খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

ধর্ম ডেস্ক: বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান সংগঠন জাতীয় চার্চ পরিষদের ৭৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এবং দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ ৭৫ বছরের পথচলায় সংগঠনটি দেশের মানুষের কল্যাণে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় চার্চ পরিষদের ঐতিহাসিক যাত্রার নানা দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই সংগঠনটি সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবসেবা প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সংগঠনটি আজ এক মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা দেশের খ্রিষ্টান সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নেও চার্চ পরিষদের অবদান প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন অতিথিরা।

বিভিন্ন ধর্মের নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ এবং এখানকার সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। জাতীয় চার্চ পরিষদ এই সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক পর্বের আয়োজন করা হয় এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। আগামী দিনে আরও বড় পরিসরে মানবকল্যাণমূলক কাজ পরিচালনার প্রত্যয় নিয়ে ৭৫ বছর পূর্তির এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল অতিথি ও প্রতিনিধিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

advertisement
advertisement

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং দেশের স্বাধীনতা অস্বীকার করে, তাদের কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমেই এই দেশের জন্ম হয়েছে এবং যারা এই ঐতিহাসিক সত্যকে অবিশ্বাস করতে চায়, তাদের এদেশে থাকার কোনো অধিকার নেই। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিকের স্মরণসভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। এই ধরনের স্বাধীনতাবিরোধী মনোভাব দেশের অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশার সৃষ্টি করছে বলে তিনি মনে করেন।

স্মরণসভায় ফজলুর রহমান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং একটি বিশেষ মহল কর্তৃক তা নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধের সময় ভারত সরকার প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছিল। ভারতীয় সেনাদের রক্তের বিনিময়েও অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা, যা কোনোভাবেই অস্বীকার করা যায় না। তিনি আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার কারণে তাকে অতীতে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হয়েছে, এমনকি তার বাসভবন ঘেরাও করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পান এবং নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরে আসেননি।

দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর বিশেষ জোর দিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, বাঙালি হিসেবে সকলের পরিচয় অভিন্ন, যদিও ধর্মীয় বিশ্বাস ভিন্ন হতে পারে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে চাল, ডাল বা অন্য কোনো উপকরণের দাম হিন্দু কিংবা মুসলমানের জন্য আলাদা নয়, বরং সবার জীবনে একই ধরনের অর্থনৈতিক সংকট বিরাজ করে। তাই কৃত্রিম ধর্মীয় বিভাজন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী অপশক্তিকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, ৩০ লাখ শহীদ এবং অসংখ্য মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশ কখনোই রাজাকারদের আস্তানায় পরিণত হতে দেওয়া হবে না। বাঙালির সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি স্মরণসভার মূল ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিকের বর্ণাঢ্য জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন এবং আজীবন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে তার অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। ফজলুর রহমান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত সংবিধানে যে চার মূলনীতি অর্থাৎ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা পূর্ণাঙ্গভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই চার মূলনীতির সঠিক বাস্তবায়ন ছাড়া দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয় বলে তিনি সতর্ক করেন। সাম্প্রদায়িক শক্তির অপতৎপরতা রুখে দিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি দেশবাসীর প্রতি ঐক্যের ডাক দেন।

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

‘ঢাবি অমানুষদের জায়গা’—ফজলুর রহমানকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান সাদিক কায়েমের

রাজনীতি ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে সম্প্রতি অত্যন্ত অবমাননাকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে। দেশের সর্বোচ্চ এই বিদ্যাপীঠ ও এর সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে এমন বিরূপ মন্তব্য করায় রাজনৈতিক ও ছাত্র মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাদিক কায়েম এই ঘটনার জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি ফজলুর রহমানের এ ধরনের বক্তব্যকে চরম বিদ্বেষপূর্ণ ও অপ্রত্যাশিত বলে উল্লেখ করেছেন।

ডাকসু সহসভাপতি তার বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করেন যে, ফজলুর রহমান অতীতে বাকশালের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপির সংসদ সদস্য হলেও তার ভেতরে সেই ফ্যাসিবাদী আদর্শ ও মানসিকতা এখনো রয়ে গেছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামগ্রিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের মানসিকতা গণতান্ত্রিক চর্চা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, এ ধরনের উগ্র মানসিকতার দায়ভার ফজলুর রহমানকে মনোনয়ন প্রদানকারী রাজনৈতিক দল বিএনপিও এড়াতে পারে না। দলীয় কোনো সদস্যের এমন বিতর্কিত আচরণের দায় সংশ্লিষ্ট দলের ওপরও বর্তায় বলে তিনি মনে করেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কাছে এই অপমানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে অবিলম্বে ফজলুর রহমানকে তার এই অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর কাছে তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে বলে জোর দাবি জানিয়েছেন ডাকসু সহসভাপতি। অন্যথায় এই ধরনের দায়িত্বহীন আচরণের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

যমুনা পারাপারে দুর্ভোগ, দিন দিন জোরালো হচ্ছে দ্বিতীয় সেতুর দাবি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যমুনা পারাপারে দুর্ভোগ, দিন দিন জোরালো হচ্ছে দ্বিতীয় সেতুর দাবি

যমুনা পারাপারে দুর্ভোগ, দিন দিন জোরালো হচ্ছে দ্বিতীয় সেতুর দাবি

জাতীয় ডেস্ক: গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত যমুনা নদীতে একটি নতুন সেতু নির্মাণের দাবি দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। নদী পারাপারের দীর্ঘদিনের অসহনীয় দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দুই পারের সাধারণ মানুষ নিয়মিতভাবে সভা, সমাবেশ ও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই জনবহুল এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনা লাঘব করতে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে এই অঞ্চলের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছে এই দাবি জানিয়ে আসছেন।

ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার লাখো মানুষকে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যমুনা নদী পার হতে হয়। বর্তমানে নৌযানই এই যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রীভীড়, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং নদীর তীব্র স্রোত মাঝেমধ্যেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা তৈরি করে। একসময়ে এই রুটে রেলওয়ের ফেরি চলাচল করলেও নাব্যতা সংকট ও নানা অব্যবস্থাপনার কারণে প্রায় পঁচিশ বছর ধরে তা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ফলে নদী পারাপারের এই বিপজ্জনক ও সময়সাপেক্ষ ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

নদী পারাপারের এই রুটিন দুর্ভোগের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় অর্থনীতি, কৃষি, শিক্ষা এবং চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর। বছরের দীর্ঘ সময় নদী ও নদের বিভিন্ন অংশ শুকিয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বালুচর হেঁটে পাড়ি দিতে হয়। এর ফলে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে পাঠাতে পারেন না এবং ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। সার্বিকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার এই শোচনীয় দশার কারণে গোটা অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা থমকে গেছে।

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও খরচ কমার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এই সেতু শুধু একটি অঞ্চলের উন্নয়ন ঘটাবে না, বরং পুরো উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই দাবি আদায়ের লক্ষে সাঘাটা ও ফুলছড়ির শিক্ষক, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন জেলার প্রশাসন, ব্যবসায়ী সংগঠন ও গণমাধ্যমের সঙ্গে বৈঠক করে তারা জনমত গঠনে নিরলস কাজ করছেন। সেতু নির্মাণ বাস্তবায়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সুধীজনদের মতে, উত্তরের সার্বিক অগ্রগতির স্বার্থে অবিলম্বে এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।