খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

অর্থনীতি ডেস্ক: পাকিস্তান থেকে আমদানি করা প্রায় ১৫০ টন কাঁচা তামাকের একটি বড় চালান চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়েছে। তামাকপাতার গুণগত মান এবং এতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত আছে কি না, তা নিয়ে তীব্র সন্দেহ প্রকাশ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর। সম্প্রতি এই চালানটি পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষার সময় তামাকপাতায় সহজে আগুন না ধরায় গোয়েন্দাদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

চট্টগ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহমেদ এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান যে প্রাথমিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে টেবিল টেস্ট করার সময় তামাকপাতায় সাধারণ নিয়মে আগুন ধরেনি। খালি চোখে বিষয়টি শনাক্ত করা অসম্ভব হওয়ায় প্রতিটি কনটেইনার থেকে পর্যাপ্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে এসব নমুনা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

বন্ড সুবিধার আওতায় কুষ্টিয়ার গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড এই ১০ কনটেইনার কাঁচা তামাক আমদানি করেছে। বাণিজ্যিক নথিপত্র অনুযায়ী এর সঙ্গে দুবাই ও পাকিস্তানের দুটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান যে গত অক্টোবরে চালানটি বন্দরে পৌঁছানোর পর শুল্কায়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এর খালাস স্থগিত করা হয়। এছাড়া আমদানি মূল্যে গরমিল থাকায় প্রায় ২১ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি এবং এর নেপথ্যে অর্থ পাচারের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দার হিসাব অনুযায়ী, বন্দরে আটকে থাকা এই বিপুল পরিমাণ তামাক দিয়ে প্রায় ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট তৈরি করা সম্ভব হতো। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৪ কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বন্ড লাইসেন্স ইতিমধ্যে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত তদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত এই চালানের খালাস বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, কাঁচা তামাকের আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণেই সহজে আগুন ধরায় সমস্যা হতে পারে এবং তারা যেকোনো ধরনের তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে তারা শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল আমদানি করে বিদেশে তামাক রপ্তানি করে আসছে। তবে সার্বিক বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষাগারগুলোর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

advertisement
advertisement

দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী

দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী

ধর্ম ডেস্ক: আল্লাহ তাআলাকে সঠিকভাবে চেনার জন্য এবং অন্তরে তাঁর ভয় বা তাকওয়া অর্জনের জন্য প্রকৃত আল্লাহওয়ালাদের সাহচর্য অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা সালাহউদ্দীন নানুপুরী। তিনি বলেন, মানুষ যদি নিজের নফসের পরিশুদ্ধি ঘটাতে না পারে, তবে সে অবধারিতভাবে দুনিয়ার মোহগ্রস্ততায় নিমজ্জিত হবে। পার্থিব এই মোহের কারণে মানুষের অমূল্য জীবন ও যৌবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ফুরিয়ে আসছে হায়াতের নির্ধারিত সময়।

সম্প্রতি হাটহাজারী পার্বতী মডেল ঐতিহাসিক সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আল-আমিন সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী তাফসীর মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মূল্যবান কথাগুলো বলেন। আয়োজিত এই ধর্মীয় সমাবেশে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হৃদয়ের ভেতরের অন্ধকার দূর করতে এবং আত্মশুদ্ধি অর্জনে বুজুর্গদের সান্নিধ্য গ্রহণ করা জরুরি, কারণ তাঁরা আধ্যাত্মিক চিকিৎসকের ভূমিকা পালন করেন।

মাওলানা রিজওয়ান আরমান ও মাওলানা আইয়ুব জাহাঙ্গীরের যৌথ সঞ্চালনায় মাহফিলের কার্যক্রম শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে, যা পরিবেশন করেন কারী আহমদ গণী। তাফসীর মাহফিলের বিভিন্ন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মুফতী হাবিবুর রহমান কাসেমী, মুফতী ওসমান সাঈদী, মাওলানা নাছির উদ্দীন এবং মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসান এবং বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওলিউল্লাহকে আল-আমিন সংস্থার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। তিন দিনব্যাপী এই মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে আরও তাফসীর পেশ করেন মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী, সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসান ও মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওলিউল্লাহ, মাওলানা আনিসুর রহমান আশরাফী, মুফতী হারুন ইজহার, ড. নুরুল আবছার আজহারী, মুফতী রাশেদ, মুফতী সিরাজুল্লাহ মাদানী এবং মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইয়াহইয়া।

পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

অর্থনীতি ডেস্ক: ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে শিল্পকারখানার কাঁচামাল এবং বিভিন্ন পণ্যবোঝাই শত শত ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিভিন্ন ধরনের জটিলতার কারণে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছাতে তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। এর ফলে আমদানিকারকদের অতিরিক্ত মাশুল গুনতে হচ্ছে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ছয় দিনের ছুটি শেষে দুই দেশের এই স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়। কিন্তু সাইবার হামলার ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সার্ভার দুই দিন বন্ধ রাখা হয়। এর ওপর আবার বেনাপোল বন্দরের ওয়েট স্কেলে পণ্যের ওজন মাপার সার্ভারও অকার্যকর হয়ে পড়ায় ট্রাকের জট আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে।

ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, পূজার ছুটির ওই সময়ে পেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশমুখী প্রায় এক হাজার চারশ পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হলেও এখনো উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ট্রাক ওপারে আটকা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্য সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট গেট খুলে দেওয়া এবং উভয় দেশের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন তারা।

এদিকে ব্যবসায়ীদের করা এই অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, পূজার ছুটির কারণে সৃষ্ট জট ইতোমধ্যে অনেকটাই কমে এসেছে এবং বর্তমানে সেখানে তিন শ থেকে সাড়ে তিন শ ট্রাক আটকে আছে। জট দ্রুত নিরসনের জন্য কাস্টমস কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় ধরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে

ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি শক্তির কোনো ধরনের অবৈধ প্রভাব বা হস্তক্ষেপ ছিল কি না, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। দেশটির নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত রাখতে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জোরালো দাবি ওঠার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

তদন্তকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন যে, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া বা জনমত গঠনে সাইবার হামলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো কিংবা অননুমোদিত অর্থায়নের মতো কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না। বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার গোপন কোনো অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল কি না, তা সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এ ধরনের বিদেশি প্রভাবের অভিযোগ এর আগেও বিভিন্ন সময় আলোচিত হয়েছিল। তবে এবারের তদন্তের পরিধি বেশ বিস্তৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কোনো ষড়যন্ত্র বা রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সাইবার দলের সম্পৃক্ততা আছে কি না তা স্পষ্ট হবে। তদন্তের ফলাফল হাতে পাওয়ার পর দেশের নির্বাচনী আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার বা কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এই তদন্তের অগ্রগতির দিকে দেশটির রাজনীতিবিদ ও সাধারণ নাগরিকরা গভীরভাবে নজর রাখছেন। আগামী দিনে নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিক এই পরিস্থিতি ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বেশ কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।