খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলবে কবে, জানা গেল যা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলবে কবে, জানা গেল যা

সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলবে কবে, জানা গেল যা

জাতীয় ডেস্ক: সরকার সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিলেও কিছু জটিলতার কারণে নির্ধারিত দিনে এই রুটে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের যাতায়াতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ঘাটসংক্রান্ত সংকটের কারণে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাহাজমালিকদের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে আগামী ৫ বা ৬ নভেম্বরের মধ্যে সমস্ত দাপ্তরিক ছাড়পত্র ও অনুমতি পাওয়া সম্ভব হবে। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে এই জনপ্রিয় সমুদ্রপথে পর্যটকবাহী জলযান চলাচলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সেন্ট মার্টিন রুটে জাহাজ চালাতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি নৌপরিবহন অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়া প্রতিটি জলযানের জন্য অগ্নিনিরাপত্তা সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে প্রশাসন। সি ক্রুজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ইতিমধ্যে কেবল পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র হাতে পাওয়া গেছে, তবে অন্যান্য দপ্তরের অনুমোদন পেতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। সব ধরনের প্রশাসনিক অনুমোদন ও ছাড়পত্র পাওয়ার পরই জেলা প্রশাসন থেকে চূড়ান্ত অনুমতি দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে ঘাটসংক্রান্ত জটিলতাও জাহাজ চলাচলে বিলম্বের একটি অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে। কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাটে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এবং একসঙ্গে অনেক জাহাজ নোঙর করা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ঘাট পরিবর্তনের আবেদন করেছেন মালিকপক্ষ। বিকল্প হিসেবে খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং ইনানী জেটিঘাট ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে খুরুশকুল জেটির নির্মাণকাজ এখনও শেষ হয়নি এবং সেটি হস্তান্তরও করা হয়নি, ফলে আপাতত পুরোনো নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকেই জলযান পরিচালনা করতে হবে।

নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি জাহাজে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পাম্প এবং লাইফ জ্যাকেটসহ উদ্ধার সরঞ্জাম থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং চূড়ান্ত অনুমতির পর তা কঠোরভাবে তদারকি করা হবে। অন্যদিকে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে টেকনাফের দমদমিয়া জেটি দিয়ে জাহাজ চলাচল এবারও বন্ধ থাকবে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পর্যটকদের দ্বীপ ভ্রমণের সুবিধার্থে ট্যুরিজম বোর্ডের ওয়েবসাইট চালু করা হচ্ছে।

advertisement
advertisement

সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ নিয়ে নিজেরা না থেকে তা অন্যমুল্যে ভাড়া বা সাবলেট দেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে প্রশাসন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি আবাসন সুবিধা নিয়ে এই অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, যা রোধ করতে সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বরাদ্দ পাওয়া কর্মচারীদের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে সরকারি বাসায় রাখা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ১৯ হাজার সরকারি বাসা রয়েছে, যেগুলোতে বসবাসের জন্য কর্মচারীদের নির্দিষ্ট হারে বাসাভাড়া ভাতা কেটে নেওয়া হয়। কোয়ার্টারগুলোতে খোলামেলা পরিবেশ, খেলার মাঠ এবং উন্নত নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকায় এগুলোর প্রতি চাকরিজীবীদের চাহিদা সবসময়ই অনেক বেশি। তবে অনেকেই এই সুযোগের অপব্যবহার করে পুরো বাসা অথবা বাসার নির্দিষ্ট কিছু কক্ষ অন্যদের কাছে চড়া মূল্যে ভাড়া দিয়ে নিজেরা অন্যত্র বসবাস করছেন কিংবা অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট কারণে সরকারি বাসাগুলো ভাড়া দেওয়া হয় যার মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত আয় করা, সচ্ছলতার সুবাদে পুরোনো বাসায় না থেকে সেটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা এবং নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সংসার খরচ মেলাতে বাধ্য হয়ে কক্ষ সাবলেট দেওয়া। আজিমপুরসহ বিভিন্ন সরকারি কলোনিতে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। তবে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি বাসায় বরাদ্দ গ্রহীতার পরিবর্তে অন্য কাউকে রাখা বা ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাসা থেকে অবৈধ ভাড়াটে বা সাবলেট সরাতে হবে, অন্যথায় কোনো ধরনের কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বরাদ্দ বাতিল করা হবে। শুধু বরাদ্দ বাতিলই নয়, বিধিমালা অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানের মাধ্যমে কঠোর বিভাগীয় বা শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিদপ্তরের এই আকস্মিক ও কঠোর পদক্ষেপে অনেক চাকরিজীবী বিপাকে পড়েছেন এবং অল্প সময়ের নোটিশ নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারি আবাসন অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়ার অপসংস্কৃতি বন্ধে প্রশাসনের এই কড়াকড়ি সময়োপযোগী হলেও নোটিশের সময়সীমা আরও কিছুটা বাড়ানো উচিত ছিল। সাধারণ কর্মচারীদের একাংশ মনে করেন দীর্ঘদিনের এই অনিয়ম দূর করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন, যাতে কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি না হয়। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন অবৈধ দখলদার ও ভাড়াটেদের উৎখাতে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করছে।

স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী

স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী

অর্থনীতি ডেস্ক: কৈশোরে বিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই পড়ালেখায় ইতি টেনেছিলেন এক তরুণী। ঘড়ি তৈরির একটি কারখানায় সামান্য বেতনে দৈনিক মজুরির শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। কারখানার সেই ঝরে পড়া কর্মীটিই আজ পরিশ্রম ও মেধার জোরে চীনের সবচেয়ে ধনী নারীতে পরিণত হয়েছেন। প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান লেন্স টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ঝৌ ছুনফেইর এই সাফল্যের গল্প এখন বিশ্বজুড়ে আলোচিত। হুরুন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত শীর্ষ ধনী নারীদের তালিকা অনুযায়ী এই সফল উদ্যোক্তা আবার নিজের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছেন। গত এক বছরে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৯৭০ সালে চীনের হুনান প্রদেশে জন্ম নেওয়া ঝৌ শৈশবেই জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন। তরুণ বয়সে পড়াশোনা ছেড়ে তিনি শেনজেন শহরে পাড়ি জমান এবং একটি কাচ তৈরির কারখানায় চাকরি নেন। সেখানে কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি তিনি কাচ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আধুনিক নকশা তৈরির নানা কৌশল নিপুণভাবে আয়ত্ত করেন। মাত্র তেইশ বছর বয়সে তিনি নিজের একটি ছোট কাচ প্রক্রিয়াজাতকরণ কর্মশালা চালু করেন। পরবর্তীতে এই ছোট উদ্যোগটিই লেন্স টেকনোলজিতে রূপ নেয়, যা স্মার্টফোনের পর্দার জন্য উন্নত মানের কাচের কভার উৎপাদনে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে।

২০০৭ সালে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের প্রথম আইফোনের জন্য কাচের কভার সরবরাহের সুযোগ পাওয়ার পর ঝৌয়ের ব্যবসা সম্প্রসারণে নতুন গতি আসে। পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ধাক্কা ও বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হলেও তিনি থেমে থাকেননি। স্মার্টফোনের বাইরে বৈদ্যুতিক গাড়ি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ এবং রোবোটিকস খাতের মতো উদীয়মান ক্ষেত্রগুলোতে লেন্স টেকনোলজির ব্যবসা সফলভাবে ছড়িয়ে দেন এই উদ্যোক্তা। হংকংয়ের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের মূলধন আরও শক্তিশালী করে।

বেইজিংয়ে আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আমন্ত্রিত হয়ে ঝৌ নিজের প্রভাবশালী অবস্থানের প্রমাণ দেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে কেবল কম্পিউটিং সক্ষমতা নয়, বরং সামগ্রিক প্রযুক্তিব্যবস্থায় ধারাবাহিক উদ্ভাবনের ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। হুরুনের তথ্য অনুযায়ী চীনের শীর্ষ ধনী নারীদের একটি বড় অংশই সম্পূর্ণ নিজেদের প্রচেষ্টায় এই অবস্থানে পৌঁছেছেন, যা নারী উদ্যোক্তাদের ক্রমবর্ধমান শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।

অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা

অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা

জাতীয় ডেস্ক: সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি দপ্তরের দরজা আরও উন্মুক্ত করার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেখা গেছে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে। প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে সেখানকার প্রবেশদ্বারে টাঙানো হয়েছে একটি বিশেষ বার্তা, যেখানে বলা হয়েছে অফিসে ঢুকতে কোনো পূর্বানুমতি লাগবে না এবং জুতা খুলেও প্রবেশ করতে হবে না। এই অভিনব পদক্ষেপটি সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। উপজেলা প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই মূলত এই ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে মূলত সেবাপ্রত্যাশীদের জুতা বাইরে রেখে যাওয়ার প্রচলিত বাধ্যবাধকতা এবং কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশের আগে আলাদাভাবে অনুমতি নেওয়ার বিড়ম্বনা পুরোপুরি দূর করা হয়েছে। সাধারণত সরকারি কার্যালয়গুলোতে সাধারণ মানুষ একধরনের মানসিক দ্বিধা ও সংকোচ নিয়ে প্রবেশ করেন, যা কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে এই বার্তাটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ছোট্ট এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে সরকারি দপ্তরগুলো মূলত জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্যই পরিচালিত হয়ে থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এমন জনবান্ধব সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করে জানিয়েছেন যে, এর ফলে সাধারণ মানুষ এখন থেকে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর সাহায্য ছাড়াই সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারবেন। অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে বা ভয়ের কারণে মানুষ সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হন, যা এই ধরনের উন্মুক্ত পরিবেশের কারণে অনেকটাই কমে আসবে। সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও মানবিক হয়ে উঠবে।

এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি জানিয়েছেন যে, সরকারি দপ্তরগুলো জনগণের জন্যই তৈরি এবং এখানকার প্রতিটি কর্মকর্তা জনগণের সেবক মাত্র। সাধারণ মানুষ যেন কোনো রকম ভয়ভীতি বা দ্বিধা ছাড়াই তাঁদের প্রয়োজনীয় চাহিদা ও অভিযোগের কথা খোলামেলাভাবে ব্যক্ত করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই বার্তাটি দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই যেন নাগরিকরা সহজে প্রশাসনিক সেবা গ্রহণ করতে পারেন, সেটাই তাঁর প্রধান প্রত্যাশা বলে তিনি উল্লেখ করেন।