খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, বেড়েছে ব্যাংকেও

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, বেড়েছে ব্যাংকেও

খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, বেড়েছে ব্যাংকেও

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মুদ্রা বাজারে হঠাৎ করেই মার্কিন ডলারের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। মূলত বিভিন্ন ছুটির দিন এবং সার্বিক পরিস্থিতির কারণে নগদ ডলারের পাশাপাশি ব্যাংকিং চ্যানেলেও এর দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার এই দাম বাড়ার ফলে শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক আমদানি খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাবে অন্যান্য প্রধান বৈদেশিক মুদ্রাগুলোর বিনিময় মূল্যও দেশীয় মুদ্রার বিপরীতে কিছুটা চড়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের কাছে নগদ ডলার বিক্রি করছে তুলনামূলক বেশি দামে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রকাশিত বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পর্যালোচনা করলে এই চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিভিন্ন ব্যাংক বিদেশফেরত যাত্রীদের কাছ থেকে ডলার কেনার চেয়ে বিক্রির ক্ষেত্রে অনেক বেশি দর রাখছে। ব্যাংকভেদে নগদ ডলারের বিক্রয়মূল্য ১২৪ টাকা থেকে শুরু করে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করছে। একই সঙ্গে আমদানির কাজে ব্যবহারের জন্য ব্যাংকগুলোর নিজেদের মধ্যে লেনদেন হওয়া ডলারের দামও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলোর আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দর প্রতি ডলারে প্রায় ১২৪ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে।

ব্যাংকিং খাতের তুলনায় খুচরা ও খোলাবাজারে ডলারের দাম আরও বেশ কিছুটা চড়া রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকার খোলাবাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের সর্বোচ্চ ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম উঠেছে। মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের কাছ থেকে ডলার ক্রয়ের সময় কিছুটা কম দাম দিলেও বিক্রির ক্ষেত্রে চড়া মূল্য নিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দেশটিতে বিদেশ থেকে যাতায়াতকারী যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে।

যাত্রী আসা-যাওয়া কমে যাওয়ার ফলে খোলাবাজারে নগদ ডলারের একধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। কিছুদিন আগেও খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম অপেক্ষাকৃত কম থাকলেও স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকিং খাতেও ঠিক একই সময়ের ব্যবধানে ডলারের দামে সমপরিমাণ উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে। বাজারে ডলারের এই অব্যাহত দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বিদেশগামী যাত্রী এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

advertisement
advertisement

জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি

জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি

রাজনীতি ডেস্ক: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বহুল আলোচিত পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল সলিমপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একটি নতুন সাংগঠনিক ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ থেকে ৭১ সদস্যবিশিষ্ট এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। পাহাড়ি জনপদ হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে রাজনৈতিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

ঘোষিত এই কমিটিতে বোরহান উদ্দিন জিয়াকে সভাপতি এবং মিজানুর রহমান রাজু সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মোড় জাহাঙ্গীর আলম ও সদস্যসচিব খ ম নাজিম উদ্দিন যৌথভাবে এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন। স্থানীয় পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই শীর্ষ নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদের মধ্যে আবদুর সাত্তারকে সিনিয়র সহসভাপতি এবং মো. হেলাল উদ্দিন মিয়াকে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে। এ ছাড়া আহমদ উল্লাহ যুগ্ম সম্পাদক, শাহজাহান বাদশা সাংগঠনিক সম্পাদক, মো. হাসান সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও শরীফ হোসেন অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন। পাশাপাশি কার্যকরী সদস্য পদে সাইদুল হক ছাদুসহ অন্যান্য নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির নেতারা জানিয়েছেন, জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে এবং দলকে আরও গতিশীল করতে তারা কাজ করবেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করার পাশাপাশি স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য যে, জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি অতীতে বিভিন্ন কারণে আলোচনায় ছিল এবং বর্তমানে সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রয়েছে।

ভূমির লাগামহীন বাণিজ্যিকীকরণে বসবাসের যোগ্যতা হারাচ্ছে রাজধানী: নগর বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভূমির লাগামহীন বাণিজ্যিকীকরণে বসবাসের যোগ্যতা হারাচ্ছে রাজধানী: নগর বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ

দ্য ডেইলি স্টারের ‘মহানগর ঢাকা: ইতিহাস ও রূপান্তর’ শীর্ষক ইতিহাস আড্ডার ৩৫তম পর্বে আলোচকেরা। রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অব্যবস্থাপনাপূর্ণ নগরায়ণ, করপোরেট মুনাফার লোভ এবং ভূমির মাত্রাতিরিক্ত বাণিজ্যিক ব্যবহারের কারণে ঢাকা দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে বলে সতর্ক করেছেন নগর–পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিরা। তাঁদের অভিমত, জনকল্যাণকে গুরুত্ব না দিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং যথাযথ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যর্থতায় নগরীর পরিবেশ, জলাধার ও সামগ্রিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বিপর্যস্ত হচ্ছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে পত্রিকাটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘মহানগর ঢাকা: ইতিহাস ও রূপান্তর’ শীর্ষক ইতিহাস আড্ডার ৩৫তম পর্বে বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। পর্বটি পরিচালনা করেন দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিক ইমরান মাহফুজ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক শায়ের গফুর মন্তব্য করেন, জমির অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিকীকরণের কারণেই ঢাকা বাসযোগ্যতা হারিয়েছে, যা কর্তৃপক্ষের পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় প্রসার পেয়েছে। এই বাণিজ্যিকীকরণের রাশ না টেনে বাসযোগ্য নগর গড়ার কথা বলা স্পষ্টতই পরস্পরবিরোধী। একই সুর তুলে ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও নগর–পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, বিগত তিন দশকে ঢাকাকে স্রেফ একটি বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত করা হয়েছে। নগর–পরিকল্পনা থেকে শুরু করে ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ—সবখানেই জনস্বার্থকে পাশ কাটিয়ে করপোরেট মুনাফাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

পরিবহন ব্যবস্থার অসঙ্গতি তুলে ধরে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) উপপরিবহন পরিকল্পনাবিদ ধ্রুব আলম জানান, দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন একটি টেকসই কাঠামোর বদলে বিচ্ছিন্ন ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে এগিয়েছে। এমনকি জাতীয় নগর পরিবহন নীতিমালায় পথচারীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও পরিবহন পরিকল্পনার মোট বাজেটের ১ শতাংশেরও কম অর্থ তাঁদের সুবিধার জন্য খরচ করা হয়।

প্রবীণদের সুস্থতায় একাকিত্ব দূর ও অভিজ্ঞতা মূল্যায়নের তাগিদ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রবীণদের সুস্থতায় একাকিত্ব দূর ও অভিজ্ঞতা মূল্যায়নের তাগিদ

বক্তব্য দেন জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি চিকিৎসক এ কে আজাদ খান। ৩১ অক্টোবর

প্রবীণদের সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিতে তাঁদের একাকিত্ব মোচনের বিকল্প নেই। এজন্য পারিবারিক ভালোবাসা ও সান্নিধ্যের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং তাঁদের জীবনলব্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব মতামত তুলে ধরেন আলোচকেরা। তাঁরা প্রবীণ ও নবীন প্রজন্মের মাঝে নিয়মিত যোগাযোগ ও মেলবন্ধনের ওপর বিশেষ জোর দেন।

অনুষ্ঠানে সমাজের তিনজন বরেণ্য ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত ব্যক্তিরা হলেন—জাতীয় অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ডা. এ কে আজাদ খান, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং কৃষিবিজ্ঞানী জহুরুল করিম।

সম্মাননা গ্রহণ করে ডা. এ কে আজাদ খান বলেন, দেশে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই তাঁদের অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। প্রবীণদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সমাজের বড় সম্পদ, যা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে লাগানো দরকার। শুধু অর্থবিত্ত থাকলেই প্রবীণরা ভালো থাকেন না; তাঁদের মানসিক শক্তি জোগাতে পরিবারের সন্তানদের নৈকট্য ও স্নেহ অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সোসাইটির চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সহমর্মিতার মনোভাব নিয়ে প্রবীণবান্ধব সমাজের পাশাপাশি নারী ও শিশুদের উপযোগী পরিবেশও তৈরি করতে হবে। প্রবীণরা করুণার পাত্র নন, বরং শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার দাবিদার। তরুণ ও প্রবীণদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় পক্ষই উপকৃত হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রবীণ জীবনের সংকট প্রসঙ্গে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রচুর সম্পদ থাকার পরও অনেকে নিঃসঙ্গতায় ভোগেন। আবার এমন অনেকেই আছেন যাঁদের দেখভালের কেউ নেই, তাঁদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ ছাড়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য দেশে বিশেষায়িত জেরিয়াট্রিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। একজন কৃষকের সন্তান হিসেবে আজীবন কৃষির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারায় গর্ব প্রকাশ করেন কৃষিবিজ্ঞানী জহুরুল করিম। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে এখনো জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা ও নিরাপদ আশ্রয়ের বড় ঘাটতি রয়েছে। প্রবীণদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি সোসাইটির কার্যক্রম গ্রামপর্যায়েও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম রেজাউল হক। এই আয়োজনকে ‘আলোকিত মানুষের সংবর্ধনা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে অবকাঠামোগত বহু অগ্রগতি হলেও প্রবীণদের কল্যাণে সংশ্লিষ্টদের যথেষ্ট অদক্ষতা ও সীমাবদ্ধতা দেখা যায়। তিনি এই ঘাটতি দূর করে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।