খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

খরচের চাপে ৮১% কর্মীর অবসরকালীন আর্থিক পরিকল্পনা নেই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খরচের চাপে ৮১% কর্মীর অবসরকালীন আর্থিক পরিকল্পনা নেই

খরচের চাপে ৮১% কর্মীর অবসরকালীন আর্থিক পরিকল্পনা নেই

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বেসরকারি খাতের বিপুলসংখ্যক কর্মী বর্তমানে বড় ধরনের আর্থিক অনিশ্চয়তা ও খরচের চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটানোর তাগিদে তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার সুযোগ কমে গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের বেসরকারি খাতের প্রায় ৮১ শতাংশ কর্মীরই কোনো নির্দিষ্ট অবসরকালীন আর্থিক পরিকল্পনা নেই। মূলত তাৎক্ষণিক ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে কর্মীরা ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের বিষয়টি থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।

বহুজাতিক বিমা প্রতিষ্ঠান মেটলাইফ বাংলাদেশের করা এই সর্বশেষ গবেষণা প্রতিবেদনটি রাজধানীর মতিঝিলে মেটলাইফ বাংলাদেশের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। চলতি বছর আগস্ট মাসে পরিচালিত এই জরিপে দেশের বিভিন্ন খাতের ৭০৯ জন অংশ নেন, যার মধ্যে পূর্ণকালীন কর্মী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তৈরি পোশাক, ব্যাংক, টেলিকম, এনজিও এবং খুচরা বিক্রেতাসহ নানা খাতের কর্মীদের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই চিত্র উঠে এসেছে।

জরিপে অংশগ্রহণকারী অর্ধেকের বেশি কর্মী জানিয়েছেন যে অপ্রত্যাশিত আর্থিক চাপ ও দৈনন্দিন ব্যয়ের কারণে তাঁদের কর্মদক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রায় ৭২ শতাংশ কর্মী স্বীকার করেছেন যে এই ধরনের আর্থিক চাপ তাঁদের কাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এর ফলে ভবিষ্যৎ সঞ্চয় করার প্রবণতাও হ্রাস পাচ্ছে। এর আগের বছর এই হার তুলনামূলক কম থাকায় এটি স্পষ্ট যে বর্তমান সময়ে কর্মীরা অনেক বেশি আর্থিক চাপের মুখে রয়েছেন।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসরকারি খাতের কর্মীরা তাঁদের নিয়োগকর্তাদের আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রায় ৮১ শতাংশ কর্মী মনে করেন তাঁদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব এবং ৮৬ শতাংশ কর্মী চান প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁদের অবসরকালীন সঞ্চয়ে সরাসরি সহায়তা করুক। পাশাপাশি, কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ কমাতে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বর্তমান কর্মপরিবেশে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

advertisement
advertisement

চলতি বিজ্ঞপ্তিতে চাকরি পাবেন ৬ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই পদ অনুমোদন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চলতি বিজ্ঞপ্তিতে চাকরি পাবেন ৬ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই পদ অনুমোদন

চলতি বিজ্ঞপ্তিতে চাকরি পাবেন ৬ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই পদ অনুমোদন

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে নতুন করে বিশাল পরিসরে জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় পুলিশের বিভিন্ন পদে বড় ধরনের নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কনস্টেবল এবং উপপরিদর্শক বা এসআই পদে মোট চৌদ্দ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের বড় একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলমান ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল বা টিআরসি পদের নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমেই প্রায় ছয় হাজার কনস্টেবল চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পাবেন। বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে দুই হাজার কনস্টেবল পদ শূন্য রয়েছে এবং নতুন করে আরও দশ হাজার পদ সৃষ্টির একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই প্রস্তাবের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বর্তমান বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেই শূন্য পদ এবং নতুন প্রস্তাবিত পদ মিলে মোট ছয় হাজার প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপের এই নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পর বাকি ছয় হাজার কনস্টেবল পরবর্তীতে আরেকটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নেওয়া হবে।

কনস্টেবল নিয়োগের এই প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা হচ্ছে যার মধ্যে রয়েছে প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং, শারীরিক মাপ ও সহনশীলতা পরীক্ষা, লিখিত এবং মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা। গত কিছুদিন আগে এই পদের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং চূড়ান্তভাবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বাছাইয়ের কোনো পর্যায়ে কোনো ধরনের অসদুপায় বা ভুয়া তথ্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হবে।

কনস্টেবল পদের পাশাপাশি পুলিশে সরাসরি চার হাজার উপপরিদর্শক বা এসআই পদে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সচিব কমিটির সভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে এবং সরাসরি নিয়োগের সুবিধার্থে পুলিশ প্রবিধান বা পিআরবি সংশোধন করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এতদিন অর্ধেক পদ বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হলেও এবারই প্রথম শতভাগ পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে পুলিশ বাহিনীতে এসআই ও কনস্টেবল মিলিয়ে চৌদ্দ হাজার নতুন জনবল যুক্ত করার এই প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও গোয়েন্দা যাচাই নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ঢাকায় পাসের হার ৭৯%, মানিকগঞ্জে ৩৮%, এইচএসসির ফলে শহর-গ্রামে বড় বৈষম্য

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় পাসের হার ৭৯%, মানিকগঞ্জে ৩৮%, এইচএসসির ফলে শহর-গ্রামে বড় বৈষম্য

