খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কামিন্দুর সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কার বড় পুঁজি, পাকিস্তানের লক্ষ্য ৩২৬

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কামিন্দুর সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কার বড় পুঁজি, পাকিস্তানের লক্ষ্য ৩২৬

কামিন্দুর সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কার বড় পুঁজি, পাকিস্তানের লক্ষ্য ৩২৬

খেলা ডেস্ক: লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে আট উইকেট হারিয়ে তিনশ ২৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছে শ্রীলঙ্কান দল। ফলে শিরোপা নিজেদের করে নিতে হলে স্বাগতিক পাকিস্তানকে তিনশ ২৬ রানের লক্ষ্য টপকাতে হবে। শুরু দিকে পাকিস্তানি বোলারদের আঁটসাঁট বোলিংয়ের মুখে কিছুটা বিপাকে পড়লেও শেষ পর্যন্ত দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের এই দলটি।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে সতর্ক সূচনা করেছিল শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার। আভিষ্কা ফার্নান্ডো ও কামিন্দু মেন্ডিসের উদ্বোধনী জুটি স্কোরবোর্ডে ফিফটি পার করে দেয়। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে জোড়া উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় তারা। আভিষ্কা ৩৮ এবং কুশল মেন্ডিস মাত্র আট রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলে শ্রীলঙ্কার ইনিংসের গতি মন্থর হয়ে আসে।

তবে সেই প্রাথমিক চাপ কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেন কামিন্দু মেন্ডিস ও পাভান রত্নায়েকে। তৃতীয় উইকেটে এই দুজন মিলে একশ ছেচল্লিশ রানের এক দুর্দান্ত জুটি গড়ে দলকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যান। এই চমৎকার ইনিংস খেলার পথে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম শতক তুলে নেন কামিন্দু। তিনি একশ একত্রিশ রানের অসাধারণ এক ইনিংস খেলে আউট হন। অন্যদিকে পাভান রত্নায়েকে সচল রাখেন রান তোলার গতি এবং খেলেন সাতাত্তর রানের দায়িত্বশীল একটি ইনিংস।

জুটি ভাঙার পর পাকিস্তানের পেসাররা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন এবং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কার রান তোলায় কিছুটা লাগাম টানেন। দলটির সংগ্রহ একসময় দুই উইকেটে দুইশ পঞ্চান্ন থেকে হঠাৎ আট উইকেটে তিনশ সাতে নেমে আসে। তা সত্ত্বেও শেষ দিকের ব্যাটারদের কল্যাণে নির্ধারিত ওভার শেষে তিনশ পঁচিশ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয় দলটি। পাকিস্তানের পক্ষে সফল বোলারদের মধ্যে শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, সালমান আগা ও হারিস রউফ প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

advertisement
advertisement

সরকার ৮ মাসেই দেশ ধ্বংস করে দিয়েছে: যশোরে গোলাম পরওয়ার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকার ৮ মাসেই দেশ ধ্বংস করে দিয়েছে: যশোরে গোলাম পরওয়ার

সরকার ৮ মাসেই দেশ ধ্বংস করে দিয়েছে: যশোরে গোলাম পরওয়ার

রাজনীতি ডেস্ক: বর্তমান সরকারের বিগত আট মাসের কার্যক্রমের কঠোর সমালোচনা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই দেশ পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে পতিত হয়েছে। সম্প্রতি যশোরের মুড়লী মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এখনো অব্যাহত রয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, কেবল ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সহযোগী সংগঠনের পরিচয় পরিবর্তিত হয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন ও দুর্ভোগের চিত্র একই রয়ে গেছে।

সভায় বক্তৃতাকালে তিনি দেশের বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরে জানান যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, রাজনৈতিক সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন খাতে দখলদারিত্বের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে সার, গ্যাস ও বিদ্যুতের মতো জরুরি সেবার তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। বিগত এক দশকে যা ঘটেছিল, বর্তমান প্রশাসন মাত্র আট মাসেই তার চেয়েও বেশি ক্ষতিসাধন করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা আরও বলেন, নির্বাচনের পর দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারকরা জনগণের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছিল, তা আজ অস্বীকার করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হলেও জনগণের ম্যান্ডেট কেন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন যে লংমার্চ করার যৌক্তিক পরিস্থিতি সরকার নিজেই তৈরি করেছে।

রাজনৈতিক সংকট এড়াতে আগামী সংসদ অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এখনো সময় রয়েছে ভুল শুধরে নেওয়ার। সংবিধান সংশোধনীর একদলীয় মানসিকতা পরিহার করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তিনি সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় সাধারণ মানুষ রাজপথে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায় করতে বাধ্য হবে এবং প্রয়োজনে রাজনৈতিক শক্তিকে লাল কার্ড দেখানো হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

সংস্কার লংমার্চে নয়, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সংস্কার লংমার্চে নয়, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংস্কার লংমার্চে নয়, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্ক: রাজনৈতিক সংস্কারের দাবি বাস্তবায়নের জন্য রাজপথে লংমার্চ না করে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমতগুলো শিথিল করতে হলে আলোচনার মাধ্যমেই তা করতে হবে এবং এর জন্য বিরোধী দলকে নির্দিষ্ট ফোরামে আসতে হবে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট এবং বাকশাল বিষয়ক ওই সেমিনারে দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সনদের সরাসরি কোনো আইনি ভিত্তি না থাকলেও এর পেছনে থাকা রাজনৈতিক সমঝোতা যেকোনো আইনি ভিত্তির চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের শেষ পর্যায়ে যখন এই সনদের আইনি বৈধতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তখন সব পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমেই বিষয়টির একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানান। ভবিষ্যতে দেশে যেন আর কোনো স্বৈরাচারী শাসন বা জুলাই জাদুঘর তৈরির পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান তিনি।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সংবাদমাধ্যম, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও তারুণ্যের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলার জন্য তিনি বিরোধী দলসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে সাংবিধানিক সংস্কার করা সম্ভব হলে তা জাতির জন্য কল্যাণকর হবে এবং ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পথ চিরতরে বন্ধ করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেমিনারে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়ে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি উচ্চকক্ষ গঠন এবং সংসদীয় কমিটির প্রধান পদ বিরোধী দলকে দেওয়ার সুপারিশ করার পাশাপাশি উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের জন্য দ্রুত নিরপেক্ষ আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান। এ ছাড়া বাকশাল ও চতুর্থ সংশোধনীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ওই সময় এক ব্যক্তির হাতে সর্বময় ক্ষমতা অর্পণের মাধ্যমে মূলত সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংস করা হয়েছিল, যা পরবর্তী সকল সাংবিধানিক বিপর্যয়ের মূল কারণ ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে আরও অনেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

শিক্ষা ডেস্ক: জীবনের পঞ্চান্ন বছর পেরিয়ে এসে শিক্ষার আলোয় নতুন এক ইতিহাস গড়লেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা শেফালী বেগম। দীর্ঘ শিক্ষাবিরতি, পারিবারিক নানা প্রতিবন্ধকতা এবং জীবনের শত ব্যস্ততাকে পেছনে ফেলে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ চার দশমিক একুশ অর্জন করেছেন। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্য কেবল নিজের পরিবার নয়, বরং পুরো সমাজকে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। এই বয়সে এসেও এমন সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, ইচ্ছা থাকলে প্রতিকূল পরিস্থিতি জয় করা সম্ভব।

শেফালী বেগমের শিক্ষাজীবনের এই পথচলা ছিল বেশ দীর্ঘ ও সংগ্রামমুখর। মাত্র দেড় বছর বয়সে ফুফাতো ভাই মোকছেদুল আলমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল এবং ১৯৮৫ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁকে স্বামীর বাড়িতে চলে যেতে হয়। এরপর থেকেই পড়াশোনার দীর্ঘ বিরতি শুরু হয় এবং তিনি সংসার ও সন্তানদের লালন-পালনে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন। তবে পারিবারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এলাকায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।

পরিবারের পূর্ণ সমর্থন ও নিজের প্রবল ইচ্ছাশ জোরে ২০২০ সালে তিনি দীর্ঘদিনের সুপ্ত বাসনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আবারও পড়াশোনা শুরু করেন। স্বামী ও সন্তানের উৎসাহে তিনি ডোমার উপজেলার গোমনাতি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে ভর্তি হন এবং ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ চার দশমিক ঊনত্রিশ অর্জন করেন। কোনো ধরনের গৃহশিক্ষক ছাড়াই নিজের চেষ্টায় প্রতিদিন রাতের বেলা পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি, এমনকি অনেক সময় গভীর রাত পর্যন্ত জেগে পড়ালেখা করেছেন। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম ও ধৈর্যই তাঁকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।

শেফালী বেগমের এই সাফল্যে তাঁর পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাঁর স্বামী মোকছেদুল আলম জানিয়েছেন যে তারা সবসময় তাঁর পড়াশোনার পথে পাশে থেকেছেন এবং সংসারের কাজে সহযোগিতা করেছেন যাতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন। অন্যদিকে তাঁর বড় ছেলে আব্দুর রাজ্জাক মায়ের এই অর্জনে নিজের আনন্দ প্রকাশ করে নিজেকে একজন সৌভাগ্যবান সন্তান হিসেবে অভিহিত করেছেন। শেফালী বেগম এখানেই থেমে থাকতে চান না, বরং তিনি এবার উচ্চশিক্ষার জন্য অনার্সে ভর্তি হয়ে সামনে আরও এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।