খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত

জাতীয় ডেস্ক: দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অস্থিরতার নেপথ্যে কিছু শিল্পমালিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে পোশাকশিল্পের দুই শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই অভিযোগ করেন। তিনি জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কিছু শিল্পমালিক এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এই অস্থিতিশীলতা তৈরিতে ভূমিকা রাখছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার এমন অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে সুনির্দিষ্ট কিছু কারখানা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বন্ধ রাখার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং জড়িত মালিকদের তালিকা চেয়েছে সরকার। একই সঙ্গে শ্রমিকদের বিক্ষোভে ইন্ধন জোগানো কিছু শ্রমিকনেতা ও সংগঠনের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ বিভাগ এবং মালিক সংগঠনের মনোনীত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এই নজরদারি পরিচালিত হবে এবং পুলিশের সদর দপ্তরে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে সরকার কোনোভাবেই কারখানা বন্ধ থাকুক তা চায় না এবং সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। ন্যূনতম মাসিক মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলা এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকার ইতোমধ্যে একটি মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। খুব দ্রুত যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও ঘোষণা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সরকারের আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রমিকনেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে শ্রমিকদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে যারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে বেশ কয়েকজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করা হয়।

advertisement
advertisement

শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে ‘পলাতক অপশক্তির’ অস্থিরতা সৃষ্টির প্রমাণ এসেছে: মাহদী আমিন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে ‘পলাতক অপশক্তির’ অস্থিরতা সৃষ্টির প্রমাণ এসেছে: মাহদী আমিন

শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে ‘পলাতক অপশক্তির’ অস্থিরতা সৃষ্টির প্রমাণ এসেছে: মাহদী আমিন

জাতীয় ডেস্ক: দেশের চলমান শ্রমিক আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাহদী আমিন। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের দাবিদাওয়ার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে একটি বিশেষ মহল দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলেও দাবি করা হয়।

মাহদী আমিন সম্প্রতি এক বক্তব্যে স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে বলেছেন যে শ্রমিক অসন্তোষের আড়ালে লুকিয়ে থাকা পলাতক রাজনৈতিক অপশক্তি দেশে নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের ক্ষোভের সুযোগ নিয়ে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হাতে এসেছে। অতীতে যেসব রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তারা এখনো নানামুখী ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। জাতীয় অর্থনীতিকে দুর্বল করতে এবং দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতেই এই ধরনের ধ্বংসাত্মক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

তবে এই ধরনের কোনো অপত্পরতা সফল হতে দেওয়া হবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন মাহদী আমিন। দেশের জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সব ধরনের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সম্পূর্ণ সচেতন রয়েছে এবং যেকোনো মূল্যেই এ ধরনের চক্রান্ত প্রতিহত করা হবে। সাধারণ শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলোর দ্রুত সমাধান করার পাশাপাশি তাদের ভুল পথে পরিচালিত করার যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। শ্রমিক ভাইবোনদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন তারা কোনো ধরনের প্ররোচনায় পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াই অব্যাহত রাখেন।

দেশের চলমান সংকট উত্তরণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি কলকারখানার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে মালিক পক্ষ ও শ্রমিক নেতাদের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা চলছে। কোনো কুচক্রী মহল যাতে বহিরাগত উসকানি দিয়ে শ্রম বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিশেষে, দেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি সচল রাখতে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।

সনদ অর্জনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে: জবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সনদ অর্জনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে: জবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সনদ অর্জনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে: জবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সনদ সর্বস্ব মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল চাকরি পাওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখলে চলবে না, বরং এগুলোকে মুক্তচিন্তা ও গবেষণার আসল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে দক্ষ, প্রযুক্তিনির্ভর এবং জ্ঞানভিত্তিক জনশক্তি তৈরির কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী বর্তমানে শিক্ষিত বেকারত্বের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। শুধু প্রথাগত সনদ অর্জনের মাধ্যমে একটি জাতির সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, তাই শিক্ষার গুণগত মানে পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর পাস করা সব শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার পেছনে না ছুটে কারিগরি ও দক্ষতানির্ভর শিক্ষায় মনোনিবেশ করার তাগিদ দেন তিনি।

বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান গতিপ্রকৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো আধুনিক প্রযুক্তিগুলো ভবিষ্যৎ বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এসব সমসাময়িক প্রযুক্তি নিয়ে কতটা গবেষণা ও জ্ঞানচর্চা করছে, তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। এছাড়া বিশ্ববাজারে বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে দেশের জনশক্তিকে আরও বেশি প্রশিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস স্মরণ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের পর জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে। কেরানীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ এবং শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটসহ অন্যান্য দাবিগুলোর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। তবে যৌক্তিক দাবির পক্ষে কথা বললেও অপ্রাসঙ্গিক আন্দোলন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন তিনি।

ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণের রূপরেখা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে জাতির জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার ক্ষেত্র যত বেশি বিস্তৃত, সে জাতির অগ্রগতির সম্ভাবনাও তত বেশি প্রখর। আগামী একশ বছরের লক্ষ্য সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে এবং দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে।

ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও করণীয় শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। দেশের প্রতিটি এলাকায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ করার তাগিদ দিয়ে তিনি ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো স্থাপনাগুলো দ্রুত শনাক্ত করার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এই বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়াদি অবহিত করেন।

জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বহুমুখী প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে রাজধানীসহ দেশের সকল ভূমিকম্পপ্রবণ জনপদে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে আধুনিক সরঞ্জামের পর্যাপ্ততা এবং উদ্ধারকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও জানান তিনি।

দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, রাজউক, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেকোনো বড় ধরনের দুর্যোগে সম্মিলিতভাবে কাজ না করলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সজাগ থেকে পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে, যাতে যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেওয়া যায়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূমিকম্প বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালুর ওপরও তিনি জোর দেন।

সভাটিতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো জনবহুল ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে যাতে কোনো ত্রুটিপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কাঠামো না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। উক্ত সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজুসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।