খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

রাজধানীর বাজারে কিছুটা কম সবজির দাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজধানীর বাজারে কিছুটা কম সবজির দাম

রাজধানীর বাজারে কিছুটা কম সবজির দাম

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, প্রতিটি সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকার ঘরে, আবার কিছু কিছু সবজি তার চেয়েও বেশি দাম। বিগত চার মাস ধরে অতিরিক্ত বেশি দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। এত বেশি দামে সবজি কিনতে পারছে না সাধারণ ক্রেতারা। আগে যেখানে এক কেজি সবজি কিনতাম এখন অতিরিক্ত বেশি দাম হওয়ার কারণে আধা কেজি সবজি কিনছি। সাধারণ ক্রেতাদের আমার মত একই অবস্থা। 

মালিবাগ বাজারের আরেক ক্রেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, বিগত চার মাস ধরে সবজি বিক্রেতারা বলে আসছে, এখন বেশিরভাগ সবজির মৌসুম নয় তাই দাম বেশি। কিন্তু চার মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও সবজির দাম বাড়তি। তাহলে মৌসুমটা শুরু হচ্ছে কখন আর শেষ হচ্ছে বা কখন? এত বেশি সবজির দাম, তবুও বাজার মনিটরিংয়ের কোন উদ্যোগ কখনো দেখলাম না। 

সবজির দাম বৃদ্ধি বিষয়ে মগবাজারের সবজি বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে খেত ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাবে আরো কিছুটা দাম বেড়েছে সবজির। এছাড়া বেশিরভাগ সবজির মৌসুম শেষ হওয়ায় সেই সবজিগুলোর দাম বাড়তে যাচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই নতুন সবজি উঠতে শুরু করবে, তখন থেকে সবজির দাম কমে যাবে। বর্তমানে বাজারে চাহিদার তুলনায় সবজি সরবরাহ কম, যে কারণে সব ধরনের সবজির দামই বাড়তি যাচ্ছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, প্রতিটি সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকার ঘরে, আবার কিছু কিছু সবজি তার চেয়েও বেশি দাম। বিগত চার মাস ধরে অতিরিক্ত বেশি দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। এত বেশি দামে সবজি কিনতে পারছে না সাধারণ ক্রেতারা। আগে যেখানে এক কেজি সবজি কিনতাম এখন অতিরিক্ত বেশি দাম হওয়ার কারণে আধা কেজি সবজি কিনছি। সাধারণ ক্রেতাদের আমার মত একই অবস্থা। 

মালিবাগ বাজারের আরেক ক্রেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, বিগত চার মাস ধরে সবজি বিক্রেতারা বলে আসছে, এখন বেশিরভাগ সবজির মৌসুম নয় তাই দাম বেশি। কিন্তু চার মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও সবজির দাম বাড়তি। তাহলে মৌসুমটা শুরু হচ্ছে কখন আর শেষ হচ্ছে বা কখন? এত বেশি সবজির দাম, তবুও বাজার মনিটরিংয়ের কোন উদ্যোগ কখনো দেখলাম না। 

সবজির দাম বৃদ্ধি বিষয়ে মগবাজারের সবজি বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে খেত ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাবে আরো কিছুটা দাম বেড়েছে সবজির। এছাড়া বেশিরভাগ সবজির মৌসুম শেষ হওয়ায় সেই সবজিগুলোর দাম বাড়তে যাচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই নতুন সবজি উঠতে শুরু করবে, তখন থেকে সবজির দাম কমে যাবে। বর্তমানে বাজারে চাহিদার তুলনায় সবজি সরবরাহ কম, যে কারণে সব ধরনের সবজির দামই বাড়তি যাচ্ছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, প্রতিটি সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকার ঘরে, আবার কিছু কিছু সবজি তার চেয়েও বেশি দাম। বিগত চার মাস ধরে অতিরিক্ত বেশি দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। এত বেশি দামে সবজি কিনতে পারছে না সাধারণ ক্রেতারা। আগে যেখানে এক কেজি সবজি কিনতাম এখন অতিরিক্ত বেশি দাম হওয়ার কারণে আধা কেজি সবজি কিনছি। সাধারণ ক্রেতাদের আমার মত একই অবস্থা। 

মালিবাগ বাজারের আরেক ক্রেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, বিগত চার মাস ধরে সবজি বিক্রেতারা বলে আসছে, এখন বেশিরভাগ সবজির মৌসুম নয় তাই দাম বেশি। কিন্তু চার মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও সবজির দাম বাড়তি। তাহলে মৌসুমটা শুরু হচ্ছে কখন আর শেষ হচ্ছে বা কখন? এত বেশি সবজির দাম, তবুও বাজার মনিটরিংয়ের কোন উদ্যোগ কখনো দেখলাম না। 

