খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সাবরিনা পাস্তারস্কি: তাঁকেই কেন বলা হচ্ছে সম্ভাব্য পরবর্তী আইনস্টাইন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাবরিনা পাস্তারস্কি: তাঁকেই কেন বলা হচ্ছে সম্ভাব্য পরবর্তী আইনস্টাইন

সাবরিনা পাস্তারস্কি: তাঁকেই কেন বলা হচ্ছে সম্ভাব্য পরবর্তী আইনস্টাইন

প্রযুক্তি ডেস্ক: মহাবিশ্বের চালিকাশক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পদার্থবিজ্ঞানীদের বিভ্রান্ত করে রাখা অন্যতম বড় রহস্য হলো কোয়ান্টাম মহাকর্ষ। সাধারণ আপেক্ষিকতা এবং কোয়ান্টাম বলবিদ্যার মতো বিজ্ঞানের বিপরীতমুখী দুটি মৌলিক নীতিকে একত্রিত করার এই জটিল প্রচেষ্টায় বর্তমানে বিশ্বজুড়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণ পদার্থবিজ্ঞানী সাবরিনা পাস্তারস্কি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাঁকে অনেকেই পরবর্তী আইনস্টাইন হিসেবে আখ্যায়িত করলেও তিনি এই উপাধিকে বিনয়ের সাথেই নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের তকমা কাজের বড় একটি প্ল্যাটফর্ম পেতে সাহায্য করলেও মূল লক্ষ্য কেবল গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের জটিল ধাঁধা উন্মোচন করা। বর্তমানে কানাডার পেরিমিটার ইনস্টিটিউটে কর্মরত এই বিজ্ঞানী অত্যন্ত নিভৃতে মহাবিশ্বের মৌলিক সত্যগুলো উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছেন।

তাঁর গবেষণার মূল বিষয়বস্তু হলো সেলসেটিয়াল হ্যালোগ্রাফি যা এমন একটি তত্ত্ব, যা দেখায় যে পদার্থবিদ্যার দুটি ভিন্ন বিবরণ কীভাবে প্রকৃতপক্ষে একই বাস্তবতার প্রতিফলন হতে পারে। ১৯৯৭ সালে পদার্থবিজ্ঞানী হুয়ান মালদাসেনা প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন যে আমাদের ত্রিমাত্রিক বাস্তবতার প্রতিটি ঘটনা বস্তুত দ্বিমাত্রিক কোনো তলের প্রক্ষেপণ বা হলোগ্রাম হতে পারে। তবে মালদাসেনার সেই মডেলটি কার্যকর ছিল কেবল এক ধরনের বিশেষ বাঁকানো স্থান-কালের ক্ষেত্রে। পাস্তারস্কির প্রস্তাবিত সেলসেটিয়াল হ্যালোগ্রাফি তত্ত্বটি মালদাসেনার সেই ধারণাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে এনে আমাদের এই বাস্তব ও সমতল মহাবিশ্বের উপযোগী করে তোলার চেষ্টা করছে।

পাস্তারস্কির মডেল অনুযায়ী, মহাবিশ্বের সমস্ত কোয়ান্টাম কণার সংঘর্ষ ও গতিপ্রকৃতিকে অসীম দূরত্বে থাকা একটি দ্বিমাত্রিক গোলকের ওপর বিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করা সম্ভব। এর মাধ্যমে পুরো মহাবিশ্বের চারমাত্রিক পদার্থবিদ্যাকে একটি দ্বিমাত্রিক গোলকীয় সীমানার মাধ্যমে পুনর্গঠন করার গাণিতিক পরিকাঠামো তৈরি করছেন তিনি। বাল্যকাল থেকেই পাস্তারস্কির অসাধারণ মেধার পরিচয় পাওয়া যায় এবং তিনি কৈশোরেই নিজের বিমান নিজে তৈরি করে আকাশে ওড়াতে সক্ষম হন। অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তীতে তিনি ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে পদার্থবিদ্যায় ডিগ্রি অর্জন করেন এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। প্রযুক্তি জগতের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের কাজের প্রতি শ্রদ্ধা থাকলেও অন্যের নির্মিত প্রযুক্তি ব্যবস্থার অংশ হওয়ার চেয়ে নিজস্ব গাণিতিক অনুসন্ধানে মন দেওয়াই যুক্তিসঙ্গত মনে করেন এই মেধাবী গবেষক।

তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যার এ ধরনের কোয়ান্টাম তত্ত্বসমূহ সচরাচর পরীক্ষা করা বেশ কঠিন হলেও পাস্তারস্কি তাঁর তত্ত্ব প্রমাণের কিছু সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। কৃষ্ণগহ্বরগুলোর সংঘর্ষের সময় স্থান-কালে যে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ তৈরি হয়, তা স্থায়ী কিছু পরিবর্তন রেখে যায় যাকে স্পিন মেমরি ইফেক্ট বলা হয়। পাস্তারস্কির মতে, এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ঘূর্ণন সংক্রান্ত তথ্য সরাসরি তাঁর দ্বিমাত্রিক সেলসেটিয়াল স্ফিয়ার সংক্রান্ত সমীকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত। আগামী দশকে মহাকাশে উৎক্ষেপণের জন্য নির্ধারিত লিসা নামক মহাকর্ষীয় তরঙ্গ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এই তাত্ত্বিক সূত্রের প্রামাণিক তথ্য খুঁজে পেতে পারে। এছাড়া সার্নের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারের কণা সংঘাত থেকে প্রাপ্ত তথ্যের মধ্যেও এই নতুন গাণিতিক কাঠামোর উপস্থিতি পরীক্ষা করার সুযোগ রয়েছে। মহাবিশ্ব সত্যিই কোনো দ্বিমাত্রিক তলের ছায়া নাকি ত্রিমাত্রিক বাস্তবতাই পরম—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, গাণিতিকভাবে যদি দুটি বিবরণই সমান ও পারস্পরিক রূপান্তরযোগ্য হয়, তবে দুটির যেকোনো একটিকে সত্য ধরে নেওয়াই যুক্তিযুক্ত।

advertisement
advertisement

শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী

শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের মতো সাত দফা দাবিতে বড় ধরনের লংমার্চ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দেশের সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্য। সম্প্রতি রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, প্রায় চারশো কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথপরিক্রমা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের বর্তমান বিভিন্ন নীতি এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদ জানাতে এই লংমার্চ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। আগের বিভিন্ন কর্মসূচির তুলনায় এই লংমার্চের পরিসর অনেক বড় এবং এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন যে, জনগণের প্রকৃত প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জুলাই মাসের গণআন্দোলনে হাজারো মানুষ হতাহত হলেও এখনো অনেক দোষী ব্যক্তি আইনের আওতার বাইরে রয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এছাড়া দেশে ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তোলা মূল্যবৃদ্ধি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের দ্রুত সমাধানের দাবি জানান এই রাজনৈতিক নেতা। রাজনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য জনগণের মতামতকে সম্মান জানানোর ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে শুরু হয়ে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ পেরিয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই লংমার্চে প্রায় ১৯ জেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকেরা অংশ নেবেন। বিশাল এই বহরে দেড় হাজারের বেশি গাড়ি যুক্ত হওয়ার আশা প্রকাশ করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সম্পন্ন করা হয়েছে। দীর্ঘ এই যাত্রার কারণে মহাসড়কে চলাফেরা করা সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য জোটের পক্ষ থেকে আগে থেকেই দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। যাত্রাপথে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ কমাতে গাড়ির বহর সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল করবে এবং মহাসড়কের নির্দিষ্ট অংশ ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে একটি সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে এই লংমার্চের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। এরপর রাজধানী থেকে শুরু হওয়া গাড়ির বহরটি বিভিন্ন জেলা ও জনপদ অতিক্রম করে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে গিয়ে সমাপনী জনসভার মধ্য দিয়ে শেষ হবে। যাত্রাপথে শরীয়তপুর, বাগেরহাট, খুলনা, ফুলতলা, যশোর ও ঝিনাইদহসহ মোট ছয়টি স্থানে পথসভার আয়োজন করা হয়েছে যেখানে জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন। লংমার্চে অংশ নেওয়া সব নেতাকর্মীকে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, যাত্রাপথে কোনো ধরনের উসকানিমূলক স্লোগান বা প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে এমন কোনো আচরণ বরদাস্ত করা হবে না।

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচলের জন্য একটি নতুন ও সময়োপযোগী বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে এই বাহনগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি ছাড়াই যত্রতত্র চলাচল করায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই বিধিমালার মাধ্যমে ই-রিকশা খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রণীত নতুন নিয়মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ই-রিকশাগুলো ঠিক কোন কোন সড়কে চলাচল করতে পারবে এবং কোথায় সেগুলোর প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ থাকবে। এছাড়া এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা কত হবে, তা নিয়েও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে যত্রতত্র ধীরগতির এই বাহন মূল সড়কে উঠে তীব্র যানজট তৈরি করতে পারবে না এবং দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন।

শুধু রুট আর গতি নয়, ই-রিকশার ক্ষেত্রে যাত্রী বহনের সুনির্দিষ্ট সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত গাড়ি সড়কে নামানো রোধে কঠোর ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ই-রিকশার বাধ্যতামূলক নিবন্ধন এবং নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষার বিষয়টিও এই নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। এতে গাড়ির যান্ত্রিক মান যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আহরণের পরিধিও কিছুটা বাড়.

পরিবেশ ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে এই পদক্ষেপ বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই বিধিমালা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শৃঙ্খলাপূর্ণ, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে।

আবুল খায়ের স্টিলের কারখানায় জার্মানির ভাইস মিনিস্টার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আবুল খায়ের স্টিলের কারখানায় জার্মানির ভাইস মিনিস্টার

আবুল খায়ের স্টিলের কারখানায় জার্মানির ভাইস মিনিস্টার

অর্থনীতি ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং লিমিটেডের কারখানা সম্প্রতি পরিদর্শন করেছে জার্মানির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার এবং স্টেট সেক্রেটারি বারবেল কোফলারের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলটি কারখানা চত্বরে এসে পৌঁছায়। শিল্প কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কর্মপরিবেশ সরাসরি দেখার উদ্দেশ্যে তাদের এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কারখানায় পৌঁছানোর পর বিদেশি অতিথিদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মোমিন। এ সময় স্বাগতিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অতিথিদের কাছে কারখানার সার্বিক কার্যক্রম, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিক এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা কারখানার বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার মান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন।

এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে বারবেল কোফলারের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ। তাছাড়া জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশ, জার্মান উন্নয়ন ব্যাংক কেএফডব্লিউ এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও প্রতিনিধিদলে অংশ নেন। বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের এই উপস্থিতির ফলে দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সফরের শেষ পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে শিল্প খাতের টেকসই উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক পরিদর্শন বাংলাদেশের ভারী শিল্প খাতের অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছানোর প্রচেষ্টাকে বহির্বিশ্বে আরও ইতিবাচকভাবে তুলে ধরবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তারা।