খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, বার কাউন্সিলের ‘না’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, বার কাউন্সিলের ‘না’

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, বার কাউন্সিলের ‘না’

আইন-আদালত ডেস্ক: জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের প্রচলিত আইনি বিধান অনুযায়ী কোনো বিদেশি আইনজীবী দিয়ে আদালতে মামলা পরিচালনা করতে হলে এই নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার সুনির্দিষ্ট অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের করা আবেদনটি পর্যালোচনার পর তা সরাসরি নাকচ করে দেয় বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কাউন্সিলের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন এবং বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অতীতেও অনুরূপ ঘটনায় একই ধরনের অবস্থান গ্রহণ করেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের বিচারকার্য চলার সময়ও বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য অনুরূপ আবেদন করা হয়েছিল, যা সে সময়ও নাকচ করা হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে বিচারাধীন বিভিন্ন মামলার একাধিক হাইপ্রোফাইল আসামি এই বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। এই তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক প্রভাবশালী সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান এবং পরিচিত গণমাধ্যমকর্মী ফারজানা রূপাসহ বেশ কয়েকজন আসামি। ট্রাইব্যুনালে তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর সব মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আইনজীবীদের শীর্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিযুক্তরা নিজেদের পক্ষে বিদেশি আইনি পরামর্শক বা আইনজীবী নিয়োগের আইনি সুযোগ হারাচ্ছেন। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিদেশি আইনজীবীদের আদালতে সওয়াল করার অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার একমাত্র বার কাউন্সিলের হাতেই ন্যস্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কাউন্সিল তাদের পূর্বের ধারাবাহিকতাই বজায় রাখল, যা দেশের বিচার অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

advertisement
advertisement

পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

অর্থনীতি ডেস্ক: পাকিস্তান থেকে আমদানি করা প্রায় ১৫০ টন কাঁচা তামাকের একটি বড় চালান চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়েছে। তামাকপাতার গুণগত মান এবং এতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত আছে কি না, তা নিয়ে তীব্র সন্দেহ প্রকাশ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর। সম্প্রতি এই চালানটি পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষার সময় তামাকপাতায় সহজে আগুন না ধরায় গোয়েন্দাদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

চট্টগ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহমেদ এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান যে প্রাথমিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে টেবিল টেস্ট করার সময় তামাকপাতায় সাধারণ নিয়মে আগুন ধরেনি। খালি চোখে বিষয়টি শনাক্ত করা অসম্ভব হওয়ায় প্রতিটি কনটেইনার থেকে পর্যাপ্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে এসব নমুনা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

বন্ড সুবিধার আওতায় কুষ্টিয়ার গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড এই ১০ কনটেইনার কাঁচা তামাক আমদানি করেছে। বাণিজ্যিক নথিপত্র অনুযায়ী এর সঙ্গে দুবাই ও পাকিস্তানের দুটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান যে গত অক্টোবরে চালানটি বন্দরে পৌঁছানোর পর শুল্কায়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এর খালাস স্থগিত করা হয়। এছাড়া আমদানি মূল্যে গরমিল থাকায় প্রায় ২১ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি এবং এর নেপথ্যে অর্থ পাচারের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দার হিসাব অনুযায়ী, বন্দরে আটকে থাকা এই বিপুল পরিমাণ তামাক দিয়ে প্রায় ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট তৈরি করা সম্ভব হতো। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৪ কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বন্ড লাইসেন্স ইতিমধ্যে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত তদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত এই চালানের খালাস বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, কাঁচা তামাকের আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণেই সহজে আগুন ধরায় সমস্যা হতে পারে এবং তারা যেকোনো ধরনের তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে তারা শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল আমদানি করে বিদেশে তামাক রপ্তানি করে আসছে। তবে সার্বিক বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষাগারগুলোর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

খেলা ডেস্ক: দেশজুড়ে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশের লক্ষ্যে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য সিলেট জেলা ও মহানগরী এলাকা মিলিয়ে ইতোমধ্যে প্রায় তেতাল্লিশ হাজার শিক্ষার্থী তাদের নাম নিবন্ধন করেছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়াবিদ তুলে আনার এই বিশাল কর্মযজ্ঞে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজকদের উৎসাহিত করেছে।

