খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ

ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ

জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় সম্পদ মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন এবং বংশবিস্তার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়। ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সরকারের এই নির্দেশ বাস্তবায়নে নৌবাহিনী অত্যন্ত তৎপর ভূমিকা পালন করে। দেশের প্রধান প্রজননক্ষেত্রগুলোতে মা ইলিশ রক্ষায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা মৎস্যসম্পদ রক্ষায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

অভিযান চলাকালীন দেশের ৯টি জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ২১২টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে আনুমানিক একষট্টি কোটি ১৮ লাখ টাকার অবৈধ জাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮৪ লাখ মিটার অবৈধ জাল, ১৬৬টি বিভিন্ন ধরনের জাল, চারটি বোট এবং ৫৭০ কেজি মা ইলিশ রয়েছে। এ ছাড়া আইন অমান্য করার অপরাধে ছয় হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং নিয়মের বাইরে মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে নৌবাহিনীর সাতটি জাহাজ এবং বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালায়। গভীর সমুদ্রে দেশি-বিদেশি নৌযানের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে জাহাজের পাশাপাশি মেরিটাইম প্যাট্রল এয়ারক্রাফটের মাধ্যমেও আকাশপথে নজরদারি রাখা হয়। শুধু সমুদ্র বা উপকূলীয় অঞ্চলই নয়, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ প্রধান নদ-নদীগুলোতেও এই কড়া নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছিল যাতে কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করতে না পারে।

অভিযান শেষে জব্দ করা অবৈধ জাল স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয় এবং উদ্ধারকৃত মাছ স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় জেলেরা এখন পুনরায় স্বাভাবিকভাবে মাছ আহরণ শুরু করতে পারছেন, যা দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ মৎস্যসম্পদের টেকসই সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

advertisement
advertisement

মাত্র ২ বছর ১০ মাসেই তবলার ১২ তাল বাজিয়ে রেকর্ড

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাত্র ২ বছর ১০ মাসেই তবলার ১২ তাল বাজিয়ে রেকর্ড

মাত্র ২ বছর ১০ মাসেই তবলার ১২ তাল বাজিয়ে রেকর্ড

ডেস্ক রিপোর্ট: মাত্র দুই বছর দশ মাস বয়সে অনন্য এক কৃতিত্ব অর্জন করে তাক লাগিয়েছে কর্ণাটকের খুদে শিশু স্বরশ্রী হেগড়ে। এই বয়সেই সে তবলার বারোটি ভিন্ন তাল নির্ভুলভাবে আবৃত্তি ও বাজিয়ে দেখিয়েছে। তার এই অসাধারণ প্রতিভা ও পারদর্শিতা ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট সকলের নজর কেড়েছে।

ভারতের বিখ্যাত রেকর্ড সংরক্ষণ সংস্থা ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এত কম বয়সে তবলার মতো একটি জটিল বাদ্যযন্ত্রের ওপর এমন মুন্সিয়ানা দেখানোর ঘটনা সত্যিই বিরল। তার এই সাফল্যের খবর প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে প্রশংসার জোয়ার বইছে।

ছোট্ট স্বরশ্রীর এই প্রতিভার পেছনে তার পরিবার এবং গুরুজনদের নিরলস উৎসাহ ও পরিচর্যা রয়েছে বলে জানা গেছে। খুব অল্প বয়স থেকেই সে তবলার আওয়াজ ও ছন্দের প্রতি তীব্র আকর্ষণ অনুভব করত। তার এই অভাবনীয় অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তার অভিভাবক ও স্থানীয় শুভানুধ্যায়ীরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সে তবলার মতো তাল বাদ্যের জটিলতা আয়ত্ত করা অত্যন্ত কঠিন ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে স্বরশ্রী তার সহজাত মেধা দিয়ে এই অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছে। ভবিষ্যতে এই খুদে সংগীতশিল্পী দেশের জন্য আরও বড় সুনাম বয়ে আনবে বলে সবাই আশা প্রকাশ করছেন।

সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলবে কবে, জানা গেল যা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলবে কবে, জানা গেল যা

সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলবে কবে, জানা গেল যা

জাতীয় ডেস্ক: সরকার সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিলেও কিছু জটিলতার কারণে নির্ধারিত দিনে এই রুটে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের যাতায়াতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ঘাটসংক্রান্ত সংকটের কারণে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাহাজমালিকদের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে আগামী ৫ বা ৬ নভেম্বরের মধ্যে সমস্ত দাপ্তরিক ছাড়পত্র ও অনুমতি পাওয়া সম্ভব হবে। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে এই জনপ্রিয় সমুদ্রপথে পর্যটকবাহী জলযান চলাচলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সেন্ট মার্টিন রুটে জাহাজ চালাতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি নৌপরিবহন অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়া প্রতিটি জলযানের জন্য অগ্নিনিরাপত্তা সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে প্রশাসন। সি ক্রুজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ইতিমধ্যে কেবল পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র হাতে পাওয়া গেছে, তবে অন্যান্য দপ্তরের অনুমোদন পেতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। সব ধরনের প্রশাসনিক অনুমোদন ও ছাড়পত্র পাওয়ার পরই জেলা প্রশাসন থেকে চূড়ান্ত অনুমতি দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে ঘাটসংক্রান্ত জটিলতাও জাহাজ চলাচলে বিলম্বের একটি অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে। কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাটে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এবং একসঙ্গে অনেক জাহাজ নোঙর করা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ঘাট পরিবর্তনের আবেদন করেছেন মালিকপক্ষ। বিকল্প হিসেবে খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং ইনানী জেটিঘাট ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে খুরুশকুল জেটির নির্মাণকাজ এখনও শেষ হয়নি এবং সেটি হস্তান্তরও করা হয়নি, ফলে আপাতত পুরোনো নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকেই জলযান পরিচালনা করতে হবে।

নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি জাহাজে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পাম্প এবং লাইফ জ্যাকেটসহ উদ্ধার সরঞ্জাম থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং চূড়ান্ত অনুমতির পর তা কঠোরভাবে তদারকি করা হবে। অন্যদিকে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে টেকনাফের দমদমিয়া জেটি দিয়ে জাহাজ চলাচল এবারও বন্ধ থাকবে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পর্যটকদের দ্বীপ ভ্রমণের সুবিধার্থে ট্যুরিজম বোর্ডের ওয়েবসাইট চালু করা হচ্ছে।

১৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ প্রকল্প নিয়ে বিজ্ঞান কার্নিভাল শুরু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ প্রকল্প নিয়ে বিজ্ঞান কার্নিভাল শুরু

১৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ প্রকল্প নিয়ে বিজ্ঞান কার্নিভাল শুরু

শিক্ষা ডেস্ক: রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজের উদ্যোগে দেশজুড়ে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। বিএনএমপিসি ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভাল-২০২৬ শিরোনামের এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেড়শটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এই বিজ্ঞান মেলায় বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রায় তিনশোটি উদ্ভাবনী প্রজেক্ট বা প্রকল্প প্রদর্শনীর জন্য উপস্থাপন করেছে। তরুণ প্রজন্মের মাঝে বিজ্ঞানমনস্কতা তৈরি এবং তাদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের প্রধান লক্ষ্য নিয়ে এই বর্ণাঢ্য উৎসবের সূচনা করা হয়েছে।

গত ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই বিজ্ঞান উৎসব আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত নানা বৈচিত্র্যময় আয়োজনের মধ্য দিয়ে চলমান থাকবে। তিন দিনব্যাপী এই কার্নিভালে বিজ্ঞানভিত্তিক অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা, দেওয়াক পত্রিকা প্রকাশনা, প্রজেক্ট উপস্থাপন, উপস্থিত বক্তৃতা পর্ব এবং অ্যানালিটিক্যাল কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা যাচাই করতে গল্প লিখন ও কম্পিউটার গেমিংসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় ইভেন্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞান চর্চাকে আরও আনন্দদায়ক করতে জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের সহযোগিতায় একটি ফোর-ডি মুভি বাস ও একটি বিশেষ মিউজিয়াম বাস দিয়ে ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে।

উৎসবের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তৈরি নানা প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। প্রজেক্টগুলো ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় কার্নিভালের অংশ হিসেবে আয়োজিত একটি বিশেষ আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি তার মূল্যবান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন যে, শুধুমাত্র পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য পড়াশোনা না করে বরং সত্যিকারের জ্ঞানার্জনের ব্রত নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বিজ্ঞানকে ভয়ের বিষয় না ভেবে নতুন কিছু জানার ও আবিষ্কার করার প্রধান মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। আজকের কৌতূহলী ও মেধাবী শিক্ষার্থীরাই যে আগামী দিনের দেশসেরা বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্ভাবক হয়ে উঠবে, সে বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তরুণ এই প্রজন্মেরই হাত ধরে বাংলাদেশ একদিন জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।