খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছে রাশিয়ার নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের পর তিনি এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে ইউরোপীয় ভূখণ্ডে কোনো ধরনের আগ্রাসন বা যুদ্ধ শুরু হলে তার কঠোর জবাব দিতে মস্কো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তার জবাবে এই মন্তব্য করেন রুশ এই নেতা।

এর আগে ব্রিটিশ গণমাধ্যম টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে লড়াই করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। তবে ইউরোপের কোনো দেশ যদি নিজ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পাল্টা জবাব দিতে ক্রেমলিন প্রস্তুত রয়েছে। রুশ নেতার মতে, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হলে তা উভয় পক্ষের জন্যই মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে এবং এই যুদ্ধে কোনো পক্ষই জয়ী হতে পারবে না। তিনি ইউরোপীয় নেতাদের এই বিষয়টি সবসময় স্মরণে রাখার আহ্বান জানান।

কয়েকদিন আগে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্তোরের সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রপতির ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণে এই আলাপটি সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে পুতিন জানান যে এই আলোচনা দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। ইউরোপের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের স্বার্থে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিও নিজের জোরালো সমর্থনের কথা জানান তিনি।

এদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর কার্যক্রম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে মস্কো। পুতিন বরাবরই ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণকে বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি কমানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। এর পাশাপাশি, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতা যাচাই করতে সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে নানা ধরনের তৎপরতা চালাতে পারে রাশিয়া। তবে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে রুশ প্রশাসন।

advertisement
advertisement

দ্রুত রাকসু নির্বাচন দাবি ছাত্র সংগঠনগুলোর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দ্রুত রাকসু নির্বাচন দাবি ছাত্র সংগঠনগুলোর

দ্রুত রাকসু নির্বাচন দাবি ছাত্র সংগঠনগুলোর

শিক্ষা ডেস্ক: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকেই এর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে গত বছর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরও পরবর্তী নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। ফলে নির্ধারিত সময়ে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এমন প্রেক্ষাপটে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার জোরালো দাবি জানিয়েছেন সদ্য সাবেক ছাত্র সংসদ নেতারা ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

গত বছরের জুলাই মাসে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে অক্টোবরের মাঝামা সময়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ওই নির্বাচনে বিজয়ী প্যানেলের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এই ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা এবং প্রক্রিয়াটিকে প্রাতিষ্ঠানিক ক্যালেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত করা। তবে বর্তমান কমিটির এক বছরের মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। রাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচিত নির্বাহী কমিটির মেয়াদ দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে এক বছর হলেও পরবর্তী ভোট আয়োজনের বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান জানিয়েছেন যে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি পুরোপুরি উপাচার্যের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। সম্প্রতি উপাচার্য তাকে পূর্ববর্তী নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি, দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছিলেন এবং তিনি সেই অনুযায়ী প্রতিবেদন প্রদান করেছেন। প্রশাসনের তরফ থেকে কিছু প্রক্রিয়া শুরু হলেও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তীব্র চাপ না থাকলে এই বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হতো না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে। তবে শুধু প্রাথমিক আলোচনা বা প্রতিবেদন প্রস্তুত করাই যথেষ্ট নয়, একটি নির্বাচন সম্পন্ন করতে যে ধরনের সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক প্রস্তুতি প্রয়োজন তার কিছুই এখনো শুরু হয়নি।

