খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কৃষিকে আকর্ষণীয় করছেন ভুটানের ‘ফার্মফ্লুয়েন্সার’ নারীরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কৃষিকে আকর্ষণীয় করছেন ভুটানের ‘ফার্মফ্লুয়েন্সার’ নারীরা

কৃষিকে আকর্ষণীয় করছেন ভুটানের ‘ফার্মফ্লুয়েন্সার’ নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে কৃষিকাজকে একটি লাভজনক ও আকর্ষণীয় পেশা হিসেবে তুলে ধরছেন ভুটানের দুই উদ্যমী তরুণী। টিকটক এবং ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে নিজেদের দৈনন্দিন কৃষিকাজের নানা মুহূর্ত শেয়ার করে তাঁরা তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর চেষ্টা করছেন। ভুটানের পশ্চিম অঞ্চলের পারো উপত্যকা ও বাজো এলাকার এই দুই তরুণীর কার্যক্রম ইতিমধ্যেই দেশটিতে গ্রামীণ অর্থনীতি এবং কৃষির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে। তাঁদের এই সৃজনশীল উদ্যোগ কেবল অনলাইনে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেনি, বরং অনেক তরুণকে কৃষিকাজের প্রতি নতুন করে অনুপ্রাণিত করছে।

পারো উপত্যকার পঁচিশ বছর বয়সী কৃষক সোনাম জাম পপ তাঁর দৈনন্দিন কৃষিকাজের ভিডিও নিয়মিত টিকটকে প্রকাশ করে থাকেন। জমিতে বীজ বপন করা থেকে শুরু করে পরিপক্ব আলু তোলার মতো প্রতিটি ধাপে করা তাঁর ভিডিওগুলো হাজার হাজার মানুষ সানন্দে উপভোগ করছেন। এছাড়া ইংরেজি ভাষার ইউটিউব চ্যানেল সোনামস ভিলেজ ডায়েরির মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক দর্শকদেরও মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। পরিবারের একমাত্র কন্যা হিসেবে বয়স্ক বাবা-মায়ের দেখভালের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একসময় কৃষিকাজে যুক্ত হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কৃষির প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা জন্ম নেয়।

একইভাবে পশ্চিম ভুটানের বাজো এলাকার আটাশ বছর বয়সী পাসাং ওমও সামাজিক মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক নানা কনটেন্ট তৈরি করে বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন। মূলত পারিবারিক পর্যটন ব্যবসার প্রসারের উদ্দেশ্যে অনলাইনে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে তিনি কৃষিকাজের গুরুত্ব ও সৌন্দর্য তুলে ধরার কাজে মনোনিবেশ করেছেন। টিকটকে হাজার হাজার অনুসারী এবং ইউটিউবে নিয়মিত গ্রাহক নিয়ে তিনি সরিষা শাক রোপণ, ধানখেতে আগাছা পরিষ্কার কিংবা গ্রীষ্মকালীন সবজির পরিচর্যার মতো কাজগুলো ভিডিওর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন। তাঁর এই অনলাইন কার্যক্রমে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন পর্যটন সংস্থাও এখন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছে, যা স্থানীয় সংস্কৃতির প্রসারেও ভূমিকা রাখছে।

ভুটানের জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষিখাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও উন্নত জীবনের টানে তরুণ প্রজন্মের গ্রাম ছেড়ে শহর কিংবা বিদেশে পাড়ি জমানোর প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। এর ফলে কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে মারাত্মক শ্রমিকসংকট দেখা দেওয়ায় ভুটান সরকার তরুণদের জন্য আকর্ষণীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামমুখী করার নানা কৌশল নিয়ে কাজ করছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে সম্প্রতি এক সম্মেলনে মন্তব্য করেছেন যে, কেবল কৃষির গুরুত্ব বোঝালেই তরুণেরা এই পেশায় আসবে না, বরং তাদের সামনে কৃষির সম্মান ও ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করে দেখাতে হবে। রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ভুটানের গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা তরুণ নারীদের এই অনলাইন উদ্যোগকে কৃষি সচেতনতা বাড়াতে এবং নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

advertisement
advertisement

দেশে আলু চাষ কমছে, পেঁয়াজের বাড়ছে; কারণ কী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশে আলু চাষ কমছে, পেঁয়াজের বাড়ছে; কারণ কী

