেলন শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। এতে ফাহিম আহমদ চৌধুরীকে সভাপতি এবং সুজয় বিশ্বাস শুভকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। নতুন এই কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন সহসভাপতি তানজিনা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক স্কাইয়া ইসলাম, অর্থ সম্পাদক রাকিব মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ধ্রুব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক তাহমিদ হোসাইন, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আয়েশা আক্তার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ভূমিকা সরকার।