খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

রাজনীতি ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফর দুই দেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতাকে একটি কার্যকর ও পারস্পরিক কল্যাণকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের এই সরকারি সফরে বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করার জোরালো অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে টোকিও। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সফরের বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান যে, এই উদ্যোগ সরকারের সবার আগে বাংলাদেশ পররাষ্ট্রনীতিরই বাস্তব প্রতিফলন। প্রচলিত সহজ শর্তের ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সফরের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে প্রায় এক লাখ কোটি ইয়েন বা প্রায় ছয় শ ৩০ কোটি ডলারের জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হওয়া, যা প্রায় দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যকার বৈঠকে এই বিশাল বিনিয়োগের প্রস্তাবকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে এটি কোনো সরকারি ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি নয়, বরং জাপানি বেসরকারি খাতের বহুল প্রত্যাশিত বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা। উভয় পক্ষের পারস্পরিক পরামর্শ ও মন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ আলোচনার পর শিগগিরই জাপানের একটি উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে দুই দেশ বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট বা বিআইজি বি উদ্যোগকে আরও উন্নীত করে অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতায় রূপান্তর করতে একমত হয়েছে। এর আওতায় জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, আধুনিক শিল্পস্থাপনা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সমন্বিত উন্নয়ন সাধিত হবে। এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর প্রস্তুতি, ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় জাপানি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাপানের দেওয়া পাঁচ হাজার কোটি ইয়েনের জরুরি সহায়তা ঋণের জন্য দেশটির সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরকালে মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি সহযোগিতা এবং শিল্প খাতের আধুনিকায়ন বিশেষ অগ্রাধিকার লাভ করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করে তৈরি পোশাক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উন্নত উৎপাদনশিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। ফুৎসুতে জেরা এর এলএনজি টার্মিনাল এবং নাগোয়ায় টয়োটার উৎপাদন কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করতে শুল্ক ছাড়করণ, করব্যবস্থা এবং লাইসেন্স প্রদানে স্বচ্ছতা আনার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরা হয়।

সফরের শেষ পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, উপকূলীয় নিরাপত্তা, জলবায়ু সহযোগিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। টেকসই নগরায়ণ, স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানে জাপানের রাজনৈতিক ও মানবিক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। বৈশ্বিক শান্তি রক্ষা, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়েও দুই দেশের শীর্ষ নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

advertisement
advertisement

খাগড়াছড়িতে কঠিন চীবর দান, মাসব্যাপী উৎসব শুরু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খাগড়াছড়িতে কঠিন চীবর দান, মাসব্যাপী উৎসব শুরু

খাগড়াছড়িতে কঠিন চীবর দান, মাসব্যাপী উৎসব শুরু

ধর্ম ডেস্ক: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান উদ্যাপিত হয়েছে। এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক হাজার পুণ্যার্থী শহরের প্রধান বিহারগুলোতে সমবেত হন। নানা বয়সের মানুষের অংশগ্রহণে পুরো বিহার প্রাঙ্গণ এক আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি করে, যা স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর আনন্দের বার্তা বয়ে আনে।

দিনের কর্মসূচি শুরু হয় সকালে পুণ্যার্থীদের পঞ্চশীল গ্রহণের মধ্য দিয়ে। এরপর পর্যায়ক্রমে বুদ্ধমূর্তি দান, অষ্টপরিষ্কার দান, সংঘদান, কল্পতরু দান এবং ভিক্ষুদের পিণ্ডদানসহ বিভিন্ন পবিত্র আচার সম্পন্ন করা হয়। দুপুরের দিকে শুরু হয় ধর্মীয় আলোচনা ও দেশনা, যেখানে বৌদ্ধ ধর্মের মূল বাণী ও অহিংসার বার্তা তুলে ধরা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে পুণ্যার্থীরা নিজেদের আত্মশুদ্ধি ও পুণ্য অর্জনের প্রার্থনা করেন।

এই উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও শ্রমসাধ্য দিক হলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তুলা থেকে সুতা প্রস্তুত করে কাপড় বুনে ভিক্ষুদের চীবর তৈরি করা। অত্যন্ত নিখুঁত ও কঠিন এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি বিশেষ চীবর পরে ভিক্ষু সংঘের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা এই উৎসবের মূল তাৎপর্য বহন করে। খাগড়াছড়ির য়ংড বৌদ্ধ বিহারসহ জেলার বিভিন্ন বিহারে একই নিয়মে এই আচার পালন করা হয়।

