খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম

এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন। বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া বা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এই আবেদন করতে পারবেন। গত ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

বোর্ড করণিক নির্দেশনা অনুযায়ী, ফল পুনর্নিরীক্ষণের পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজেদের রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে এবং যোগাযোগের জন্য একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে যাতে পরবর্তী সময়ে ফলাফল সংক্রান্ত এসএমএস পাঠানো সম্ভব হয়।

অনলাইন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে শিক্ষার্থীদের সামনে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে এবং সেখান থেকে কাঙ্ক্ষিত বিষয় বা পত্রগুলো নির্বাচন করতে হবে। প্রতিটি পত্রের পুনর্নিরীক্ষণের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা এবং যেসব বিষয়ে দুটি পত্র রয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে। বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় কিংবা সোনালী সেবার মতো ডিজিটাল মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে সহজেই এই ফি পরিশোধ করা যাবে।

ফি পরিশোধের পর পোর্টালে প্রবেশ করে চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দিতে হবে এবং একবার ফি জমা হয়ে গেলে তা আর কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া বা বাতিল করা যাবে না। তবে ফি প্রদানের আগে প্রয়োজন হলে নির্বাচিত বিষয়গুলো পরিবর্তন বা পরিমার্জন করার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা যথাযথ নিয়ম মেনে এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করলে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো তাদের খাতা পুনরায় যাচাই করে ফলাফল প্রকাশ করবে।

advertisement
advertisement

টাঙ্গাইলে ছয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, একটিতে পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র ১ জন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টাঙ্গাইলে ছয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, একটিতে পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র ১ জন

টাঙ্গাইলে ছয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, একটিতে পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র ১ জন

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে টাঙ্গাইল জেলায় এক চরম বিপর্যয়ের চিত্র উঠে এসেছে। জেলার মোট ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি, যা স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শতভাগ শিক্ষার্থীর ফেল করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। সামগ্রিক ফলাফলের এই করুণ দশা সংশ্লিষ্ট এলাকায় তীব্র অভিভাবক অসন্তোষ এবং উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত পাঠদান না হওয়া এবং তদারকির ঘাটতিই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ।

শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে গোপালপুরের খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমি, শিমলা পাবলিক উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং গোপালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এছাড়া সখীপুরের সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গন আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভূঞাপুরের অলোয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নাগরপুরের ইসলামাবাদ দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থীও এবার সফলতার মুখ দেখেননি। এর মধ্যে ভূঞাপুরের অলোয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাত্র একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু সাতজন শিক্ষক থাকার পরও সেই একমাত্র শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। একইভাবে খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমি থেকে সাতজন, শিমলা পাবলিক উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে একজন, গোপালপুর টেকনিক্যাল থেকে পাঁচজন, সূর্য তরুণ থেকে চারজন এবং দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসা থেকে সাতজন অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেন।

জেলা শিক্ষা অফিসের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, টাঙ্গাইল জেলায় এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার মাত্র ৫০ দশমিক ৩২ শতাংশ। মোট ২৯ হাজার ৮৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও এর মধ্যে পাস করতে পেরেছেন ১৫ হাজার ১৬ জন এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩৬৬ জন শিক্ষার্থী। বিভিন্ন শাখার মধ্যে সাধারণ এইচএসসিতে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, আলিমে ৫৬ দশমিক ২৯ শতাংশ, এইচএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্টে ৫৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং ভোকেশনাল শাখায় ৪৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে অর্ধেকের বেশি পরীক্ষার্থী পাস করতে না পারায় জেলার শিক্ষাঙ্গনে এক ধরনের স্থবিরতা ও হতাশা বিরাজ করছে।

শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক নেতারা এই ফলাফলের জন্য প্রধানত শিক্ষক সমাজের অবহেলা এবং শিক্ষা কর্মকর্তাদের নজরদারির অভাবকে দায়ী করছেন। মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির জেলা শাখার একাংশের সভাপতি আব্দুল কাদেরের মতে, এই ভরাডুবির দায় শিক্ষকরা কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না এবং এর পূর্ণ দায় তাঁদেরই নিতে হবে। পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন হওয়ার এবং সরকারি পর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানিয়েছেন যে শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ইতিমধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। তাদের লিখিত জবাব পাওয়ার সাপেক্ষে প্রচলিত সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

অর্থনীতি ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে কম মূল্যের পোশাক ও ফ্যাশন পণ্যের ব্যবসায়িক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। স্বল্পমূল্যের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক এবং হ্যান্ডলিং ফি আরোপ করার কারণে চীন থেকে সরাসরি ছোট পার্সেলের মাধ্যমে পণ্য পাঠানোর ব্যবসা মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এ নীতির ফলে ইউরোপের বাজারে চীনের অতি সস্তা পোশাকের সঙ্গে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য রপ্তানি বৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক অ্যাভিয়েশন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাভিয়ানের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে। ইইউর নতুন কড়াকড়ির কারণে চীন থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহের প্রচলিত লাভজনক মডেলটি এখন উচ্চ ব্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিয়ম অনুযায়ী স্বল্পমূল্যের আমদানি পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে এবং প্রতিটি পার্সেলের ক্যাটাগরি অনুযায়ী এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এই অস্থায়ী ব্যবস্থাটি আগামী ২০২৮ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি আমদানি করা প্রতিটি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত হ্যান্ডলিং ফি চালুর ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অতিরিক্ত খরচের কারণে পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাবে, যা সরাসরি ক্রেতাদের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং সস্তা চীনা পণ্যের বাজার দখলকে সংকুচিত করবে।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল জানান, কম দামি পণ্যের ওপর এই শুল্ক ও ফি যুক্ত হলে ক্রেতাদের জন্য খরচ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। মূলত চীনের বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কারখানা থেকে সরাসরি ক্রেতার কাছে স্বল্পমূল্যের পণ্য পাঠিয়ে ইউরোপের বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। কম দাম, দ্রুত সরবরাহ এবং ছোট চালানে বিক্রির সুবিধা ছিল তাদের ব্যবসার মূল ভিত্তি। কিন্তু নতুন শুল্ক কাঠামোর কারণে এই ব্যবসার খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো কম দামে পণ্য সরবরাহ করা তাদের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ইতিবাচক একটি মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের রপ্তানিকারকরা সাধারণত আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, খুচরা বিক্রেতা এবং বড় আমদানিকারকদের মাধ্যমে বিশাল চালানে পোশাক সরবরাহ করে থাকেন। চীনের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো ছোট ছোট পার্সেলে সরাসরি ক্রেতার কাছে পণ্য পাঠানোর ওপর বাংলাদেশের রপ্তানি ব্যবস্থা নির্ভরশীল নয়। ফলে ইউরোপের এই নতুন শুল্ক নীতির সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব দেশীয় পোশাক খাতের ওপর পড়ার আশঙ্কা খুবই কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় বাজারে অতি কম দামি পণ্যের দৌরাত্ম্য কমলে বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। ক্রেতারা এখন পণ্যের নির্ভরযোগ্যতা, গুণগত মান, সঠিক সময়ে সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্সের বিষয়গুলোকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। এই সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশের পোশাক প্রস্তুতকারকদের উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি মানোন্নয়ন এবং মূল্য সংযোজনের ওপর বিশেষ জোর দিতে হবে। নির্ভরযোগ্য এবং মানসম্মত সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারলে দেশের তৈরি পোশাক খাত এই পরিবর্তনের সুফল নিজেদের অনুকূলে নিয়ে আসতে পারবে।

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

জাতীয় ডেস্ক: দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে অনেকেই হয়তো দেশের ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার খবর তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পান না। পাঠকের এই কথা মাথায় রেখেই ছুটির দিন বা সপ্তাহের অন্যান্য সময়ে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলো একনজরে তুলে ধরা হয়। সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যভাণ্ডার থেকে বেছে নেওয়া হয় সেই সমস্ত প্রতিবেদন, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।

গত শনিবার দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অনেক পাঠক কাজের চাপে বা অন্য কোনো কারণে এসব তথ্য হয়তো দেখতে পারেননি। তাই দিনের শুরুতেই এই প্রতিবেদনগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিলে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সম্ভব।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ধরনের সারসংকলন পাঠকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কারণ বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে চারপাশের সঠিক তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা সমসাময়িক বিষয় নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই নির্বাচিত সংবাদগুলো বেশ কাজের হতে পারে।

আপনি যদি গতকালের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, তবে প্রাতঃভ্রমণ বা সকালের চা পানের ফাঁকে এই প্রতিবেদনগুলো পড়ে নিতে পারেন। এর ফলে আপনি দেশের চলমান পরিস্থিতি ও বাইরের বিশ্বের সমসাময়িক ধারা সম্পর্কে সহজেই অবগত থাকতে পারবেন।