খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করবে সরকার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করবে সরকার

ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করবে সরকার

স্বাস্থ্য ডেস্ক: স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং কার্যক্রম এবং জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট নিউরোলজিস্ট, নিউরোসার্জন ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন যে, কেবল নতুন হাসপাতাল নির্মাণ করে রোগীর ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, বরং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং বিশেষ হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং ওয়ার্কার নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। নিয়োজিত এই স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিতভাবে প্রতিটি পরিবারে গিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করবেন, যা স্ট্রোকের প্রধান দুটি ঝুঁকি প্রাথমিক পর্যায়ে মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে।

স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান যে, অনেক সময় রোগীর স্বজনেরা সঠিক হাসপাতাল খুঁজে পেতে বিপাকে পড়েন এবং মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। এই জটিলতা দূর করতে জেলা পর্যায়ে আধুনিক কল সেন্টার এবং কেন্দ্রীয় অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সগুলোতে প্রশিক্ষিত প্যারামেডিকরা উপস্থিত থাকবেন, যারা রোগীর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করে তাকে দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত ও বিশেষায়িত হাসপাতালে পৌঁছে দিতে সহায়তা করবেন।

সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান যে, স্ট্রোক সারা বিশ্বে মৃত্যু এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার অন্যতম প্রধান একটি কারণ হিসেবে চিহ্নিত। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, স্থূলতা এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা মূলত এই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, শরীরের কোনো একপাশ অবশ বা দুর্বল হওয়া কিংবা কথা বলতে সমস্যা হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে কোনো সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণের পরামর্শ দেন তারা।

বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতালের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের সচিব অধ্যাপক ডা. ফিরোজ কাদের এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনসহ দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা।

advertisement
advertisement

ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করল সরকার, ফি সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করল সরকার, ফি সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা

ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করল সরকার, ফি সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা

জাতীয় ডেস্ক: সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল সুশৃঙ্খল করতে নতুন একটি বিধিমালা জারি করেছে সরকার। সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যার মাধ্যমে আগের সব নির্দেশনা বাতিল করা হয়েছে। নতুন এই নিয়মের আওতায় প্রতিটি ই-রিকশার নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং যানের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই যাত্রী বহনক্ষমতাসম্পন্ন যানের জন্য আট হাজার টাকা এবং চার যাত্রী বহনক্ষমতার যানের জন্য দশ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। এই নিবন্ধনের মেয়াদ থাকবে পাঁচ বছর এবং প্রতিবছর নির্দিষ্ট ফি দিয়ে তা নবায়ন করতে হবে।

নিবন্ধন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত ও নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক এবং ন্যূনতম আঠারো বছর বয়সী হতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি, ছবি, ফিটনেস সনদ এবং ফি জমার রসিদ জমা দেওয়ার পর কর্তৃপক্ষ ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন প্রদান করবে। একজন নাগরিক একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নিতে পারবেন। তবে এক সিটি করপোরেশনের নিবন্ধিত যান অন্য সিটি করপোরেশনে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না। বুয়েটের প্রযুক্তিগত মানদণ্ড অনুযায়ী ফিটনেস যাচাইয়ের পর ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষর সাপেক্ষে নিবন্ধন নম্বর প্লেট দেওয়া হবে।

যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট রুট, গতিসীমা এবং নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় পঁচিশ কিলোমিটার এবং সংবেদনশীল এলাকায় তা পনেরো কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং ফুটপাতে এসব যান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে এলাকাভিত্তিক রুট এবং নির্দিষ্ট রং নির্ধারণ করবে। এছাড়া প্রতিটি যানে স্পিডোমিটার স্থাপন এবং চালকের জন্য নির্দিষ্ট লেন মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত গ্যারেজ বা চার্জিং পয়েন্ট ছাড়া যত্রতত্র ব্যাটারি চার্জ দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টিতেও নতুন বিধমালায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। পুরোনো ও অকার্যকর ব্যাটারি যত্রতত্র ফেলা বা পোড়ানো যাবে না এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া তা প্রক্রিয়াজাত করা নিষিদ্ধ। নতুন ব্যাটারি বিক্রির সময় ডিলারের মাধ্যমে পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট কারখানায় পাঠানো নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া নিয়ম লঙ্ঘন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল কিংবা অনুমতি ছাড়া মোটর পরিবর্তন করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠনের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে এসব যানকে বিমার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটন ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি বন্ধুভাবাপন্ন দেশের মধ্যে পর্যটন অংশীদারত্ব জোরদার করার পাশাপাশি জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান যে প্রচলিত পর্যটনের বাইরে চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রিক ভ্রমণ দুই দেশের জন্যই একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হতে পারে।

রাজধানীর ওই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের চিকিৎসা খাতের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। এর মাধ্যমে বিশেষায়িত এই পর্যটন খাতে নতুন সুযোগ অনুসন্ধানে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। পাকিস্তানি কূটনীতিক আশা প্রকাশ করেন যে এই ধরনের অংশগ্রহণের ফলে দুই দেশের ব্যবসায়িক মহলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে চিকিৎসা পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

ঐতিহ্যগত অবকাশযাপনকেন্দ্রিক ভ্রমণের সীমানা পেরিয়ে বিশেষায়িত পর্যটনসেবার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বই সবসময় জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং একে অপরের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে জানার মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও গভীর করা সম্ভব। এছাড়া দুই দেশেই তুলনামূলক সাশ্রয়ী ব্যয়ে বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো উপভোগ করা যায়, যা দ্বিপক্ষীয় পর্যটন বিনিময়ের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

জনগণের মধ্যকার যোগাযোগভিত্তিক কূটনীতির মাধ্যম হিসেবে পর্যটন খাতকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ জোর দেন পাকিস্তানি হাইকমিশনার। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক এই মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই বর্ণিল প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক জোরদার এবং সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী। উল্লেখ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের উদ্বোধন করা এই মেলায় বাংলাদেশসহ ষোলটি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে যুবসমাজ যেন প্রতারণার শিকার না হয়: প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে যুবসমাজ যেন প্রতারণার শিকার না হয়: প্রতিমন্ত্রী

বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে যুবসমাজ যেন প্রতারণার শিকার না হয়: প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: দেশের তরুণ সমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশে কাজের সুযোগ তৈরি করা বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ। তবে প্রবাসে কর্মসংস্থানের নামে দেশের যুবসমাজ যেন কোনোভাবেই প্রতারণার শিকার না হয় কিংবা আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বদাই সতর্ক থাকতে হবে। সম্প্রতি নাটোরের লালপুর উপজেলায় আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই গুরুত্বপূর্ণ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। দেশের তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রেখে তাদের জন্য নিরাপদ কর্মসংস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

নাটোরের লালপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে স্টাডি অ্যাব্রড কনসালটেন্সি জিটি গ্রুপ এই দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সম্ভাবনা বিষয়ক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশগুলোতে বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে তা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং বেকারত্ব দূর করতে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এই সুযোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং ভাষাগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত আবশ্যক।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন যে, বিদেশে পাড়ি জমানোর পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, কর্মসংস্থানের চুক্তিপত্র, নির্ধারিত বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তরুণদের সম্পূর্ণ স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল প্রবাসে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব। যুবসমাজ হলো দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ এবং তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রেখেই মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করতে হবে। কর্মসংস্থানের এই মহৎ উদ্যোগ যেন কোনোভাবেই তরুণ প্রজন্মের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি বা অপ্রয়োজনীয় দুর্ভোগের কারণ হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে জিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান পার্ক জি ইয়ং এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মামুন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজি মেশকাতুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি আবির হোসেন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও এই আলোচনায় অংশ নেন। সভায় দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের বিভিন্ন সম্ভাবনা, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কৌশল এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, এই ধরনের উদ্যোগের ফলে কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং দক্ষ কর্মী তৈরির পথ সুগম হবে।