খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাংলাদেশ হাইটেক পার্কে নবমসহ বিভিন্ন গ্রেডে চাকরির সুযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশ হাইটেক পার্কে নবমসহ বিভিন্ন গ্রেডে চাকরির সুযোগ

বাংলাদেশ হাইটেক পার্কে নবমসহ বিভিন্ন গ্রেডে চাকরির সুযোগ

বাংলাদেশ হাইটেক পার্কে ৯ম থেকে ১৬তম গ্রেডের চারটি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

পদের নাম ও বিবরণ

১। সহকারী পরিচালক (প্রশাসন)

পদসংখ্যা: ১

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণির স্নাতকোত্তর বা সমমানের ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির সম্মানসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর বা সমমানের ডিগ্রিসহ কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে। কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বেতনস্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)

২। উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)

পদসংখ্যা: ১

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: কোনো স্বীকৃত ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠান থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমাসহ কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে। কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বেতনস্কেল ও গ্রেড: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০/- (গ্রেড-১০)বাংলাদেশ হাইটেক পার্কে ৯ম থেকে ১৬তম গ্রেডের চারটি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

পদের নাম ও বিবরণ

১। সহকারী পরিচালক (প্রশাসন)

পদসংখ্যা: ১

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণির স্নাতকোত্তর বা সমমানের ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির সম্মানসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর বা সমমানের ডিগ্রিসহ কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে। কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বেতনস্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)

২। উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)

পদসংখ্যা: ১

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: কোনো স্বীকৃত ইনস্টিটিউট বা প্রতিষ্ঠান থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমাসহ কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে। কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বেতনস্কেল ও গ্রেড: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০/- (গ্রেড-১০)
advertisement
advertisement

১৬ বছরেই ৯ গিনেস রেকর্ড, কে এই বিস্ময়বালক আরিয়ান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৬ বছরেই ৯ গিনেস রেকর্ড, কে এই বিস্ময়বালক আরিয়ান

১৬ বছরেই ৯ গিনেস রেকর্ড, কে এই বিস্ময়বালক আরিয়ান

ডেস্ক রিপোর্ট: অসাধারণ মানসিক গণনক্ষমতা প্রদর্শন করে খুব অল্প বয়সেই বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাশিকের কিশোর আরিয়ান শুক্লা। মাত্র ষোলো বছর বয়সের মধ্যে সে মোট নয়বার নাম তুলেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের পাতায়। গাণিতিক সমস্যা দ্রুত সমাধানের এই অনন্য দক্ষতার কারণে তাকে এখন অনেকে ভারতের মানব ক্যালকুলেটর হিসেবে অভিহিত করে থাকেন। গণিতের পাশাপাশি মানসিক গণনার আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতেও তার রয়েছে ঈর্ষণীয় সাফল্য।

আরিয়ানের এই অসাধারণ প্রতিভার বিকাশ শুরু হয়েছিল মাত্র ছয় বছর বয়স থেকে। তার বাবা-মা ছেলের ভেতরের এই সুপ্ত প্রতিভা খুব দ্রুত বুঝতে পেরে তাকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে আট বছর বয়সে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাতটি স্বর্ণসহ মোট দশটি পদক অর্জন করে সে। এছাড়া ২০২২ ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত মেন্টাল ক্যালকুলেশন বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে আরিয়ান।

গত কয়েক বছর ধরে গিনেস বিশ্বরেকর্ড গড়ার ক্ষেত্রে একের পর এক মাইলফলক স্পর্শ করে চলেছে এই কিশোর। ইতালিতে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে বড় সংখ্যার দ্রুত যোগ করে সে তার বিশ্বরেকর্ড যাত্রার সূচনা করে। পরবর্তীতে দুবাইয়ে একই দিনে বেশ কয়েকটি রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি সম্প্রতি ইতালিতে বর্গমূল নির্ণয় এবং বড় সংখ্যার ভাগ করার ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করে। এসব অর্জনে তার নিখুঁত হিসাবের গতি এবং নির্ভুলতা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্যের পাশাপাশি পড়াশোনাতেও সমান পারদর্শী রয়েছে আরিয়ান। নাশিকের দিল্লি পাবলিক স্কুলের একাদশ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী তার আগের বোর্ড পরীক্ষায় সাতানব্বই শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিল। গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি গভীর অনুরাগের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রতিও তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। ছেলের এমন অর্জনে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তার ওপর কখনো পড়াশোনার বাড়তি চাপ সৃষ্টি করা হয়নি, বরং তার নিজস্ব আগ্রহকেই সবসময় প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে শুধু প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নয়, বরং নতুন প্রজন্মের মাঝে গণিত ভীতি দূর করতেও কাজ করে যাচ্ছে এই কিশোর প্রতিভা। গ্লোবাল মেন্টাল ক্যালকুলেটরস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সে শিশুদের মানসিক গণনায় উৎসাহিত করছে। নিয়মিত চর্চা, একাগ্রতা এবং উপযুক্ত পরিবেশ পেলে যে কিশোর বয়সেই বড় সাফল্য অর্জন করা সম্ভব, আরিয়ানের পুরো যাত্রাপথটি তারই এক অনন্য উদাহরণ।

