খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সোনার দামে বড় লাফ, ভরি এখন কত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোনার দামে বড় লাফ, ভরি এখন কত

সোনার দামে বড় লাফ, ভরি এখন কত

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু সোনার দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। এর আগে গত কিছুদিন দাম কিছুটা কমানো হলেও সম্প্রতি বড় ব্যবধানে তা আবার বাড়ল। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী দেশের বাজারে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ বিশ হাজার আটশ আটান্ন টাকা। ক্রেতাদের এই নির্ধারিত মূল্যেই সোনা কিনতে হবে এবং নতুন এই হার সকাল থেকেই কার্যকর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শুধু ২২ ক্যারেট নয় বরং অন্যান্য মানের সোনায়ও দামের পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা দুই লাখ দশ হাজার নয়শ তিপ্পান্ন টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এক লাখ একাশি হাজার দুইশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ আটচল্লিশ হাজার ষোলো টাকা।

স্বর্ণালংকার বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভ্যাট ও মজুরি সংক্রান্ত নীতিমালা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গ্রাহকদের অলংকার কেনার সময় ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে এবং বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে তা যুক্ত থাকায় আলাদা করে কোনো অর্থ নেওয়া যাবে না। তবে সোনার দাম বাড়লেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং আগের নির্ধারিত মূল্যেই রুপা বিক্রি হচ্ছে।

advertisement
advertisement

জানুয়ারি থেকে পোশাকশ্রমিকেরা যেন মজুরি পান সেভাবে কাজ করব: বাবুল আখতার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জানুয়ারি থেকে পোশাকশ্রমিকেরা যেন মজুরি পান সেভাবে কাজ করব: বাবুল আখতার

জানুয়ারি থেকে পোশাকশ্রমিকেরা যেন মজুরি পান সেভাবে কাজ করব: বাবুল আখতার

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের অবিলম্বে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন নিম্নতম মজুরি বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধি বাবুল আখতার। সম্প্রতি শিল্পাঞ্চলে চলা বিভিন্ন অস্থিরতা ও অসন্তোষ নিরসনের লক্ষ্যে শ্রমিকদের এই আহ্বান জানানো হয়। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার এবং স্বার্থ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

শ্রমিকপক্ষের এই প্রতিনিধি আশ্বস্ত করে বলেছেন যে, আগামী জানুয়ারি মাস থেকেই পোশাকশ্রমিকেরা যাতে তাঁদের নতুন নির্ধারিত মজুরি সঠিকভাবে হাতে পান, সেই লক্ষ্যেই সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো হবে না বলে তিনি সংশ্লিষ্টদের বুঝিয়ে বলেন। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান বিবেচনায় এই মজুরি প্রাপ্তি অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

পোশাক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রাখতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন। কারখানায় ভাঙচুর বা বিশৃঙ্খলা না চালিয়ে আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান খোঁজার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলোর প্রতি প্রশাসনের পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সবশেষে, দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি এই পোশাকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট সকল শ্রমিককে ধৈর্য ধারণ করার পরামর্শ দিয়েছেন বাবুল আখতার। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চলমান সংকটের অবসান ঘটবে এবং খুব দ্রুতই শিল্পাঞ্চলে পুরোপুরি শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসবে। দেশের রপ্তানি আয় অব্যাহত রাখতে শ্রমিক ভাইবোনেরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লড়াইয়ে রেকর্ড ১২৫ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে চিকিৎসক, নার্স এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ ঐতিহাসিকভাবে বেশ সীমিত ছিল। তবে সম্প্রতি দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচনে এই চিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। এবারের নির্বাচনে অন্তত ১২৫ জন চিকিৎসক, নার্স ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি রেকর্ড। চিকিৎসা খাতের পেশাজীবীদের এমন সরব উপস্থিতি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের এই আগ্রহের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে কোভিড-১৯ মহামারি। মহামারির সেই সংকটময় সময়ে স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং নীতিনির্ধারণে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের ভূমিকার গুরুত্ব চিকিৎসকদের নতুন করে ভাবিয়েছে। শুরুতে তাঁদের নানাভাবে সম্মান জানানো হলেও পরবর্তীতে অনেকেই কাজের চাপ এবং রাজনৈতিক বিরোধের মুখে পড়েন। বৈজ্ঞানিক তথ্য নিয়ে অসন্তোষের জেরে অনেককে বিভিন্ন বাধা ও হুমকির মুখোমুখিও হতে হয়, যা তাঁদের বুঝতে শিখিয়েছে যে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিজ্ঞানচর্চার সম্পর্ক কতটা গভীর।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও হাই-প্রোফাইল পদে অংশ নিচ্ছেন স্বাস্থ্য খাতের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ। মিশিগান, ওহাইও, ক্যালিফোর্নিয়া এবং সাউথ ক্যারোলাইনার মতো রাজ্যগুলোতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের পক্ষ থেকেই চিকিৎসকরা লড়ছেন। শুধু চিকিৎসক বা নার্সরাই নন, বরং স্বাস্থ্য খাতে ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তি এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক আইনজীবীরাও প্রার্থী হয়েছেন। ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের মতে, রাজনীতি ও বিজ্ঞানের মধ্যে বরাবরই কিছুটা দূরত্ব থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই ব্যবধান ঘুচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য খাতের পেশাজীবীদের রাজনীতিতে যুক্ত করতে বিভিন্ন সংগঠনও এখন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ‘থ্রি ফোরটিন অ্যাকশন’ নামের একটি সংস্থা জানিয়েছে যে গত কয়েক বছরে তাদের কাছে প্রার্থী হতে আগ্রহীদের আবেদন নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনও দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকদের রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে এবং তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজেদের অভিজ্ঞতার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতেই এই চিকিৎসকরা মূলধারার রাজনীতিতে নাম লেখাচ্ছেন।

আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

আমুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল

আইন-আদালত ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অংশ হিসেবে সাবেক মন্ত্রী আমীর হোসেন আমুসহ মোট সাতজন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা এই অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেন। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মামলার বিচার কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপের দিকে অগ্রসর হলো ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তবে এই মামলার অপর এক আসামি এখনও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ দাখিলের পর ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী কার্যদিবসে এসব অভিযোগের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে, শিগগিরই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন তারা।

গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন কেন্দ্র করে সংঘটিত বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় এসব আসামির সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত সংস্থার দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রস্তুত করা হয়। দেশবাসীর দৃষ্টি এখন এই ট্রাইব্যুনালের রায়ের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।