খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পাপের প্রকৃত অর্থ, মানবজীবনে এর কুফল ও তা নির্ধারণের ইসলামি দর্শন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাপের প্রকৃত অর্থ, মানবজীবনে এর কুফল ও তা নির্ধারণের ইসলামি দর্শন

আমাদের সমাজে প্রচলিত একটি ধারা রয়েছে, যেখানে শৈশবে শিশুদের অযৌক্তিক অপরাধবোধ ও আতঙ্কের আবহে বড় করা হয়। সামান্য ভুলের জন্যও বলা হয়ে থাকে যে আল্লাহ কষ্ট পাচ্ছেন কিংবা ফেরেশতারা লজ্জিত হচ্ছেন। এমনকি অনেক বক্তার কণ্ঠেও শোনা যায়, কোনো মানুষ অপরাধ করলে নাকি আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠে। পাপ থেকে মানুষকে দূরে রাখার নিয়তে এমন কথা বলা হলেও তা বড় ধরনের দার্শনিক বিভ্রান্তি তৈরি করে; কারণ মহান আল্লাহ মানুষের ভুলে কষ্ট পাওয়ার মতো কোনো দুর্বল সত্তা নন। ইসলামের মূল বিশ্বাস অনুযায়ী আল্লাহ ‘আল-সামাদ’ ও ‘আল-গনি’—তিনি সম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষী। মানুষের আনুগত্য বা ইবাদত তাঁর কোনো অভাব মেটায় না, আবার সৃষ্টির কোনো পাপ বা অমান্যতায় তাঁর বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয় না। সব মানুষ ধর্মপরায়ণ হলেও তাঁর সম্মান বাড়ে না, আবার সবাই অবাধ্য হলেও তাঁর ক্ষমতার কোনো হ্রাস ঘটে না। সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব ও সবকিছুর সংরক্ষক; তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করে না। আসমান ও জমিনের সবকিছুর তিনিই মালিক এবং তাঁর অনুমতি ব্যতীত কারও সুপারিশ করার ক্ষমতা নেই। তিনি সৃষ্টির অগ্র-পশ্চাত সবকিছু জানেন, অথচ তাঁর ইচ্ছার বাইরে তাঁর জ্ঞানের কিছুই মানুষ জানতে পারে না। তাঁর কুরসি আসমান-জমিন জুড়ে বিস্তৃত এবং এগুলোর সুরক্ষা তাঁর জন্য কঠিন নয়; তিনি পরম উচ্চ ও মহান। ইমাম গাজালি তাঁর ‘ইহয়াউ উলুমিদ্দিন’ গ্রন্থে (১/১৬৫, দারুল মারিফাহ, বৈরুত, ১৯৮২) উল্লেখ করেছেন, বিশ্বজগতের সমস্ত উপাসনার ঊর্ধ্বে আল্লাহর অবস্থান; মানুষের ইবাদতের কোনো প্রয়োজন তাঁর নেই, বরং তা মানুষের নিজের আত্মার শান্তি ও সুস্থতার মাধ্যম।