ঢাকায় পাসের হার ৭৯%, মানিকগঞ্জে ৩৮%, এইচএসসির ফলে শহর-গ্রামে বড় বৈষম্য

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শহর ও গ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে এক গভীর বৈষম্য প্রকট হয়ে উঠেছে। প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, রাজধানী ঢাকায় পাসের হার ও ভালো ফলের প্রবণতা যতটা সন্তোষজনক, মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলে তা বেশ হতাশাঞ্জক। বিশেষ করে দেশের কিছু জেলার ফলাফল বিশ্লেষণ করলে এই ব্যবধান আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে, যা নিয়ে শিক্ষাবিদদের মধ্যেও নতুন করে চিন্তার উদ্রেক হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এর সঙ্গে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল যুক্ত করলে শীর্ষ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তবে এই সাফল্যের বড় একটি অংশই এসেছে শহরাঞ্চলের বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে, যেখানে পাসের হার এবং জিপিএ অর্জনের হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি থাকে।

রাজধানী ঢাকায় এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৯ শতাংশের কাছাকাছি, যা দেশের সামগ্রিক গড়ের তুলনায় বেশ উঁচুতে অবস্থান করছে। অন্যদিকে ঢাকা বিভাগেরই একটি জেলা মানিকগঞ্জে এই পাসের হার নাটকীয়ভাবে নেমে মাত্র ৩৮ শতাংশে ঠেকেছে। একই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভেতরে শহর ও গ্রামের এই বিশাল পাসের হারের ব্যবধান প্রমাণ করে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো, শিক্ষক সংকট এবং সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে এখনও বিরাট ফারাক রয়ে গেছে।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মানসম্মত শিক্ষা উপকরণের অভাব, দক্ষ শিক্ষকের স্বল্পতা এবং গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের আর্থসামাজিক অবস্থা এই বৈষম্য তৈরির প্রধান কারণ। কেবল পাসের হারের এই ব্যবধান দূর করতে না পারলে সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত উন্নতি অর্জন করা সম্ভব হবে না বলে তারা সতর্ক করেছেন। তাই শিক্ষা প্রশাসনকে এখন মফস্বল ও গ্রাম অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়নে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

ইসরাইলের রাজনীতিতে নয়া আতঙ্ক ‘আরব ভোট’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরাইলের রাজনীতিতে নয়া আতঙ্ক ‘আরব ভোট’

ইসরাইলের রাজনীতিতে নয়া আতঙ্ক ‘আরব ভোট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের সদ্য সমাপ্ত সাধারণ নির্বাচনে আরব ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর অভাবনীয় সাফল্য দেশটির রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সর্বশেষ প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম নামের দল দুটি মিলে নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে ১৯টিতে জয়লাভ করেছে। ইসরাইলের পার্লামেন্টের ইতিহাসে এটি ফিলিস্তিনি আরবদের সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন অর্জনের রেকর্ড। এর আগের নির্বাচনে তারা তুলনামূলক কম আসন পেলেও এবারের নির্বাচনে তারা প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরগুলোকে পেছনে ফেলে রাজনৈতিক ময়দানে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি এই ঘটনাকে নির্বাচনি রাজনীতিতে একপ্রকার ভূকম্পনের সঙ্গে তুলনা করেছে এবং ফিলিস্তিনি দলগুলোর এই উত্থান পুরো রাজনৈতিক দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলি নির্বাচনে আরব ভোটারদের উপস্থিতি কমতির দিকে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ধারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। অতীতে ভোটারদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও সর্বশেষ নির্বাচনে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উপস্থিতি জাতীয় গড়ের হারকেও ছাড়িয়ে গেছে। মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক হওয়ায় তাদের এই বিপুল ভোটদান ইসরাইলের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলছে। কট্টর ডানপন্থি সরকারের বর্ণবাদী নীতি এবং আরববিদ্বেষী মনোভাবের তীব্র ক্ষোভ থেকেই মূলত ভোটাররা দলে দলে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন। নেতানিয়াহু প্রশাসনের বিভিন্ন উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং অপরাধমূলক নীতির বিরুদ্ধে নিজেদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনি নাগরিকরা এবার ব্যালটের মাধ্যমেই জোরালো জবাব দিয়েছেন।

নির্বাচনে আরব ভোটারদের এই উচ্চ উপস্থিতির কারণে প্রধান দুই ইহুদি জোটের কেউই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, যা সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত জটিল করে তুলেছে। নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোট—কারো পক্ষেই এককভাবে সরকার গঠন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আরব দলগুলো এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘কিংমেকার’ বা নির্ণায়ক ভূমিক অবতীর্ণ হয়েছে। আইজেনকোটের সামনে কয়েকটি বিকল্প পথ খোলা থাকলেও আরব দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি অংশীদারত্ব নিয়ে রাজনৈতিক মিত্রদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ রয়েছে। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়া কিংবা স্বাধীন কোনো তদন্ত কমিটি গঠনের মতো বিষয়ে আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহু ও তার কট্টর ডানপন্থি মিত্ররা আরব দলগুলোর এই রাজনৈতিক সাফল্যকে মেনে নিতে পারছে না এবং একে ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। লিকুদ পার্টি আরব অধ্যুষিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে কারচুপির ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছে এবং ফিলিস্তিনি দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকারকে প্রথম দিন থেকেই অবৈধ ঘোষণা করার হুমকি দিয়ে আসছে। তা সত্ত্বেও ইসরাইলি রাজনীতিতে আরব দলগুলোর এই ঐতিহাসিক সাফল্য প্রমাণ করে যে, দেশের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উপেক্ষা করার দিন শেষ হয়ে এসেছে। আগামী দিনে নতুন সরকার গঠন কিংবা রাজনৈতিক দরকষাকষিতে এই আরব ভোটই ইসরাইলের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করে দেবে।