খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

‘এক সপ্তাহ ধরে বেঁচাবিক্রি নেই, কিস্তির টাকা কেমনে দেব’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘এক সপ্তাহ ধরে বেঁচাবিক্রি নেই, কিস্তির টাকা কেমনে দেব’

‘এক সপ্তাহ ধরে বেঁচাবিক্রি নেই, কিস্তির টাকা কেমনে দেব’

অর্থনীতি ডেস্ক: রাঙামাটির সাজেকে টানা অবরোধ কর্মসূচির কারণে খাগড়াছড়ি জেলার পর্যটন ও ব্যবসাবাণিজ্যে ব্যাপক ধস নেমেছে। রাঙামাটির এই জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়ার একমাত্র পথ খাগড়াছড়ি হওয়ায় এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এখানকার স্থানীয় বাজারে। পর্যটকের আনাগোনা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খাগড়াছড়ির শতাধিক দোকানপাট, হোটেল এবং পরিবহন খাতের ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ঋণ বা কিস্তির টাকা পরিশোধ করা এবং কর্মচারীদের বেতন দেওয়া নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা।

খাগড়াছড়ি শহরের আদালত সড়কে কাপড়ের দোকান পরিচালনা করা বিকিরণ রোয়াজার ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে শুধু কিস্তি বাবদ পরিশোধ করতে হয় ৩৫ হাজার টাকা। এর সঙ্গে দোকান ভাড়া ও কর্মচারীর বেতন মিলিয়ে আরও প্রায় ১৭ হাজার টাকার খরচ রয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে তাঁর দৈনিক গড়ে ১০ হাজার টাকার মতো বেচাবিক্রি হলেও গত এক সপ্তাহ ধরে দোকানে একটি থান কাপড়ও বিক্রি হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা তো দূরের কথা, জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করাই কঠিন হয়ে পড়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

একই রকম দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন শহরের জুমলাইন মার্কেটের পাহাড়িকা নামের একটি দোকানের কর্মচারী মেকি চাকমা এবং শাপলা চত্বর এলাকার সাদামাটা হোটেলের মালিক দিদারুল আলম। স্থানীয় ক্রেতাদের আকর্ষণ ভিন্ন হওয়ায় তাদের মূলত পর্যটকদের ওপরই নির্ভর করতে হয়। কিন্তু সাজেকগামী পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকায় হোটেলগুলোতে প্রতিদিন বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হচ্ছে। মিলনপুর এলাকার গাইরিং হোটেলের ব্যবস্থাপক জানান, তাঁদের হোটেলের অর্ধেকের বেশি কক্ষ খালি পড়ে রয়েছে এবং অনেক হোটেলের তো কোনো অতিথির দেখা মিলছে না।

পর্যটকের এই খরা কেবল বাণিজ্যিক বিপণিবিতান বা হোটেলেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং স্থানীয় বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও এর গভীর প্রভাব পড়েছে। পার্বত্য জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্কের কর্মচারী মনতোষ ত্রিপুরা জানান, সাজেক সচল থাকা অবস্থায় যেখানে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ শ টিকিট বিক্রি হতো, সেখানে এখন নামমাত্র স্থানীয় দর্শনার্থীও আসছেন না। ফলে পার্কের ভেতরে থাকা জিপ লাইন ও জায়ান্ট সুইংয়ের মতো রাইডগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। মূলত সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে চলা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ এবং এর জেরে জেলা প্রশাসনের নিরাপত্তা নির্দেশনার কারণেই পর্যটন খাত স্থবির হয়ে পড়েছে।

advertisement
advertisement

সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী

সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই অনিয়মের কাল্পনিক অভিযোগ তুলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকে বিতর্কিত করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে রাজনৈতিক দলগুলোর সমসাময়িক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে এই অভিযোগ করা হয়। বক্তারা দাবি করেন, একটি শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সুপরিকল্পিতভাবে মনগড়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য কোনোভাবেই কাম্য নয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এসে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করেই নানা প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। এর পেছনে অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে বলে উল্লেখ করে বলা হয়, জনগণের কাছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে হেয় প্রতিপন্ন করাই এসব অপতৎপরতার মূল লক্ষ্য। তবে সাধারণ মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন এবং এই ধরনের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারে কেউ বিভ্রান্ত হবে না বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক একটি উপনির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে তারা সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন মহলের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই ধরনের নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে নাগরিকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও সতর্ক রয়েছে।

স্মরণসভার মূল অংশে প্রয়াত রাজনৈতিক নেতাদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামের দিনগুলোতে নির্যাতন ও কারাবাসের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা সীমাহীন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। বহু নেতাকে চিকিৎসাবঞ্চিত করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে প্রয়াত নেতাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করবে সরকার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করবে সরকার

ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করবে সরকার

স্বাস্থ্য ডেস্ক: স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং কার্যক্রম এবং জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট নিউরোলজিস্ট, নিউরোসার্জন ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন যে, কেবল নতুন হাসপাতাল নির্মাণ করে রোগীর ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, বরং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং বিশেষ হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং ওয়ার্কার নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। নিয়োজিত এই স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিতভাবে প্রতিটি পরিবারে গিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করবেন, যা স্ট্রোকের প্রধান দুটি ঝুঁকি প্রাথমিক পর্যায়ে মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে।

স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান যে, অনেক সময় রোগীর স্বজনেরা সঠিক হাসপাতাল খুঁজে পেতে বিপাকে পড়েন এবং মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। এই জটিলতা দূর করতে জেলা পর্যায়ে আধুনিক কল সেন্টার এবং কেন্দ্রীয় অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সগুলোতে প্রশিক্ষিত প্যারামেডিকরা উপস্থিত থাকবেন, যারা রোগীর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করে তাকে দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত ও বিশেষায়িত হাসপাতালে পৌঁছে দিতে সহায়তা করবেন।

সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান যে, স্ট্রোক সারা বিশ্বে মৃত্যু এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার অন্যতম প্রধান একটি কারণ হিসেবে চিহ্নিত। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, স্থূলতা এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা মূলত এই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, শরীরের কোনো একপাশ অবশ বা দুর্বল হওয়া কিংবা কথা বলতে সমস্যা হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে কোনো সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণের পরামর্শ দেন তারা।

বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতালের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের সচিব অধ্যাপক ডা. ফিরোজ কাদের এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনসহ দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা।

জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে

জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে

খেলা ডেস্ক: জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের নারী এককের ফাইনালে এক দুর্দান্ত ও রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন লিকা পোদ্দার। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তিনি পরাজিত করেন প্রতিযোগিতার সাবেক চ্যাম্পিয়ন উর্মি আক্তারকে। শুরু থেকেই ম্যাচটিতে দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে পয়েন্ট অর্জনের জন্য কঠোর লড়াই চলতে থাকে, যা দর্শকদের দীর্ঘক্ষণ উৎকণ্ঠায় রাখে। শেষ পর্যন্ত নিজের স্নায়ুচাপ ধরে রেখে এবং অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করে জয় ছিনিয়ে নেন লিকা।

এই অভাবনীয় জয়ের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নতুন চ্যাম্পিয়ন লিকা পোদ্দার এবং তার পরিবার। জয়ের মুহূর্তেই আনন্দে কেঁদে ফেলেন তার মা এবং লিকা নিজেও। একজন সাধারণ জেলের কন্যা হিসেবে তার এই সুদীর্ঘ ও সংগ্রামমুখর ক্রীড়াজীবন এতটা সহজ ছিল না। নানান প্রতিকূলতা, আর্থিক সংকট এবং সরঞ্জামের ঘাটতি মোকাবিলা করে তাকে খেলায় টিকে থাকতে হয়েছে। আজকের এই জয়ের মাধ্যমে তার সেই দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং না বলা কষ্টের এক সার্থক রূপায়ণ ঘটেছে।

ম্যাচটি শেষে বিজয়ী ট্রফি হাতে পাওয়ার পর লিকার কণ্ঠে ফুটে ওঠে কৃতজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাসের সুর। তিনি তার এই সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব দেন নিজের পরিবার ও কোচকে, যারা চরম বিপদের দিনেও তার পাশে থেকেছেন এবং তাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। অন্যদিকে সাবেক চ্যাম্পিয়ন উর্মি আক্তারও লিকাকে তার এই জয়ের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই ফাইনাল ম্যাচটি দেশের ব্যাডমিন্টনঙ্গনে নতুন এক রোমাঞ্চকর অধ্যায়ের সূচনা করল এবং তরুণ প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এই অভাবনীয় সাফল্য নতুন এক ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ে এমন গৌরব অর্জন প্রমাণ করে যে, ইচ্ছা শক্তি ও প্রতিভা থাকলে যেকোনো প্রতিকূলতা পেরিয়ে চূড়ায় পৌঁছানো সম্ভব। লিকা পোদ্দারের এই ঐতিহাসিক বিজয় দেশের উদীয়মান তরুণ অ্যাথলেটদের জন্য বিশেষ করে নারী ক্রীড়াবিদদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন প্রেরণা জোগাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।