খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জাপানের বিগ–বি পরিকল্পনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাপানের বিগ–বি পরিকল্পনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুযোগ

জাপানের বিগ–বি পরিকল্পনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুযোগ

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে জাপান সরকারের প্রণয়ন করা বিশেষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনাটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাণিজ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এই মহাপরিকল্পনাটি সাধারণত বিগ বি ইনিশিয়েটিভ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি এই উদ্যোগের আওতা ও পরিধি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে, যার ফলে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থল হিসেবে বাংলাদেশের ভূকৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগানো। এর মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করা এবং লজিস্টিক খাতের উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের পথ আরও সুগম করা হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা দীর্ঘমেয়াদে আরও টেকসই ও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাপানি অর্থায়ন ও প্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল ও অবকাঠামোগত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের সম্প্রসারণের ফলে শুধু বড় বড় শিল্পকারখানা স্থাপনই নয়, বরং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশীয় বাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সবমিলিয়ে জাপানের এই সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতি বিশ্বমঞ্চে আরও শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করতে সক্ষম হবে।

advertisement
advertisement

বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে আগ্রহী কানাডা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে আগ্রহী কানাডা

বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে আগ্রহী কানাডা

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা। সম্প্রতি সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং। এই উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় কানাডা হাইকমিশনের ট্রেড কমিশনার কাজী গুলাম ফরহাদসহ উভয় পক্ষের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের শুরুতেই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিনের সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে দেশের সার্বিক শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার বিস্তার এবং আধুনিক কর্মসংস্থানের উপযোগী মানবসম্পদ তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেশের তরুণ সমাজকে যুগোপযোগী ও দক্ষ করে তুলতে সরকারের বিভিন্ন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।

আলোচনাকালে বর্তমান যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য ক্রস-বর্ডার এডুকেশন বা সীমানা পেরিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে সহযোগিতা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে এবং বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশের সঙ্গে শিক্ষাগত আদান-প্রদানকে উৎসাহিত করতে বদ্ধপরিকর।

উভয় পক্ষের এই আলোচনা শেষে কানাডার হাইকমিশনার বাংলাদেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, ক্রস-বর্ডার এডুকেশন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং কারিগরি ও ভোকেশনাল খাতের প্রসারে দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়াতে আগ্রহী কানাডা সরকার। এই অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে দুই দেশের বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং দেশের তরুণ প্রজন্মকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব বিসর্জনের সুযোগ নেই: জামায়াত আমির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব বিসর্জনের সুযোগ নেই: জামায়াত আমির

মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব বিসর্জনের সুযোগ নেই: জামায়াত আমির

জাতীয় ডেস্ক: মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি প্রকল্প ঘিরে দেশের জাতীয় স্বার্থ, নিরাপত্তা এবং ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব কোনোভাবেই বিসর্জন দেওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে তিনি এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের কৌশলগত ও সংবেদনশীল প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দেশের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সুবিধার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে জামায়াত আমির আরও বলেন যে, দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো ধরনের উদ্যোগ বা সিদ্ধান্ত জনগণ কখনো মেনে নেবে না এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তা দেশবাসীর সামনে সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে তুলে ধরতে হবে। অতীতে ট্রানজিট বা করিডোরের মতো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত কোনো সুফল পায়নি বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। তাঁর মতে, পূর্বের সেই নেতিবাচক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান সময়ে যেকোনো বড় অবকাঠামো বা বন্দর উন্নয়নের ক্ষেত্রে চরম সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান জানান যে, জাপান, চীন কিংবা বিশ্বের যেকোনো বন্ধুরাষ্ট্রের সঙ্গেই সুসম্পর্ক থাকুক না কেন, সবার আগে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক ভারসাম্যের চেয়ে নিজেদের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষা করাকে বেশি জরুরি বলে মনে করেন তিনি। কোনো বিশেষ রাষ্ট্রের অযাচিত প্রভাব বা চাপের মুখে দেশের মৌলিক স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন।

দেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তা সুরক্ষা করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান পবিত্র দায়িত্ব বলে মন্তব্য করে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা হুঁশিয়ার করে বলেন যে, এই ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সামান্য কোনো ব্যর্থতা কিংবা আপসকামিতার মনোভাব জনগণ কখনোই সহ্য করবে না। বন্দর নির্মাণ বা এর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে দেশের ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গভীরভাবে জড়িত রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাই যেকোনো চুক্তি বা সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে দেশবাসীর মতামত এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি বিবেচনায় রাখার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি তিনি কড়া ভাষায় আহ্বান জানান।

সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

শিক্ষা ডেস্ক: রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই বিরোধের জেরে নিজেদের অধিকার আদায়ের দাবিতে তারা টানা তৃতীয় দিনের মতো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে সম্প্রতি শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরুদ্ধ করে রাখেন, যার ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি মূল ফটক পেরিয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ প্রদক্ষিণ করে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন সিগন্যালে গিয়ে অবস্থান নেয়। সেখানে প্রায় কুড়ি মিনিট সময় ধরে সড়ক আটকে রেখে প্রতিবাদ জানান বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এ সময় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

সড়ক অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে শিক্ষার্থীরা একটি বিশাল মিছিল নিয়ে বিজয় সরণি ও মিরপুর মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরবর্তীতে তারা গণপূর্ত কমপ্লেক্সের সামনে সমবেত হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে নিজেদের সুনির্দিষ্ট দাবিগুলো তুলে ধরেন। এ সময় তারা গবেষণার পরিবেশ রক্ষা এবং মাঠ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে নানা স্লোগানে মুখর করে তোলেন চারপাশ। পরিশেষে মিছিলটি ক্যাম্পাসে ফিরে এসে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৭ অক্টোবর থেকে মাঠ পুনরুদ্ধারের এই ধারাবাহিক আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মেলা কর্তৃপক্ষ মাঠ খালি না করায় পরবর্তীতে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মেলা প্রাঙ্গণের গেটে ভাঙচুর চালান। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের গবেষণার মাঠ অক্ষত অবস্থায় ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত এই কঠোর কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।