খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’

পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’

রাজনীতি ডেস্ক: নির্বাচনী লড়াই শেষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাড়ি ফুল হাতে হাজির হয়ে এক অনন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও সৌজন্যের পরিচয় দিলেন বিএনপি মনোনীত বিজয়ী প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ভোটের ময়দানের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বাকবিতণ্ডা পেছনে ফেলে এই সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসার জন্ম দিয়েছে। জয়লাভের পরপরই বিজয়ী এই নেতা সোজা চলে যান তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর বাসভবনে।

নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত পরাজিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর নিজ বাড়িতে যান মির্জা ফয়সল। এ সময় বিজয়ী প্রার্থীকে হাসিমুখে বরণ করে নেন দেলাওয়ার হোসেন এবং দুই নেতার মধ্যে অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ফুলের তোড়া বিনিময়ের মাধ্যমে তারা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে পরাজিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বিজয়ী প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা ফয়সলকে উদ্দেশ করে শুভকামনা জানান এবং 'বেস্ট অব লাক' বলে তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার সফলতা কামনা করেন। দুই নেতার এই আন্তরিক কথোপকথন এবং কোলাকুলি উপস্থিত লোকজনকে মুগ্ধ করে। নির্বাচনী রাজনীতির উত্তাপের মাঝে এমন সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানবোধের দৃশ্য বিরল বলেই মন্তব্য করেন স্থানীয় সুধীজন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে বিরোধীদের এই ধরনের ইতিবাচক বোঝাপড়া ও সৌজন্যমূলক আচরণ ভবিষ্যতে হানাহানি ও দূরত্ব কমিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মির্জা ফয়সলের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে ভোটের মাঠে প্রতিযোগিতা থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সৌহার্দ্য বজায় রাখা সম্ভব। এই ঘটনা পুরো দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি সুন্দর ও সুস্থধারার বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।

advertisement
advertisement

আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: সমাজের অবহেলিত এতিম ও দুস্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, সমাজের এই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দায়িত্ব পুরোপুরি রাষ্ট্রের এবং সেই দায়িত্ব পালনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সচেষ্ট ভূমিকা পালন করে আসছে। এতিম ও দুস্থদের কল্যাণে ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্নমুখী ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সম্প্রতি নতুন করে আরও এক লাখ এতিম ও দুস্থ শিশুকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অনাথ ও এতিম শিশুদের কল্যাণে পরিচালিত সরকারি কার্যক্রমের পরিধি ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি করা হবে। তবে কেবল সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে দেশের বিত্তবান ও ধনী ব্যক্তিদেরও এসব দুস্থ মানুষের কল্যাণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আল জামেয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদ্রাসার উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কওমি মাদ্রাসাশিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই ধারায় শিক্ষা শেষ করে শিক্ষার্থীরা দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক অবদান রেখে চলেছেন। সমাজে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রসারে মাদ্রাসাশিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও অপরিসীম।

মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. খোবাইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরীসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। দুই দিনব্যাপী এই মহাসম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার সাবেক শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন। জুমার নামাজের পর দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ডেস্ক: জটিল নারী স্বাস্থ্যসমস্যা মোকাবিলায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা। বর্তমান প্রশাসন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতের কাঠামোগত উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশের লাখ লাখ নারী এন্ডোমেট্রিওসিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগে ভুগে থাকেন, যা প্রায়শই অগোচরে থেকে যায়।

সামাজিক বাধা ও জনসচেতনতার অভাবের কারণে এই ধরনের রোগের শিকার নারীরা সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পান না। এই সংকট উত্তরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, যার একটি বড় অংশে থাকবেন নারী কর্মীরা। মাঠপর্যায়ে নারীদের সঙ্গে এসব কর্মীর সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হলে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ নির্ণয় সহজ হবে। এছাড়া দক্ষ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে একটি সুনির্দিষ্ট রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

