খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাংলাদেশে পুশব্যাক করা নারীকে খুঁজে বের করতে কেন্দ্র ও অসম সরকারকে গুয়াহাটি হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে পুশব্যাক করা নারীকে খুঁজে বের করতে কেন্দ্র ও অসম সরকারকে গুয়াহাটি হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ

বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত

ভারত থেকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া এক নারীর হদিস পেতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং অসম প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কড়া নির্দেশ জারি করেছেন গুয়াহাটি হাইকোর্ট। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে অসমের নগাঁও জেলার চার নম্বর ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল চত্বর থেকে মমতাজ বেগম নামের এক গৃহবধূকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে তাঁকে গোয়ালপাড়ার মাটিয়া আটককেন্দ্র থেকে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মাধ্যমে সীমান্ত পার করিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতিলিপি না পাওয়ায় উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগও তিনি পাননি, যা পরবর্তীকালে তাঁর স্বামীর দায়ের করা হেবিয়াস কর্পাস মামলায় প্রকাশ্যে আসে। নাগরিকত্ব প্রমাণের সুযোগ না দিয়ে বহিষ্কারের বিষয়ে সম্প্রতি ভারতের সুপ্রিম কোর্টও ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং পূর্বে এমন একটি ঘটনায় গুয়াহাটি হাইকোর্ট ভুক্তভোগী এক ভারতীয় নাগরিকের স্বামীকে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় দিয়েছিল। এছাড়া ভারতীয়দের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে সম্প্রতি সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

গত বুধবার বিচারপতি কল্যাণ রাই সুরানা এবং বিচারপতি প্রাঞ্জল দাসের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানান যে, বিদেশ মন্ত্রক ও রাজ্য সরকারকে অতি দ্রুত নিখোঁজ ওই নারীর বর্তমান অবস্থান শনাক্ত করতে হবে। জানা গেছে, মে মাসের রায়ের সারসংক্ষেপ তৈরির নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে একটি প্রশাসনিক তদন্ত সমাপ্ত হয়েছে এবং সেই সংক্রান্ত রিপোর্টটি আদালতে পেশ করার প্রস্তুতি চলছে। ইতিপূর্বে বিদেশ মন্ত্রকের কৌঁসুলি আদালতকে অবহিত করেছিলেন যে সংশ্লিষ্ট নারীকে খুঁজে বের করার তৎপরতা ইতিপূর্বে শুরু হয়েছে। ২০১৯ সালেও ট্রাইব্যুনাল মমতাজ বেগমকে বিদেশি আখ্যা দিয়েছিল, তবে উচ্চ আদালত সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে পুনরায় বিবেচনার নির্দেশ দেন। কিন্তু শুনানির নির্দিষ্ট দিনে আদালতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রশাসনের হলফনামা জমার পর আগামী নভেম্বর মাসে মামলাটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

advertisement
advertisement

প্রথমবারের মতো স্পর্শনির্ভর পর্দার ম্যাকবুক ল্যাপটপ আনার ঘোষণা দিল অ্যাপল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রথমবারের মতো স্পর্শনির্ভর পর্দার ম্যাকবুক ল্যাপটপ আনার ঘোষণা দিল অ্যাপল

প্রথমবারের মতো স্পর্শনির্ভর পর্দার ম্যাকবুক ল্যাপটপ আনার ঘোষণা দিল অ্যাপল

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তি বিশ্বে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে এবার সম্পূর্ণ নতুন ধারার ল্যাপটপ নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা প্রথমবারের মতো স্পর্শনির্ভর পর্দা বা টাচস্ক্রিন সংবলিত ম্যাকবুক ল্যাপটপ বাজারে আনতে যাচ্ছে। এই ঘোষণা আসার পর থেকেই প্রযুক্তিপ্রেমী ও অ্যাপল ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারকারীদের পক্ষ থেকে ম্যাকবুকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি যুক্ত করার জোরালো দাবি ছিল।

আসন্ন এই বিশেষ ডিভাইসটির আনুষ্ঠানিক নামকরণ করা হয়েছে ম্যাকবুক প্রো উইথ প্রোলেড এক্সডিআর ডিসপ্লে। এই ল্যাপটপের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে এর অত্যন্ত উন্নতমানের স্পর্শনির্ভর পর্দা, যা ব্যবহারকারীদের কাজের অভিজ্ঞতা পুরোপুরি বদলে দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণ ল্যাপটপের তুলনায় এর ডিসপ্লে অনেক বেশি উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত এবং নিখুঁত রঙের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। প্রথাগত কিবোর্ড ও ট্র্যাকপ্যাডের পাশাপাশি স্ক্রিন ছোঁয়া মাত্রই কাজ করার সুবিধা থাকায় পেশাদার কাজের ক্ষেত্রে এটি দারুণ সহায়ক হবে।

অ্যাপলের প্রকৌশলী ও গবেষকরা দীর্ঘ সময় ধরে এই স্পর্শনির্ভর প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও স্থায়িত্ব নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে টাচ সুবিধা যুক্ত করার ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যাটারির স্থায়িত্ব এবং পর্দার দীর্ঘস্থায়িত্ব নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জ থাকে। তবে অ্যাপল দাবি করেছে যে, তাদের নতুন এই মডেলে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে এসব সমস্যার সফল সমাধান করা হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীরা দীর্ঘক্ষণ চার্জের চিন্তা ছাড়াই অনায়াসে ল্যাপটপটি ব্যবহার করতে পারবেন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপলের এই সাহসী পদক্ষেপ ল্যাপটপ শিল্পে এক নতুন প্রতিযোগিতার জন্ম দেবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন তাদের ল্যাপটপে আরও উন্নত স্পর্শনির্ভর পর্দা যুক্ত করার কথা ভাবতে বাধ্য হবে। খুব শীঘ্রই নতুন এই ম্যাকবুকটির চূড়ান্ত প্রকাশ এবং বাজারজাতকরণের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর দাম এবং নির্দিষ্ট ফিচারের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে প্রযুক্তি দুনিয়ার নজর এখন অ্যাপলের পরবর্তী আনুষ্ঠানিক ইভেন্টের দিকে।

বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় বেকো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় বেকো

বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় বেকো

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশে নিজেদের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা আরও সম্প্রসারিত করতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার জোরালো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তুরস্কের বিখ্যাত কচ্ গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বেকো। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফর করেছেন এবং এ দেশের বাজারে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল এ অঞ্চলের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং উৎপাদন খাতের পরিধি আরও বড় করা।

সফরকালে তুরস্কের কচ্ হোল্ডিং ও বেকোর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক স্থাপনা সরেজমিন পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন কচ্ হোল্ডিংয়ের কনজ্যুমার ডিউরেবলস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট পোলাট সেন, বেকো এশিয়া, রাশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা এবং আর্সেলিক-হিটাচির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাফর উস্টুনার এবং বেকোর প্রধান উৎপাদন ও প্রযুক্তি কর্মকর্তা নিহাত বায়িজ। তারা সবাই মিলে সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রধান উৎপাদন কারখানা, অত্যাধুনিক ধারণাভিত্তিক বিক্রয়কেন্দ্র বা কনসেপ্ট স্টোর এবং করপোরেট কার্যালয় ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে আয়োজিত বৈঠকে সিঙ্গার বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম এইচ এম ফাইরোজ অতিথিদের সামনে দেশের সার্বিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দিকগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সিঙ্গার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং এ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তাদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সামনে দেশের বাজারের এই ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরায় ব্যবসার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠকে আরও আলোচনা হয় সিঙ্গার বাংলাদেশের সার্বিক কার্যপদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের নানা দিক নিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তা জানান যে তারা উৎপাদন প্রক্রিয়া, বিপণন কৌশল এবং কর্মীদের কর্মপরিবেশ—এই তিনটি প্রধান ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তুর্কি প্রতিনিধি দল সিঙ্গার বাংলাদেশের এই রূপান্তর ও অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং এ দেশের বাজারে তাদের অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

স্বাস্থ্য ডেস্ক: মাত্র কুড়ি বা ত্রিশ বছর বয়সে মাথার চুল পেকে যাওয়া কিংবা চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। বন্ধুদের ঘন ও কালো চুলের বিপরীতে নিজের মাথায় রূপালি চুল দেখলে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। রূপচর্চার বাজারে নানা ধরনের প্রসাধনী ও ঘরোয়া উপায়ের ছড়াছড়ি থাকলেও সঠিক কারণ না জেনে সমাধান খোঁজা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, অল্প বয়সে চুল পাকার পেছনে কেবল বংশগত বা জিনগত কারণই নয়, বরং জীবনযাত্রা এবং নানা জৈবিক বিষয়ও সমানভাবে জড়িত থাকে।

চুল সাদা হওয়া মূলত একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া হলেও বয়সের আগেই তা ঘটার পেছনে জিনগত বৈশিষ্ট্যের বড় ভূমিকা রয়েছে। গবেষকদের মতে, অসময়ে চুল পাকার জন্য প্রায় ছয়টি বিশেষ জিন দায়ী, যা শরীরের হরমোন নিয়ন্ত্রণ, কোষ পুনর্গঠন এবং ভিটামিনের ব্যবহারকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, এআর এবং এসআরডি৫এ২ জিনগুলো হরমোনের সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে চুল দ্রুত পাকা ও পড়ার প্রবণতা তৈরি করে। একইভাবে ইএসআর১, এমটিএইচএফআর, ভিডিআর এবং এইচআফই জিনগুলো চুলের বৃদ্ধিতে, পুষ্টি জোগাতে এবং শরীরের বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তবে পরিবারে কারও কম বয়সে চুল পাকার ইতিহাস থাকলেই যে সবার ক্ষেত্রে অবিকল একই ঘটনা ঘটবে, এমন কোনো নিশ্চিত নিয়ম নেই। জিন ছাড়াও আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাস চুলের স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। শরীরে ভিটামিন বি বারো, ভিটামিন ডি, আয়রন কিংবা জিঙ্কের মতো জরুরি পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দিলে চুল তার স্বাভাবিক রং হারাতে শুরু করে। এছাড়া থাইরয়েডজনিত সমস্যা কিংবা অটোইমিউন রোগের কারণেও চুল পড়ার হার মারাত্মকভাবে বেড়ে যেতে পারে।

অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং ধূমপানের মতো বদভ্যাস চুলের গোড়ায় অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়িয়ে দেয় এবং রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। বংশগত কারণে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার এই সমস্যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া বলা হয়ে থাকে। অনেকেই এই সমস্যা সমাধানে যত্রতত্র বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট সেবন শুরু করেন, যা জিনের সংবেদনশীলতার ওপর সবসময় কার্যকর হয় না। তাই নিজে নিজে চিকিৎসা না করে একজন বিশেষজ্ঞ চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত, যাতে সঠিক লাইফস্টাইল ও চিকিৎসা পরিকল্পনার মাধ্যমে চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা যায়।