খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ

ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ

জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় সম্পদ মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন এবং বংশবিস্তার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়। ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সরকারের এই নির্দেশ বাস্তবায়নে নৌবাহিনী অত্যন্ত তৎপর ভূমিকা পালন করে। দেশের প্রধান প্রজননক্ষেত্রগুলোতে মা ইলিশ রক্ষায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা মৎস্যসম্পদ রক্ষায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

অভিযান চলাকালীন দেশের ৯টি জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ২১২টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে আনুমানিক একষট্টি কোটি ১৮ লাখ টাকার অবৈধ জাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮৪ লাখ মিটার অবৈধ জাল, ১৬৬টি বিভিন্ন ধরনের জাল, চারটি বোট এবং ৫৭০ কেজি মা ইলিশ রয়েছে। এ ছাড়া আইন অমান্য করার অপরাধে ছয় হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং নিয়মের বাইরে মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে নৌবাহিনীর সাতটি জাহাজ এবং বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালায়। গভীর সমুদ্রে দেশি-বিদেশি নৌযানের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে জাহাজের পাশাপাশি মেরিটাইম প্যাট্রল এয়ারক্রাফটের মাধ্যমেও আকাশপথে নজরদারি রাখা হয়। শুধু সমুদ্র বা উপকূলীয় অঞ্চলই নয়, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ প্রধান নদ-নদীগুলোতেও এই কড়া নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছিল যাতে কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করতে না পারে।

অভিযান শেষে জব্দ করা অবৈধ জাল স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয় এবং উদ্ধারকৃত মাছ স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় জেলেরা এখন পুনরায় স্বাভাবিকভাবে মাছ আহরণ শুরু করতে পারছেন, যা দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ মৎস্যসম্পদের টেকসই সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

advertisement
advertisement

নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং নারীদের সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে খুব শীঘ্রই দেশজুড়ে প্রায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এই মিডওয়াইফরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে সাধারণ নারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের নারীরা যাতে সহজে স্বাস্থ্যসেবা পান, তা নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সম্প্রতি মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই তথ্য জানান। দুস্থ নারী, কর্মজীবী মহিলা এবং মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সেলাই মেশিন ও গাছের চারা বিতরণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরে সেখানে উপস্থিত তিনশ জনের হাতে সেলাই মেশিন ও ফলজ বৃক্ষ তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলা এবং তাদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সারের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই মারাত্মক রোগগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়। এই উদ্দেশ্যে নারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাউন্সেলিং করার পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে। এছাড়া জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে টিকাদান কর্মসূচি ইতিমধ্যে চালু করা হয়েছে, যা নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশের পররাষ্ট্রনীতি এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের বহু বন্ধু রাষ্ট্র থাকলেও কোনো প্রভু থাকবে না। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম এবং দেশের এক ইঞ্চি মাটির ওপরও অন্য কারও প্রভুত্ব বরদাস্ত করা হবে না। দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় বর্তমান সরকার সবসময় আপসহীন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহামুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ই-টায়ারে রানার্সআপ বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ই-টায়ারে রানার্সআপ বাংলাদেশ

ই-টায়ারে রানার্সআপ বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক: ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে ই-টায়ার প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে পঞ্চম স্থানে থাকা দলগুলোকে নিয়ে গঠিত এই বিশেষ ই-টায়ার পর্বে লাল-সবুজের কিশোর ফুটবলাররা দারুণ লড়াই চালিয়ে ফাইনালে নিজেদের জায়গা করে নেয়। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে পরাজিত হলেও তাদের এই সাফল্য দেশের ফুটবলের জন্য একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ফাইনাল ম্যাচে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যের কাছে ৪-১ গোলের ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশি কিশোরদের। ম্যাচের প্রথমার্ধেই প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ড মোহি দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে দলকে চালকের আসনে বসিয়ে দেন, যেখানে তিনি ১৪, ২৬ ও ৩৯ মিনিটে গোলগুলো করেন। এছাড়া ১৬ মিনিটের মাথায় পেনেলের করা আরও একটি গোল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রতিপক্ষের হাতে পুরোপুরি তুলে দেয়।

বাংলাদেশ দলের পক্ষে ম্যাচের ২৩ মিনিটে একমাত্র গোলটি করেন তাকিব, যা ব্যবধান কমালেও শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। এই একটিমাত্র গোলের সুবাদে বাংলাদেশ লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করলেও সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ও আক্রমণভাগের চাপ সামলে উঠতে পারেনি। এর ফলে ই-টায়ারের রানার্সআপ ট্রফি নিয়েই তাদের এবারের বিশ্বকাপ মিশনের সফল সমাপ্তি ঘটে।

এর আগে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে বেশ চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ফাইনালে পৌঁছায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দল। ওয়েলসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপ মিশন শুরুর পর পর্তুগালের কাছে হার এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ড্রয়ের মুখ দেখে দলটি। তবে পরের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফিজিকে পরাজিত করা এবং টাইব্রেকারে সিশেলস ও সিঙ্গাপুরকে হারিয়ে নকআউট পর্বে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দেয় তারা। পরবর্তীতে কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে এবং সেমিফাইনালে গ্যাবনকে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠার টিকিট নিশ্চিত করেছিল উদীয়মান এই ফুটবলাররা।

দেশের সব চিনিকল নতুন করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশের সব চিনিকল নতুন করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

দেশের সব চিনিকল নতুন করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

অর্থনীতি ডেস্ক: নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে বর্তমান সরকার এরই মধ্যে বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেছে। সম্প্রতি নাটোরের লালপুরে অবস্থিত এই ঐতিহ্যবাহী চিনিকলের ৯৪তম আখ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশের বন্ধ থাকা সব চিনিকল পর্যায়ক্রমে পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এর মাধ্যমে দেশের নিজস্ব সম্পদ বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে কেবল সরকারি প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর না করে কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আখচাষিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, মিলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং প্রণোদনার অর্থ বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে পুরোপুরি পরিশোধ করেছে। এখন থেকে প্রত্যেক কর্মীকে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে কাজের মাধ্যমে দক্ষতা ও আন্তরিকতার প্রমাণ দেখাতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল খুব দ্রুতই আবার একটি সফল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। বর্তমান প্রশাসন প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের অন্তরায় সৃষ্টি করা হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বসে সার্বিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ সবার জন্য এবং সবার আগে—এই মূল মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তুলতে তিনি দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে মিলের কেইন ক্যারিয়ার প্রাঙ্গণে ডোঙায় আখ ফেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করা হয়।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। মিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে ১১৩ কার্যদিবসে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে ১১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আখচাষিদের আর্থিক সুরক্ষা ও উৎসাহ দিতে এবার আখের দাম প্রতি কুইন্টাল ৬২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের হাতে আখের মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থা এবং নিয়মিত কৃষি উপকরণ ঋণ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৯৩৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই চিনিকলের সঙ্গে বর্তমানে প্রায় ১৫ হাজার আখচাষি পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে।