খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

দেশে আলু চাষ কমছে, পেঁয়াজের বাড়ছে; কারণ কী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশে আলু চাষ কমছে, পেঁয়াজের বাড়ছে; কারণ কী

দেশে আলু চাষ কমছে, পেঁয়াজের বাড়ছে; কারণ কী

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের কৃষি খাতে বিভিন্ন ফসলের আবাদ ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে দেশের কৃষি উৎপাদন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই তথ্য অনুযায়ী এক বছরের ব্যবধানে দেশে পেঁয়াজ ও আমন ধানসহ বেশ কিছু কৃষিপণ্যের উৎপাদন সন্তোষজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে একই সময়ে প্রধান খাদ্যপণ্য আলুর উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে যা কৃষিমহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন প্রায় ছয় লাখ টন পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের অর্থবছরে পেঁয়াজের মোট উৎপাদনের পরিমাণ যা ছিল তা পরবর্তী সময়ে শতকরা হিসাবে আঠারো ভাগের বেশি বেড়ে গেছে। কৃষকরা পর্যাপ্ত দাম পাওয়ায় এবং সংরক্ষণের সুবিধা উন্নত হওয়ায় পেঁয়াজ চাষে ব্যাপকভাবে ঝুঁকেছেন। পাশাপাশি রসুন এবং শীতকালীন মরিচের আবাদ ও ফলনও আগের তুলনায় সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।

উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিপরীত চিত্র দেখা গেছে আলুর ক্ষেত্রে যেখানে ফলন প্রায় তিন লাখ টন কমেছে। কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে বিগত বছরগুলোতে কৃষকরা আলুর আশানুরূপ বাজারমূল্য না পাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। হিমাগারে রেখেও সঠিক দাম না পাওয়ায় চাষিরা পরবর্তীতে আলু চাষের জমি কমিয়ে দিয়েছেন। শুধু আলু নয় বরং গম উৎপাদনের ক্ষেত্রেও সামান্য নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে।

ধানের বাজারে স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে আমন ধানের উৎপাদন যা আগের তুলনায় প্রায় আট লাখ টন বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং সময়মতো বৃষ্টিপাত এই উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এছাড়া শীতকালীন ভুট্টা এবং সয়াবিনের উৎপাদনও বেশ ভালো পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে আরও সুদৃঢ় করতে সাহায্য করবে।

কৃষি উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষিশ্রমিকদের দৈনিক মজুরির একটি চিত্রও উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে। অঞ্চলভেদে পুরুষ ও নারী কৃষিশ্রমিকদের মজুরিতে তারতম্য রয়েছে এবং কাজের ধরন ও খাবারের প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করে এই মজুরি নির্ধারিত হয়। দেশের বিভিন্ন উপজেলার নমুনা সংগ্রহ করে এই মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে যা সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

advertisement
advertisement

যৌথ মহড়া দিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যৌথ মহড়া দিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ

যৌথ মহড়া দিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিতে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সমুদ্র নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যৌথ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই বিশেষ সফরের আয়োজন করা হয়েছে। রোববার ৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যের মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানায়। সুসজ্জিত একটি বাদক দল ঐতিহ্যবাহী সামরিক রীতিতে বাদ্য বাজিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করে। এ সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের সামরিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ দিনের এই সফরে আসা মার্কিন জাহাজটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মেরি সেনুইত। চট্টগ্রাম পৌঁছানোর পর মার্কিন প্রতিনিধিদলের প্রধান ও জাহাজটির অধিনায়ক বাংলাদেশ নৌবাহিনী ফ্লিটের রিয়ার অ্যাডমিরাল মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এই বৈঠকে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যকার পেশাগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে উভয় দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আসন্ন এই যৌথ মহড়া সফল করতে চট্টগ্রামে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সোমবার স্কুল অব মেরিটাইম ওয়ারফেয়ার অ্যান্ড ট্যাকটিকসের অডিটরিয়ামে এই দ্বিপক্ষীয় মহড়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। এতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এই মহড়ায় মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএসএস ওয়ারিয়র জাহাজের পাশাপাশি একটি পি-৮এ উড়োজাহাজও অংশ নেবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ, কৌশলগত ঘাঁটি, কমডোর স্কোয়াডস কমান্ডের ইউনিট এবং নেভাল এভিয়েশন এই মহড়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

উভয় দেশের নৌবাহিনীর নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে ক্যারাট মহড়াটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের নৌসদস্যদের মধ্যে পেশাগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সফলভাবে আদান-প্রদান করা। একই সঙ্গে সমুদ্রপথে উদ্ভূত যেকোনো নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করা এবং যৌথভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। এই ধারাবাহিক উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক আস্থা ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।

তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের

তীব্র গরমে বছরে ১,৭৫০ কোটি ডলার ক্ষতি বাংলাদেশের

স্বাস্থ্য ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশে একদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতিও প্রকট আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ল্যানসেট কাউন্টডাউন ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ এই প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন ইউনিট এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ২০২৫ সালে দেশের সম্ভাব্য আয়ের তুলনায় প্রায় এক হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়েছে। এর পাশাপাশি তাপজনিত কারণে গত কয়েক দশকে শিশু ও প্রবীণদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গত দশকগুলোর তুলনায় তাপপ্রবাহের সংস্পর্শে আসার হার শিশুদের মধ্যে ১৬২ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ১৩৬ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে বিগত বছরগুলোতে প্রতি বছর গড়ে ২৬ বিলিয়নের বেশি শ্রমঘণ্টা নষ্ট হয়েছে, যা দেশের উৎপাদনশীলতাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি বায়ুদূষণও জনস্বাস্থ্যের জন্য এক মারাত্মক সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। কৃত্রিম উপায়ে সৃষ্ট সূক্ষ্ম কণাদূষণের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের অকালমৃত্যু ঘটেছে। কেবল ২০২৩ সালেই বায়ুদূষণজনিত কারণে দেশে প্রায় দুই লাখ ৩৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এবং গৃহস্থালি দূষণ বড় ভূমিকা রেখেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণের কারণে সৃষ্ট এই অকালমৃত্যুর অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় সাত হাজার ৭৬০ কোটি ডলার, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের একটি বড় অংশের সমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কেবল নীতিনির্ধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট গবেষক ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানান, জাতীয় জলবায়ুনীতিতে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়নে আর্থিক ও কাঠামোগত ঘাটতি রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি উত্তরণে কার্বন নিঃসরণ কমানো, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার সীমিত করা এবং স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

এক দিনের নোটিশে বাসাছাড়া, কাল সেমিস্টার ফাইনাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক দিনের নোটিশে বাসাছাড়া, কাল সেমিস্টার ফাইনাল

এক দিনের নোটিশে বাসাছাড়া, কাল সেমিস্টার ফাইনাল

জাতীয় ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ও পরিবেশনা কলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আনিয়া আক্তার দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কলোনিতে সাবলেট হিসেবে বসবাস করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে আসন না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই তাঁকে এই পথ বেছে নিতে হয়েছিল। সম্প্রতি সরকারি আবাসন থেকে ভাড়াটে ও সাবলেট সরিয়ে দেওয়ার কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়। এর ফলে স্বল্প সময়ের নোটিশে আকস্মিকভাবে তাঁকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করা হয়, যা তাঁর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।

৩১ অক্টোবরের মধ্যে কলোনি খালি করার নির্দেশ আসার পরপরই চরম বিপাকে পড়েন এই তরুণী। ঠিক এমন একটি সময়ে এই সিদ্ধান্ত আসে যখন তাঁর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছিল। হঠাৎ বাসা ছাড়ার নোটিশ পেয়ে তিনি দিশাহারা হয়ে পড়েন এবং জিনিসপত্র সরানোর জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ট্রাক বা পরিবহনও জোগাড় করতে পারেননি। আত্মীয় ও বন্ধুদের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত মালপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিলেও এই আকস্মিক পরিবর্তন তাঁর পড়াশোনা ও মানসিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

মোহাম্মদপুরে এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নিলেও সেখানে পড়াশোনার মতো অনুকূল পরিবেশ একেবারেই অনুপস্থিত। ডাইনিংরুমে গাদাগাদি করে থাকার ফলে আলো-বাতাসের ঘাটতি রয়েছে এবং পাঁচ সদস্যের পরিবারে নিজের মতো মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাছাড়া, কলোনির নিরাপত্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি অবস্থানের সুবিধা হারিয়ে এখন প্রতিদিন দীর্ঘপথ যাতায়াত এবং বাড়তি খরচ মেটানোর দুশ্চিন্তাও তাঁর কাঁধে চেপে বসেছে।

আজিমপুর সরকারি কলোনি থেকে সাবলেট বাসিন্দাদের উচ্ছেদের এই পদক্ষেপে শুধু আনিয়া একা নন, তাঁর মতো অনেক শিক্ষার্থী ও হোস্টেল ব্যবসায়ীও বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছেন। ছাত্রীরা কলোনি ছেড়ে চলায় আশপাশের অনেক হোস্টেল ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন নতুন করে আসন খোঁজার চাপ তৈরি হয়েছে। আবাসনসংকটের এই আকস্মিক বাস্তবতায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার বহুমুখী চাপে চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।