আল্লাহ যখন আমাদের কোনো আমলের মুখাপেক্ষী নন এবং আমাদের পাপে তাঁর ক্ষতি হয় না, তখন প্রশ্ন ওঠে—পাপ মূলত কী? পাপ কোনো আবেগপ্রবণ সত্তার অসন্তুষ্টি নয়, বরং তা এমন সব কর্ম যা মানুষের নিজের, পরিবারের কিংবা সমাজজীবনের মারাত্মক ক্ষতি ও বিনাশ ডেকে আনে। পরম করুণাময় আল্লাহ মানবজাতিকে এমন সব ধ্বংসাত্মক ফাঁদ সম্পর্কেই সতর্ক করেছেন। যেমন—মদপান, জুয়া, ব্যভিচার, চুরি কিংবা অন্যায়ভাবে হত্যার মতো মহাপাপগুলো শুরুতে ক্ষণস্থায়ী তৃপ্তি বা আনন্দ দিলেও পরিণামে শারীরিক ব্যাধি, পারিবারিক বিপর্যয়, আর্থিক নিঃস্বতা ও সামাজিক বিভেদ ডেকে আনে। নিজের ক্ষতি হলে অন্যের কী সমস্যা—এমন ধারণার বিপরীতে ইসলাম শেখায়, মানুষ নিজের দেহেরও চূড়ান্ত মালিক নয়, বরং তার স্রষ্টা আল্লাহ। সুরা তুরের ৩৫ নম্বর আয়াতে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, মানুষ কি কোনো কিছু ছাড়া এমনিতেই সৃষ্টি হয়েছে, নাকি তারা নিজেরাই নিজেদের সৃষ্টিকর্তা? এ বিষয়ে ড. তারিক রমাদান তাঁর ‘ইন দ্য ফুটস্টেপস অব দ্য প্রফেট’ বইয়ে (পৃষ্ঠা ৪৫, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউইয়র্ক, ২০০৭) লিখেছেন, নিজের সৃষ্টি ও অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে যেহেতু মানুষকে স্রষ্টার ওপর নির্ভর করতে হয়, সেহেতু নিজের শরীর বা আত্মাকে ক্ষতিকর কাজে নিয়োজিত করে ধ্বংসের অধিকার তার নেই। একইভাবে কুফর ও শিরক সরাসরি শারীরিক ক্ষতি না করলেও তা মানুষকে জীবনের মূল লক্ষ্য—স্রষ্টাকে জানার মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি লাভ—থেকে পুরোপুরি বিচ্যুত করে অন্ধকারে ঠেলে দেয়। তাই পরম সত্যকে অস্বীকার করা নিজের আত্মার প্রতি করা সবচেয়ে বড় অবিচার ও পাপ।

কোনো কাজ আসলেই পাপ কি না, তা যাচাইয়ের মূল মানদণ্ড হলো ‘মাসলাহা’ বা জনকল্যাণ। ইমাম আল-গাজালি তাঁর ‘আল-মুসতসফা মিন ইলম আল-উসুল’ গ্রন্থে (১/২৮৬-২৮৭, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়াহ, বৈরুত) উল্লেখ করেন, শরিয়তের সমস্ত নির্দেশনার উদ্দেশ্য পাঁচটি মৌলিক বিষয়ের হেফাজত নিশ্চিত করা—ধর্ম, জীবন, বংশধারা বা প্রজনন, সম্পদ এবং বিবেক বা বুদ্ধি। এই পাঁচটির যেকোনো একটির জন্য ক্ষতিকর ও ধ্বংসাত্মক প্রতিটি বিষয়ই ইসলামে পাপ হিসেবে গণ্য। বিখ্যাত ইসলামি আইনতাত্ত্বিক তাহির ইবনে আশুর তাঁর ‘মাকাসিদ আল-শরিয়াহ আল-ইসলামিয়াহ’ গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ২৫১, মিনহাজ আদ-দিরাসা, কায়রো) স্পষ্ট করেছেন, মানবজাতির ব্যক্তিগত ও যৌথ ক্ষতি রোধ করাই ইসলামি বিধানের লক্ষ্য। সুতরাং, সুস্থ বিবেক এবং কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনায় যা কিছু এই মৌলিক কল্যাণ বিনষ্ট করে, তা-ই নিশ্চিতভাবে পাপ। তবে ভুলপ্রবণ মানুষকে ইসলাম কখনো ফেরেশতাতুল্য ভাবেনি। জীবনে বিচ্যুতি ঘটলেও ইসলাম মানুষকে হতাশ হতে বারণ করে তওবার পথ উন্মুক্ত রেখেছে। সুরা বাকারার ২২২ নম্বর আয়াতে উল্লেখ আছে, আল্লাহ তওবাকারীদের এবং যারা পবিত্র থাকে তাদের ভালোবাসেন। পাশাপাশি সহিহ বুখারির ৬৩০৮ নম্বর হাদিস অনুযায়ী, কোনো বান্দা অনুতপ্ত হয়ে তওবা করলে আল্লাহ মরুপ্রান্তরে হারিয়ে যাওয়া বাহন ও খাদ্য-রসদ ফিরে পাওয়া মুসাফিরের চেয়েও অধিক আনন্দিত হন।

advertisement
advertisement

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

জাতীয় ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কোনোভাবেই লঘু করে দেখছে না নির্বাচন কমিশন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই এই ভোটকে সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, নির্বাচন কমিশন সবসময় স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে এবং প্রতিটি ভোটকে সমান মর্যাদা দেয়।

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে স্থাপন করা কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল সরাসরি পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ২৯ অক্টোবর বেলা ১১টার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের এই উপনির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এগিয়ে চলেছে এবং সম্পূর্ণ নির্বাচনী কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ ও জোট থেকে আসা অভিযোগগুলোকে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। বিশেষ করে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে যেসব বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়েছিল, তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোর যথাযথ সমাধান করা হয়েছে। অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিজিবিসহ সব আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে মাঠে নামানো হয়েছে।

সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসে দেশে একটি উৎসবমুখর নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তোলাই কমিশনের মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট উপহার দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ অত্যন্ত কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে।

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

অর্থনীতি ডেস্ক: স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে মূল্যবান এই ধাতুর মূল্য পুনরায় সমন্বয় করা হয়েছে। দেশের বাজারে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস সোনার দাম বাড়ানোর এই নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনা ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়, যা দেশের সকল বাজারে সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জুয়েলারি সামগ্রী ক্রয়ের জন্য আগের তুলনায় কিছুটা বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

নতুন নির্ধারিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বাড়িয়ে দুই লাখ চব্বিশ হাজার ছয়শত বত্রিশ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ঠিক করা হয়েছে দুই লাখ চৌদ্দ হাজার ছয়শত সাতাত্তর টাকা। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনা কিনতে ক্রেতাদের এক লাখ চুরাশি হাজার চারশত একাত্তর টাকা খরচ করতে হবে এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার পাঁচশত ষোল টাকা।

সোনার পাশাপাশি রুপার বাজারেও দামের পরিবর্তন এনেছে বাজুস কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরির রুপার নতুন দর ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম তিন হাজার আটশত ঊনচল্লিশ টাকা এবং ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি তিন হাজার ছয়শত চুয়াত্তর টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা তিন হাজার একশত উনপঞ্চাশ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা দুই হাজার তিনশত একানব্বই টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গহনার নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি যুক্ত থাকবে। পরবর্তী কোনো নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত দেশের সকল স্বর্ণের দোকানে এই নির্ধারিত মূল্য তালিকা বলবৎ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কমিটি জানিয়েছে।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সকাল আটটা থেকে ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিরতিহীনভাবে চলা এই ভোটগ্রহণ বিকেল চারটা পর্যন্ত চলবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন এবং মোট ৯৮৯টি বুথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন তারা। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষায় ২১ প্লাটুন বিজিবি, দুই হাজার ২৭২ জন পুলিশ সদস্য এবং দুই হাজার ৪০৫ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া যেকোনো অনিয়ম রোধ ও নির্বাচনী আচরণবিধি তদারকি করতে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। পাশাপাশি চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ মোট ১৭৭ জন পর্যবেক্ষক পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন।

ভোটগ্রহণের শুরুতে নিজ নিজ কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন এবং নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, ১১-দলীয় ঐক্য-সমর্থিত জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন হাজীপাড়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু সুনির্দিষ্ট শঙ্কা প্রকাশ করেন।

ভোট প্রদান শেষে জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের পরিচয়পত্রে কোনো ছবি নেই। ছবিবিহীন পরিচয়পত্র থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আসল নাকি অন্য কেউ প্রক্সি দিচ্ছেন তা যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া কিছু কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়ার কথাও জানান তিনি এবং দ্রুত এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।