খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাংলাদেশে নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা

বাংলাদেশে নগর স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার অধীনে থাকা নগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তরের পর এর কার্যপরিধি নিয়ে স্পষ্ট ধারণার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কয়েকটি এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পরিচালিত হলেও সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং এর সুনির্দিষ্ট পরিধি এখনো পুরোপুরি নির্ধারিত হয়নি। বিশেষ করে কোন কোন অঞ্চলের কেন্দ্রগুলো সরাসরি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালনা করবে এবং এর রূপরেখা কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে। শহর ও গ্রামের মানুষের গড় আয়ুর ব্যবধান কিছুটা কমলেও স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক চিত্রে বেশ কিছু ভিন্নতা ও জটিলতা এখনো স্পষ্ট হয়ে রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী শহর ও গ্রামীণ এলাকায় বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব এবং পুষ্টিহীনতার চিত্রে বড় ধরনের তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। শহরাঞ্চলে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের হার তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও গ্রামীণ জনপদে শিশুদের অপুষ্টি এবং খর্বাকৃতির হার এখনো বেশ উদ্বেগজনক। এছাড়া দারিদ্র্য, শিক্ষার অভাব, অপর্যাপ্ত প্রসব-পরবর্তী সেবা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে নবজাতক ও প্রসূতি মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রামীণ এলাকা ও শহরের বস্তিগুলোতে বেশি দেখা যায়। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

আইনগত কাঠামো অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার এখতিয়ার থাকলেও বাস্তবে খুব অল্পসংখ্যক সিটি করপোরেশনেরই পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর স্বাস্থ্য বিভাগ রয়েছে। বেশিরভাগ পৌরসভা বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাতের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট পেশার বাইরে অন্য পেশার ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালন করে আসায় সেবার মান ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য প্রকল্প থাকলেও তাদের দাপ্তরিক কার্যপরিধিতে স্বাস্থ্যসেবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকার উল্লেখ না থাকায় সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হয়। তা সত্ত্বেও বড় কিছু শহর এলাকায় মাতৃসদন, টিকাদান কর্মসূচি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালিত হলেও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় আরও শৃঙ্খলার প্রয়োজন রয়েছে।

ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সম্ভবত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনার কৌশল গ্রহণ করতে পারে, যা একটি অত্যন্ত জটিল এবং সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এই পদ্ধতি সফল করতে হলে পূর্ব অভিজ্ঞতা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা, স্বচ্ছ দরপত্র প্রক্রিয়া এবং চুক্তি ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে সেবা পাওয়ার উপযুক্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সঠিকভাবে শনাক্ত করা এবং তাদের তালিকাভুক্ত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করবে। তাই নগরবাসীর জন্য মানসম্মত ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।

advertisement
advertisement

ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

অর্থনীতি ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে কম মূল্যের পোশাক ও ফ্যাশন পণ্যের ব্যবসায়িক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। স্বল্পমূল্যের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক এবং হ্যান্ডলিং ফি আরোপ করার কারণে চীন থেকে সরাসরি ছোট পার্সেলের মাধ্যমে পণ্য পাঠানোর ব্যবসা মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এ নীতির ফলে ইউরোপের বাজারে চীনের অতি সস্তা পোশাকের সঙ্গে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য রপ্তানি বৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক অ্যাভিয়েশন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাভিয়ানের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে। ইইউর নতুন কড়াকড়ির কারণে চীন থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহের প্রচলিত লাভজনক মডেলটি এখন উচ্চ ব্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিয়ম অনুযায়ী স্বল্পমূল্যের আমদানি পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে এবং প্রতিটি পার্সেলের ক্যাটাগরি অনুযায়ী এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এই অস্থায়ী ব্যবস্থাটি আগামী ২০২৮ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি আমদানি করা প্রতিটি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত হ্যান্ডলিং ফি চালুর ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অতিরিক্ত খরচের কারণে পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাবে, যা সরাসরি ক্রেতাদের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সস্তা চীনা পণ্যের বাজার দখলকে সংকুচিত করবে।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল জানান, কম দামি পণ্যের ওপর এই শুল্ক ও ফি যুক্ত হলে ক্রেতাদের জন্য খরচ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। মূলত চীনের বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কারখানা থেকে সরাসরি ক্রেতার কাছে স্বল্পমূল্যের পণ্য পাঠিয়ে ইউরোপের বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। কম দাম, দ্রুত সরবরাহ এবং ছোট চালানে বিক্রির সুবিধা ছিল তাদের ব্যবসার মূল ভিত্তি। কিন্তু নতুন শুল্ক কাঠামোর কারণে এই ব্যবসার খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো কম দামে পণ্য সরবরাহ করা তাদের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ইতিবাচক একটি মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের রপ্তানিকারকরা সাধারণত আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, খুচরা বিক্রেতা এবং বড় আমদানিকারকদের মাধ্যমে বিশাল চালানে পোশাক সরবরাহ করে থাকেন। চীনের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো ছোট ছোট পার্সেলে সরাসরি ক্রেতার কাছে পণ্য পাঠানোর ওপর বাংলাদেশের রপ্তানি ব্যবস্থা নির্ভরশীল নয়। ফলে ইউরোপের এই নতুন শুল্ক নীতির সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব দেশীয় পোশাক খাতের ওপর পড়ার আশঙ্কা খুবই কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় বাজারে অতি কম দামি পণ্যের দৌরাত্ম্য কমলে বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। ক্রেতারা এখন পণ্যের নির্ভরযোগ্যতা, গুণগত মান, সঠিক সময়ে সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্সের বিষয়গুলোকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। এই সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশের পোশাক প্রস্তুতকারকদের উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি মানোন্নয়ন এবং মূল্য সংযোজনের ওপর বিশেষ জোর দিতে হবে। নির্ভরযোগ্য এবং মানসম্মত সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারলে দেশের তৈরি পোশাক খাত এই পরিবর্তনের সুফল নিজেদের অনুকূলে নিয়ে আসতে পারবে।

