খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও করণীয় শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। দেশের প্রতিটি এলাকায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ করার তাগিদ দিয়ে তিনি ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো স্থাপনাগুলো দ্রুত শনাক্ত করার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এই বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়াদি অবহিত করেন।

জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বহুমুখী প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে রাজধানীসহ দেশের সকল ভূমিকম্পপ্রবণ জনপদে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে আধুনিক সরঞ্জামের পর্যাপ্ততা এবং উদ্ধারকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও জানান তিনি।

দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, রাজউক, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেকোনো বড় ধরনের দুর্যোগে সম্মিলিতভাবে কাজ না করলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সজাগ থেকে পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে, যাতে যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেওয়া যায়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূমিকম্প বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালুর ওপরও তিনি জোর দেন।

সভাটিতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো জনবহুল ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে যাতে কোনো ত্রুটিপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কাঠামো না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। উক্ত সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজুসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
advertisement

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং শিল্পায়নের গতিকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বন্ধুরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন এক উচ্চতায় উন্নীত করার প্রচেষ্টা চলছে। দুই দেশের মধ্যকার এই সহযোগিতামূলক সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প এবং শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার নানা উদ্যোগ। সম্প্রতি জাপান সফরকালে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদারত্বে অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে বিখ্যাত বিগ-বি বা বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট উদ্যোগ। এই মহাপরিকল্পনার আওতায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি শক্তিশালী শিল্প করিডর গড়ে তোলার কাজ চলছে, যা সমগ্র অঞ্চলের বাণিজ্যের গতিপথ বদলে দিতে পারে। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে জাপানি অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি মাত্রায় পুঁজি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান শ্রমবাজার, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সুবিধা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ জাপানি উদ্যোক্তাদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। পাশাপাশি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে কেবল শিল্পায়নই ত্বরান্বিত হবে না, বরং লাখ লাখ যুবকের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রবৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

পরিশেষে, এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কেবল অর্থনৈতিক লেনদেনের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দুই দেশের বন্ধুত্বের শেকড় আরও গভীরে প্রোথিত করার একটি অনন্য মাধ্যম। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং উন্নত বিশ্বের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে দেশের তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করতে এ ধরনের কূটনৈতিক সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উভয় দেশের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সদিচ্ছা এবং সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের এই অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

রাহুল গান্ধী কোনো দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না: অমিত শাহ

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর কঠোর সমালোচনা করে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছেন যে তিনি কখনোই প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। সম্প্রতি হায়দরাবাদে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। ভারতীয় জনতা পার্টির জ্যেষ্ঠ এই নেতা এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন, যখন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা বিষয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। সমাবেশে উপস্থিত সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে দেওয়া তাঁর এই বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাংক রক্ষা করার জন্য কংগ্রেস দল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ তোলেন অমিত শাহ। তাঁর মতে, ভোটার তালিকা থেকে অবৈধ ও অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কংগ্রেস সেটি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। ভুয়া ভোটের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় আসার অপচেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কংগ্রেসের এই আপত্তি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত এবং অনৈতিক।

এ সময় রাহুল গান্ধীর পক্ষ থেকে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার যে দাবি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেন অমিত শাহ। তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন যে বাদ পড়া নামগুলোর একটি বড় অংশের মানুষ অন্য স্থানে চলে গেছেন অথবা মৃত ব্যক্তি। যেসব ভোটার অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়েছেন কিংবা মারা গেছেন, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বলে তিনি উল্লেখ করেন। মৃত ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে অতীতে বা বর্তমানে কোনো সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

তেলেঙ্গানার কংগ্রেস সরকারের তীব্র সমালোচনা করে অমিত শাহ বলেন, রাজ্যটিকে দিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোর জন্য একটি এটিএমে পরিণত করেছে বর্তমান রাজ্য সরকার। এছাড়াও অতীত সরকারের আমলের বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোটের শাসনকালে বড় ধরনের দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক তহবিলের অপব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করতে এই সমাবেশে জোরালো আক্রমণাত্মক অবস্থান নেন ভারতীয় জনতা পার্টির এই শীর্ষ নেতা।

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘ আড়াই বছরের দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে রাজধানী ঢাকায় পুনরায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ইউএস ট্রেড শো। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই বিশেষ বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বাণিজ্যিক সম্পর্কের এই নতুন যাত্রার মূল লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। দেশের বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তা এবং মার্কিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে এই বিশাল বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

এই বাণিজ্য প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক পণ্য, প্রযুক্তি এবং সেবা প্রদর্শন করবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে মার্কিন পণ্যের পরিচিতি বাড়ার পাশাপাশি দেশীয় উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন। বিশেষ করে দেশের উদীয়মান শিল্পখাতগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

আয়োজক কর্তৃপক্ষের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ট্রেড শো দুই দেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।