খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জানুয়ারি থেকে পোশাকশ্রমিকেরা যেন মজুরি পান সেভাবে কাজ করব: বাবুল আখতার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জানুয়ারি থেকে পোশাকশ্রমিকেরা যেন মজুরি পান সেভাবে কাজ করব: বাবুল আখতার

জানুয়ারি থেকে পোশাকশ্রমিকেরা যেন মজুরি পান সেভাবে কাজ করব: বাবুল আখতার

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের অবিলম্বে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন নিম্নতম মজুরি বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধি বাবুল আখতার। সম্প্রতি শিল্পাঞ্চলে চলা বিভিন্ন অস্থিরতা ও অসন্তোষ নিরসনের লক্ষ্যে শ্রমিকদের এই আহ্বান জানানো হয়। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার এবং স্বার্থ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

শ্রমিকপক্ষের এই প্রতিনিধি আশ্বস্ত করে বলেছেন যে, আগামী জানুয়ারি মাস থেকেই পোশাকশ্রমিকেরা যাতে তাঁদের নতুন নির্ধারিত মজুরি সঠিকভাবে হাতে পান, সেই লক্ষ্যেই সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো হবে না বলে তিনি সংশ্লিষ্টদের বুঝিয়ে বলেন। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান বিবেচনায় এই মজুরি প্রাপ্তি অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

পোশাক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রাখতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন। কারখানায় ভাঙচুর বা বিশৃঙ্খলা না চালিয়ে আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান খোঁজার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলোর প্রতি প্রশাসনের পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সবশেষে, দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি এই পোশাকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট সকল শ্রমিককে ধৈর্য ধারণ করার পরামর্শ দিয়েছেন বাবুল আখতার। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চলমান সংকটের অবসান ঘটবে এবং খুব দ্রুতই শিল্পাঞ্চলে পুরোপুরি শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসবে। দেশের রপ্তানি আয় অব্যাহত রাখতে শ্রমিক ভাইবোনেরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

advertisement
advertisement

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত

পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক, সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রীরাও জড়িত

জাতীয় ডেস্ক: দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অস্থিরতার নেপথ্যে কিছু শিল্পমালিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সম্প্রতি সচিবালয়ে পোশাকশিল্পের দুই শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই অভিযোগ করেন। তিনি জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কিছু শিল্পমালিক এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এই অস্থিতিশীলতা তৈরিতে ভূমিকা রাখছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার এমন অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে সুনির্দিষ্ট কিছু কারখানা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বন্ধ রাখার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং জড়িত মালিকদের তালিকা চেয়েছে সরকার। একই সঙ্গে শ্রমিকদের বিক্ষোভে ইন্ধন জোগানো কিছু শ্রমিকনেতা ও সংগঠনের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ বিভাগ এবং মালিক সংগঠনের মনোনীত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এই নজরদারি পরিচালিত হবে এবং পুলিশের সদর দপ্তরে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে সরকার কোনোভাবেই কারখানা বন্ধ থাকুক তা চায় না এবং সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। ন্যূনতম মাসিক মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলা এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকার ইতোমধ্যে একটি মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। খুব দ্রুত যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও ঘোষণা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সরকারের আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রমিকনেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে শ্রমিকদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে যারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে বেশ কয়েকজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করা হয়।

গার্মেন্টস শ্রমিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মিরপুরে পাঁচটি মামলা, আটক ২৯

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গার্মেন্টস শ্রমিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মিরপুরে পাঁচটি মামলা, আটক ২৯

গার্মেন্টস শ্রমিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মিরপুরে পাঁচটি মামলা, আটক ২৯

জাতীয় ডেস্ক: ন্যায্য মজুরির দাবিতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় শ্রমিকদের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার পর মোট পাঁচটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং নাশকতার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। শ্রমিকদের এই বিক্ষোভের ফলে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ এবং বিশৃঙ্খলার প্রেক্ষাপটে পুলিশ বাদী হয়ে এসব মামলা দায়ের করে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে পুলিশ শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আন্দোলনের সূত্রপাত ধরে পরিচালিত অভিযানে সকাল থেকে মিরপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ঊনত্রিশ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং সহিংসতা ও ভাঙচুরের সঙ্গে তাদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে যে, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে কেউ যেন পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। সাধারণ শ্রমিকদের দাবিদাওয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল থাকলেও কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেয় কিংবা সহিংসতা চালায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।

এদিকে বর্তমানে মিরপুর এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সড়কে যানবাহন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হওয়ায় সাধারণ যাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। পুলিশের উপস্থিতি জোরদার করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী

১৯তম বিজেএস প্রিলির ফলে চমক: ২৫০ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা দেবেন মাত্র ৩৪৩ প্রার্থী

আইন-আদালত ডেস্ক: বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ঊনবিংশ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস বা বিজেএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যারা পরবর্তীতে মূল লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবারের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অত্যন্ত কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জুডিসিয়াল সার্ভিসে মোট আড়াইশো জন সহকারী জজ নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এই সীমিত সংখ্যক শূন্য পদের বিপরীতে হাজার হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু মেধা ও যোগ্যতার কঠোর মানদণ্ড বজায় রাখার ফলে প্রিলিমিনারি ধাপে অত্যন্ত সীমিত সংখ্যক প্রার্থী উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন।

চূড়ান্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র তিনশো তিরাচল্লিশ জন প্রার্থী এই প্রাথমিক ধাপের বৈতরণী পার হতে সক্ষম হয়েছেন। অর্থাৎ, নির্ধারিত আড়াইশো পদের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষার জন্য মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবেন এই অল্প সংখ্যক প্রার্থী। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার এই নাটকীয় ফলাফলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিক এই বাছাইপর্বে সফলভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এবার পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন। জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী খুব শীঘ্রই লিখিত পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও আনুষঙ্গিক নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। লিখিত পরীক্ষার এই ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করার পর উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাক পাবেন।