খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ঢাকায় পাসের হার ৭৯%, মানিকগঞ্জে ৩৮%, এইচএসসির ফলে শহর-গ্রামে বড় বৈষম্য

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় পাসের হার ৭৯%, মানিকগঞ্জে ৩৮%, এইচএসসির ফলে শহর-গ্রামে বড় বৈষম্য

ঢাকায় পাসের হার ৭৯%, মানিকগঞ্জে ৩৮%, এইচএসসির ফলে শহর-গ্রামে বড় বৈষম্য

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শহর ও গ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে এক গভীর বৈষম্য প্রকট হয়ে উঠেছে। প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, রাজধানী ঢাকায় পাসের হার ও ভালো ফলের প্রবণতা যতটা সন্তোষজনক, মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলে তা বেশ হতাশাঞ্জক। বিশেষ করে দেশের কিছু জেলার ফলাফল বিশ্লেষণ করলে এই ব্যবধান আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে, যা নিয়ে শিক্ষাবিদদের মধ্যেও নতুন করে চিন্তার উদ্রেক হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এর সঙ্গে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল যুক্ত করলে শীর্ষ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তবে এই সাফল্যের বড় একটি অংশই এসেছে শহরাঞ্চলের বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে, যেখানে পাসের হার এবং জিপিএ অর্জনের হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি থাকে।

রাজধানী ঢাকায় এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৯ শতাংশের কাছাকাছি, যা দেশের সামগ্রিক গড়ের তুলনায় বেশ উঁচুতে অবস্থান করছে। অন্যদিকে ঢাকা বিভাগেরই একটি জেলা মানিকগঞ্জে এই পাসের হার নাটকীয়ভাবে নেমে মাত্র ৩৮ শতাংশে ঠেকেছে। একই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভেতরে শহর ও গ্রামের এই বিশাল পাসের হারের ব্যবধান প্রমাণ করে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো, শিক্ষক সংকট এবং সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে এখনও বিরাট ফারাক রয়ে গেছে।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মানসম্মত শিক্ষা উপকরণের অভাব, দক্ষ শিক্ষকের স্বল্পতা এবং গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের আর্থসামাজিক অবস্থা এই বৈষম্য তৈরির প্রধান কারণ। কেবল পাসের হারের এই ব্যবধান দূর করতে না পারলে সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত উন্নতি অর্জন করা সম্ভব হবে না বলে তারা সতর্ক করেছেন। তাই শিক্ষা প্রশাসনকে এখন মফস্বল ও গ্রাম অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়নে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

advertisement
advertisement

৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ৪ নভেম্বর থেকে তিন দিন দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পাবে। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন বা পেট্রোবাংলা সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাসের দৈনিক সরবরাহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে জানানো হয়েছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাসের সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে হ্রাস পেয়ে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ করা হবে। আগামী ৪ নভেম্বর সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ ৭ নভেম্বর বিকেল চারটা পর্যন্ত একটানা চলবে।

এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন বা প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কারণে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় এই ঘাটতি দেখা দেবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে এবং রান্নাবান্না ও শিল্পকারখানার উৎপাদনে কিছু বিঘ্ন ঘটতে পারে।

জরুরি এই কাজের কারণে গ্রাহকদের সাময়িক এই অসুবিধার মুখে পড়তে হওয়ায় পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। নির্ধারিত তিন দিন পর রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সফলভাবে শেষ হলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সামরিক সংঘাত থামানোর লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরালো হওয়ার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি শান্ত করার এই কূটনৈতিক উদ্যোগে তেলের আন্তর্জাতিক বাজার অনেকটাই স্বস্তি ফিরে পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এশিয়া অঞ্চলের শেয়ার ও পণ্যের বাজারে লেনদেনের শুরুতেই জ্বালানি তেলের এই দরপতন লক্ষ্য করা যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য এক শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে। মূলত ইরান ও কাতারের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা চলমান সংকট নিরসনে এবং একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ধারাবাহিক বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন। টানা তিন দিন ধরে চলা এই আলোচনা ইতিবাচক দিকে মোড় নেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকট কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সর্বশেষ বাজারভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বহুল প্রচলিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৫১ ডলার বা ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বর্তমানে ১শ ১১ দশমিক ৯২ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে গত কিছুদিন ধরে তেলের বাজারে যে অস্থিরতা বিরাজ করছিল, এই দরপতনের মাধ্যমে তা কিছুটা হলেও কমল।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও সমহারে হ্রাস পেয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রতি ব্যারেলের দাম ১ দশমিক ৭৮ ডলার বা ১ দশমিক ৭১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১শ ২ দশমিক ৩৪ ডলারে। কূটনৈতিক আলোচনার ফলস্বরূপ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার প্রত্যাশা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের এই দরপতন ঘটে বলে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।

মোটরসাইকেল ভেদে পরিবর্তন করা যাবে সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা, বিধি মালা সংশোধন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মোটরসাইকেল ভেদে পরিবর্তন করা যাবে সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা, বিধি মালা সংশোধন

মোটরসাইকেল ভেদে পরিবর্তন করা যাবে সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা, বিধি মালা সংশোধন

জাতীয় ডেস্ক: মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট সংযোজন এবং নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে সড়ক পরিবহন বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর ফলে দুই চাকার এই বাহনটির মডেল ও গঠনবৈচিত্র্য অনুযায়ী সামনের নম্বরপ্লেটের নকশায় ভিন্নতা আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। মূলত চালক ও মালিকদের দীর্ঘদিনের দাবির কথা বিবেচনা করে এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত এই বিধিমালা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তা কার্যকর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা বিআরটিএ চাইলে মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে এক লাইনে বা অনুভূমিক রেখায় নিবন্ধন নম্বর লেখার অনুমতি দিতে পারবে। এতদিন সাধারণত নির্দিষ্ট নিয়মে নির্দিষ্ট মাপে নম্বর লিখতে হতো, যা অনেক সময় সব ধরনের বাইকের সঙ্গে মানানসই হতো না। এখন থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বাইকের সামনের কাঠামোর ভিন্নতা বিবেচনা করে একাধিক মাপের বিপরীতমুখী আলো প্রতিফলক বা রিফ্লেক্টিভ নম্বরপ্লেট ব্যবহারের অনুমোদন দিতে পারবে সংস্থাটি। এর ফলে নম্বরপ্লেট সংযোজন প্রক্রিয়া আরও বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুধু নম্বর এক লাইনে লেখাই নয়, নম্বরপ্লেটের সার্বিক মাপজোক নির্ধারণের ক্ষেত্রেও বিআরটিএকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে নম্বরপ্লেটের আকার, ব্যবহৃত অক্ষরের উচ্চতা এবং বিভিন্ন চিহ্নের সুনির্দিষ্ট মাপ সংস্থাটি নিজেই নির্ধারণ করতে পারবে। এছাড়া সামনের নম্বরপ্লেটে কোন জেলা বা অঞ্চল থেকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে তা নির্দেশকারী অক্ষর, গাড়ির শ্রেণি বোঝানোর অক্ষর, পাশাপাশি দুটি অক্ষরের মাঝখানের ফাঁকা জায়গা এবং হাইফেনের দৈর্ঘ্য কত হবে, তা ঠিক করে দেওয়ার এখতিয়ারও তাদের দেওয়া হয়েছে। এক লাইনে নম্বর লেখার ক্ষেত্রে জেলা ও শ্রেণির অক্ষরের পর নির্দিষ্ট মাপের হাইফেন ব্যবহারেরও সুনির্দিষ্ট সুযোগ রাখা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ সালের ১২২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার সড়ক পরিবহন বিধিমালায় এই গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন এনেছে। ২০২২ সালে প্রণীত সড়ক পরিবহন বিধিমালার ৩৬ নম্বর বিধিটি সংশোধন করেই মূলত এই নতুন বিধানগুলো যুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সংশোধনের ফলে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের নম্বরপ্লেটসংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে এবং বিআরটিএ আরও সুচারুভাবে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। অবিলম্বে কার্যকর হওয়া এই বিধিমালার সফল বাস্তবায়নে শিগগিরই মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো হতে পারে।