সবজির দাম বৃদ্ধি বিষয়ে মগবাজারের সবজি বিক্রেতা এরশাদ আলী বলেন, টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে খেত ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাবে আরো কিছুটা দাম বেড়েছে সবজির। এছাড়া বেশিরভাগ সবজির মৌসুম শেষ হওয়ায় সেই সবজিগুলোর দাম বাড়তে যাচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই নতুন সবজি উঠতে শুরু করবে, তখন থেকে সবজির দাম কমে যাবে। বর্তমানে বাজারে চাহিদার তুলনায় সবজি সরবরাহ কম, যে কারণে সব ধরনের সবজির দামই বাড়তি যাচ্ছে। 
advertisement
advertisement

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, বিমানের তদন্ত কমিটি গঠন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, বিমানের তদন্ত কমিটি গঠন

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, বিমানের তদন্ত কমিটি গঠন

জাতীয় ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে সম্প্রতি উদ্ভূত যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা তদন্তে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাপানের টোকিও থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রার প্রাক্কালে উড়োজাহাজটিতে এই ত্রুটি দেখা দিয়েছিল, যার ফলে ফ্লাইটটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশ কিছুটা দেরিতে ছেড়ে আসে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এ ধরনের যেকোনো কারিগরি ত্রুটির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনা করা বাধ্যতামূলক। সেই নিয়ম মেনেই চার সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে যত দ্রুত সম্ভব পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গঠিত এই তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দেবেন বিমানের চিফ অব প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং। এ ছাড়া কমিটির অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার অব ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাকশন এবং ডেপুটি চিফ অব ফ্লাইট সেফটি, আর সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন একজন আইনবিষয়ক ব্যবস্থাপক। এই দলটি উড়োজাহাজের কারিগরি ত্রুটির সঠিক প্রকৃতি নির্ণয়, বিমানটির উড্ডয়ন উপযোগিতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা এবং এর ফলে সৃষ্ট যাত্রীদের ভোগান্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তির ক্ষতি গভীরভাবে খতিয়ে দেখবে।

এর আগে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিজি-৩৭৭ নম্বর ফ্লাইটটির উড্ডয়নের কথা থাকলেও স্পয়লারে ত্রুটির সংকেত পাওয়ায় পাইলট তা স্থগিত করেন। পরবর্তীতে বিমানটিকে দ্রুত পার্কিং এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয় এবং দেশীয় প্রকৌশলীদের পাশাপাশি জাপানি কারিগরি বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে মেরামতের কাজ সম্পন্ন করেন। প্রয়োজনীয় সব কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ফ্লাইটটি নিরাপদে ঢাকার পথে রওনা হয়।

বাংলাদেশে রাজনীতির মাঠ যেন একটা বক্সিং রিং

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে রাজনীতির মাঠ যেন একটা বক্সিং রিং

