খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মোটর সাইকেল পুড়ালো বিপদগামী যুবক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মোটর সাইকেল পুড়ালো বিপদগামী যুবক

সাইকেল পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নেশাগ্রস্থ বিপদগামী যুবকের বিরুদ্ধে।

সরিষাবাড়ি,জামালপুর-

জামালপুরের সরিষাবাড়িতে  পিংনা ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি নাজমুল ইসলাম নাজু"র বিশ্ব বিদ্যালয় পড়ূয়া একমাত্র ছেলে তাসলিমূল ইসলামের মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নেশাগ্রস্থ বিপদগামী যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিপদগামী যুবক হাসানকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়েরের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ২নং পোগল দিঘা ইউনিয়নের যমুনা সার কারখানা আবাসিক কলোনীতে বলে জানা যায়।
 ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক  ৫ টার সময় জেএফসিএল এলাকার কলেজ জীবনের সহপাঠি জিল্লুর ছেলে মহাইমিনুর রহমান বিদ্যুৎ (২৮) নূরুল ইসলামের ছেলে নিয়াজুল ইসলাম(২৭) ও রফিকুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহ আল ফারাবী রাফির সাথে কলোনীতে বেড়াতে যায় তাসলিমুল। কলেজ অধ্যয়নের সময় পরিচয় হয় মোঃ মাহমুদুল হাসান ও তাসকিমুলের। তাসলিমুল হাসানকে বড় ভাই হিসেবে শ্রদ্ধা করতো। দীর্ঘদিন তাদের দেখা সাক্ষাত নাই। ঘটনার দিন (হাসান-৩৫) তাসলিমুলকে দেখা মাত্রই কোন কারণ ছাড়াই অকথ্য ভাষায় গালি- গালাজ করতে থাকে। তাসলিমুল হাসানের কথার কোন প্রতিবাদ না করিয়া সঙ্গীঁয় বন্ধুদের নিয়ে সহপাঠি মহাইমিনুর রহমান বিদ্যুতের জেএফসিএল কলোনীর বাসায় চলে আসে।বাসা নং ই-৩। বিদ্যুতের বাসায় গিয়ে এবং স্থানীয় লোকজনের মুখে তাসলিমুল জানতে পারে হাসান মাদকাসক্ত বিপদগামী এবং বন্ধু বিদ্যুতের সহিত মাহমুদুল হাসান (হাসান)র  পূর্ব শত্রুতাপূর্ণ আচরণ করিয়া আসিতেছে। ওই দিন রাত ৯টার সময় হাসান তাসলিমুলের মুঠো ফোনে কল দিয়ে  তাসলিমুল কে দেখা করতে বলে। তাসলিমুল মাদকাসক্ত জেনে হাসানের সহিত দেখা করবে না বলে জানায়। রাত ১০ টায় হাসান পুনরায় ফোন দিয়ে তাসলিমুলকে কলোনী থেকে বের হতে দেবে না এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাসার আসপাশে দেশীয় অস্ত্রনিয়ে ঘোরাঘুরি করে। ভয়ে তাসলিমুল রাতে বের না হয়ে বিদ্যুতের বাসায় ঘুমিয়ে পড়ে। এক পর্য্যায় তাকে না পেয়ে কলোনীর ই-৩ নং বাসার সিড়ির নীচে রাখা তাসলিমুলের ব্যবহৃত ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভ ডিথ্রি মোটর সাইকেল, যার রেজিঃ নং জামালপুর -ল ১১-৫৫ ৯৯ তে  ৮/৯/২৬ইং  রাত ৩:৩০ পেট্টোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মেট্টোলের আগুনে মোটর সাইকেল পুড়ানোর শেষ পর্য্যায় বিকট শব্দে তাসলিমুলের ঘুম ভেঙ্গেঁ যায়। এ সময় বন্ধুদের জাগিয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে হাসানকে ঘটনা স্থলে দেখতে পায় এবং তারা এগিয়ে এলে হাসান হুমকি দিয়ে দৌড়ে তার বাসার ছাদে আশ্রয় নেয় এবং চিল্লায়ে চিল্লায়ে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে জানা যায়।
এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তাসলিমুল বলেন থানায় অভিযোগ দিয়েছি। জানতে চাইলে ৫ নং পিংনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও বাদী তাসলিমুলের পিতা নাজমূল ইসলাম নাজু সকালের সময়কে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,হাসান বিগত দিনে অনেক অপকর্ম করেছে। তার বিরুদ্ধে নানা অপরাধের একাধিক মামলাও রয়েছে। ছেলের আবদার মিটাতে প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষ টাকায় শখ করে আর ওয়ান ফাইভ মোটর সাইকেল কিনে দিয়েছি। সেটিকে মাদক ব্যবসায়ী হাসান পুড়েছে। আমি প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্ট মন্ত্রীর কাছে যাবো।এর শেষ দেখেই ছাড়বো। মামলা করেছি।দারোগা এসে ছিলেন।
এ বিষয়ে তারাকান্দি তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তার নিকট  অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন সরিষাবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। 
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা মোর্শেদ তালুকদারের নিকট মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,নাজুকে বলে ছিলাম তার ছেলের প্রতি নজর দিতে। সে আমার কথায় কান না দিয়ে আমাকে দোষারোপ করে। তবে বিষয়টি বসে  মীমাংসা করবেন এবং নিউজ করা থেকেও বিরত থাকতে বলেন তিনি। 
এ  বিষয়ে এসআই জুলহাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,পুড়ানো মোটর সাইকেলটি এমপ্লয়িজ ক্লাব থেকে জব্দ করা হয়।স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ওখানে জমা রেখেছিলো। অভিযোগে গাড়ীর নাম্বার উল্লেখ না থাকায় বাদী অভিযোগ সংশোধনের পর    মামলা রেকর্ড ও কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও তিনি বলেন।
এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তর ইউরিয়া উৎপাদনকারী সার কারখানা জেএফসিএল আবাসিক কলোনীর ভিতর রাতের অন্ধকারে মোটর সাইকেল পুড়ানো নিরাপত্তা প্রতি হুমকি বলে দেখছেন সুধিজন। মাদক এবং অন্য কোন আপত্তিকর বিষয় রয়েছে কি- না এবং প্রকৃত ঘটনা উম্মোচন ও প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সর্ব্বোচ্চ আইন প্রয়োগকারি সংস্থার প্রতি দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসিসহ সচেতন মহল।
advertisement
advertisement

জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও এক আসনের উপনির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। সকালের দিকে নিজ নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তারা ভোট দেন এবং নির্বাচনী পরিবেশ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। উপনির্বাচন উপলক্ষে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কেন্দ্রগুলোতে কিছুটা উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন নিজেদের জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী মনোভাব ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছেন এবং দিনশেষে তাদের পক্ষেই বিজয় আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া শেষ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে এই উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীর জয় সুনিশ্চিত বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন ভোটদান শেষে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় কিছু ত্রুটির অভিযোগ তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, অনেক প্রিসাইডিং কর্মকর্তার পরিচয়পত্রে নির্ধারিত ছবি অনুপস্থিত রয়েছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। এ ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অন্তরায় হতে পারে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকলে তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকার ঘোষণা দেন।

নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রার্থীর অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা সজাগ দৃষ্টি রেখেছেন বলে প্রশাসন সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাপান সফরকালে দেশটির অন্যতম শীর্ষ গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টয়োটার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি সম্প্রতি নাগোয়া অঞ্চলে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির সুবিশাল মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশ সরকারের সরকারপ্রধানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জাপানি এই মোটর কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। কারখানার আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক কার্যক্রম সরাসরি দেখার জন্য এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কারখানার ভেতরে বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন এবং অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে গাড়ি সংযোজন বা অ্যাসেম্বলি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। কীভাবে নিখুঁতভাবে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ গাড়ি তৈরি করা হয়, তা তাঁকে কারিগরি দল বিস্তারিতভাবে বোঝায়। জাপানের উন্নত শিল্পোৎপাদন কৌশল এবং স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন লাইনের কার্যক্রম দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এই আধুনিক প্রযুক্তি বাংলাদেশের শিল্প খাতের উন্নয়নে কীভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে, তা নিয়েও সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়।

এই পরিদর্শনের সময় টয়োটা মোটর করপোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসাহিকো মোয়েদা ছাড়াও টয়োটা সুশো করপোরেশনের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে মোবিলিটি বিভাগের প্রধান নির্বাহী শিগেরু হারাদা এবং চিফ অপারেটিং অফিসার শিনিচিরো ওতসুকা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কারখানার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখান। জাপানি এই শীর্ষ নির্বাহীরা বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে তাদের প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং পরিবেশবান্ধব গাড়ি উৎপাদনের নানা দিক সম্পর্কে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই কার্যাঞ্চল সফরে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে দেশের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সরকারি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এবং প্রেস উইংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত প্রেস সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও এই গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শনের সময় তাঁর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন নিজের ভোтаধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সকালে নিজ বাসভবন থেকে বের হয়ে তিনি প্রথমে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন এবং এরপর নির্ধারিত সময়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দেন। ভোট প্রদান শেষে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান যে দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি একজন ভোটার হিসেবে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন। প্রথম কেন্দ্রেই ইতিবাচক পরিবেশ পরিলক্ষিত হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অন্যান্য ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

নির্বাচনী পরিবেশ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফয়সল আমীন জানান যে সবেমাত্র ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বিধায় পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে এই মুহূর্তে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে দিনভর অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে সাধারণ ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে মুখিয়ে আছেন এবং কোনো কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হলে তার যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রশাসনেরই দায়িত্ব। আবহাওয়ায় কিছুটা বৃষ্টির আভাস থাকলেও ভোটারদের উপস্থিতি সন্তোষজনক হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এলাকার ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মোট ৯৮৯টি বুথে সকাল আটটা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ও ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্যের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিজিবি সদস্য মাঠে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া নির্বাচনী বিধিবিধান কঠোরভাবে প্রতিপালন এবং যেকোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা তাৎক্ষণিকভাবে দমনে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের পাশাপাশি বিশেষ অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা মাঠে তৎপর ছিলেন। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ রাখতে নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ১৭৭ জন পর্যবেক্ষক মাঠপর্যায়ে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। সব মিলিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে গেছে।