আসন্ন এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মোট দশটি ভিন্ন ডিসিপ্লিনে লড়াই করবে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীরা। ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল ও ক্রিকেট ছাড়াও কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, মার্শাল আর্ট, সাঁতার, ভলিবল এবং টেবিল টেনিস। মূলত উপজেলা পর্যায় থেকে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়ে পরবর্তীতে তা ধাপে ধাপে জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত হবে, যা খুদে খেলোয়াড়দের মেধা প্রদর্শনের বড় সুযোগ তৈরি করবে।

সম্প্রতি নগর ভবনের সভাকক্ষে এই বিশাল আয়োজন সফল করার লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান যে, এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী এই ক্রীড়া কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন এবং সিলেট জেলা স্টেডিয়ামেও এর অংশ হিসেবে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

সভায় নগর এলাকায় খেলার মাঠের সংকট দূর করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রশাসক জানান যে, প্রতিটি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং এলাকার পরিত্যক্ত স্থানগুলোকে মাঠ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনস্থ মাঠগুলোও সংস্কার করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

শিক্ষা ডেস্ক: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত ৩৭ দফা দাবির বেশিরভাগই দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, প্রধান ফটকের নামকরণ এবং পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কিছু পরিবর্তন আসলেও আবাসন সংকট, জমি অধিগ্রহণ, লাইব্রেরি ও চিকিৎসাসেবার মতো মৌলিক দাবিগুলো ঝুলে রয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের সামগ্রিক পরিবেশ উন্নত করতে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে এসব দাবি পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বেশ কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ৩৭ দফা দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে প্রধান ফটকের নাম পরিবর্তন করে শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ রাখা এবং পরীক্ষার খাতায় কোডিং পদ্ধতি চালুর দাবি আংশিকভাবে রক্ষা করা হলেও বাকিগুলো উপেক্ষিত থেকে যায়। এর মধ্যে শহীদদের স্মরণে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি এবং ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের জন্য নতুন জমি অধিগ্রহণের কাজও স্থবির হয়ে আছে। এছাড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সেই অনুপাতে আবাসিক হলের আসনসংখ্যা না বাড়ায় শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করার বিষয়টি এখনো অধরা রয়ে গেছে। চারুকলা স্কুলের জন্য স্বতন্ত্র ভবন নির্মাণ এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কারের দাবিগুলোও দীর্ঘ সময় ধরে ফাইলবন্দি হয়ে আছে।

প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে এবং পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে অন্যান্য দাবিগুলোর অবস্থাও বেশ হতাশাজনক। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটি চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি এবং হলভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে কোনো ফোরাম গঠিত হয়নি। এমনকি চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, বিনাসুদে শিক্ষাঋণ প্রদান, ক্যারিয়ার প্লেসমেন্ট সেন্টার এবং একটি স্বতন্ত্র অভিযোগ সেল গঠনের দাবিগুলো এখনো আলোর মুখ দেখেনি। পরীক্ষার নম্বর বিন্যাসে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবিত রূপরেখা পুরোপুরি না মেনে আংশিক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এসব কারণে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন প্রশাসন তাদের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে যথেষ্ট আন্তরিকতার পরিচয় দিচ্ছে না।

শিক্ষার্থীদের বড় অভিযোগ হলো, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি বাস্তবায়নের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হচ্ছে না। কোন কোন দাবি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, কোনগুলো প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে এবং নীতিগত বা আর্থিক কী ধরনের জটিলতার কারণে বাকিগুলো আটকে আছে—তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন যে শিক্ষার্থীদের প্রতিটি যৌক্তিক দাবি প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করছে। যেসব বিষয় দ্রুত সমাধানযোগ্য ছিল তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং অবকাঠামোগত ও অর্থায়নসংশ্লিষ্ট জটিল দাবিগুলো ধাপে ধাপে সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।