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

জাতীয় ডেস্ক: দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে অনেকেই হয়তো দেশের ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার খবর তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পান না। পাঠকের এই কথা মাথায় রেখেই ছুটির দিন বা সপ্তাহের অন্যান্য সময়ে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলো একনজরে তুলে ধরা হয়। সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যভাণ্ডার থেকে বেছে নেওয়া হয় সেই সমস্ত প্রতিবেদন, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।

গত শনিবার দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অনেক পাঠক কাজের চাপে বা অন্য কোনো কারণে এসব তথ্য হয়তো দেখতে পারেননি। তাই দিনের শুরুতেই এই প্রতিবেদনগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিলে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সম্ভব।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ধরনের সারসংকলন পাঠকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কারণ বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে চারপাশের সঠিক তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই নির্বাচিত সংবাদগুলো বেশ কাজের হতে পারে।

আপনি যদি গতকালের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, তবে প্রাতঃভ্রমণ বা সকালের চা পানের ফাঁকে এই প্রতিবেদনগুলো পড়ে নিতে পারেন। এর ফলে আপনি দেশের চলমান পরিস্থিতি ও বাইরের বিশ্বের সমসাময়িক ধারা সম্পর্কে সহজেই অবগত থাকতে পারবেন।

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯০ জনের চাকরি, অনলাইনে আবেদন শুরু ২ নভেম্বর

চাকরি ডেস্ক: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লি. বা এপিএসসিএল সম্প্রতি একটি বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগে মোট ১৫টি শূন্য পদে সর্বমোট ৯০ জন কর্মীকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকৌশলী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্যাটাগরির দক্ষ জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, সহকারী প্রকৌশলী, সহকারী ব্যবস্থাপক, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট, ফায়ারম্যান, নিরাপত্তা প্রহরী এবং স্টোর হেলপার পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। পদ ভেদে প্রার্থীদের প্রকৌশলে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, বিকম, ডিপ্লোমা অথবা এসএসসি পাস হতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন পদের জন্য ৫২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৪ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আকর্ষণীয় মূল বেতন নির্ধারিত রয়েছে।

আবেদনের জন্য সাধারণ প্রার্থীদের বয়স আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২ বছর হতে হবে। তবে বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমা ৪০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য এবং নিরাপত্তা প্রহরী পদের ক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বয়স সর্বোচ্চ ৪২ বছর পর্যন্ত শিথিল করা হবে। ফায়ারম্যান ও নিরাপত্তা প্রহরী পদের জন্য নির্দিষ্ট শারীরিক মাপ এবং সুনির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

মূল বেতনের পাশাপাশি নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বিধিমালা অনুযায়ী আবাসন সুবিধা, দুটি উৎসব ভাতা, নববর্ষ ভাতা, চিকিৎসা ভাতাসহ নানা ধরনের আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। পদ ভেদে আবেদন ফি টেলিটক প্রিপেইড নম্বরের মাধ্যমে ৫৬ টাকা থেকে শুরু করে ২২৩ টাকা পর্যন্ত জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট লিংকের মাধ্যমে আগামী ২ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।