সন্ধ্যায় য়ংড বৌদ্ধ বিহারে চৌরাশি হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন এবং আকাশছোঁয়া ফানুস ওড়ানোর মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। এছাড়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমাসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন বিহারের অধ্যক্ষ ও কমিটির নেতৃবৃন্দ এই বর্ণিল আয়োজনে অংশ নেন। উল্লেখ্য, এই প্রধান দিনের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে মাসব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবের সূচনা হলো।

গ্যাসের আগুন জ্বলছেই, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্যাসের আগুন জ্বলছেই, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার

গ্যাসের আগুন জ্বলছেই, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা পেট্রোবাংলার

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী এলাকায় গভীর নলকূপ খননকাজের সময় মাটির নিচ থেকে হঠাৎ গ্যাস উদগীরণের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ওই গ্যাসকূপ থেকে বের হওয়া আগুন একটানা চার দিন ধরে প্রজ্জ্বলিত রয়েছে। এই আকস্মিক ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের নিরাপত্তা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধি ও জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পেট্রোবাংলার তত্ত্বাবধানে একটি উচ্চপর্যায়ের কারিগরি দল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। মাটির গভীর থেকে গ্যাস ও পানির এই অনিয়ন্ত্রিত উদ্মগীরণ কীভাবে থামানো যায়, তা নিয়ে তারা বিশদ পরিকল্পনা তৈরি করছেন। কারিগরি দলটির প্রাথমিক মূল্যায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরাসরি কোনো বড় পদক্ষেপে যাচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাটির নিচের গ্যাসের প্রকৃত চাপ, মজুদ এবং উৎসের প্রকৃতি নিশ্চিত হওয়ার জন্য অন্তত পনেরো দিন সময় ধরে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক না হয়, তবে গ্যাস নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সমাধানের অংশ হিসেবে একটি রিলিফ কূপ খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের উৎসস্থলটি নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। উৎসস্থলের কাছাকাছি সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। গ্যাস ও আগুন থেকে স্থানীয় পরিবেশ ও জনবসতির যেন কোনো দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদ্বোধন বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদ্বোধন বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদ্বোধন বিদ্যুৎ মন্ত্রীর

অর্থনীতি ডেস্ক: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় আবাসিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে একটি বিশেষ উদ্যোগের শুভসূচনা করা হয়েছে। দেশের বিদ্যুৎ খাতের সবুজায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটাতে এই ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি পৌঁছে দেওয়ার নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

উদ্যোগটি বাস্তবায়নের কাজ যৌথভাবে পরিচালনা করছে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড। কর্মসূচির প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে স্থানীয় দুটি আবাসিক ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আধুনিক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর বাসভবনে বিশ কিলোওয়াট পিক এবং এলাকার আরেক বাসিন্দা সোহেল রানার বাড়িতে পাঁচ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতার সোলার সিস্টেম বসানো হয়েছে। এই ব্যবস্থার সফল প্রয়োগ আশপাশের অন্যান্য বাড়িগুলোতেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ির ছাদে কিংবা পিলারের ওপর সৌর প্যানেল বসিয়ে সহজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ দিয়ে পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জ্বালানি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত অংশটুকু সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। এতে একদিকে যেমন সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হবে, অন্যদিকে দেশের সার্বিক গ্রিড ব্যবস্থায় বাড়তি শক্তির জোগান নিশ্চিত হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রকল্পটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাও বেশ সহজ ও জনবান্ধব করা হয়েছে যাতে সাধারণ গ্রাহকরা সহজে এতে অংশ নিতে পারেন। নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত মোট খরচের মাত্র কুড়ি শতাংশ অর্থ গ্রাহককে নিজ থেকে অগ্রিম জমা দিতে হবে। বাকি আশি শতাংশ অর্থ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ঋণ হিসেবে প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে নির্ধারিত দীর্ঘমেয়াদি কিস্তির মাধ্যমে গ্রাহকরা এই ঋণের অর্থ পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন।