খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটন ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি বন্ধুভাবাপন্ন দেশের মধ্যে পর্যটন অংশীদারত্ব জোরদার করার পাশাপাশি জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান যে প্রচলিত পর্যটনের বাইরে চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রিক ভ্রমণ দুই দেশের জন্যই একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হতে পারে।

রাজধানীর ওই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের চিকিৎসা খাতের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। এর মাধ্যমে বিশেষায়িত এই পর্যটন খাতে নতুন সুযোগ অনুসন্ধানে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। পাকিস্তানি কূটনীতিক আশা প্রকাশ করেন যে এই ধরনের অংশগ্রহণের ফলে দুই দেশের ব্যবসায়িক মহলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে চিকিৎসা পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

ঐতিহ্যগত অবকাশযাপনকেন্দ্রিক ভ্রমণের সীমানা পেরিয়ে বিশেষায়িত পর্যটনসেবার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বই সবসময় জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং একে অপরের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে জানার মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও গভীর করা সম্ভব। এছাড়া দুই দেশেই তুলনামূলক সাশ্রয়ী ব্যয়ে বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো উপভোগ করা যায়, যা দ্বিপক্ষীয় পর্যটন বিনিময়ের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

জনগণের মধ্যকার যোগাযোগভিত্তিক কূটনীতির মাধ্যম হিসেবে পর্যটন খাতকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ জোর দেন পাকিস্তানি হাইকমিশনার। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক এই মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই বর্ণিল প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক জোরদার এবং সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী। উল্লেখ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের উদ্বোধন করা এই মেলায় বাংলাদেশসহ ষোলটি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

advertisement
advertisement

ভালো কাজে বাধা দিলে সরকার আরও কঠোর হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভালো কাজে বাধা দিলে সরকার আরও কঠোর হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ভালো কাজে বাধা দিলে সরকার আরও কঠোর হবে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: সরকারের উদার মনোভাবকে কোনোভাবেই দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভালো কাজের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবে। সম্প্রতি নাটোরের লালপুর উপজেলায় নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেডের ৯৪তম আখমাড়াই মৌসুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন যে বর্তমান প্রশাসন সব মহলের সহযোগিতা নিয়ে সম্মিলিতভাবে দেশ পরিচালনা করতে আগ্রহী। প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে একটি সমৃদ্ধশালী ও সুন্দর রাষ্ট্র গঠন করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তবে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে দেশের বিভিন্ন দপ্তরে ও খাতের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা স্বৈরাচারের দোসররা নানাভাবে সরকারের কল্যাণমুখী উদ্যোগগুলোকে ভণ্ডুল করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

ফ্যাসিবাদী চক্রের এই ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রশাসন সম্পূর্ণ সচেতন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকার প্রতিটি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবগত নয় বলে যারা ভুল ধারণা পোষণ করছেন, তারা মারাত্মক ভুল করছেন বলে সতর্ক করে দেন প্রতিমন্ত্রী। সঠিক সময়ে এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। এছাড়া নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া টুটুল এবং লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মেশকাতুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে রোববার: শ্রমমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে রোববার: শ্রমমন্ত্রী

তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে রোববার: শ্রমমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে শিগগিরই নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হচ্ছে। শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সম্প্রতি শ্রমিক ফেডারেশনের বিভিন্ন জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। রাজধানীর মিন্টো রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে দীর্ঘ সময় ধরে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পোশাক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের নাম চূড়ান্ত করে আগামী রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এ সময় শ্রমমন্ত্রী শ্রমিকপক্ষের উপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য উপস্থিত নেতাদের কাছে নাম আহ্বান করেন। শ্রমিক জোটগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে একাধিক অভিজ্ঞ নেতার নাম প্রস্তাব করা হয়। সরকার ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সম্মিলিত আলোচনার মাধ্যমেই এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তৈরি পোশাকশিল্পের চলমান বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় বৈঠকে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়। এর পাশাপাশি শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা দ্রুত পরিশোধের জন্য কারখানা মালিক এবং শ্রমিকনেতাদের যৌথভাবে কাজ করার তাগিদ দেন মন্ত্রী। শ্রমিক ছাঁটাইয়ের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে তিনি জানান, কোনো কারখানা বন্ধ বা শ্রমিক ছাঁটাই করতে হলে অবশ্যই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগে থেকে জানাতে হবে।

উক্ত বৈঠকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পোশাকশিল্প শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রথিতযশা নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে বাবুল আখতার, তৌহিদুর রহমান, সুলতানা আক্তার, মন্টু ঘোষ, মোশরেফা মিশু, নাজমা আক্তার এবং তসলিমা আখতারসহ অনেকে অংশ নেন। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং শিল্পে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

প্রোটিয়া ও অজিদের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রোটিয়া ও অজিদের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই

প্রোটিয়া ও অজিদের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই

খেলা ডেস্ক: কেপটাউনের নিউল্যান্ডস স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট ম্যাচটি ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা উপহার দিয়েছে। টেবিল মাউন্টেনের ছায়াঘেরা ২২ গজে এই লড়াই কেবল একটি সাধারণ খেলা নয়, বরং দুই দলের খেলোয়াড়দের ধৈর্য, প্রতি আক্রমণ এবং স্নায়ুশক্তির এক চরম পরীক্ষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ম্যাচের প্রথম থেকেই দুই দলই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটের ঐতিহ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

ম্যাচের শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী পেস আক্রমণের বিরুদ্ধে দারুণ দৃঢ়তা দেখান। মার্ক্কেস অ্যাকারম্যান মাত্র পাঁচ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেও তার নান্দনিক ৯৫ রানের ইনিংসটি দলকে শক্ত ভিত্তি দেয়। এছাড়া ডেভিড বেডিংহামের অর্ধশতক প্রোটিয়াদের একটি নিরাপদ স্কোরের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের মুখে পড়ে তাদের প্রথম ইনিংস ৩২৯ রানে থেমে যায়। অজি পেসার স্টার্ক ৭২ রান খরচ করে ছয়টি উইকেট শিকার করে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়া তাদের চ্যাম্পিয়ন মানসিকতার দারুণ পরিচয় দেয় এবং ৪২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ম্যাচে চালকের আসনে বসে যায়। দলের এই সাফল্যের মূল কারিগর ছিলেন জস ইংলিশ, যার চমৎকার শতকটি দলের ইনিংসকে দারুণ গতি দেয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন অভিজ্ঞ উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি এবং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন, যাদের দায়িত্বশীল ইনিংসগুলো অজিদের লিডকে অনেকদূর এগিয়ে নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার সাইমন হারমার এবং মার্কো ইয়ানসেন যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং দুর্গ ভাঙতে তাদের যথেষ্ট ঘাম ঝরাতে হয়েছে।

প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংসে এক অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে। উইয়ান মুল্ডার ও রিয়ান রিকেলটনের দুটি দুর্দান্ত শতক ম্যাচের সম্পূর্ণ চিত্রপট পাল্টে দেয়, যেখানে মুল্ডারের ১১৫ এবং রিকেলটনের ১০১ রানের ইনিংস দুটি ছিল বেশ লড়াকু। এছাড়া অ্যাকারম্যানের আরও একটি দায়িত্বশীল অর্ধশতক প্রোটিয়াদের লিডকে এক রোমাঞ্চকর উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে কেপটাউনের এই মহাকাব্যিক টেস্ট ম্যাচটি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ক্রিকেট ইতিহাসে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।