খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক এবং পাসের হার শূন্য, সেগুলোকে কঠোর জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এই ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রকাশের পর থেকেই দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই পরিস্থিতিতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছেন। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিষ্ক্রিয়তা দূর করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশের মোট ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি, অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার সম্পূর্ণ শূন্য। অথচ এর আগের বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি, যা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে বিগত বছরের তুলনায় এবার ফলাফল বিপর্যয় ঘটা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক লাফে একানব্বইটি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ১৩৯টিতে এসে ঠেকেছে। সামগ্রিক এই পরিসংখ্যান দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও তদারকির ওপর এক বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।

এই শোচনীয় ফলাফলের নেপথ্যের কারণ উদঘাটন এবং দায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা প্রশাসন। শিক্ষামন্ত্রী তাঁর ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই ধরনের শূন্য পাস করা এবং আশঙ্কাজনকভাবে খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, শিক্ষার মানের এই অবনতি রোধ করতে হলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়মিত নজরদারি এবং শিক্ষকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। যেসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি একাডেমিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, শিক্ষা প্রশাসনের এই তদারকি ও কঠোর পদক্ষেপের ফলে আগামীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পাঠদান প্রক্রিয়া আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর করতে বাধ্য হবে।

advertisement
advertisement

রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর কঠোর সমালোচনা করে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছেন যে তিনি কখনোই প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। সম্প্রতি হায়দরাবাদে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। ভারতীয় জনতা পার্টির জ্যেষ্ঠ এই নেতা এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন, যখন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা বিষয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। সমাবেশে উপস্থিত সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে দেওয়া তাঁর এই বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাংক রক্ষা করার জন্য কংগ্রেস দল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ তোলেন অমিত শাহ। তাঁর মতে, ভোটার তালিকা থেকে অবৈধ ও অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কংগ্রেস সেটি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। ভুয়া ভোটের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় আসার অপচেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কংগ্রেসের এই আপত্তি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত এবং অনৈতিক।

এ সময় রাহুল গান্ধীর পক্ষ থেকে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার যে দাবি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেন অমিত শাহ। তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন যে বাদ পড়া নামগুলোর একটি বড় অংশের মানুষ অন্য স্থানে চলে গেছেন অথবা মৃত ব্যক্তি। যেসব ভোটার অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়েছেন কিংবা মারা গেছেন, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বলে তিনি উল্লেখ করেন। মৃত ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে অতীতে বা বর্তমানে কোনো সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

তেলেঙ্গানার কংগ্রেস সরকারের তীব্র সমালোচনা করে অমিত শাহ বলেন, রাজ্যটিকে দিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোর জন্য একটি এটিএমে পরিণত করেছে বর্তমান রাজ্য সরকার। এছাড়াও অতীত সরকারের আমলের বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোটের শাসনকালে বড় ধরনের দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক তহবিলের অপব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করতে এই সমাবেশে জোরালো আক্রমণাত্মক অবস্থান নেন ভারতীয় জনতা পার্টির এই শীর্ষ নেতা।

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘ আড়াই বছরের দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে রাজধানী ঢাকায় পুনরায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ইউএস ট্রেড শো। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই বিশেষ বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বাণিজ্যিক সম্পর্কের এই নতুন যাত্রার মূল লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। দেশের বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তা এবং মার্কিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে এই বিশাল বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

এই বাণিজ্য প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক পণ্য, প্রযুক্তি এবং সেবা প্রদর্শন করবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে মার্কিন পণ্যের পরিচিতি বাড়ার পাশাপাশি দেশীয় উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন। বিশেষ করে দেশের উদীয়মান শিল্পখাতগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

আয়োজক কর্তৃপক্ষের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ট্রেড শো দুই দেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন, কোন বিপ্লবে ছিলেন: জামায়াতকে রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন, কোন বিপ্লবে ছিলেন: জামায়াতকে রিজভী

বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন, কোন বিপ্লবে ছিলেন: জামায়াতকে রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা ও অবস্থান নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন। সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাদের অতীত কার্যক্রম নিয়ে এই মন্তব্য করেন। তিনি জানতে চান যে দলটি অতীতে ঠিক কোন সময়ে এবং কোন ধরনের বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

নগরের একটি স্থানীয় রেস্তোরাঁয় আয়োজিত ওই মতবিনিময় সভায় বিএনপির এই শীর্ষ নেতা দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় উপস্থিত সংবাদকর্মীরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি খোলামেলাভাবে নানা রাজনৈতিক দলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করেন। বিশেষ করে বিগত বছরগুলোতে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে কার কী অবদান ছিল, সে বিষয়টিও তার বক্তব্যে উঠে আসে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ লড়াইয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা বছরের পর বছর ধরে নানা দমনপীড়ন ও মামলার শিকার হয়েছেন। অথচ যারা এখন নিজেদের বড় বিপ্লবী হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করছেন, তারা অতীতে রাজপথের মূল আন্দোলনে কতটা সক্রিয় ছিলেন তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বিএনপি সবসময় আপসহীনভাবে রাজপথে লড়াই চালিয়ে গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। পরিশেষে, বিএনপির এই নেতা দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং জনগণের অধিকার আদায়ে আন্দোলন আরও বেগবান করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।