খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সাত দফা দাবি না মানলে এক দফার আন্দোলন অনিবার্য: কুষ্টিয়ায় জামায়াত আমির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাত দফা দাবি না মানলে এক দফার আন্দোলন অনিবার্য: কুষ্টিয়ায় জামায়াত আমির

কুষ্টিয়ায় লংমার্চে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম মাঠে

কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম মাঠে শনিবার দিবাগত রাতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের ঘোষিত দাবিগুলোর একটিও দলীয় স্বার্থে নয়, বরং সবই জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য। তিনি উল্লেখ করেন, সাত দফা দাবি মেনে নেওয়া হলে এক দফার কোনো প্রয়োজন পড়বে না, তবে তা অগ্রাহ্য করা হলে এক দফার আন্দোলন অনিবার্য হয়ে উঠবে এবং দেশ, জনগণ ও নাগরিক অধিকারের স্বার্থেই সেই ডাক দিতে তারা বাধ্য হবেন।

শনিবার রাত ১১টা ৩৩ মিনিটে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জামায়াত আমির অনুষ্ঠানমঞ্চে আসন গ্রহণ করেন এবং রাত ১১টা ৪৮ মিনিটে বক্তব্য দিতে শুরু করে মাত্র ৬ মিনিট কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জনগণের ভোটে গঠিত সংসদের পাশাপাশি একটি সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রত্যাশা ছিল, যা সংসদে বসেই সংকট নিরসন করত; কিন্তু কৌশলী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন কবজা করে এখন ঔদ্ধত্য দেখানো হচ্ছে। অতীতের ইতিহাস টেনে তিনি সতর্ক করেন যে, গণরায় অবমাননাকারীদের পরিণতি সবসময়ই করুণ হয়েছে। ঢাকা থেকে লংমার্চ নিয়ে কুষ্টিয়ায় আসার কথা উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, এক দফার প্রয়োজনে কুষ্টিয়া থেকে পুনরায় ঢাকা যাওয়ার ডাক এলে তারা প্রস্তুত কি না। তিনি স্পষ্ট জানান, কাউকে দেওয়ার মতো বিরিয়ানি বা অর্থ তাদের নেই, তবে অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে জীবন গেলেও অন্যায়ের কাছে তারা নতি স্বীকার করবেন না।

কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির খন্দকার এ কে এম আলী মুহসিন ও সেক্রেটারি এনামুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, মাত্র আট মাসের মাথায় কেন তাদের রাজপথে নামতে হলো তা বিএনপির নেতারা বুঝতে পারছেন না। সরকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, লুটপাট ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, সচিবালয় থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত দলীয়করণ হয়েছে এবং সারের একটি ডিলারশিপের জন্য ১২ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়েছে। একই সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দেশকে আর কোনো ভিনরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য বা কারও পৈতৃক তালুকদারি হতে দেওয়া হবে না এবং সাত দফা পূরণ না হলে যে কোনো সময় ঢাকার উদ্দেশ্যে এক দফার ডাক আসবে। এছাড়া কর্নেল অলি আহমদ বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত সুশাসনের প্রত্যাশা থাকলেও বর্তমান সরকারের আমলে মানুষ তা পাচ্ছে না, ফলে বিগত সরকারের সঙ্গে এদের কোনো পার্থক্য নেই। সমাবেশে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হান্নান মাসউদসহ এনসিপি, এবি পার্টি, জাগপা, লেবার পার্টি ও ছাত্রশিবিরের শীর্ষ ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা এবং সংসদ সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। হানিফ ফ্লাইওভার ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, রূপসা সেতু, যশোর, ঝিনাইদহ এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অতিক্রম করে রাত ১১টার দিকে বহরটি কুষ্টিয়ায় পৌঁছায়। প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এই দীর্ঘ যাত্রাপথে ১৯টি জেলা স্পর্শ করার পাশাপাশি একাধিক পথসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে লংমার্চের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এর পূর্বে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ সম্পন্ন করেছিল ১১ দলীয় ঐক্য। খুলনা বিভাগের কর্মসূচি শেষে আগামী ২১ নভেম্বর সিলেট অভিমুখে পরবর্তী লংমার্চ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে জোটের।

advertisement
advertisement

রাশেদ খানের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাশেদ খানের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী

রাশেদ খানের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী

জাতীয় ডেস্ক: আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা এবং গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী। সম্প্রতি রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং এটিকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন যে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রে সংবাদপত্রের মুখ বন্ধ করার এমন অপচেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় এবং এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

বিবৃতিতে মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী আরও উল্লেখ করেন যে সংবাদমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হলো সমাজের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরা। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তা কোনো বিশেষ পক্ষের অনুকূলে যেতে পারে আবার অন্য কোনো পক্ষের বিপক্ষেও যেতে পারে, যা সাংবাদিকতার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই ধরনের বিষয়কে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে কোনো পত্রিকার প্রতি উগ্র আচরণ প্রদর্শন করা একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির নিকট থেকে কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না এবং সচেতন জনগণ এমন গর্হিত আচরণ কখনোই সমর্থন করে না।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন যে এমন উচ্চপদস্থ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার মতো ঔদ্ধত্যপূর্ণ কাজ সরকারের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। কোনো সংবাদ কিংবা সম্পাদকীয় নীতি নিয়ে দ্বিমত বা আপত্তি থাকলে তা প্রকাশের জন্য দেশে প্রচলিত আইনি পথ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ সবসময়ই খোলা রয়েছে। কিন্তু সেই পথ ছেড়ে প্রকাশ্যে পত্রিকা ধ্বংস করে আক্রোশ প্রকাশ করা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অগ্রহণযোগ্য একটি সংস্কৃতি।

পরিশেষে মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী আশা প্রকাশ করেন যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজের এই অনভিপ্রেত আচরণের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করবেন এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকারের বিশ্বাসের বিষয়টি স্পষ্ট করবেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের প্রতিটি গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে জোরালো দাবি জানান।

পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার

পুরোনো বাস দিয়ে ছয় রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু রোববার

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ সংলগ্ন এলাকায় গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থার আওতায় কিছু নির্দিষ্ট রুটে পুরোনো বাসগুলোকেই নতুন রূপ দিয়ে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে চলা বিশৃঙ্খলা দূর করতে এবং যাত্রীদের যাতায়াত কিছুটা হলেও সহজ করতেই এই অন্তর্বর্তীকালীন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে পুরোনো বাসগুলোকে নতুন রঙে রাঙিয়ে তোলার কাজ চলছে। বাসগুলোর বাহ্যিক রূপ পরিবর্তন করার পাশাপাশি এগুলোর ফিটনেস ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়েও কাজ করা হচ্ছে। মূলত যাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং পরিবহনে একটি পরিপাটি ভাব আনার জন্যই এই নান্দনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই নতুন পরিবহন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য মোট ছয়টি আলাদা কোম্পানিকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব কোম্পানি নির্দিষ্ট নিয়ম ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে রুটগুলোতে বাস পরিচালনা করবে। এর ফলে পরিবহন মালিকদের মধ্যকার অসম প্রতিযোগিতা এবং রুট দখলের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

আগামী রোববার থেকে নির্ধারিত ছয়টি রুটে এই নতুন ব্যবস্থাপনায় বাস চলাচল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই উদ্যোগ পুরোপুরি সফল হলে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ বহুলাংশে লাঘব হবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় এটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

প্রবীণদের সুস্থ রাখতে দূরকরতে হবে একাকিত্ব

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক সময় বয়স্ক ব্যক্তিদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়, যা তাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বহু প্রবীণ মানুষ মারাত্মক নিঃসঙ্গতা বা একাকিত্বের শিকার হন। এই মানসিক চাপ তাদের শারীরিক অসুস্থতাকেও আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই তাদের জীবনের মান উন্নত করতে হলে এই একাকিত্বের সমস্যাটির কার্যকর সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বয়স্ক মানুষেরা কেবল অর্থবিত্ত কিংবা বস্তুগত সুখের মাধ্যমে ভালো থাকতে পারেন না। অনেক প্রবীণ ব্যক্তির পর্যাপ্ত ধনসম্পদ এবং আরাম-আয়েশের উপকরণ থাকলেও তাঁরা তীব্র একাকিত্বে ভুগে থাকেন। পরিবার ও সমাজের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং স্নেহ-ভালোবাসার অভাব তাদের মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। বস্তুগত সমৃদ্ধি কখনোই মানসিক শান্তির বিকল্প হতে পারে না, বরং প্রিয়জনদের সান্নিধ্য ও আন্তরিকতাই প্রবীণদের আনন্দময় জীবন নিশ্চিত করতে পারে।

পরিবার এবং সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যদি প্রবীণদের পর্যাপ্ত সময় দেন এবং তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন, তবে এই নিঃসঙ্গতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। অবসর সময়ে তাঁদের বিভিন্ন সামাজিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখতে হবে, যেন তাঁরা নিজেদের সমাজের বোঝা না ভেবে বরং মূল্যবান অংশ মনে করেন। নাতি-নাতনি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত আড্ডা এবং কুশল বিনিময় প্রবীণদের মনে নতুন প্রাণশক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

পরিশেষে, প্রবীণ নাগরিকদের অবমূল্যায়ন না করে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে মূল্যায়ন করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক পর্যায়ে প্রবীণদের কল্যাণে বিভিন্ন বিনোদনমূলক কেন্দ্র, ক্লাব এবং কাউন্সেলিং সেবার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যদি প্রবীণদের চারপাশের এই একাকিত্বের প্রাচীর ভেঙে ফেলা যায়, তবে তাঁরা একটি সুন্দর, আনন্দময় এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন উপভোগ করতে পারবেন।