খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি

কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি

জাতীয় ডেস্ক: প্রথম আলোর সাম্প্রতিক একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে জ্বালানি বরাদ্দের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট করপোরেশনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের জন্য প্রতি মাসে বড় অঙ্কের জ্বালানি তেল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছিল, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়। মূলত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যয় সংকোচন এবং সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এতদিন গাড়ি ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে চারশ থেকে শুরু করে প্রায় ছয়শ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি তেল সুবিধা ভোগ করছিলেন। সরকারি এই সংস্থাটির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ হিসাব এবং নথিপত্র পর্যালোচনা করেই এই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি খরচের চিত্রটি উদ্ঘাটিত হয়। শহরের ভেতরে দাপ্তরিক কাজের পরিধির তুলনায় এই জ্বালানি বরাদ্দ অত্যন্ত বেশি ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনসাধারণের করের টাকায় পরিচালিত সংস্থার এমন বিলাসবহুল জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারি খাতের যেকোনো ধরনের বাড়তি ব্যয় নিয়ে যখন সমালোচনা চলছে, ঠিক সেই সময়ে এই অতিরিক্ত জ্বালানি খরচের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছে, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অপচয় রোধ করা অত্যন্ত জরুরি ছিল।

এমন প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নীতিনির্ধারক মহল। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই সংস্থার পক্ষ থেকে কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত মাসিক জ্বালানি তেল বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে করপোরেশনের মাসিক পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং সরকারি সম্পদের আরও সুষম ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

advertisement
advertisement

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের

রাজনীতি ডেস্ক: বিদেশি একটি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্পন্ন করে অবশেষে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিমানযোগে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। দীর্ঘদিন বাইরে থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নেতাকর্মীদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট ওই ফ্লাইটে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের সঙ্গে তার সহধর্মিণী প্রফেসর ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইটও সফরসঙ্গী হিসেবে দেশে ফিরেছেন। দীর্ঘ চিকিৎসা প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করার পর তারা দুজনেই সুস্থ অবস্থায় বিমানবন্দর টার্মিনালে এসে পৌঁছান। ভ্রমণ ক্লান্তি সত্ত্বেও বিমানবন্দরে উপস্থিত শুভানুধ্যায়ী ও দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন।

বিমানবন্দর এলাকায় তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতা। দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বিমানবন্দর চত্বর।

উল্লেখ্য, ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে তাকে দেশের বাইরে অবস্থান করতে হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে তিনি আবারও দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি নিজ বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

নোয়াখালীতে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ, তদন্ত চায় জামায়াত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ, তদন্ত চায় জামায়াত

নোয়াখালীতে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ, তদন্ত চায় জামায়াত

জাতীয় ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তুলে ধরে দলটির পক্ষ থেকে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের জোর দাবি জানানো হয়েছে। জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার সংবাদ সম্মেলনে সশরীরে উপস্থিত থেকে এই গুরুতর অভিযোগগুলো গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং সারের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় যে, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা নিয়মকানুন সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। যাদের সার ব্যবসার কোনো পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই, নিজস্ব দোকান কিংবা নির্ধারিত গুদাম নেই—এমন অযোগ্য ব্যক্তিদেরও রাজনৈতিক বিবেচনায় ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কোথাও কোথাও কৃষি কর্মকর্তার নিকটাত্মীয়কে ডিলারশিপ দেওয়ার মতো অনৈতিক ঘটনার তথ্যও পাওয়া গেছে। পক্ষান্তরে, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন এবং যাদের নিজস্ব অবকাঠামোগত সক্ষমতা রয়েছে, এমন বহু প্রকৃত ব্যবসায়ী ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

অভিজ্ঞতাহীন ও অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের হাতে সারের মতো কৃষিপণ্যের ডিলারশিপ তুলে দেওয়ায় সার সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াত নেতারা। তাঁদের আশঙ্কা, এই অব্যবস্থাপনার সুযোগ নিয়ে অতীতে ভারতের পাশাপাশি এবার মিয়ানমারেও সার পাচার হওয়ার গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার এভাবে দেশের বাইরে পাচার হয়ে গেলে স্থানীয় বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয়, পাচারের এই চোরাৈপথ ব্যবহার করে দেশে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য প্রবেশের আশঙ্কাও রয়েছে, যা দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।

ডিলার নিয়োগের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে বারবার লিখিত অভিযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেন ইসহাক খন্দকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ একে অপরের ওপর দোষ চাপিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সমস্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে প্রকৃত ও অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের হাতে ডিলারশিপ পুনর্বহাল এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এই জামায়াত নেতা।

সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারত থেকে পণ্য সরবরাহ বন্ধ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারত থেকে পণ্য সরবরাহ বন্ধ

সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারত থেকে পণ্য সরবরাহ বন্ধ

অর্থনীতি ডেস্ক: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারত থেকে সব ধরনের পণ্য সরবরাহ স্থগিত রেখেছে ভারতীয় পক্ষ। ভারতীয় ট্রাকচালক ও তাঁদের সহকারীদের রাতের বেলা বন্দরের ভেতরে অবস্থানের নিয়ম নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জেরে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই পরিস্থিতিতে সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যকার আমদানি ও বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সোনামসজিদ স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন জানান, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে ট্রাকগুলো বন্দরে আসার পর খালাসের অপেক্ষায় না থেকে চালকেরা রাতে ভারতে চলে যেতেন। এরপর পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের সময় তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য বহন করার অভিযোগ উঠত। এর আগে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন চালক ও সহায়ক আটকও হয়েছিলেন।

এই ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অপরাধ রোধ করতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও বন্দর পরিচালনা পর্ষদ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, পণ্য পুরোপুরি খালাস না হওয়া পর্যন্ত চালক ও তাঁদের সহকারীদের বন্দরের ভেতরেই রাতে অবস্থান করতে হবে। কিন্তু এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে ভারতীয় পক্ষ ক্ষুব্ধ হয় এবং কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই পণ্যবাহী ট্রাক পাঠানো বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে এই জটিল পরিস্থিতি নিরসনের জন্য দুই দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক ও প্রশাসনিক পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে।

সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তা টিপু সুলতান এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, ভারতীয় চালকেরা সাধারণত পানামা বন্দরে ট্রাক রেখে অন্য একটি ট্রাকে চড়ে ভারতে ফিরে যেতেন। তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এই নিয়মের তীব্র আপত্তি জানায় এবং নতুন নির্দেশনা জারি করে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশের পর খালাস শেষ করে ট্রাকসহ ভারতে ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে বন্দরের ভেতরেই পণ্য খালাস সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। এই নির্দেশনার পরই ভারতীয় পক্ষ পণ্য সরবরাহ বন্ধ রাখার কথা জানিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে।