খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

চাকরি ডেস্ক: রাজধানীর কর ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল ও দক্ষ করে তুলতে নতুন করে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা কর অঞ্চল-১৯। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির অধীন বিভিন্ন দপ্তরে লোকবল সংকট দূর করতে একটি আনুষ্ঠানিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি নিয়মকানুন ও প্রবিধান অনুসরণ করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ৬০ জনকে শূন্য পদে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষিত ও যোগ্য প্রার্থীরা নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে এই পদগুলোর জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। কর অঞ্চলের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য এই কর্মী বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতার বিস্তারিত বিবরণ কর বিভাগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বা নির্দিষ্ট নিয়মে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে এবং কেবল যোগ্য ও মেধার ভিত্তিতে প্রার্থীরা চূড়ান্ত নির্বাচিত হবেন।

সরকারি চাকরির প্রত্যাশীদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বেকারত্ব দূরীকরণ এবং শিক্ষিত তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সঠিক সময়ে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

advertisement
advertisement

ইনানীতে গ্যাস ও জ্বালানি তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে গ্যাস ও জ্বালানি তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা

ইনানীতে গ্যাস ও জ্বালানি তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার ইনানী এলাকায় একটি বাড়িতে নলকূপ স্থাপনের সময় মাটির গভীর থেকে গ্যাস ও জ্বালানি তেল বের হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ওই এলাকায় নলকূপ বসানোর কাজ চলার সময় ভূগর্ভের প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে পাইপ পৌঁছানোর পর প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে তাতে আগুন ধরে যায়। এই আকস্মিক ঘটনায় উৎসস্থল থেকে টানা কয়েক দিন ধরে আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ২৭ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলের আশপাশের ২০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ, ঘোরাফেরা এবং আগুন জ্বালানোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং এলাকাটিতে লাল পতাকা টানিয়ে ও কাঁটাতারের বেড়া বসিয়ে অবরুদ্ধ করা হয়। তা সত্ত্বেও প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভিড় জমায়, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঘটনার পর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড তথা বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলার উচ্চপর্যায়ের একটি কারিগরি দল একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পেট্রোবাংলার প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, নির্গত হওয়া এই গ্যাস অগভীর কোনো প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত বা শ্যালো রিজার্ভার থেকে আসছে। এছাড়া আগুনের শিখার বিশেষ রং দেখে বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন যে, এই গ্যাসের সঙ্গে মূল্যবান জ্বালানি তেল বা কনডেনসেটও থাকতে পারে। গ্যাস ও জ্বালানি তেলের এই মজুত যদি উৎপাদন উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়, তবে তা দেশের জ্বালানি খাতে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

আগুন ও গ্যাস নির্গমনের প্রকৃত প্রকৃতি সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পেট্রোবাংলা ও বাপেক্স যৌথভাবে আগামী ১৫ দিন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের সময় যদি গ্যাসের প্রবাহ বা আগুনের তীব্রতা না কমে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে আধুনিক সাইড ট্র্যাকিং প্রযুক্তির সাহায্যে একটি রিলিফ কূপ খনন করা হবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ধরনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে। বিশ্বজুড়ে এ ধরনের ভূতাত্ত্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এই প্রযুক্তি সফলভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং বিশেষজ্ঞ দল আশা করছে নিজস্ব সক্ষমতা দিয়েই এই সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

ধর্ম ডেস্ক: বর্তমান সমাজে বিয়ের জন্য পাত্র বা পাত্রী নির্বাচনের সময় বাহ্যিক সৌন্দর্য এবং আর্থিক সচ্ছলতাকেই প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ বাস্তবমুখী ও দূরদর্শী কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছেন। মানুষের সাময়িক রূপ বা ক্ষণস্থায়ী সম্পদের চেয়েও তিনি মানুষের অভ্যন্তরীণ গুণাবলি এবং চরিত্রকে অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।

ইসলামের সোনালী ইতিহাস এবং হাদিসের বাণী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একটি সফল ও শান্তিপূর্ণ পরিবার গঠনের জন্য বাহ্যিক রূপের চেয়ে মানসিক মেলবন্ধন ও আত্মিক প্রশান্তি অত্যন্ত জরুরি। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মূলত তিনটি বিশেষ গুণের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো বৈবাহিক জীবনে দীর্ঘস্থায়ী সুখ, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং একটি আদর্শ নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

পাত্রী বা পাত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রথম এবং প্রধান শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ধর্মীয় অনুশাসন ও ভালো চরিত্রকে। কারণ পার্থিব সৌন্দর্য ও অর্থ একসময় ফুরিয়ে যেতে পারে, কিন্তু ধার্মিকতা ও নৈতিকতা সারাজীবন মানুষের জীবনকে সুন্দর ও সুরক্ষিত রাখে। একজন সৎ ও খোদাভীরু মানুষ কখনোই তার জীবনসঙ্গীর প্রতি অবিচার করতে পারে না, যা পারিবারিক জীবনকে সবসময় শান্তিময় করে তোলে।

দ্বিতীয়ত, বংশমর্যাদা বা পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক মর্যাদার বিষয়টিও ইসলামের দৃষ্টিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। একটি ভালো পরিবারে বেড়ে ওঠা মানুষ সাধারণত সামাজিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকে। এই পারিবারিক পটভূমি বা পরিবেশ দম্পতির ভবিষ্যৎ জীবন এবং তাদের সন্তান সন্ততির লালন-পালনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সর্বোপরি, এই গুণগুলোর পাশাপাশি পাত্র-পাত্রীর পারস্পরিক পছন্দ এবং মনের মিলের বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব পায়। বাহ্যিক রূপ বা সম্পদের মোহ ত্যাগ করে যদি এই মূলনীতিগুলো মেনে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা হয়, তবে সেই পরিবারে আল্লাহর রহমত বজায় থাকে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এভাবেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং স্থিতিশীল পরিবার গঠনের পথনির্দেশনা স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে।

মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রতি মাসের শুরুতেই বেতন পাওয়ার পর নতুন জামাকাপড় বা ফ্যাশন অনুষঙ্গ কেনার ঝোঁক অনেকেরই থাকে। তবে শপিংমলে গিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস কিনে ফেলা কিংবা আবেগতাড়িত হয়ে পোশাক কেনার অভ্যাস অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় খরচের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঘরে এনে দেখা যায় এমন অনেক জিনিস জমেছে যা হয়তো আর কখনোই পরা হয় না। তাই যেকোনো পোশাক বা অনুষঙ্গ কেনার আগে একটু থেমে নিজের প্রয়োজন ও উপযোগিতা সম্পর্কে ভেবে দেখা অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

পরিবেশবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে টেকসই জীবনযাপনের ওপর জোর দিয়ে আসছেন এবং তাঁদের মতে মানুষের আলমারির ভেতরের চিত্রও পৃথিবীর পরিবেশের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। কোনো পোশাক বা ফ্যাশন পণ্য কেনার সময় ভাবা উচিত সেটি তৈরিতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা পৃথিবীজুড়ে বর্জ্য বাড়াতে কতটা ভূমিকা রাখছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কেনাকাটা বন্ধ করে ফ্যাশনে পরিমিতিবোধ বজায় রাখা এবং একই পোশাক দীর্ঘদিন ব্যবহার করার মানসিকতা গড়ে তোলা দরকার। এতে একদিকে যেমন ব্যক্তিগত সঞ্চয় বাড়ে, অন্যদিকে তেমনি পৃথিবীও অতিরিক্ত বর্জ্যের হাত থেকে রক্ষা পায়।

নতুন কোনো পোশাক বা ব্যাগ কেনার আগে নিজেকে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন করা উচিত, যেমন এই জিনিসটি আসলে আপনার কতটা প্রয়োজন এবং আপনি তা কতবার পরবেন। যদি এমন হয় যে পোশাকটি ইতিমধ্যে আপনার সংগ্রহে রয়েছে কিংবা সেটি আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই নয়, তবে কেনা থেকে বিরত থাকাই ভালো। বিশেষ করে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে পরার জন্য ভারী ও জমকালো পোশাক একবারের বেশি পরা হয় না বললেই চলে। এর পরিবর্তে পুরোনো দিনের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি বা ওড়না একটু নতুন নকশায় ব্যবহার করলে যেমন খরচ কমে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করা যায়।

পোশাক নির্বাচনের সময় এর উপাদানের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত কারণ সিনথেটিক বা পলিয়েস্টারজাতীয় কাপড় পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এই ধরনের কৃত্রিম পোশাক তৈরিতে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করা হয় এবং ব্যবহারের পর তা মাটিতে মিশতেও অনেক সময় নেয়। এর পরিবর্তে জৈব তুলার তৈরি পোশাক বেছে নেওয়া ভালো যা উৎপাদনে কম পানি লাগে এবং কোনো ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। এছাড়া কেনার সময় পোশাকটিতে পরিবেশবান্ধব আন্তর্জাতিক সনদ আছে কি না তা যাচাই করে নেওয়া উচিত।

দৈনন্দিন জীবনে কৃত্রিম উপাদানের পোশাক পুরোপুরি বর্জন করা সম্ভব না হলেও কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সিনথেটিক কাপড় ধোয়ার সময় প্রচুর মাইক্রোপ্লাস্টিক নির্গত হয়ে নদী ও সমুদ্রের পানিতে মিশে যায় যা জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করে। এই সমস্যা রোধ করতে ধোয়ার সময় মাইক্রোপ্লাস্টিক ফিল্টার বা বিশেষ ব্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে। সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত ফ্যাশনের নামে অতিরিক্ত খরচ ও পরিবেশ দূষণ রোধে আরও বেশি দায়িত্বশীল ও সংযত হওয়া।