খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

গুম হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গুম হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি

গুম হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি

রাজনীতি ডেস্ক: বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে গুম ও নিখোঁজ হওয়া যুবদলের নেতাকর্মীদের দ্রুত সন্ধান এবং তাদের ওপর চালানো অবর্ণনীয় নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর বিচারের দাবি জানানো হয়েছে। সম্প্রতি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার অজিফা খাতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতারাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বিগত সরকারের নানা দমনপীড়নের তীব্র নিন্দা জানান এবং দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও নোয়াখালী জেলা সভাপতি মনজুরুল আজিম সুমন উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন, জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলা মোকাবিলা করে বিএনপি দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে। অতীতে স্বৈরাচারী সরকারের আমলে তাদের বহু নেতাকর্মী গুম, খুন ও পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের সন্ধান পাওয়ার আকুল আবেদন জানিয়ে তিনি এই পৈশাচিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান তার বক্তব্যে বলেন যে, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুবদল সর্বদা ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ রয়েছে। সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী যেকোনো দখলদারি ও চাঁদাবাজির মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে তিনি ঘোষণা দেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারে, সে বিষয়ে যুবদল সবসময় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয় যা স্থানীয় প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নিয়ে গুম হওয়া ভাইদের ফিরিয়ে আনা এবং নির্যাতনকারীদের বিচারের দাবিতে স্লোগান দেন।

advertisement
advertisement

হ্যালোউইনে শ্রীদেবীর কালজয়ী ‘নাগিনা’ সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন জাহ্নবী কাপুর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হ্যালোউইনে শ্রীদেবীর কালজয়ী ‘নাগিনা’ সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন জাহ্নবী কাপুর

সাদা গোলাপি এই পোশাকেই জাহ্নবী কাপুরের মা শ্রীদেবী নাগিনা চরিত্রে এক বিখ্যাত গানে পারফর্ম করেছিলেন

হ্যালোউইন উপলক্ষে আকর্ষণীয় সাজপোশাকের উৎসবে মেতেছেন বলিউডের তারকারা। এই বিশেষ দিনে নিজের প্রয়াত মা, বলিউড কিংবদন্তি শ্রীদেবীর স্মরণীয় এক চরিত্রকে ফিরিয়ে এনেছেন জাহ্নবী কাপুর। ফোক ঘরানার জনপ্রিয় সিনেমা ‘নাগিনা’র সেই বিখ্যাত সর্পকন্যার সাজে নিজেকে মেলে ধরেছেন তিনি। মূল ছবিতে জ্বলজ্বলে রঙিন লেন্স, আকর্ষণীয় পোশাক ও সাজে শ্রীদেবী ছিলেন অনন্য; এবার মা-কে অনুসরণ করে সেই নাগিনা লুকটি দারুণ দক্ষতায় তুলে ধরেছেন জাহ্নবী।

সিনেমাটির একটি জনপ্রিয় গানের অনুকরণে সাদা ও গোলাপি রঙের পোশাক, ঝলমলে পাথরের গয়না আর নীল চোখের লেন্সে জাহ্নবীর উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। শুধু একক সাজেই নয়, বন্ধুদের সঙ্গী করে সিনেমার পোস্টার ও নানা মুহূর্ত নতুন করে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। এই রিক্রিয়েশনে নায়ক ঋষি কাপুরের চরিত্রে হাজির হয়েছেন অরি, আর সাপুড়ে অমরীশ পুরীর ভূমিকায় দেখা গেছে ডিজিটাল ক্রিয়েটর বৈষ্ণব প্রবীণকে।

মূল সিনেমার শুটিংয়ের অবসরে অমরীশ পুরী, ঋষি কাপুর ও শ্রীদেবীর খাবার খাওয়ার একটি মুহূর্তও নতুন করে ক্যামেরাবন্দী করেছেন জাহ্নবী, অরি ও বৈষ্ণব। আরেকটি ফ্রেমে বৈষ্ণবকে বীন বাজাতে এবং মেঝেতে জাহ্নবীকে পোজ দিতে দেখা যায়, যার পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন অরি। সিনেমার দৃশ্য অনুযায়ী ঋষি কাপুর ও অমরীশ পুরীর রসায়নও দারুণভাবে উপস্থাপন করেছেন অরি ও বৈষ্ণব। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এই ফটোশুটে জাহ্নবীর রূপসজ্জা, পোশাক, গয়না এবং অভিব্যক্তির ভূয়সী প্রশংসা করছেন অনুরাগীরা।

জমির বাণিজ্যিকীকরণে বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে ঢাকা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জমির বাণিজ্যিকীকরণে বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে ঢাকা

জমির বাণিজ্যিকীকরণে বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে ঢাকা

জাতীয় ডেস্ক: অপরিকল্পিত ও লাগামহীন বাণিজ্যিকীকরণের ফলে দেশের রাজধানী ঢাকা তার মৌলিক বাসযোগ্যতা দ্রুত হারিয়ে ফেলছে। সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় নগর পরিকল্পনাবিদরা এই উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই নেতিবাচক প্রবণতার কারণে নাগরিক জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিবেশের মারাত্মক অবনতি ঘটছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শায়ের গফুর এই অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপনকালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরব ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, নীতিনির্ধারক মহলের যথাযথ তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবই এই পরিস্থিতির জন্য মূলত দায়ী। কর্তৃপক্ষের এই রহস্যজনক নীরবতার সুযোগ নিয়ে প্রভাবশালী মহল ইচ্ছেমতো জমির বাণিজ্যিক ব্যবহার চালিয়ে যাচ্ছে।

নগর বিশেষজ্ঞর মতে, কেবল দায়সারা গোছের কিছু সংস্কার করে রাজধানীর এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। এই ধ্বংসাত্মক ধারার বিরুদ্ধে জোরালো ও দৃশ্যমান অবস্থান না নিলে ঢাকাকে বাসযোগ্য করে তোলার যেকোনো উদ্যোগ সম্পূর্ণ ব্যর্থ হতে বাধ্য। তাই শহর বাঁচাতে হলে অবিলম্বে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অপরিকল্পিতভাবে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার কারণে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান কমছে, অন্যদিকে নাগরিক সুযোগ-সুবিধাগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। এখনই কার্যকর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা না হলে অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা সম্পূর্ণ বসবাসের অউপযোগী মেগাসিটিতে পরিণত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান

সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক: কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সমাপনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সেখানে আয়োজিত এই জনসভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন রাজনৈতিক নেতারা। সরকারের পক্ষ থেকে এই দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা না হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান বলেন যে জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পেশকৃত সাত দফা দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। এই দাবিগুলো দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় দেশের সাধারণ মানুষ অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে চূড়ান্ত ও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো অত্যন্ত জরুরি। অতীতে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক সংস্কারের বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

সমাপনী এই জনসভায় বিভিন্ন দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। লংমার্চ ও জনসভার মাধ্যমে ১১-দলীয় ঐক্য তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছে। আগামী দিনগুলোতে নিজেদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য তারা দেশব্যাপী গণসংযোগ ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।