খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

যমুনা পারাপারে দুর্ভোগ, দিন দিন জোরালো হচ্ছে দ্বিতীয় সেতুর দাবি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যমুনা পারাপারে দুর্ভোগ, দিন দিন জোরালো হচ্ছে দ্বিতীয় সেতুর দাবি

যমুনা পারাপারে দুর্ভোগ, দিন দিন জোরালো হচ্ছে দ্বিতীয় সেতুর দাবি

জাতীয় ডেস্ক: গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত যমুনা নদীতে একটি নতুন সেতু নির্মাণের দাবি দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। নদী পারাপারের দীর্ঘদিনের অসহনীয় দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দুই পারের সাধারণ মানুষ নিয়মিতভাবে সভা, সমাবেশ ও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই জনবহুল এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এবং দীর্ঘদিনের বঞ্চনা লাঘব করতে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে এই অঞ্চলের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছে এই দাবি জানিয়ে আসছেন।

ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার লাখো মানুষকে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যমুনা নদী পার হতে হয়। বর্তমানে নৌযানই এই যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রীভীড়, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং নদীর তীব্র স্রোত মাঝেমধ্যেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা তৈরি করে। একসময়ে এই রুটে রেলওয়ের ফেরি চলাচল করলেও নাব্যতা সংকট ও নানা অব্যবস্থাপনার কারণে প্রায় পঁচিশ বছর ধরে তা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ফলে নদী পারাপারের এই বিপজ্জনক ও সময়সাপেক্ষ ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

নদী পারাপারের এই রুটিন দুর্ভোগের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় অর্থনীতি, কৃষি, শিক্ষা এবং চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর। বছরের দীর্ঘ সময় নদী ও নদের বিভিন্ন অংশ শুকিয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বালুচর হেঁটে পাড়ি দিতে হয়। এর ফলে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে পাঠাতে পারেন না এবং ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। সার্বিকভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার এই শোচনীয় দশার কারণে গোটা অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা থমকে গেছে।

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও খরচ কমার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এই সেতু শুধু একটি অঞ্চলের উন্নয়ন ঘটাবে না, বরং পুরো উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই দাবি আদায়ের লক্ষে সাঘাটা ও ফুলছড়ির শিক্ষক, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন জেলার প্রশাসন, ব্যবসায়ী সংগঠন ও গণমাধ্যমের সঙ্গে বৈঠক করে তারা জনমত গঠনে নিরলস কাজ করছেন। সেতু নির্মাণ বাস্তবায়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সুধীজনদের মতে, উত্তরের সার্বিক অগ্রগতির স্বার্থে অবিলম্বে এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।

advertisement
advertisement

কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত

ধর্ম ডেস্ক: আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রচলিত লোককথা বা ধারণা ব্যাপকভাবে চলে আসছে যে কুকুর পোষা নাকি একটি বড় পাপ এবং অন্যদিকে বিড়াল পোষা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের ধারণাগুলোর কারণে সাধারণ মানুষের মনে প্রাণী লালন-পালন নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি ও ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় মানুষ না জেনেই এই কথাগুলোকে পরম সত্য হিসেবে গ্রহণ করে এবং সে অনুযায়ী আচরণ করতে শুরু করে।

এই প্রচলিত বিশ্বাসের ফলে বাস্তব জীবনে আমরা দেখতে পাই যে কুকুর দেখলে অনেকে সেটিকে তাড়িয়ে দেয় বা অহেতুক ঘৃণা করে, অথচ বিড়ালকে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে ঘরের ভেতর লালন-পালন করা হয়। ইসলাম ধর্মে পশুপাখির প্রতি দয়া প্রদর্শনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সব প্রাণীর সঙ্গেই সদাচরণ করার নির্দেশ রয়েছে। তা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে সমাজে এমন পক্ষপাতমূলক ধারণা কীভাবে শিকড় গেড়েছে, তা নিয়ে সচেতন মহলে নানা আলোচনা রয়েছে।

ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী শিকার করা, ঘরবাড়ি বা গবাদিপশু পাহারা দেওয়া কিংবা কৃষিকাজের নিরাপত্তার মতো প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্যে কুকুর পুষতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে অকারণে বা কেবল শৌখিনতার বশে ঘরের ভেতরে কুকুর রাখা নিয়ে কিছু বিধিবিধান ও সতর্কতা রয়েছে, যা অনেকেই না বুঝে পুরো বিষয়টিকে নিষিদ্ধ বা পাপ হিসেবে ধরে নেন। অন্যদিকে, বিড়াল পোষার বিষয়ে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় কিছু বর্ণনা থাকায় মানুষ এটিকে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও সুন্নাত হিসেবে মনে করে থাকেন।

সব মিলিয়ে প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা এবং ধর্মীয় অনুশাসনের সঠিক ব্যাখ্যার অভাবে এই ধরনের খণ্ডিত ধারণাগুলো সমাজে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছে। তাই যেকোনো সামাজিক বা ধর্মীয় বিষয়ে অন্ধভাবে প্রচলিত প্রথার ওপর নির্ভর না করে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। ইসলামি পণ্ডিত ও গবেষকদের মতে, সব সৃষ্টির প্রতি দয়া দেখানো এবং বিনা কারণে কোনো প্রাণীকে কষ্ট না দেওয়াই মূল শিক্ষা।

বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রবল উত্থানের মাঝে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞাপনের আয় বিশ্লেষকদের প্রাক্কলন অনুযায়ী না হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের শেয়ারবাজারে, যেখানে একদিনেই তাদের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সেবা ও চ্যাটবট বাজারে আসার পর থেকে অনলাইন বিজ্ঞাপনের গতানুগতিক ধারায় পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। ব্যবহারকারীরা এখন কেবল প্রথাগত সার্চ ইঞ্জিনের ওপর নির্ভর না করে এআই মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছেন, যা গুগলের প্রধান আয়ের উৎসে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে না পারলে ভবিষ্যতে প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর আয়ের প্রবৃদ্ধি আরও মন্থর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডাররা বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং গুগলের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কৌশল পুনর্মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন। তারা মনে করছেন, প্রযুক্তি খাতের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রতিষ্ঠানটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আরও আগ্রাসী ও কার্যকর বিনিয়োগ করতে হবে। অন্যথায় প্রতিযোগীদের তুলনায় তারা বাজার হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

এই অর্থনৈতিক ধাক্কার পর গুগলের নীতিনির্ধারকরা নতুন প্রযুক্তির বিকাশ ও তার সফল বাণিজ্যিকীকরণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে বিভিন্ন গবেষণা ও নতুন সেবা চালুর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে। তবে বর্তমান আর্থিক ক্ষতির ধাক্কা কাটিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে গুগলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এক মাঠে খেলবেন মেসি ও রোনালদো!

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এক মাঠে খেলবেন মেসি ও রোনালদো!

তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এক মাঠে খেলবেন মেসি ও রোনালদো!

খেলা ডেস্ক: সবুজ মাঠকে বিদায় জানানোর দীর্ঘ কয়েক বছর পর অবশেষে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলার ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলের জনপ্রিয় ফরোয়ার্ড কার্লোস তেভেজ। আগামী ২০ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে তার এই বহুলপ্রতীক্ষিত বিদায়ী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গুডবাই আপাচে ফ্রম বল বয় টু লিজেন্ড শিরোনামে আয়োজিত হতে যাওয়া এই রাজকীয় ম্যাচটিকে নিছক একটি প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে রাখতে নারাজ এই তারকা। বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকাদের এক মহামিলনমেলায় পরিণত করতে বেশ বড়সড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি এবং তার এই আয়োজনে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বিশ্বজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসির।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক সতীর্থ রিও ফার্দিনান্দের সঙ্গে আলাপকালে কার্লোস তেভেজ নিশ্চিত করেছেন যে তার বিশেষ এই দিনে মাঠে থাকবেন লিওনেল মেসি এবং বোকা জুনিয়র্সের বর্তমান সভাপতি হুয়ান রোমান রিকেলমে। তবে এখানেই থেমে না থেকে ফুটবল দুনিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই বরপুত্র লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে একই মাঠে নামানোর রোমাঞ্চকর এক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চান তিনি। নিজেই পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এই ম্যাচে আমন্ত্রণ জানানোর উদ্যোগ নিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড, যা সফল হলে বিশ্ববাসী বুয়েনস আইরেসের সবুজ গালিচায় এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী হবে।

এই বিশেষ প্রীতি ম্যাচে ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার সোনালি প্রজন্মের সাবেক সতীর্থদের মাঠে দেখা যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য অতিথি তালিকায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, জুভেন্টাস এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের একসময়ের তারকা সতীর্থদের মধ্যে সার্জিও আগুয়েরো, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, পল স্কোলস, রায়ান গিগস, ওয়েইন রুনি এবং আন্দ্রেয়া পিরলোর নাম আলোচিত হচ্ছে। বর্ণিল এই ক্যারিয়ারের ইতি টানতে বিশ্বের বাঘা বাঘা ফুটবলারদের উপস্থিতি এই আয়োজনকে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বোকা জুনিয়র্সের জার্সিতে পেশাদার ফুটবল অঙ্গনে পথচলা শুরু করা কার্লোস তেভেজ ক্লাবটির হয়ে ২৭৯ ম্যাচে ৯৪ গোল করে নিজেদের ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন। ২০০৩ সালের কোপা লিবার্তাদোরেস ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জয়ে তিনি রেখেছিলেন অবিস্মরণীয় অবদান যা তাকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার স্বীকৃতি এনে দেয়। মাঠের লড়াই ছাড়ার পর কোচিং পেশায় কিছুকাল কাটালেও বর্তমানে ব্যবসায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি, তবে সব ব্যস্ততা দূরে ঠেলে শেকড়ের টানে সেই চিরচেনা লা বোম্বোনেরার গ্যালারির সামনে শেষবারের মতো বুট জোড়া পায়ে নামবেন এই কিংবদন্তি।