খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী

দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী

ধর্ম ডেস্ক: আল্লাহ তাআলাকে সঠিকভাবে চেনার জন্য এবং অন্তরে তাঁর ভয় বা তাকওয়া অর্জনের জন্য প্রকৃত আল্লাহওয়ালাদের সাহচর্য অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা সালাহউদ্দীন নানুপুরী। তিনি বলেন, মানুষ যদি নিজের নফসের পরিশুদ্ধি ঘটাতে না পারে, তবে সে অবধারিতভাবে দুনিয়ার মোহগ্রস্ততায় নিমজ্জিত হবে। পার্থিব এই মোহের কারণে মানুষের অমূল্য জীবন ও যৌবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ফুরিয়ে আসছে হায়াতের নির্ধারিত সময়।

সম্প্রতি হাটহাজারী পার্বতী মডেল ঐতিহাসিক সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আল-আমিন সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী তাফসীর মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মূল্যবান কথাগুলো বলেন। আয়োজিত এই ধর্মীয় সমাবেশে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হৃদয়ের ভেতরের অন্ধকার দূর করতে এবং আত্মশুদ্ধি অর্জনে বুজুর্গদের সান্নিধ্য গ্রহণ করা জরুরি, কারণ তাঁরা আধ্যাত্মিক চিকিৎসকের ভূমিকা পালন করেন।

মাওলানা রিজওয়ান আরমান ও মাওলানা আইয়ুব জাহাঙ্গীরের যৌথ সঞ্চালনায় মাহফিলের কার্যক্রম শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে, যা পরিবেশন করেন কারী আহমদ গণী। তাফসীর মাহফিলের বিভিন্ন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মুফতী হাবিবুর রহমান কাসেমী, মুফতী ওসমান সাঈদী, মাওলানা নাছির উদ্দীন এবং মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসান এবং বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওলিউল্লাহকে আল-আমিন সংস্থার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। তিন দিনব্যাপী এই মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে আরও তাফসীর পেশ করেন মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী, সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসান ও মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওলিউল্লাহ, মাওলানা আনিসুর রহমান আশরাফী, মুফতী হারুন ইজহার, ড. নুরুল আবছার আজহারী, মুফতী রাশেদ, মুফতী সিরাজুল্লাহ মাদানী এবং মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইয়াহইয়া।

advertisement
advertisement

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত সার্কুলার জারি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত সার্কুলার জারি

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত সার্কুলার জারি

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা এবং এর কার্যক্রম আরও বেশি সুশৃঙ্খল ও সহজ করার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২৯ অক্টোবর ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট, ১৯৪৭-এর ক্ষমতাবলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রকাশ করে। এর ফলে বিভিন্ন সময়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত নিয়মকানুনগুলো এক ছাতার নিচে চলে এসেছে, যা সংশ্লিষ্ট সবার জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক হবে।

নতুন এই সার্কুলার জারির মাধ্যমে ২০১৮ সালের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন নির্দেশিকার প্রথম খণ্ডে থাকা আগের সমস্ত নির্দেশনা এবং পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে দেওয়া সার্কুলারগুলো বাতিল করা হয়েছে। তবে এই নির্দেশিকার দ্বিতীয় খণ্ডে উল্লেখ থাকা মাসিক প্রতিবেদন দাখিল সংক্রান্ত নিয়মগুলো আগের মতোই বহাল থাকবে। মূলত বৈদেশিক মুদ্রার বাজারকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই বড় ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

প্রকাশিত নতুন সার্কুলারে মুদ্রা বিনিময় হার নির্ধারণ, প্রতিবেদন দাখিল, অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোর সঙ্গে লেনদেন এবং এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব পরিচালনা, ওপেন পজিশন সীমা এবং নস্ট্রো হিসাবের সমন্বয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ফরওয়ার্ড লেনদেন, সোয়াপ এবং আমদানি বাণিজ্যে পণ্যের মূল্যঝুঁকি হেজিংয়ের বিষয়েও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক এই সার্কুলারে ভার্চুয়াল সম্পদ এবং ভার্চুয়াল মুদ্রার যেকোনো ধরনের বিনিময়, স্থানান্তর ও লেনদেনের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই নির্দেশনা জারির তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং এই সময়ের মধ্যে নতুন কোনো নিয়ম আসলে তা এর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং আশা করছেন এর ফলে ব্যাংকিং খাতে নিয়ম প্রতিপালন সহজতর হবে।

নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন

নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন

জাতীয় ডেস্ক: নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের সামগ্রিক অগ্রযাত্রার পথে এখনো সবচেয়ে বড় অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা এবং entrenched পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা। দেশের তরুণ সমাজ ও কিশোরীদের সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হলে এই সামাজিক প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা। সম্প্রতি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সমাজের এই গভীর সমস্যাগুলোর কথা তুলে ধরেন দেশের প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব জহির উদ্দিন স্বপন।

শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ এই বিশেষ কার্নিভ্যালের আয়োজন করে। শিকড়ের শক্তিতে, এগিয়ে যাক প্রতিটি কিশোরী এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কিশোরীদের নিজস্ব শক্তির ওপর ভর করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত কিশোরীদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দিলেই নারীর পূর্ণ বিকাশ নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না, এর জন্য প্রয়োজন একটি অনুকূল পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ। সমাজ থেকে কুসংস্কার এবং লিঙ্গবৈষম্য দূর করার মাধ্যমে কিশোরীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তারা মত প্রকাশ করেন। পাশাপাশি কিশোরীদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলার ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয় এই আয়োজনে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে রাষ্ট্র ও সমাজের সব স্তর থেকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে কিশোরীদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও উৎসাহ প্রদান করা গেলে তারা দেশের সার্বিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী কিশোরীদের মাঝে নানা ধরনের উৎসাহমূলক উপহার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি

কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি

জাতীয় ডেস্ক: প্রথম আলোর সাম্প্রতিক একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে জ্বালানি বরাদ্দের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট করপোরেশনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের জন্য প্রতি মাসে বড় অঙ্কের জ্বালানি তেল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছিল, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়। মূলত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যয় সংকোচন এবং সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এতদিন গাড়ি ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে চারশ থেকে শুরু করে প্রায় ছয়শ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি তেল সুবিধা ভোগ করছিলেন। সরকারি এই সংস্থাটির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ হিসাব এবং নথিপত্র পর্যালোচনা করেই এই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি খরচের চিত্রটি উদ্ঘাটিত হয়। শহরের ভেতরে দাপ্তরিক কাজের পরিধির তুলনায় এই জ্বালানি বরাদ্দ অত্যন্ত বেশি ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনসাধারণের করের টাকায় পরিচালিত সংস্থার এমন বিলাসবহুল জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারি খাতের যেকোনো ধরনের বাড়তি ব্যয় নিয়ে যখন সমালোচনা চলছে, ঠিক সেই সময়ে এই অতিরিক্ত জ্বালানি খরচের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছে, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অপচয় রোধ করা অত্যন্ত জরুরি ছিল।

এমন প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নীতিনির্ধারক মহল। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই সংস্থার পক্ষ থেকে কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত মাসিক জ্বালানি তেল বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে করপোরেশনের মাসিক পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং সরকারি সম্পদের আরও সুষম ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।