খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

অ্যান্টিবায়োটিক: ডোজ সম্পন্ন না করলে শরীরের যেসব ক্ষতি হয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অ্যান্টিবায়োটিক: ডোজ সম্পন্ন না করলে শরীরের যেসব ক্ষতি হয়

অ্যান্টিবায়োটিক: ডোজ সম্পন্ন না করলে শরীরের যেসব ক্ষতি হয়

স্বাস্থ্য ডেস্ক: অ্যান্টিবায়োটিকের নির্ধারিত কোর্স শেষ না করার স্বাস্থ্যঝুঁকি অত্যন্ত মারাত্মক এবং এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। চিকিৎসকেরা সাধারণত রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে পাঁচ, সাত বা দশ দিনের অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু সাধারণত দুই বা তিন দিন ওষুধ খাওয়ার পর জ্বর, সর্দি কিংবা সংক্রমণের অন্যান্য উপসর্গ কমে গেলে রোগীরা মনে করেন তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেছেন। এই ধারণা থেকে অনেকে বাকি ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একটি বড় ভুল এবং এর কারণে শরীরে নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে।

ওষুধের প্রথম ধাক্কায় শরীরের দুর্বল জীবাণুগুলো মারা গেলেও কিছু শক্তিশালী ও সহনশীল ব্যাকটেরিয়া জীবিত থেকে যায়। ডোজ সম্পূর্ণ না করার কারণে এই টিকে থাকা জীবাণুগুলো ওষুধের বিরুদ্ধে লড়াই করার বিশেষ ক্ষমতা অর্জন করে ফেলে। বেঁচে যাওয়া এই ব্যাকটেরিয়াগুলো পরবর্তীতে অতি দ্রুত রূপ পরিবর্তন বা মিউটেশনের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়ে বংশবিস্তার করে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে সুপারবাগ বা অপ্রতিরোধ্য হিসেবে পরিচিত। এর ফলে পরবর্তীতে একই ধরনের সংক্রমণ বা রোগ দেখা দিলে সেই নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক রোগীর শরীরে আর কোনো কাজ করে না।

অসম্পূর্ণ চিকিৎসার ফলে পরবর্তীতে রোগটি আরও দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে শরীরে ফিরে আসে এবং সাধারণ কোনো ওষুধে কাজ না হওয়ায় জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন চিকিৎসকদের অত্যন্ত শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং প্রচুর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত রিজার্ভ ক্যাটাগরির কিংবা তৃতীয় বা চতুর্থ প্রজন্মের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হয়। অনেক সময় এই শক্তিশালী ওষুধগুলোও কার্যকর হতে ব্যর্থ হয় এবং আক্রান্ত রোগীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। বাংলাদেশে বর্তমানে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বা এএমআরের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।

আইসিডিডিআরবি এবং জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, দেশের হাসপাতাল ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রগুলোতে আসা রোগীদের একটি বড় অংশে বহু-ওষুধ প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ পাওয়া যাচ্ছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী উপসর্গ পুরোপুরি সেরে গেলেও নির্ধারিত দিন ও মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স শতভাগ সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির সংস্কৃতি বন্ধ করা, সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশনে এর ব্যবহার রোধ করা এবং পশুপাখির চিকিৎসায় এর অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি।

advertisement
advertisement

তেলের দাম ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৮ ডলার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তেলের দাম ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৮ ডলার

তেলের দাম ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৮ ডলার

অর্থনীতি ডেস্ক: আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে। সম্প্রতি ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৮ ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকার নিয়ে একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মধ্যবর্তী রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এই আশঙ্কার কারণে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীরা চরম সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক ট্যাংকারে হামলার ঘটনা এবং জলমগ্ন মাইনে আঘাত পাওয়ার খবর জ্বালানি বাজারের অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সাম্প্রতিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের ডিসেম্বরের ফিউচার মূল্য ২ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ১১৭ ডলার ৬৪ সেন্টে স্থায়িত্ব লাভ করে। তবে লেনদেনের একটি পর্যায়ে এই দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৮ ডলারেও লেনদেন হয়েছিল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও প্রায় ২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দিন শেষে প্রতি ব্যারেল ১০৪ ডলার ১২ সেন্টে এসে দাঁড়ায়।

মাসভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বেশ স্পষ্ট। শুধু নির্দিষ্ট একটি মাসেই ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি একই সময়সীমায় ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও ১৫ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালির জলসীমায় সুপারট্যাংকারের চলাচলের সময় বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচলের সময় দুটি ট্যাংকার মাইনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এই ধরনের ধারাবাহিক নিরাপত্তা সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

সাত দফা আদায়ে চাপ বাড়াতে চায় জামায়াত জোট

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাত দফা আদায়ে চাপ বাড়াতে চায় জামায়াত জোট

সাত দফা আদায়ে চাপ বাড়াতে চায় জামায়াত জোট

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনা ও কুষ্টিয়া অভিমুখে একটি দীর্ঘ লংমার্চ কর্মসূচি শুরু করেছে জোটটি। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ বহর যাত্রা শুরু করে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন পথসভা ও অনির্ধারিত সভা শেষে কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে এক বৃহৎ সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

উদ্বোধনী ও সমাপনী সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখছেন। প্রায় দেড় হাজার গাড়ির বহর এবং চারশ কিলোমিটারের বেশি সড়কজুড়ে নেতাকর্মীদের ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে দুটি সফল লংমার্চ সম্পন্ন করে এই জোট। দেশব্যাপী সভা-সমাবেশ ও ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই লংমার্চগুলো থেকে জনমত গঠনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

জোটের পক্ষ থেকে উত্থাপিত সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিরোধ। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিও এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর আগে আঞ্চলিক দাবি হিসেবে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন ইস্যুও এই দাবির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। লংমার্চ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে ঢাকা ও খুলনা মহানগর ছাড়াও যশোর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াসহ আশপাশের প্রায় ১৯ জেলার নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ এবং মিছিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়েছে।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক সাক্ষাৎকারে জানান, সরকার গণভোটকে অস্বীকার করে জনগণের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে এবং লংমার্চের মাধ্যমে তারা জনগণের কাছে গিয়ে এই দাবিগুলোর পক্ষে জনমত তৈরি করছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তারা অবিলম্বে সরকারকে উৎখাত করতে চান না, বরং এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের ওপর যৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করে তাদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করতে চান। এর আগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন যে, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তারা এতদিন সহনশীল ভূমিকা পালন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিকতা দেখা যাচ্ছে না। তাই দাবি আদায়ে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

লংমার্চের সময় সাধারণ মানুষের যাতে বড় ধরনের ভোগান্তি না হয়, সেজন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে মহাসড়কের এক পাশ ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সর্বসাধারণের কাছে আগাম দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া লংমার্চে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ ধৈর্য, সংযম ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষা, চিকিৎসা ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন উপ-কমিটি সমন্বিতভাবে কাজ করছে। আগামী একুশে নভেম্বর সিলেট অভিমুখে পরবর্তী লংমার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং এরপর ঢাকামুখী আরও কর্মসূচি আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে: শফিকুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে: শফিকুর রহমান

আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে: শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক: অনিবার্য আরেকটি বিপ্লব দেশের দরজায় কড়া নাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা পদদলিত করা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি তরুণদের দেশের স্বার্থে নতুন করে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। এই সময় ১১ দলীয় ঐক্যের ৭ দফা দাবি অবিলম্বে মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগামী সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই সরকারকে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের স্পষ্ট ঘোষণা দিতে হবে। অন্যথায় জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে আন্দোলন আরও তীব্র করা হবে এবং কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, তারা কোনো ব্যক্তিগত বা দলীয় এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নামেননি, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার ও ভোগান্তি লাঘবের জন্যই এই আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা হলে বাকি দাবিগুলো আপনাআপনি সমাধান হয়ে যেত বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে যারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং দাসত্ব মেনে নিয়েছে, তারা এখন তার পরিণতি ভোগ করছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বিদেশ সফর শেষ করে দেশে ফিরলেও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরসহ নানা বিষয়ে লুকোচুরি চলছে বলে তিনি দাবি করেন। কানেক্টিভিটির নামে দেশের স্বার্থ কারো কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।

এদিকে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এই লংমার্চের কর্মসূচি সফল করতে ভোর থেকেই হাজার হাজার নেতাকর্মী সমবেত হন। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিভিন্ন সমমনা রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে বিরোধীদলীয় নেতার নেতৃত্বে শত শত গাড়ির বহর নিয়ে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে লংমার্চ শুরু হয়। পথিমধ্যে বিভিন্ন জেলা ও পয়েন্টে পথসভা শেষ করে রাতে কুষ্টিয়া শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।