‘বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিলম্ব হলেও সবাইকে নিয়েই ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিলম্ব হলেও সবাইকে নিয়েই ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী’

‘বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিলম্ব হলেও সবাইকে নিয়েই ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী’

জাতীয় ডেস্ক: জাপান সফর শেষে দেশে ফেরার পথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাইলেই অন্য কোনো বিমানে দ্রুত দেশে ফিরে আসতে পারতেন। কিন্তু তিনি নিজের সুবিধার কথা চিন্তা না করে সফরসঙ্গী ও অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে রেখেই বিমান মেরামত পর্যন্ত অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন। এই আকস্মিক বিলম্বের কারণে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়েই নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছান।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেওয়ার প্রাক্কালে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে ত্রুটি ধরা পড়ে। যদিও এটি বড় কোনো সমস্যা ছিল না, তবুও যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সফটওয়্যার ব্যবহার করে দ্রুত ত্রুটিটি সমাধান করা হয়। এই দীর্ঘ অপেক্ষার সময় প্রধানমন্ত্রী নিজে বিমানের সাধারণ যাত্রীদের কাছে যান এবং তাদের সঙ্গে কথা বলে পুরো পরিস্থিতি বুঝিয়ে বলেন। তার এই সহানুভূতিশীল আচরণ যাত্রীদের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে এবং তাদের আতঙ্ক দূর করতে সাহায্য করে।

বিমান যাত্রার এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে শিশুদের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টিও বিশেষভাবে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান তাৎক্ষণিকভাবে শিশুদের জন্য খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার তদারকি করেন। দীর্ঘ যাত্রায় শিশুরা যেন কোনো ধরনের কষ্ট না পায় এবং কান্নাকাটি না করে, সে বিষয়ে তিনি নিবিড় খোঁজখবর নেন। প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ এবং তার সহধর্মিণীর সময়োপযোগী পদক্ষেপ যাত্রীদের মধ্যে দারুণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।

এর আগে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের এক ফলপ্রসূ সরকারি সফরে টোকিও যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত স্থায়ী এই সফরে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি জাপানের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সফরকালে তিনি জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।

আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ, নিঃসঙ্গ সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকের সঙ্গী আনছে জাতীয় চিড়িয়াখানা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ, নিঃসঙ্গ সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকের সঙ্গী আনছে জাতীয় চিড়িয়াখানা

আবার চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ, নিঃসঙ্গ সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকের সঙ্গী আনছে জাতীয় চিড়িয়াখানা

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়াতে এবং দীর্ঘদিনের নিঃসঙ্গ প্রাণীদের সঙ্গী দিতে নতুন প্রাণী আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে সিংহ, হায়েনা ও উল্লুকসহ বেশ কিছু প্রাণী দীর্ঘদিন ধরে কোনো সঙ্গী ছাড়া একা জীবন কাটাচ্ছে। তাদের মানসিক অবসাদ দূর করতে এবং প্রজননের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে গত অর্থবছরে চিতাবাঘ আনার চেষ্টা ব্যর্থ হলেও এবার বতর্মান অর্থবছরে প্রক্রিয়া আরও আগে শুরু করা হয়েছে।

চিড়িয়াখানা সূত্র জানায়, নতুন এই কার্যক্রমে দুটি চিতাবাঘ, তিনটি সিংহ, দুটি হায়েনা এবং তিনটি উল্লুক কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব প্রাণী সংগ্রহের জন্য ইতিমধ্যে প্রায় এক কোটি ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসের মাঝামা সময়ে ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার মাধ্যমে দরপত্র আহ্বান করা হয় এবং মাস শেষের দিকে তা উন্মুক্ত করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের জমা দেওয়া আবেদনপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক মো. শাহিনুর আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন এসব প্রাণী নিরাপদে চিড়িয়াখানায় এসে পৌঁছাবে বলে তাঁরা আশা করছেন। অতীতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রাণী সরবরাহ করতে না পারায় চিতাবাঘ কেনার উদ্যোগ মাঝপথে আটকে গিয়েছিল। তবে এবার আগেভাগেই সব আনুষ্ঠানিকতা শুরু করায় কোনো জটিলতা তৈরি হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

বর্তমানে চিড়িয়াখানায় থাকা একাধিক আফ্রিকান সিংহ, চিত্রা ও ডোরাকাটা হায়েনা এবং উল্লুক দীর্ঘদিন ধরে সঙ্গীহীন রয়েছে। নতুন প্রাণীগুলো যুক্ত হলে তাদের একাকিত্ব দূর হওয়ার পাশাপাশি বংশবিস্তারের সুযোগও তৈরি হবে। এছাড়া গত অর্থবছরে বিদেশ থেকে আনা কমন ইল্যান্ড ও ওয়াইল্ড বিস্টগুলো বর্তমানে সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে বলে নিশ্চিত করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।