দেশে আলু চাষ কমছে, পেঁয়াজের বাড়ছে; কারণ কী

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের কৃষি খাতে বিভিন্ন ফসলের আবাদ ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে দেশের কৃষি উৎপাদন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই তথ্য অনুযায়ী এক বছরের ব্যবধানে দেশে পেঁয়াজ ও আমন ধানসহ বেশ কিছু কৃষিপণ্যের উৎপাদন সন্তোষজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে একই সময়ে প্রধান খাদ্যপণ্য আলুর উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে যা কৃষিমহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন প্রায় ছয় লাখ টন পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের অর্থবছরে পেঁয়াজের মোট উৎপাদনের পরিমাণ যা ছিল তা পরবর্তী সময়ে শতকরা হিসাবে আঠারো ভাগের বেশি বেড়ে গেছে। কৃষকরা পর্যাপ্ত দাম পাওয়ায় এবং সংরক্ষণের সুবিধা উন্নত হওয়ায় পেঁয়াজ চাষে ব্যাপকভাবে ঝুঁকেছেন। পাশাপাশি রসুন এবং শীতকালীন মরিচের আবাদ ও ফলনও আগের তুলনায় সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।

উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিপরীত চিত্র দেখা গেছে আলুর ক্ষেত্রে যেখানে ফলন প্রায় তিন লাখ টন কমেছে। কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে বিগত বছরগুলোতে কৃষকরা আলুর আশানুরূপ বাজারমূল্য না পাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। হিমাগারে রেখেও সঠিক দাম না পাওয়ায় চাষিরা পরবর্তীতে আলু চাষের জমি কমিয়ে দিয়েছেন। শুধু আলু নয় বরং গম উৎপাদনের ক্ষেত্রেও সামান্য নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে।

ধানের বাজারে স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে আমন ধানের উৎপাদন যা আগের তুলনায় প্রায় আট লাখ টন বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং সময়মতো বৃষ্টিপাত এই উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এছাড়া শীতকালীন ভুট্টা এবং সয়াবিনের উৎপাদনও বেশ ভালো পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে আরও সুদৃঢ় করতে সাহায্য করবে।

কৃষি উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষিশ্রমিকদের দৈনিক মজুরির একটি চিত্রও উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে। অঞ্চলভেদে পুরুষ ও নারী কৃষিশ্রমিকদের মজুরিতে তারতম্য রয়েছে এবং কাজের ধরন ও খাবারের প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করে এই মজুরি নির্ধারিত হয়। দেশের বিভিন্ন উপজেলার নমুনা সংগ্রহ করে এই মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে যা সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

ক্যারিয়ার যখন ব্যারিয়ার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ক্যারিয়ার যখন ব্যারিয়ার

ক্যারিয়ার যখন ব্যারিয়ার

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বাংলাদেশে আধুনিক কর্মজীবনে সাফল্যের সংজ্ঞা দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে। বর্তমান প্রজন্মের পেশাজীবীদের কাছে ক্যারিয়ারে সফলতার অর্থ কেবল একটি বড় পদ কিংবা মোটা অঙ্কের বেতন অর্জন নয়। এর পাশাপাশি কাজের পরিবেশ, মানসিক শান্তি এবং ব্যক্তিগত আত্মোন্নয়নকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অনেকেই এখন পেশাগত অর্জনের চেয়ে নিজের ভালো থাকাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।

