খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

স্কুলে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

নীলফামারীর জলঢাকায় স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেল যোগে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত শিক্ষিকা উম্মে কুলসুম (৪৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) সকালে উপজেলার গোদর বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত উম্মে কুলসুম শৌলমারী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ও শৌলামারি মুন্সিপাড়া এলাকার আলিমুজ্জামানের স্ত্রী। নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উম্মে কুলসুম ও তার স্বামী একই বিদ্যালয়ে চাকরি করেন। আজ সকালে তারা মোটরসাইকেল যোগে বিদ্যালয়ের দিকে যাচ্ছিলেন এসময় গোদর বাজার এলাকায় পোঁছালে উম্মে কুলসুম মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন৷ সেখানে দুপুরে উম্মু কুলসুম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এবিষয়ে জলঢাকা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো শরিফুল ইসলাম বলেন, গতকাল শিক্ষিকার সন্তানের এইচএসসি ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় তিনি মানসিকতাভাবে দুর্বল ছিলেন। শিক্ষিকা উম্মে কুলসুম আজকে স্কুলে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আমরা বিষয়টি জেনেছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

The post স্কুলে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু appeared first on দৈনিক নীলফামারী বার্তা.

advertisement
advertisement

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতে চলমান সংকট নিরসনে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হলেও রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক বিক্ষোভ এবং ভাংচুরের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এমন এক অস্থির ও থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে গত রোববার রাতে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারকদের এই বৈঠকে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের পেছনের কারণ এবং এর নেপথ্য চক্রান্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সরকারের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী অংশ নেন, যার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং শ্রমমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বৈঠকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে মূলত শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির আড়ালে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক মহল পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে গভীর পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক মহল থেকে জানানো হয় যে, সাধারণ শ্রমিকদের অসন্তোষকে পুঁজি করে এবং তাদের কাঁধে ভর দিয়ে দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পরিচিত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে এই সহিংসতা ও ভাংচুরের ইন্ধন জুগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের মতে, পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র চলছে এবং এর পেছনে ওই রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মন্ত্রীরা এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পক্ষে মত দেন।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার শ্রমিকদের ধৈর্য ধারণ করার এবং যেকোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানানো হলেও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সহজে শান্ত হচ্ছে না। সাধারণ শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার আন্তরিক থাকলেও স্বার্থান্বেষী মহলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে অর্থনীতি ও রপ্তানি আয়ের মূল চালিকাশক্তি এই খাতটি বর্তমানে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার এখন একদিকে যেমন শ্রমিকদের দাবি দাওয়া পূরণে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি এই নাশকতার পেছনে জড়িত কুশীলবদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও জোরদার করেছে।

জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলা ও শ্রমিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকারের নীতিনির্ধারকদের নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের শিল্পকারখানা ও উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো যেন কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা রক্ষা করা বর্তমান প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শন করা হবে না। দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন সচল রাখতে প্রশাসনের সকল বিভাগকে একযোগে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শ্রম ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন যে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ কলকারখানা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণ জনগণের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা দিতে দেশের প্রতিটি নাগরিককেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে কোনো মহল যেন অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করতে না পারে, সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হবে। মন্ত্রীর মতে, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো এই শিল্পখাত, তাই যেকোনো মূল্যে এর নিরাপত্তা বিধান করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। শিল্পাঞ্চলে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মালিক, শ্রমিক ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই বৈঠকে।

এদিকে আসন্ন ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশে পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ করেছেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, একটি বিশেষ চক্র বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে অস্থিতিশীল ও বেকায়দায় ফেলতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তবে এই ধরনের দেশবিরোধী ফ্যাসিবাদী ষড়যন্ত্র রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবিলা করা হবে বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশকে নষ্ট করার জন্য নানা অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা দেশের অগ্রগতির পথে অন্তরায়। এই অপচেষ্টা প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেশের চলমান নানা সমসাময়িক ইস্যু এবং সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনাগুলো নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে পোশাক খাতের সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলন এবং মিরপুর এলাকার অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের প্রেক্ষাপট নিয়ে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। উক্ত বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ সরকারের উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকরা বৈঠকে অংশ নেন।

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

ধর্ম ডেস্ক: ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বর্তমান সময়ে ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মাধ্যম হিসেবে স্মার্টফোনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে প্রতিদিনের ইবাদত হিসেবে মুঠোফোনের অ্যাপস ব্যবহার করে কোরআন তিলাওয়াত করে থাকেন। তবে পবিত্র এই গ্রন্থ পাঠের ক্ষেত্রে পবিত্রতা বা অজু থাকা জরুরি কি না, তা নিয়ে প্রায়ই সাধারণ মানুষের মনে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন জাগে। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র হওয়ায় এর শরয়ী বিধান সম্পর্কে সঠিক ধারণা অনেকেরই অজানা থাকে।

ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, মুঠোফোনে কোরআন তিলাওয়াত করার ক্ষেত্রে সাধারণ কাগজের কোরআনের বিধান থেকে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে স্ক্রিনের গ্লাসটি একটি আলাদা আবরণ হিসেবে কাজ করে, যার ফলে ব্যবহারকারী সরাসরি মূল হরফ স্পর্শ করেন না। মূলত এই যন্ত্রের স্ক্রিনে আয়াতের লেখাগুলো প্রতিফলিত হয় এবং কাচের পর্দার মাধ্যমে তা দৃশ্যমান হয়। সরাসরি হরফ স্পর্শ না করার কারণে এই বিশেষ মাধ্যমের ক্ষেত্রে বিধান কিছুটা সহজ করা হয়েছে।

অবশ্য অজু ছাড়া মুঠোফোনে কোরআন পড়া জায়েজ হলেও, তিলাওয়াতের সর্বোচ্চ আদব ও পবিত্রতা রক্ষা করা সর্বদা উত্তম বলে বিবেচিত হয়। পবিত্র কোরআন আল্লাহর বাণী হওয়ায় এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। তাই সম্ভব হলে পূর্ণ পবিত্রতা অর্জন করে এবং অজুসহকারে তিলাওয়াত করা অধিক সওয়াবের কাজ বলে গণ্য করা হয়। তবে কোনো কারণে অজু না থাকলে শুধু চোখের দৃষ্টি বা ইশারার মাধ্যমেও স্ক্রিন থেকে তিলাওয়াত করা সম্ভব।

পরিশেষে, বর্তমান যুগের এই আধুনিক সুযোগটি ধর্মীয় জ্ঞান চর্চাকে আরও সহজ করে তুলেছে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো সময় ও পরিস্থিতিতে মানুষ সহজেই পবিত্র কালাম পড়তে পারছে। তবে শরিয়তের মূল চেতনা বজায় রেখে এবং যথাযথ আদব রক্ষা করে এই ডিজিটাল মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা উচিত বলে মনে করেন ধর্মীয় গবেষকরা।