বাংলাদেশে রাজনীতির মাঠ যেন একটা বক্সিং রিং

রাজনীতি ডেস্ক: যে দেশের সাধারণ মানুষ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান শুনতে ভালোবাসে এবং কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতার ধানসিঁড়ি নদীর রূপকল্প খুঁজে বেড়ায়, সেই একই জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কেন এত নির্মমতা ও কঠোরতার প্রকাশ ঘটে, তা নিয়ে দীর্ঘকাল ধরেই আলোচনা চলছে। সাধারণ মানুষের শিল্পিত ও সংস্কৃতিমনস্ক মানসিকতার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার তীব্র ও আক্রমণাত্মক ভাষার এক অদ্ভুত বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যায়। এই অমিলের উত্তর খুঁজতে হলে মূলত দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসের দীর্ঘ পথপরিক্রমা এবং ক্ষমতার পালাবদলের পেছনের নানা ঘটনার দিকে গভীর দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠকে পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকরা প্রায়শই একটি বক্সিং রিংয়ের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন, যেখানে নীতিগত বিতর্ক বা আদর্শের লড়াইয়ের চেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে ঘায়েল করার মানসিকতাই বেশি প্রবল থাকে। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের বক্তৃতায় প্রতিনিয়ত যে ধরনের কর্কশ ভাষা, কটূক্তি এবং চরম হুংকার শোনা যায়, তা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন সমাজবিজ্ঞানীরা। এই আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক আচরণ কেবল নেতাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা অতি দ্রুত তৃণমূল স্তরের নেতাকর্মী এবং সাধারণ সমর্থকদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ দেশের রাজনীতি কখনোই সম্পূর্ণ মসৃণ ছিল না বরং বারবার ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, সামরিক শাসন এবং সাংবিধানিক সংকটের মধ্য দিয়ে এটি বর্তমান অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিটি রাজনৈতিক দল নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা এবং আধিপত্য বজায় রাখতে গিয়ে এক ধরনের সংঘাতময় পথ বেছে নিয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রাজনীতির স্বাভাবিক সংস্কৃতি হিসেবে শিকড় গেড়েছে। প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক প্রতিযোগী হিসেবে না দেখে শত্রু হিসেবে গণ্য করার এই প্রবণতাই রাজনীতির ময়দানকে প্রতিনিয়ত উত্তপ্ত ও সংঘাতপূর্ণ করে রাখছে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহনশীলতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা এবং সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা। কেবল ক্ষমতার পালাবদল বা নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং রাজনীতির ভাষাকে মার্জিত ও জনকল্যাণমুখী করতে না পারলে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বারবার ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা থেকেই যায়। সাধারণ মানুষ বরাবরই একটি শান্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ প্রত্যাশা করলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠের এই মারমুখী অবস্থান তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত শান্তির পরিবেশ থেকে দূরে সরিয়ে রাখছে।

রুমিন ফারহানার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা: সেই ওসিকে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির নোটিশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রুমিন ফারহানার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা: সেই ওসিকে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির নোটিশ

রুমিন ফারহানার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা: সেই ওসিকে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির নোটিশ

আইন-আদালত ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে কারণ দর্শানোর একটি নোটিশ পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি। সম্প্রতি স্থানীয় এক সংসদ সদস্যের সঙ্গে এই পুলিশ কর্মকর্তার বাগ্‌বিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। মূলত সেই ঘটনার সূত্র ধরেই ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সমিতির নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, দুই হাজার দুই সাল থেকেই তিনি এই আইনজীবী সংগঠনের সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন। পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁর আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ সচল রাখা হয়েছিল, মূলত সেই বিষয়টি নিয়েই বর্তমানে সমিতির অভ্যন্তরে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন গণমাধ্যমকে জানান, সংসদ সদস্যের সঙ্গে তর্কের জেরে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আলোচনায় আসার পর তাঁরা বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, সরকারি পুলিশ চাকরিতে নিয়োজিত থেকে কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে আইনজীবী সমিতির সক্রিয় সদস্যপদ বজায় রাখতে পারেন না, কারণ এটি সংগঠনের প্রচলিত বিধিবিধানের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। শুধু এই ঘটনাই নয়, আইন পেশায় নিয়মিতভাবে যুক্ত না থেকেও যাঁরা নিজেদের সদস্যপদ বহাল রেখেছেন, সমিতির পক্ষ থেকে তাঁদের সকলকে শনাক্ত করার কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে নিয়মের বাইরে থাকা এই ধরনের সকল সদস্যের বিরুদ্ধেই যথাযথ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আইনজীবী সমিতি সূত্রে আরও জানা গেছে, পেশাদার আইনজীবী নন অথচ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার পরও সদস্যপদ ধরে রেখেছেন এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গত ২৫ জুন সমিতির পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছিল। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংক, বিমা, বিভিন্ন সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরিরত সদস্যদের একটি নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যে স্বেচ্ছায় তাঁদের সদস্যপদ স্থগিত করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সমিতির গঠনতন্ত্রের নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী, কেবল আইন বিষয়ে শিক্ষকতা কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে আইন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ব্যক্তিরাই প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র জমা দিয়ে সদস্যপদ সচল রাখতে পারবেন বলে নিয়মে বলা আছে।

এদিকে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির পাঠানো এই কারণ দর্শানোর নোটিশের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়া। তিনি দাবি করেছেন যে, পুলিশ বাহিনীতে চাকরিতে যোগদানের আগেই তিনি আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ স্থগিত করার জন্য যথাযথ আবেদন করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, সমিতির পাঠানো নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ইতোমধ্যে লিখিত জবাব দিয়েছেন এবং এর পাশাপাশি তাঁর দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রও কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসের শেষের দিকে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনকালে নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সঙ্গে এই পুলিশ কর্মকর্তার তীব্র বাক্‌বিতণ্ডা হয় এবং সেই ঘটনার দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।