দেশের প্রতিটি পেশার নিজস্ব কিছু সুবিধা এবং নানামুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে। একজন কর্মীর কাজের ধরন ও চাপের ওপর নির্ভর করে তার অভিজ্ঞতার ভিন্নতা তৈরি হয়। তবে সামাজিক ও পেশাগত ক্ষেত্রে অন্যের সঙ্গে নিজের ক্যারিয়ারের তুলনা করার প্রবণতা প্রায়ই তরুণদের মধ্যে হতাশা বাড়িয়ে দেয়। এই মানসিক চাপ তাদের কাজের উৎসাহ কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে কর্মক্ষমতা নষ্ট করে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পেশাগত জীবনে মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত কাজের চাপ কিংবা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত না হলে অনেকেই হতাশায় ভুগে থাকেন, যা তাদের ব্যক্তিগত জীবনকেও প্রভাবিত করে। তাই অন্যের সফলতার পেছনে না ছুটে নিজের স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী কাজের গতি নির্ধারণ করা উচিত।

পেশাজীবীদের মতে, ক্যারিয়ারের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নিজের দক্ষতার পূর্ণ বিকাশ ঘটানো এবং কাজের মাধ্যমে আত্মতৃপ্তি লাভ করা। সামাজিক তুলনা বন্ধ করে নিজের প্রবৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিলে কর্মজীবনে যেমন দীর্ঘস্থায়ী সাফল্য আসে, তেমনই মানসিক শান্তিও বজায় থাকে।

বাংলাদেশকে ধবলধোলায়ের হুমকি ওয়েস্ট ইন্ডিজের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশকে ধবলধোলায়ের হুমকি ওয়েস্ট ইন্ডিজের

বাংলাদেশকে ধবলধোলায়ের হুমকি ওয়েস্ট ইন্ডিজের

খেলা ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশকে সহজেই পরাজিত করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। মাত্র চার দিনের মধ্যে আট উইকেটের এই বড় জয় ক্যারিবীয় শিবিরে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। এই জয়ের পর সফরকারীদের মূল লক্ষ্য এখন শেষ ম্যাচেও জয় তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে সিরিজে ধবলধোলাই করা। প্রথম টেস্টে ফ্লাডলাইটের জটিলতা এবং বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু ওভার নষ্ট হওয়া সত্ত্বেও ক্যারিবীয়রা দুর্দান্ত পারফর্ম করে মাঠ ছেড়েছে।

ম্যাচটিতে পরাজয় ঘটলেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘরের মাঠে টেস্ট ফরম্যাটে বাংলাদেশের রেকর্ড বেশ ভালো। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মাটিতে সবশেষ সাতটি টেস্ট ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই জয় তুলে নিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় বাংলাদেশ দল সেরা পাঁচের মধ্যে অবস্থান করলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ রয়েছে আট নম্বরে। তা সত্ত্বেও মিরপুরের বাইশ গজে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে অতিথিরা।

ম্যাচ শেষে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের অফিশিয়াল ভিডিও বার্তায় দলের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশের মাটিতে এসে জয় ছিনিয়ে আনা কখনোই সহজ কাজ নয় এবং তাদের দলের মানসিকতা সবসময় জয়ের জন্যই প্রস্তুত। দলের অধিনায়ক ও খেলোয়াড়দের মাঝে জয়ের যে ক্ষুধা দেখা যাচ্ছে, তা তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। বছরটি একটি ইতিবাচক ফলাফলের মাধ্যমে শেষ করতে তারা অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আরেক ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ফিল সিমন্স, যার প্রশংসা করতে ভোলেননি ড্যারেন স্যামি। তিনি স্বীকার করেছেন যে ফিল সিমন্সের অধীনে বাংলাদেশ দল টেস্ট ক্রিকেটে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স করছে এবং প্রতিপক্ষকে সহজে ছেড়ে দেবে না। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলে বাংলাদেশের নিজস্ব লক্ষ্য ও পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নিজেদের খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম এবং সার্বিক প্রস্তুতি দেখে কোচ স্যামি আত্মবিশ্বাসী যে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী ম্যাচের জন্যও তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।

আগামী ৫ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি শুরু হতে যাচ্ছে। প্রথম ম্যাচের এই দাপুটে জয়কে পুঁজি করে শেষ ম্যাচেও বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে চায় ক্যারিবীয়রা। বার্বাডোজে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্র শুরু হওয়ার সময় যে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা অর্জনের জন্য মুখিয়ে রয়েছে পুরো ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। অন্যদিকে ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে মুখিয়ে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ দলও।