খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

প্রোটিয়া ও অজিদের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রোটিয়া ও অজিদের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই

প্রোটিয়া ও অজিদের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই

খেলা ডেস্ক: কেপটাউনের নিউল্যান্ডস স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট ম্যাচটি ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা উপহার দিয়েছে। টেবিল মাউন্টেনের ছায়াঘেরা ২২ গজে এই লড়াই কেবল একটি সাধারণ খেলা নয়, বরং দুই দলের খেলোয়াড়দের ধৈর্য, প্রতি আক্রমণ এবং স্নায়ুশক্তির এক চরম পরীক্ষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ম্যাচের প্রথম থেকেই দুই দলই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটের ঐতিহ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

ম্যাচের শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী পেস আক্রমণের বিরুদ্ধে দারুণ দৃঢ়তা দেখান। মার্ক্কেস অ্যাকারম্যান মাত্র পাঁচ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেও তার নান্দনিক ৯৫ রানের ইনিংসটি দলকে শক্ত ভিত্তি দেয়। এছাড়া ডেভিড বেডিংহামের অর্ধশতক প্রোটিয়াদের একটি নিরাপদ স্কোরের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের মুখে পড়ে তাদের প্রথম ইনিংস ৩২৯ রানে থেমে যায়। অজি পেসার স্টার্ক ৭২ রান খরচ করে ছয়টি উইকেট শিকার করে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়া তাদের চ্যাম্পিয়ন মানসিকতার দারুণ পরিচয় দেয় এবং ৪২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ম্যাচে চালকের আসনে বসে যায়। দলের এই সাফল্যের মূল কারিগর ছিলেন জস ইংলিশ, যার চমৎকার শতকটি দলের ইনিংসকে দারুণ গতি দেয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন অভিজ্ঞ উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি এবং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন, যাদের দায়িত্বশীল ইনিংসগুলো অজিদের লিডকে অনেকদূর এগিয়ে নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার সাইমন হারমার এবং মার্কো ইয়ানসেন যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং দুর্গ ভাঙতে তাদের যথেষ্ট ঘাম ঝরাতে হয়েছে।

প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংসে এক অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে। উইয়ান মুল্ডার ও রিয়ান রিকেলটনের দুটি দুর্দান্ত শতক ম্যাচের সম্পূর্ণ চিত্রপট পাল্টে দেয়, যেখানে মুল্ডারের ১১৫ এবং রিকেলটনের ১০১ রানের ইনিংস দুটি ছিল বেশ লড়াকু। এছাড়া অ্যাকারম্যানের আরও একটি দায়িত্বশীল অর্ধশতক প্রোটিয়াদের লিডকে এক রোমাঞ্চকর উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে কেপটাউনের এই মহাকাব্যিক টেস্ট ম্যাচটি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ক্রিকেট ইতিহাসে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

advertisement
advertisement

গ্যাসের আগুন জ্বলছেই, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্যাসের আগুন জ্বলছেই, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার

গ্যাসের আগুন জ্বলছেই, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী এলাকায় গভীর নলকূপ খননকাজের সময় মাটির নিচ থেকে হঠাৎ গ্যাস উদগীরণের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ওই গ্যাসকূপ থেকে বের হওয়া আগুন একটানা চার দিন ধরে প্রজ্জ্বলিত রয়েছে। এই আকস্মিক ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের নিরাপত্তা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধি ও জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পেট্রোবাংলার তত্ত্বাবধানে একটি উচ্চপর্যায়ের কারিগরি দল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। মাটির গভীর থেকে গ্যাস ও পানির এই অনিয়ন্ত্রিত উদ্মগীরণ কীভাবে থামানো যায়, তা নিয়ে তারা বিশদ পরিকল্পনা তৈরি করছেন। কারিগরি দলটির প্রাথমিক মূল্যায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরাসরি কোনো বড় পদক্ষেপে যাচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাটির নিচের গ্যাসের প্রকৃত চাপ, মজুদ এবং উৎসের প্রকৃতি নিশ্চিত হওয়ার জন্য অন্তত পনেরো দিন সময় ধরে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক না হয়, তবে গ্যাস নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সমাধানের অংশ হিসেবে একটি রিলিফ কূপ খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের উৎসস্থলটি নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। উৎসস্থলের কাছাকাছি সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। গ্যাস ও আগুন থেকে স্থানীয় পরিবেশ ও জনবসতির যেন কোনো দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদ্বোধন বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদ্বোধন বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদ্বোধন বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

