খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

বিনোদন ডেস্ক: দেশের সংগীতাঙ্গনের দীর্ঘ পথচলায় ব্যান্ড সংগীতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও গত সাড়ে পাঁচ দশকেও কোনো স্থায়ী কনসার্ট ভেন্যু গড়ে ওঠেনি। বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ব্যান্ড দল মাইলসের অন্যতম মুখ হামিন আহমেদ। তার মতে, একটি জাতির সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো অত্যন্ত জরুরি হলেও কনসার্টের মতো জনবহুল আয়োজনের জন্য এখনো নির্দিষ্ট কোনো স্থান নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি মনে করেন, স্থায়ী ভেন্যু না থাকায় দেশের তরুণ শিল্পীরা নিয়মিত বড় পরিসরে নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বারবার বিভিন্ন স্থান পরিবর্তন করে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে আয়োজকদের নানা ধরনের জটিলতা ও প্রশাসনিক ঝামেলার মুখে পড়তে হয়। এতে অনেক সময় আন্তর্জাতিক মানের কনসার্ট আয়োজন করাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

জনাকীর্ণ এসব কনসার্টে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার ওপর জোর দিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। তার মতে, প্রতিটি অনুষ্ঠানে ঠিক কতজন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত থাকবেন, দর্শক কীভাবে প্রবেশ ও প্রস্থান করবেন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা আগে থেকেই পরিষ্কার হওয়া দরকার।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের স্বার্থে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দ্রুত একটি স্থায়ী কনসার্ট ভেন্যু তৈরির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ নীতিমালা এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় দেশের সংগীতশিল্প আরও সুসংহত রূপ লাভ করবে।

advertisement
advertisement

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরকার কোন্দল ও বিভক্তি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে সমর্থন না দিয়ে উল্টো বিরোধী দলের সিনেট প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একজন প্রভাবশালী নেতার এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল-সাইয়েদের সমর্থকেরা দমে যাননি। বরং এই অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন এবং প্রচারণায় নতুন গতিশীলতা এসেছে।

সম্প্রতি মিশিগানের সাউথফিল্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আল-সাইয়েদের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে। সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ কর্মী ও সমর্থকেরা জানান, দলীয় নেতার এমন অবস্থান তাদের জন্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি, বরং তাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থকেরা মনে করেন, দলের ভেতরের এই অনৈক্য উপেক্ষা করে আল-সাইয়েদের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন যে, দলীয় প্রার্থীর বদলে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হ্যালি স্টিভেন্সের নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। তাদের মতে, এই ধরনের অবস্থান দলের ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে যা শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষেই বেশি কাজে লাগতে পারে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের এমন ঘটনাকে তারা একধরনের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

এদিকে দলীয় কোন্দলের মাঝেও আল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারশিবির দারুণ এক আর্থিক সাফল্যের মুখ দেখেছে। স্টিভেন্সের বিরোধিতার ঘোষণার পরপরই মাত্র একদিনের ব্যবধানে তাদের তহবিলে চব্বিশ লাখ ডলারের বেশি জমা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ঊনত্রিশ কোটি টাকা। প্রচারণা শুরু হওয়ার পর এটিই তাদের একদিনে সর্বোচ্চ ফান্ড সংগ্রহের রেকর্ড। এই অভাবনীয় সাফল্যকে সমর্থকেরা নিছক কাকতালীয় বলতে নারাজ, বরং একে তারা দলীয় ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

অপরাধ ডেস্ক: বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় এক হাজার ১২১ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে অবৈধভাবে তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই আর্থিক অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই বিশাল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের জন্য সম্পূর্ণ নতুন বেশ কয়েকটি বেনামি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছিল। কোনো ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা বা ব্যবসায়িক ট্র্যাক রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও কেবল বিশেষ সুবিধার জোরে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে বড় অঙ্কের ঋণ এবং এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের সুবিধা মঞ্জুর করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো নিয়ম-কানুন ও ব্যাংকিং নীতিমালার তোয়াক্কা করা হয়নি। অতি দ্রুততার সঙ্গে নামসর্বস্ব কোম্পানিগুলোকে অর্থ পাইয়ে দিয়ে পরে তা ভিন্ন খাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই কারসাজির পেছনে উচ্চপর্যায়ের প্রভাব খাটানো হয়েছিল বলে প্রতীয়মান হয়।

এই দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি পৃথক মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুতই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে এবং লুটপাট করা অর্থ পুনরুদ্ধারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন

আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন নতুন বছরের সরকারি ছুটির তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে আগামী বছর মোট কত দিন ছুটি থাকবে, তা এই তালিকার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রশাসনিক কার্যক্রম ও দাপ্তরিক কাজের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিশ্চিত করতে এই ছুটির তালিকাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের প্রচলিত নিয়ম ও ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে ছুটির এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সাধারণ ছুটির পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসের ঐচ্ছিক ছুটির বিষয়টিও এই তালিকায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি ও বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীরা আগামী বছরের ছুটির দিনগুলো সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা লাভ করতে পারবেন।

সাধারণত প্রতিবছর শেষ হওয়ার আগেই আগামী বছরের ছুটির অনুমোদন সম্পন্ন করে থাকে সরকার, যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলোর বার্ষিক পরিকল্পনা সাজাতে কোনো সমস্যা না হয়। অনুমোদিত এই তালিকাটি খুব দ্রুতই প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হবে এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সরকারি ওয়েবসাইটে তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।