খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচলের জন্য একটি নতুন ও সময়োপযোগী বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে এই বাহনগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি ছাড়াই যত্রতত্র চলাচল করায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই বিধিমালার মাধ্যমে ই-রিকশা খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রণীত নতুন নিয়মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ই-রিকশাগুলো ঠিক কোন কোন সড়কে চলাচল করতে পারবে এবং কোথায় সেগুলোর প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ থাকবে। এছাড়া এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা কত হবে, তা নিয়েও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে যত্রতত্র ধীরগতির এই বাহন মূল সড়কে উঠে তীব্র যানজট তৈরি করতে পারবে না এবং দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন।

শুধু রুট আর গতি নয়, ই-রিকশার ক্ষেত্রে যাত্রী বহনের সুনির্দিষ্ট সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত গাড়ি সড়কে নামানো রোধে কঠোর ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ই-রিকশার বাধ্যতামূলক নিবন্ধন এবং নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষার বিষয়টিও এই নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। এতে গাড়ির যান্ত্রিক মান যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আহরণের পরিধিও কিছুটা বাড়.

পরিবেশ ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে এই পদক্ষেপ বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই বিধিমালা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শৃঙ্খলাপূর্ণ, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে।

advertisement
advertisement

৯৯.০৭ শতাংশ পাস, সাফল্যের ধারায় সামসুল হক খান কলেজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৯৯.০৭ শতাংশ পাস, সাফল্যের ধারায় সামসুল হক খান কলেজ

৯৯.০৭ শতাংশ পাস, সাফল্যের ধারায় সামসুল হক খান কলেজ

শিক্ষা ডেস্ক: রাজধানীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষায় আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে এই প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ছিল নিরানব্বই দশমিক শূন্য সাত শতাংশ যা দেশের সামগ্রিক শিক্ষাবোর্ডের ফলাফলের তুলনায় বেশ প্রশংসনীয়। তা ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ফলাফল জিপিএ-৫ অর্জন করে তাদের ধারাবাহিক সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছে। বরাবরের মতো এবারও সেরা ফলাফল অর্জন করায় কলেজ ক্যাম্পাসজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে আনন্দ উল্লাস দেখা গেছে।

শিক্ষার্থীদের এমন ঈর্ষণীয় সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে তাদের দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যবসায় এবং শিক্ষকদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা। কলেজের অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ পুরো শিক্ষাবর্ষজুড়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা বজায় রেখেছিলেন এবং নিয়মিত মক টেস্টের মাধ্যমে তাদের পরীক্ষার উপযোগী করে গড়ে তুলেছিলেন। পাশাপাশি অভিভাবকদের নিয়মিত তদারকি এবং সচেতনতামূলক সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে এবং পড়াশোনায় মনোযোগী হতে বিশেষভাবে সাহায্য করেছিল। সবার এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কৃতী শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন যে শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠা, শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতাতেই এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জন সম্ভব হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। অন্যদিকে কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ফেরদৌস হোসেন রনি এই সাফল্যের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন যে পরিকল্পিত পাঠদান এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার কারণেই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছর চমৎকার ফলাফল উপহার দিতে পারছে।

শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের ক্ষেত্রে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটিতে শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় জোর দেওয়া হয় না, বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিক চরিত্র গঠন এবং সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমেও সমানভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়। দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্যানেল এবং একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকার কারণে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই ধারাবাহিক গুণগত শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানটি আগামী দিনেও দেশের শিক্ষাঙ্গনে নিজেদের শীর্ষস্থান ধরে রাখবে বলে সবাই আশাবাদী।

চাকরি হারালেন ডিবির হারুন-অর রশিদসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চাকরি হারালেন ডিবির হারুন-অর রশিদসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তা

চাকরি হারালেন ডিবির হারুন-অর রশিদসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তা

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার গুরুতর অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যেখানে তাঁর বরখাস্তের আদেশ গত বছরের আগস্ট মাস থেকে কার্যকর বলে গণ্য করার কথা জানানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কর্মস্থল ত্যাগ ও পলায়নের অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা তদন্তে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতদিন তিনি সাময়িক বরখাস্তের দায়িত্বে থাকলেও এবার তাঁকে সরাসরি চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হলো। দায়িত্ব পালনকালে তিনি কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মক্ষেত্র ত্যাগ করেছিলেন এবং বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও তিনি আর চাকরিতে ফিরে আসেননি।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিষয়টি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হলে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি নির্ধারিত সময়ে কোনো লিখিত জবাব প্রদান করেননি এবং বাড়তি কোনো সময়ও প্রার্থনা করেননি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা মেলে। পরবর্তীতে তাঁকে পুনরায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি সেটিরও কোনো উত্তর দেননি। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মতামত চাওয়া হলে তারাও তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণের সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রদান করে।

সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিভাগীয় মামলার নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন এবং পিএসসির ইতিবাচক মতামত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করার পর তাঁর বিরুদ্ধে বরখাস্তের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উল্লেখ্য, একই ধরনের অপরাধ অর্থাৎ কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, অসদাচরণ এবং বিনা অনুমতিতে বিদেশে গিয়ে আর কাজে যোগ না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আরও ছয়জন উচ্চপদস্থ ও মাঝারি সারির পুলিশ কর্মকর্তাকেও চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এই তালিকায় রাজশাহী রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি মো. আনিসুর রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমার মুখার্জী এবং লক্ষ্মীপুরের সাবেক পুলিশ সুপার তারেক বিন রশিদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন।

এছাড়া এই প্রক্রিয়ায় আরও বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আলাদাভাবে শাস্তিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের সাবেক সহকারী কমিশনার কাজী মিজানুর রহমানকে সুনির্দিষ্ট একটি অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় প্রজ্ঞাপনে এটিকে গুরুতর অসদাচরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে পুলিশ বাহিনীর ভেতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং পেশাগত দায়িত্বহীনতা রোধ করতেই এই কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

খেলাপি ঋণের জালে আটকা ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ কী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খেলাপি ঋণের জালে আটকা ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ কী

খেলাপি ঋণের জালে আটকা ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ কী

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক ভিত্তি দিন দিন দুর্বল করে তুলছে পাহাড়সম খেলাপি ঋণ। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেশের আর্থিক খাতের এই ভয়ঙ্কর চিত্র উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ঋণগ্রহীতারা কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা অর্থের বড় একটি অংশ আটকে গেছে। এই বিশাল অঙ্কের খেলাপি ঋণ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি এবং সাধারণ আমানতকারীদের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে তাদের ঋণ পরিশোধ না করায় ব্যাংকগুলো নতুন বিনিয়োগ বা ঋণ বিতরণে হিমশিম খাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিয়েও নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেলাপি ঋণের এই সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে পুরো আর্থিক খাত একসময় স্থবির হয়ে পড়তে পারে।

এই সংকট উত্তরণে ব্যাংক খাতের নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো নানা ধরনের সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে। বিশেষ করে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। তবে শুধু আইনি প্রক্রিয়াই যথেষ্ট নয়, বরং ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ সুশাসন নিশ্চিত করা এবং ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতি দূর করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

দেশের ব্যাংক খাতের এই দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত সারাতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকেও কার্যকর দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাপি ঋণ আদায়ের বিশেষ অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সময়মতো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া না গেলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে যেতে পারে এবং সাধারণ মানুষের ওপর মুদ্রাস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।