সদ্য সাবেক রাকসু নেতারা জানিয়েছেন যে তারা নিয়মিতভাবে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজনের তাগিদ দিয়ে যাচ্ছেন। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত একটি অধিবেশনে উপাচার্য কোষাধ্যক্ষকে নির্বাচনী তফসিল প্রণয়ন ও গঠনতন্ত্র সংস্কারের বিষয়ে দ্রুত হালনাগাদ তথ্য জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সাবেক ছাত্র সংসদ নেতাদের একটি অংশের আশঙ্কা, প্রশাসন হয়তো কোনো বিশেষ মহলের ইঙ্গিতের অপেক্ষায় রয়েছে অথবা টালবাহানা করে নির্বাচন বিলম্বিত করার পথ খুঁজছে। তাদের মতে, শিক্ষার্থীরা যে নিয়মিত নির্বাচন চায় তা গতবারের ভোটাভুল ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে, তাই কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন যে প্রশাসন সব সময়ই ছাত্র সংসদ সচল রাখার পক্ষে এবং নির্বাচন নিয়ে তাদের ইতিবাচক ভাবনা রয়েছে। তবে শুধুমাত্র সময় পেরিয়ে গেলেই নির্বাচন দেওয়া সম্ভব নয়, এর জন্য ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিবেশ ও অনুকূল পরিস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হলেই কেবল পরবর্তী নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারাও মনে করছেন যে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা এবং প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কার্যকর যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে রাকসুর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্রশিবির, ছাত্রদল ও ছাত্রফ্রন্টসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অবিলম্বে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়ে বলেছেন যে ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।

ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকা শহরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং যানজট নিরসনে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি প্রকাশিত এই নীতিমালা অনুযায়ী, কোনোভাবেই লাইসেন্স ছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করতে পারবে না। দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে এই যানগুলোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের ফলে সৃষ্ট নানা বিশৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনা এড়াতে এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নতুন এই নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কেবল যেসব রিকশা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করবে এবং বৈধ লাইসেন্স সংগ্রহ করবে, কেবল তারাই রাজপথে নামার অনুমতি পাবে। এর ফলে শহরের সড়কে অবৈধ ও ত্রুটিপূর্ণ যানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে রিকশার গতি নিয়ন্ত্রণ, ব্রেকিং সিস্টেম এবং ব্যাটারির মান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। অনুমোদনহীন কোনো যান যাতে সড়কে নেমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথভাবে নজরদারি বাড়াবে। নীতিমালা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, সঠিক নিয়মনীতি ও লাইসেন্সের আওতায় এনে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে চলাচল করতে দিলে একদিকে যেমন বিশৃঙ্খলা কমবে, অন্যদিকে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত অনেক বেশি নিরাপদ হবে। তবে এই নীতিমালা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নিয়মিত তদারকি এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মন্তব্য করেছেন।

পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

ডেস্ক রিপোর্ট: ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নানা ধরনের লোভনীয় ছাড় ও বিশেষ সুবিধা নিয়ে রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনের পর্যটন মেলা। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই জমকালো প্রদর্শনীতে বিমান টিকিট থেকে শুরু করে হোটেল বুকিং এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণে মিলছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড়। দেশের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে এবং ভ্রমণপ্রেমীদের উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মেলা প্রাঙ্গণে এসে তাদের পছন্দের ভ্রমণ প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারছেন।

চলatমান এই আয়োজনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের সেবায় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে যার মধ্যে রয়েছে বিমানের টিকিটে পনেরো শতাংশ এবং ক্রুজ ভ্রমণে পঁচিশ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড়। এছাড়া হোটেল খাতে এক রাত বুকিং দিলে অতিরিক্ত আরও দুই রাত বিনামূল্যে থাকার চমৎকার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ভ্রমণকারীদের আর্থিক স্বস্তি দিতে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ খরচেও পঞ্চাশ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের পর্যটন সংস্থা ও ভ্রমণসেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেরা অফারগুলো নিয়ে এই প্রদর্শনীতে স্টল সাজিয়েছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত এই মেলায় দেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি পর্যটন সংস্থা, বিমান পরিবহন প্রতিষ্ঠান এবং হোটেল গ্রুপ অংশ নিয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন দেশের দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার পাশাপাশি সাশ্রয়ী খরচে ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে ঘুরতে যাওয়ার জন্য যারা নানা প্যাকেজ খুঁজছেন, তাদের জন্য এই আয়োজনটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। মেলাটি নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল এগারোটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য মেলা প্রাঙ্গণ খোলা থাকছে। ছুটির দিনে ভ্রমণের নানা পরিকল্পনা ও বাজেট নিয়ে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্টলে ভিড় করছেন এবং প্রতিনিধিদর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই তিন দিনের মেলা দেশীয় পর্যটন খাতের প্রসারে এবং ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য খুঁজে পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।