খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

কাল শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে সম্প্রতি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছিল 'বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল'। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাস্তবায়িত এই আয়োজনে সমাজের বিভিন্ন প্রান্তের শারীরিক ও মানসিক চ্যালেঞ্জ জয় করা শিল্পীরা তাদের প্রতিভার দ্যুতি ছড়ান। আমন্ত্রিত অতিথিদের আলোচনা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পুরো অনুষ্ঠানটি একটি ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক মিলনমেলায় পরিণত হয়। সমাজের মূলধারার সাথে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতেই সুইড বাংলাদেশের শিল্পীরা 'মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি' শিরোনামে একটি চমৎকার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন, যার কোরিওগ্রাফি করেছিলেন রেশমী আবেদীন। এরপর চুয়াডাঙ্গা জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান 'আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন' গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। ল্যাবরেটরি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা অমিত হাসানের নির্দেশনায় 'এই রাঙামাটির পথে লো' গানের সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে। এছাড়া শারমিন আক্তার শিকু ও সায়মা শারমিন ইমার একক সংগীত পরিবেশনা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে এক্সপ্রেশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির শিল্পীরা রাফিয়া খন্দকারের পরিচালনায় 'বিহুর এ লগন মধুর এ লগন' শিরোনামের সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন। এ ছাড়া শান্ত রহমানের একক সংগীত 'আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন হয়' এবং শাহিন রেজা রাসেলের একক আবৃত্তি উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে আনন্দিত করে। সবশেষে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় 'আয় তব সহচরি হাতে হাতে ধরি' সমবেত নৃত্য দিয়ে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা পর্বের সমাপ্তি ঘটে। সবার জন্য উন্মুক্ত থাকায় এই আয়োজনে বিভিন্ন স্তরের বহু দর্শক উপস্থিত হয়ে শিল্পীদের উৎসাহ জোগায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি সচিব ইয়াসমিন বেগম এবং মুখ্য আলোচক ছিলেন সরকারি সংগীত কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আলেয়া পারভীন। যুগ্ম সচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহা. হারুন-অর-রশীদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের সৃজনশীল বিকাশ ও সাংস্কৃতিক অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

advertisement
advertisement

মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান

মাথায় ডিম, পরনে শাড়ি: মীনা রূপে জয়া আহসান

বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়া আহসান সম্প্রতি এক ব্যতিক্রমী ও মনোমুগ্ধকর রূপ নিয়ে হাজির হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত তার নতুন কিছু ছবি মুহূর্তেই ভক্তদের নজর কেড়েছে। এই ছবিগুলোতে তাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মেজাজে দেখতে পাওয়া গেছে, যা দর্শকদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, জয়া আহসানের পরনে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী শাড়ি। তার মাথার ওপর এবং দুই হাতে বেশ কয়েকটি ডিম সাজানো রয়েছে। চারপাশ ঘিরে রয়েছে কিছু জীবন্ত মুরগি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে রয়েছে একটি রঙিন ক্যানভাস। এই পুরো আয়োজনটি সাজানো হয়েছিল অত্যন্ত নিখুঁতভাবে, যা বিখ্যাত অ্যানিমেশন চরিত্র মীনার কথা মনে করিয়ে দেয়।

তার এই সৃজনশীল রূপায়ন সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে তার শুভানুধ্যায়ীদের মাঝেও বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের কাজের মাধ্যমে বরাবরই নতুনত্ব আনতে পছন্দ করেন এই অভিনেত্রী। তার এমন অদ্ভুত অথচ চমৎকার উপস্থাপন সামাজিক মাধ্যমে দারুণ সাড়া ফেলেছে এবং প্রশংসিত হয়েছে।

ছবিগুলো প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের ইতিবাচক মন্তব্য করছেন। জয়া আহসানের এমন শৈল্পিক অভিব্যক্তি তার ভক্তদের জন্য একটি চমৎকার উপহার হয়ে এসেছে। কাজের ব্যস্ততার মাঝেও তার এই ভিন্নধর্মী আয়োজন বিনোদন জগতে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

ইরাসমাসের পথে এক চিকিৎসকের যাত্রা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও কাজের অভিজ্ঞতার সুবাদে চিকিৎসাবিজ্ঞানের গণ্ডি পেরিয়ে জনস্বাস্থ্যের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় ডা. জারিন তাসনিমের। প্রখ্যাত ইরাসমাস মুন্ডুস বৃত্তি অর্জন করে তিনি বর্তমানে ইউরোপের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছেন এবং স্পেনের ওভিয়েদো শহরে নিজের নতুন শিক্ষাজীবন শুরু করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা মহাদেশের বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার অনন্য সুযোগ পেয়ে থাকেন। চিকিৎসাজীবনের ব্যস্ততা ও নানা স্মৃতির বোঝা পেছনে ফেলে তিনি যখন নতুন ক্লাসের উদ্দেশ্যে রওনা হন, তখন তাঁর মনে এক মিশ্র অনুভূতির জন্ম হয়েছিল।

পেশাগত জীবনের প্রথম ধাপে কাজের সুবাদে মাঠপর্যায়ের নানা বাস্তবতার মুখোমুখি হন এই চিকিৎসক। ২০২০ সালে ইন্টার্নশিপ শেষ করার পর তিনি দিনাজপুরে আইসিডিডিআরবির একটি ক্লিনিক্যাল গবেষণায় যুক্ত হন এবং পরবর্তীতে সেভ দ্য চিলড্রেনের হয়ে রংপুরে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্য কার্যক্রমে অংশ নেন। এই অভিজ্ঞতাগুলো তাঁকে বুঝিয়ে দেয় যে রোগীকে শুধু চিকিৎসাসেবা দেওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং একজন মানুষ কেন অসুস্থ হচ্ছেন তার পেছনে সামাজিক ও পরিবেশগত কারণগুলোও গভীরভাবে জড়িত। বিশেষ করে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর চিন্তাধারায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেয়।

বাস্তুচ্যুত মানুষের শারীরিক ও মানসিক সংকটের বিষয়টি খুব কাছ থেকে দেখার পর চিকিৎসকের ভূমিকার অর্থ তাঁর কাছে সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি অনুধাবন করেন যে সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করাই তাঁর আসল লক্ষ্য। এই উপলব্ধি থেকেই তিনি দুর্যোগকালীন জনস্বাস্থ্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ইরাসমাস মুন্ডুস জয়েন্ট মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেন। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও নিজের অভিজ্ঞতাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার মাধ্যমেই তিনি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বৃত্তি অর্জন করতে সক্ষম হন।

স্পেনের ওভিয়েদো দিয়ে এই শিক্ষাযাত্রা শুরু হলেও তাঁর গন্তব্য কেবল একটি দেশে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পরবর্তীতে তাঁকে সুইডেনের কারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটেও পড়াশোনা করতে হবে। বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ভিন্ন স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং নতুন শিক্ষকদের সান্নিধ্যে আসার ফলে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আরও প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদী। চিকিৎসকের পরিচয় অক্ষুণ্ণ রেখেই তিনি এখন বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রমাণভিত্তিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্রত নিয়ে এগিয়ে চলেছেন।

আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে জামায়াত আমিরের লেখা চিঠি হস্তান্তর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে জামায়াত আমিরের লেখা চিঠি হস্তান্তর

আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে জামায়াত আমিরের লেখা চিঠি হস্তান্তর

জাতীয় ডেস্ক: আলজেরিয়ার বাহাত্তরতম বিপ্লব বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদল। ঢাকার নিকুঞ্জের লা মেরিডিয়ান ঢাকার স্কাই বলরুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানি এবং তাঁর সহধর্মিণী মেরিয়েম সাইদানি এই বর্ণাঢ্য সংবর্ধনার আয়োজক ছিলেন। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এ সময় দলের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের লেখা একটি বিশেষ চিঠি আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্যে লেখা ওই চিঠিটি গ্রহণ করেন। দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই পত্রবিনিময় একটি তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জামায়াত আমিরের পাঠানো ওই চিঠিতে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দিনগুলোতে উভয় দেশের মধ্যকার পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় ও জোরদার হবে বলে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। রাষ্ট্রদূতও দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আলজেরিয়া সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন ছাড়াও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের বেশ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে নুরুন্নিছা সিদ্দিকা, মারজিয়া বেগম, নাজমুন্নাহার নীলু ও সাবিকুন্নাহার মুন্নি অংশ নেন। এ ছাড়া বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুরসহ দলটির অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারাও এই কূটনৈতিক আয়োজনে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন।