খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

চাকরি হারালেন ডিবির হারুন-অর রশিদসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চাকরি হারালেন ডিবির হারুন-অর রশিদসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তা

চাকরি হারালেন ডিবির হারুন-অর রশিদসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তা

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার গুরুতর অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যেখানে তাঁর বরখাস্তের আদেশ গত বছরের আগস্ট মাস থেকে কার্যকর বলে গণ্য করার কথা জানানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কর্মস্থল ত্যাগ ও পলায়নের অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা তদন্তে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতদিন তিনি সাময়িক বরখাস্তের দায়িত্বে থাকলেও এবার তাঁকে সরাসরি চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হলো। দায়িত্ব পালনকালে তিনি কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মক্ষেত্র ত্যাগ করেছিলেন এবং বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও তিনি আর চাকরিতে ফিরে আসেননি।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিষয়টি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হলে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি নির্ধারিত সময়ে কোনো লিখিত জবাব প্রদান করেননি এবং বাড়তি কোনো সময়ও প্রার্থনা করেননি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা মেলে। পরবর্তীতে তাঁকে পুনরায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি সেটিরও কোনো উত্তর দেননি। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মতামত চাওয়া হলে তারাও তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণের সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রদান করে।

সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিভাগীয় মামলার নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন এবং পিএসসির ইতিবাচক মতামত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করার পর তাঁর বিরুদ্ধে বরখাস্তের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উল্লেখ্য, একই ধরনের অপরাধ অর্থাৎ কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, অসদাচরণ এবং বিনা অনুমতিতে বিদেশে গিয়ে আর কাজে যোগ না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আরও ছয়জন উচ্চপদস্থ ও মাঝারি সারির পুলিশ কর্মকর্তাকেও চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এই তালিকায় রাজশাহী রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি মো. আনিসুর রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমার মুখার্জী এবং লক্ষ্মীপুরের সাবেক পুলিশ সুপার তারেক বিন রশিদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন।

এছাড়া এই প্রক্রিয়ায় আরও বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আলাদাভাবে শাস্তিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের সাবেক সহকারী কমিশনার কাজী মিজানুর রহমানকে সুনির্দিষ্ট একটি অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় প্রজ্ঞাপনে এটিকে গুরুতর অসদাচরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে পুলিশ বাহিনীর ভেতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং পেশাগত দায়িত্বহীনতা রোধ করতেই এই কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

advertisement
advertisement

জনগণ শুধু ভোটার নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যকর অংশীদার: জেএসডি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনগণ শুধু ভোটার নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যকর অংশীদার: জেএসডি

জনগণ শুধু ভোটার নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যকর অংশীদার: জেএসডি

রাজনীতি ডেস্ক: শুধুমাত্র শাসক কিংবা সরকারের পরিবর্তন নয়, বরং রাষ্ট্রের ক্ষমতার উৎস, কাঠামো ও চরিত্রের মৌলিক পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল। দলটির মতে, পুরোনো ক্ষমতা কাঠামোর বিলোপ সাধন করে অংশীদারত্বমূলক গণতন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে নতুনভাবে রূপান্তর করতে হবে। রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন এবং সাধারণ মানুষকে কেবল ভোটদাতা হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যকর অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার তাগিদ দেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশিষ্ট সাংবাদিক সোহরাব হাসান তাঁর বক্তব্যে বলেন, শোষণহীন সমাজ গঠনের দীর্ঘ লড়াইয়ের অঙ্গীকার নিয়ে এই দলের পথচলা শুরু হয়েছিল। তবে বর্তমান সময়ে কেবল রাষ্ট্র সংস্কারের কর্মসূচিকে সামনে নিয়ে আসা আদর্শিক অবস্থান থেকে এক ধরনের বিচ্যুতি। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া উল্লেখ করেন যে, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও সরকার কাঙ্ক্ষিত পথে এগোচ্ছে না। ক্ষমতার কেন্দ্রীভূত রূপ পরিবর্তন করে একে বিকেন্দ্রীভূত না করলে রাষ্ট্র পুনরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার শঙ্কা থাকে।

দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন বা রাষ্ট্র সংস্কার এখন আর কোনো একক রাজনৈতিক দলের দাবি নয়, এটি আজ সর্বস্তরের জনগণের জোরালো দাবিতে পরিণত হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত কোনো সংগ্রামের স্বপ্নই পুরোপুরি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি, তবুও সমাজ বদলের এই লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক হেলালুজ্জামান আহমদ মনে করেন, সংসদের উচ্চকক্ষে বিভিন্ন সামাজিক শক্তির সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা গেলে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য ও বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ প্রতিষ্ঠিত হবে।

জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন জানান, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বারবার ক্ষমতার হাতবদল ঘটলেও কাঠামোগত কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাধারণ মানুষের কার্যকর অংশগ্রহণ আজও নিশ্চিত করা যায়নি। সভাপতির বক্তব্যে তানিয়া রব জুলাই সনদের অঙ্গীকার ও গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক সংস্কার সম্পন্ন করার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদের কোনো সরাসরি আইনি ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, আইনি ভিত্তি না থাকলেও এই সনদের রাজনৈতিক সমঝোতার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি এবং এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই প্রসঙ্গটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে যে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করা হয়েছে, তার কি আসলেই কোনো আইনি ভিত্তি রয়েছে? এর উত্তর হলো নেই। কিন্তু এর মাধ্যমে যে জাতীয় রাজনৈতিক সমঝোতা অর্জিত হয়েছে, তা যেকোনো সাধারণ আইনি ভিত্তির চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

এই সনদের আইনি স্বীকৃতির পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, সাধারণ মানুষ এই সনদটি আন্তরিকভাবে চায় কি না এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমের শেষ পর্যায়ে এসে এটিকে আইনি বৈধতা দেওয়া নিয়ে নানামুখী বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এমন একটি জটিল পরিস্থিতিতে বিষয়টি একটি সুনির্দিষ্ট এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত করার অপরিহার্যতা দেখা দিয়েছিল, যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, সনদটিকে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনার জন্য সে সময় বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। তিনি সেদিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তারা তখন সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে আর কেউ তাতে রাজি হননি। পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করা হলে আদালতও এই বাড়তি দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করে জানায় যে এটি মূলত একটি রাজনৈতিক বিষয় এবং রাজনৈতিকভাবেই এর সুরাহা করা উচিত।

৩০ কোটি ডলারের প্রতিপক্ষকে পেছনে ফেলে ওয়াই কম্বিনেটরে জায়গা পেল স্টার্টআপ ‘টিলিয়ন’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩০ কোটি ডলারের প্রতিপক্ষকে পেছনে ফেলে ওয়াই কম্বিনেটরে জায়গা পেল স্টার্টআপ ‘টিলিয়ন’

৩০ কোটি ডলারের প্রতিপক্ষকে পেছনে ফেলে ওয়াই কম্বিনেটরে জায়গা পেল স্টার্টআপ ‘টিলিয়ন’

প্রযুক্তি ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্টার্টআপ একসিলারেটর ওয়াই কম্বিনেটরের ২০২৬ সালের ফল ব্যাচের জন্য নির্বাচিত হয়েছে তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠান টিলিয়ন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জমা পড়া অসংখ্য আবেদন ও কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া পেরিয়ে এই সাফল্য অর্জন করেছে উদীয়মান এই স্টার্টআপটি। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি উদ্যোক্তা মহলে নিজেদের সক্ষমতার জোরালো প্রমাণ রাখল প্রতিষ্ঠানটি।

মার্কিন এই ইনকিউবেটর বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিভিত্তিক নবীন উদ্যোগগুলোর জন্য একটি প্রধান সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত। এর আগে এয়ারবিএনবি, স্ট্রাইপ এবং রেডিটের মতো বিশ্বখ্যাত বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই প্ল্যাটফর্ম থেকেই। এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় পূর্বে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান চালডালও স্থান করে নিয়েছিল, যা দেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য একটি বড় মাইলফলক ছিল।

ওয়াই কম্বিনেটরের মতো বিশ্বমানের প্ল্যাটফর্মে সুযোগ পাওয়ার কারণে টিলিয়ন এখন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সরাসরি সান্নিধ্য লাভ করবে। এই অর্জনের ফলে বৈশ্বিক বাজারে স্টার্টআপটির সম্প্রসারণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি অবকাঠামো গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের বৈশ্বিক স্বীকৃতি দেশের অন্যান্য তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্যও নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত করবে।