খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকার ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকার ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ

কোলাজ: প্রথম আলো

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর তীব্র যানবাহনসংকট কাটাতে ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৫ হাজার ৮৩০টি নতুন গাড়ি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে পুলিশ সদর দপ্তর দুটি পৃথক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ও অভিযান পরিচালনাসংক্রান্ত যানবাহন খাতে ৪ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষায়িত যানবাহনের জন্য ২ হাজার ২৮১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্প দুটি অনুমোদনের জন্য তোলার কথা রয়েছে। অনুমোদন পেলে ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সারা দেশে পুলিশের মোট ১ হাজার ৭৪টি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার মধ্যে ৪৫৫টি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া সাংগঠনিক কাঠামো ও সাজসরঞ্জাম তালিকায় (টিওঅ্যান্ডই) আগে থেকেই যানবাহনের ঘাটতি ছিল এবং পুরোনো বহু গাড়ি দায়িত্ব পালনকালে বিকল হয়ে পড়ে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় অতিরিক্ত আইজিপি মুশফেকুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নয় সদস্যের একটি কমিটি প্রকল্প দুটির সম্ভাব্যতা যাচাই করে। তবে বর্তমান রাজস্ব পরিস্থিতির মধ্যে এত বিপুল অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে পরিকল্পনা কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জিপ কেনায় নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি জ্বালানি, মেরামত, টায়ার ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটানোর সুনির্দিষ্ট রূপরেখা এবং কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

‘বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অপারেশনাল যানবাহন ক্রয়’ শীর্ষক প্রথম প্রকল্পে ৪ হাজার ৩২৮ কোটি টাকায় ৪ হাজার ৮২৯টি গাড়ি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর বড় অংশই ব্যয় হবে ডাবল কেবিন পিকআপে; প্রতিটি ৮৬ লাখ টাকা দরে ২ হাজার ৯০৯টি পিকআপ কিনতে প্রয়োজন হবে ২ হাজার ৫০১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। কর্মকর্তাদের জন্য মোট ৭৪৫টি জিপের প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা দরে ২ হাজার ৭০০ সিসির ৪০০টি জিপে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৬ কোটি টাকা এবং ৭৫ লাখ টাকা দরে ২ হাজার সিসির ৩৪৫টি জিপে লাগবে প্রায় ২৫৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এছাড়া ৫২ লাখ টাকা মূল্যের ২১৪টি মাইক্রোবাস কিনতে প্রায় ১১১ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের পরিবহনে ৫২ লাখ টাকা দরে ১৪৮টি বড় নন-এসি বাস ও ১ কোটি ২০ লাখ টাকা দরে ১৪৮টি এসি মিনিবাস কেনা হবে। এই প্রকল্পের তালিকায় আরও রয়েছে ৯৫ লাখ টাকা দরে ১১৫টি প্রিজন ভ্যান, ৬৫ লাখ টাকা দরে ১০০টি প্যাট্রোল কার, ৫৫ লাখ টাকা দরে ৫০টি অ্যাম্বুলেন্স, ৮০ কোটি টাকায় ১০০টি স্পিডবোট এবং অন্যান্য প্রায় ৩০০টি যানবাহন। এসব গাড়ির দর নির্ধারণ করেছে চার পুলিশ কর্মকর্তা ও বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের এক সহকারী অধ্যাপকের সমন্বয়ে গঠিত পাঁচ সদস্যের প্রাক্কলন কমিটি।

অন্যদিকে ২ হাজার ২৮১ কোটি টাকা ব্যয়ের ‘বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষায়িত যানবাহন ক্রয়’ প্রকল্পের মাধ্যমে ১ হাজার একটি উন্নত প্রযুক্তির গাড়ি সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। এতে শ্রমিক অসন্তোষসহ বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় ১৩২ কোটি টাকায় ১১টি আর্মড পারসোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি), ১২৮ কোটি টাকায় ১০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ২০টি ওয়াটার ক্যানন, ২২০ কোটি টাকায় ২০টি ক্রাউড কন্ট্রোল ভেহিকেল এবং ১৮৭ কোটি টাকায় সোয়াট ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের জন্য ১৫টি বিশেষ ভ্যান কেনার প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়া ৫৬ কোটি টাকায় ১০০টি বিশেষ প্যাট্রোল কার, ৪৩ কোটি টাকায় গ্রেপ্তারকৃতদের নিরাপত্তাবেষ্টিত পরিবহনের ১৩টি ভ্যান, ৩৩ কোটি টাকায় ৫৫টি প্রিজন ভ্যান, ১৬০ কোটি টাকায় ২০০টি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল, ডগ স্কোয়াডের জন্য ৫৫ কোটি টাকায় ৫০টি ইউটিলিটি টেরেইন ভেহিকেল, দুর্গম পথের জন্য ৫০টি অল টেরেইন ভেহিকেল এবং পাহাড়ি এলাকার জন্য ১০০টি হিল মোটরসাইকেল রাখা হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারিতে ১১৪ কোটি টাকায় ৬টি মোবাইল সার্ভিল্যান্স গাড়ি, উপকূল ও নদীতে টহলের জন্য ১৫০ কোটি টাকায় ১৫টি কুইক রেসপন্স বোট, ১৫টি উদ্ধারকারী বোট, ফিল্ড কমান্ডারদের জন্য ১৮৯ কোটি টাকায় ১০৫টি সাব-আরবান ভেহিকেল, ৯৬ কোটি টাকায় ৮০টি ফ্রিজার ভ্যান, ৬০ কোটি টাকায় ৮০টি স্মল ডিপ্লয়মেন্ট ইউটিলিটি ভেহিকেল, ১৪ কোটি টাকায় ঘোড়া পরিবহনের ১০টি যান এবং আরও প্রায় ৫৬টি বিবিধ যান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রসচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, অভ্যুত্থানে বিপুলসংখ্যক গাড়ি ধ্বংস হওয়ায় মাঠপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের অভিযান পরিচালনায় প্রচণ্ড বেগ পেতে হচ্ছে এবং তাদের চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বেশি সংখ্যায় পিকআপ কেনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিপুলসংখ্যক গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণে পুলিশের নিজস্ব ব্যবস্থা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে গণমাধ্যমেরও ভূমিকা থাকবে। সচিব আরও উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনে গমনকারী সদস্যদের জন্যও কিছু বিশেষায়িত গাড়ি কেনা হচ্ছে, যার আর্থিক ব্যয় পরবর্তীতে জাতিসংঘ থেকে প্রতিপূরণ করা হবে।

