খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন—এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী নির্ধারণ করবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন—এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী নির্ধারণ করবে

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন—এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী নির্ধারণ করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রেসিডেন্টের চার বছর মেয়াদি কার্যকালের মাঝপথে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাজনৈতিক ঘটনা। এই নির্বাচনে দেশের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন সাধারণ নাগরিকরা। রাজনৈতিক দলগুলো টেক্সাস ও ওহাইওর মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্যগুলোতে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং এবারের ভোটাভুটিতে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সরাসরি কোনো পরিবর্তন এই নির্বাচনে না ঘটলেও বর্তমান প্রশাসনের নীতি ও জনপ্রিয়তার একটি স্পষ্ট প্রতিফলন এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই নির্বাচন নির্ণায়কের ভূমিকা পালন করে। প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটিতেই লড়াই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং বর্তমানে রক্ষণশীল দলের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। অন্যদিকে সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে এবার ৩৫টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে যেখানে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে হলে অতিরিক্ত কিছু আসন নিজেদের দখলে নিতে হবে। মেইন ও জর্জিয়াসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী লড়াই শেষ পর্যন্ত উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবে। মিশিগান অঙ্গরাজ্যে একজন মুসলিম-আমেরিকান প্রার্থীর অংশগ্রহণ এই নির্বাচনকে আরও বেশি আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

বর্তমান প্রশাসনের জনসমর্থন এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও বৈদেশিক সংঘাতের নানা দিক নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে যে অসন্তোষ রয়েছে, তাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিরোধী দলগুলো। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে উঠে এসেছে যে ভোটাররা নতুন কংগ্রেসের কাছে মূলত জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যাশা করেন।

মধ্যপ্রাচ্য নীতি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের বিভিন্ন সংকট নিরসনে এই নির্বাচন মার্কিন প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধরনের পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সংঘাতে মার্কিন সম্পৃক্ততা এবং মিত্র দেশগুলোর প্রতি সহায়তার ধরন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অন্দরেও নানা মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেবল আইনসভার নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের লড়াই নয়, বরং বর্তমান প্রশাসনের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড ও নীতির প্রতি মার্কিন ভোটারদের আস্থার প্রকৃত মূল্যায়ন।

advertisement
advertisement

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

রাজনীতি ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে সম্প্রতি অত্যন্ত অবমাননাকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে। দেশের সর্বোচ্চ এই বিদ্যাপীঠ ও এর সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে এমন বিরূপ মন্তব্য করায় রাজনৈতিক ও ছাত্র মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাদিক কায়েম এই ঘটনার জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি ফজলুর রহমানের এ ধরনের বক্তব্যকে চরম বিদ্বেষপূর্ণ ও অপ্রত্যাশিত বলে উল্লেখ করেছেন।

ডাকসু সহসভাপতি তার বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করেন যে, ফজলুর রহমান অতীতে বাকশালের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির সংসদ সদস্য হলেও তার ভেতরে সেই ফ্যাসিবাদী আদর্শ ও মানসিকতা এখনো রয়ে গেছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামগ্রিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের মানসিকতা গণতান্ত্রিক চর্চা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, এ ধরনের উগ্র মানসিকতার দায়ভার ফজলুর রহমানকে মনোনয়ন প্রদানকারী রাজনৈতিক দল বিএনপিও এড়াতে পারে না। দলীয় কোনো সদস্যের এমন বিতর্কিত আচরণের দায় সংশ্লিষ্ট দলের ওপরও বর্তায় বলে তিনি মনে করেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কাছে এই অপমানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে অবিলম্বে ফজলুর রহমানকে তার এই অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কাছে তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে বলে জোর দাবি জানিয়েছেন ডাকসু সহসভাপতি। অন্যথায় এই ধরনের দায়িত্বহীন আচরণের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

যমুনা পারাপারে দুর্ভোগ, দিন দিন জোরালো হচ্ছে দ্বিতীয় সেতুর দাবি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যমুনা পারাপারে দুর্ভোগ, দিন দিন জোরালো হচ্ছে দ্বিতীয় সেতুর দাবি

যমুনা পারাপারে দুর্ভোগ, দিন দিন জোরালো হচ্ছে দ্বিতীয় সেতুর দাবি

জাতীয় ডেস্ক: গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত যমুনা নদীতে একটি নতুন সেতু নির্মাণের দাবি দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। নদী পারাপারের দীর্ঘদিনের অসহনীয় দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দুই পারের সাধারণ মানুষ নিয়মিতভাবে সভা, সমাবেশ ও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই জনবহুল এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনা লাঘব করতে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে এই অঞ্চলের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছে এই দাবি জানিয়ে আসছেন।

ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার লাখো মানুষকে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যমুনা নদী পার হতে হয়। বর্তমানে নৌযানই এই যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রীভীড়, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং নদীর তীব্র স্রোত মাঝেমধ্যেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা তৈরি করে। একসময়ে এই রুটে রেলওয়ের ফেরি চলাচল করলেও নাব্যতা সংকট ও নানা অব্যবস্থাপনার কারণে প্রায় পঁচিশ বছর ধরে তা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ফলে নদী পারাপারের এই বিপজ্জনক ও সময়সাপেক্ষ ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

নদী পারাপারের এই রুটিন দুর্ভোগের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় অর্থনীতি, কৃষি, শিক্ষা এবং চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর। বছরের দীর্ঘ সময় নদী ও নদের বিভিন্ন অংশ শুকিয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বালুচর হেঁটে পাড়ি দিতে হয়। এর ফলে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে পাঠাতে পারেন না এবং ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। সার্বিকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার এই শোচনীয় দশার কারণে গোটা অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা থমকে গেছে।

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও খরচ কমার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এই সেতু শুধু একটি অঞ্চলের উন্নয়ন ঘটাবে না, বরং পুরো উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই দাবি আদায়ের লক্ষে সাঘাটা ও ফুলছড়ির শিক্ষক, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন জেলার প্রশাসন, ব্যবসায়ী সংগঠন ও গণমাধ্যমের সঙ্গে বৈঠক করে তারা জনমত গঠনে নিরলস কাজ করছেন। সেতু নির্মাণ বাস্তবায়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সুধীজনদের মতে, উত্তরের সার্বিক অগ্রগতির স্বার্থে অবিলম্বে এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।

জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

ধর্ম ডেস্ক: বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান সংগঠন জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এবং দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ ৭৫ বছরের পথচলায় সংগঠনটি দেশের মানুষের কল্যাণে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় চার্চ পরিষদের ঐতিহাসিক যাত্রার নানা দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই সংগঠনটি সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবসেবা প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সংগঠনটি আজ এক মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা দেশের খ্রিষ্টান সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নেও চার্চ পরিষদের অবদান প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন অতিথিরা।

বিভিন্ন ধর্মের নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ এবং এখানকার সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। জাতীয় চার্চ পরিষদ এই সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক পর্বের আয়োজন করা হয় এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। আগামী দিনে আরও বড় পরিসরে মানবকল্যাণমূলক কাজ পরিচালনার প্রত্যয় নিয়ে ৭৫ বছর পূর্তির এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল অতিথি ও প্রতিনিধিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।