রাজধানীর বড় হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত রোগীর চাপ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বহুদিনের পুরোনো সমস্যা। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের চিকিৎসালয়গুলোকে পর্যাপ্ত জনবল, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক এবং আধুনিক যন্ত্রপাতিতে সমৃদ্ধ করতে পারলে একটি কার্যকর নেটওয়ার্ক তৈরি সম্ভব। এর ফলে সিংহভাগ মানুষ নিজ এলাকাতেই কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন এবং বড় শহরমুখী হওয়ার প্রবণতা কমবে। মূলত স্থানীয় হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

চিকিৎসক সমাজের দক্ষতার কথা তুলে ধরে গবেষণার ক্ষেত্রে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কাজের অতিরিক্ত চাপ এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় আন্তর্জাতিক মানের প্রকাশনায় পিছিয়ে পড়তে হয় তরুণ চিকিৎসকদের। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে মানসম্মত গবেষণা প্রস্তাবে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরায়ুমুখের ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগের বিস্তার রোধে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতার কারণে দ্রুত উইকেট হারাতে হয়েছে দলকে। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে খেলা ব্যাহত হলেও উইন্ডিজদের বিপক্ষে লিড পেলেও বড় সংগ্রহের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯ ওভার ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। উইকেটে টিকে থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন ১৮ রান করে অপরাজিত থাকা নাঈম হাসান ও জাকের আলী অনিক।

ম্যাচের এই পর্যায়ে এসে শেরেবাংলার উইকেট ক্রমশ স্পিনবান্ধব হয়ে উঠছে এবং বল নিচু হয়ে যাওয়ায় ব্যাটারদের জন্য কাজটা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত এই টেস্টে পতন হওয়া ২৬ উইকেটের মধ্যে কুড়িটিই দখল করেছেন দুই দলের স্পিনাররা, যা উইকেটের চরিত্র স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। এর আগে দিন শুরু করে ক্যারিবীয় ব্যাটাররা প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রান পর্যন্ত সংগ্রহ করে, ফলে বাংলাদেশ মাত্র ২৭ রানের স্বল্প লিড পায়। বল হাতে বাংলাদেশের পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে নাঈম হাসান গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেন।

স্বল্প লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ দল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই কোনো রান না করে জেইডেন সিলসের বলে আউট হন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। এর কিছু সময় পর সাদমান ইসলাম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও থিতু হতে পারেননি। দলীয় স্কোরে রান যোগ করার আগেই একে একে সাজঘরে ফেরেন সাদমান ও তৌহিদ হৃদয়। ফিল্ডিংয়ের সময় চোট পেয়ে মুমিনুল হক ছিটকে যাওয়ায় কনকাশন সাব হিসেবে নামা জাকের আলী এবং নাজমুল হোসেন শান্তর ওপর দলের ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব পড়ে।

মাত্র ৩৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে দল যখন চরম বিপদে, তখন বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই চা পানের বিরতি দেওয়া হয়। বিরতির পর খেলা শুরু হলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো অব্যাহত থাকে বাংলাদেশের। বিশেষ করে স্পিন আক্রমণের সামনে বাংলাদেশি ব্যাটারদের টেকনিক্যাল দুর্বলতা আরও একবার প্রকট হয়ে উঠেছে। উইকেটের ফায়দা নিয়ে ক্যারিবীয় বোলাররা চাপ বজায় রাখায় স্বাগতিক দলের লিড বড় করা বেশ দুরূহ হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত নাঈম ও জাকরের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে কোনোমতে একশ রানের কোটা পার করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ দল।

ম্যাচের বর্তমান পরিস্থিতিতে চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ দল কেমন প্রতিরোধ গড়তে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। উইকেটের যে আচরণ তাতে বড় লক্ষ্য দেওয়া সম্ভব না হলেও দুই শ রানের কাছাকাছি বা তার বেশি সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারলে ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে আনা সম্ভব হতে পারে। তবে লো স্কোরিং এই টেস্টে জয়ের জন্য ক্যারিবীয় বোলারদের মোকাবিলা করতে ব্যাটারদের অত্যন্ত বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে। শেরেবাংলার ঐতিহাসিক উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করা সব সময়ই কঠিন চ্যালেঞ্জ, আর তাই এই টেস্টের ভাগ্য নির্ধারণে শেষ দুই দিনের খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।