advertisement
advertisement

জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও এক আসনের উপনির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। সকালের দিকে নিজ নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তারা ভোট দেন এবং নির্বাচনী পরিবেশ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। উপনির্বাচন উপলক্ষে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কেন্দ্রগুলোতে কিছুটা উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন নিজেদের জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী মনোভাব ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছেন এবং দিনশেষে তাদের পক্ষেই বিজয় আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া শেষ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে এই উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীর জয় সুনিশ্চিত বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন ভোটদান শেষে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় কিছু ত্রুটির অভিযোগ তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, অনেক প্রিসাইডিং কর্মকর্তার পরিচয়পত্রে নির্ধারিত ছবি অনুপস্থিত রয়েছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। এ ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অন্তরায় হতে পারে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকলে তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকার ঘোষণা দেন।

নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রার্থীর অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা সজাগ দৃষ্টি রেখেছেন বলে প্রশাসন সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাপান সফরকালে দেশটির অন্যতম শীর্ষ গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টয়োটার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি সম্প্রতি নাগোয়া অঞ্চলে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির সুবিশাল মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশ সরকারের সরকারপ্রধানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জাপানি এই মোটর কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। কারখানার আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক কার্যক্রম সরাসরি দেখার জন্য এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কারখানার ভেতরে বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন এবং অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে গাড়ি সংযোজন বা অ্যাসেম্বলি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। কীভাবে নিখুঁতভাবে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ গাড়ি তৈরি করা হয়, তা তাঁকে কারিগরি দল বিস্তারিতভাবে বোঝায়। জাপানের উন্নত শিল্পোৎপাদন কৌশল এবং স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন লাইনের কার্যক্রম দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এই আধুনিক প্রযুক্তি বাংলাদেশের শিল্প খাতের উন্নয়নে কীভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে, তা নিয়েও সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়।

এই পরিদর্শনের সময় টয়োটা মোটর করপোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসাহিকো মোয়েদা ছাড়াও টয়োটা সুশো করপোরেশনের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে মোবিলিটি বিভাগের প্রধান নির্বাহী শিগেরু হারাদা এবং চিফ অপারেটিং অফিসার শিনিচিরো ওতসুকা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কারখানার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখান। জাপানি এই শীর্ষ নির্বাহীরা বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে তাদের প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং পরিবেশবান্ধব গাড়ি উৎপাদনের নানা দিক সম্পর্কে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই কার্যাঞ্চল সফরে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে দেশের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সরকারি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এবং প্রেস উইংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত প্রেস সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও এই গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শনের সময় তাঁর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন নিজের ভোтаধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সকালে নিজ বাসভবন থেকে বের হয়ে তিনি প্রথমে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন এবং এরপর নির্ধারিত সময়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দেন। ভোট প্রদান শেষে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান যে দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি একজন ভোটার হিসেবে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন। প্রথম কেন্দ্রেই ইতিবাচক পরিবেশ পরিলক্ষিত হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অন্যান্য ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

নির্বাচনী পরিবেশ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফয়সল আমীন জানান যে সবেমাত্র ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বিধায় পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে এই মুহূর্তে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে দিনভর অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে সাধারণ ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে মুখিয়ে আছেন এবং কোনো কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হলে তার যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রশাসনেরই দায়িত্ব। আবহাওয়ায় কিছুটা বৃষ্টির আভাস থাকলেও ভোটারদের উপস্থিতি সন্তোষজনক হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এলাকার ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মোট ৯৮৯টি বুথে সকাল আটটা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ও ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্যের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিজিবি সদস্য মাঠে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া নির্বাচনী বিধিবিধান কঠোরভাবে প্রতিপালন এবং যেকোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা তাৎক্ষণিকভাবে দমনে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের পাশাপাশি বিশেষ অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা মাঠে তৎপর ছিলেন। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ রাখতে নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ১৭৭ জন পর্যবেক্ষক মাঠপর্যায়ে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। সব মিলিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে গেছে।