অর্থনীতি ডেস্ক: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় আবাসিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে একটি বিশেষ উদ্যোগের শুভসূচনা করা হয়েছে। দেশের বিদ্যুৎ খাতের সবুজায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটাতে এই ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি পৌঁছে দেওয়ার নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

উদ্যোগটি বাস্তবায়নের কাজ যৌথভাবে পরিচালনা করছে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড। কর্মসূচির প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে স্থানীয় দুটি আবাসিক ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আধুনিক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর বাসভবনে বিশ কিলোওয়াট পিক এবং এলাকার আরেক বাসিন্দা সোহেল রানার বাড়িতে পাঁচ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতার সোলার সিস্টেম বসানো হয়েছে। এই ব্যবস্থার সফল প্রয়োগ আশপাশের অন্যান্য বাড়িগুলোতেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ির ছাদে কিংবা পিলারের ওপর সৌর প্যানেল বসিয়ে সহজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ দিয়ে পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জ্বালানি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত অংশটুকু সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। এতে একদিকে যেমন সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হবে, অন্যদিকে দেশের সার্বিক গ্রিড ব্যবস্থায় বাড়তি শক্তির জোগান নিশ্চিত হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রকল্পটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাও বেশ সহজ ও জনবান্ধব করা হয়েছে যাতে সাধারণ গ্রাহকরা সহজে এতে অংশ নিতে পারেন। নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত মোট খরচের মাত্র কুড়ি শতাংশ অর্থ গ্রাহককে নিজ থেকে অগ্রিম জমা দিতে হবে। বাকি আশি শতাংশ অর্থ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ঋণ হিসেবে প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে নির্ধারিত দীর্ঘমেয়াদি কিস্তির মাধ্যমে গ্রাহকরা এই ঋণের অর্থ পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন—এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী নির্ধারণ করবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন—এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী নির্ধারণ করবে

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন—এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী নির্ধারণ করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রেসিডেন্টের চার বছর মেয়াদি কার্যকালের মাঝপথে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাজনৈতিক ঘটনা। এই নির্বাচনে দেশের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন সাধারণ নাগরিকরা। রাজনৈতিক দলগুলো টেক্সাস ও ওহাইওর মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্যগুলোতে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং এবারের ভোটাভুটিতে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সরাসরি কোনো পরিবর্তন এই নির্বাচনে না ঘটলেও বর্তমান প্রশাসনের নীতি ও জনপ্রিয়তার একটি স্পষ্ট প্রতিফলন এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই নির্বাচন নির্ণায়কের ভূমিকা পালন করে। প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটিতেই লড়াই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং বর্তমানে রক্ষণশীল দলের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। অন্যদিকে সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে এবার ৩৫টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে যেখানে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে হলে অতিরিক্ত কিছু আসন নিজেদের দখলে নিতে হবে। মেইন ও জর্জিয়াসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী লড়াই শেষ পর্যন্ত উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবে। মিশিগান অঙ্গরাজ্যে একজন মুসলিম-আমেরিকান প্রার্থীর অংশগ্রহণ এই নির্বাচনকে আরও বেশি আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

বর্তমান প্রশাসনের জনসমর্থন এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও বৈদেশিক সংঘাতের নানা দিক নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে যে অসন্তোষ রয়েছে, তাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিরোধী দলগুলো। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে উঠে এসেছে যে ভোটাররা নতুন কংগ্রেসের কাছে মূলত জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যাশা করেন।

মধ্যপ্রাচ্য নীতি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের বিভিন্ন সংকট নিরসনে এই নির্বাচন মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধরনের পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সংঘাতে মার্কিন সম্পৃক্ততা এবং মিত্র দেশগুলোর প্রতি সহায়তার ধরন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অন্দরেও নানা মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেবল আইনসভার নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের লড়াই নয়, বরং বর্তমান প্রশাসনের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড ও নীতির প্রতি মার্কিন ভোটারদের আস্থার প্রকৃত মূল্যায়ন।